Sale!

প্লেটো: ইউথিফ্রো ধার্মিকতা সম্পর্কে একটি সংলাপ

সক্রেটিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ‘অধার্মিকতা’ আর ‘যুবকদের কলুষিত করা’র অপরাধে; অভিযোগের খোঁজখবর করতে তিনি উপস্থিত হয়েছেন আর্কনের দরবারের রোয়াকে। ইউথিফ্রো নামের এক অ্যাথেনীয় সেখানে উপস্থিত তার পিতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার উদ্দেশ্যে; তার পিতার অবহেলার কারণে এক ক্রীতদাসের মৃত্যু ঘটেছে তাই। তার ধারণা তার পিতাকে বিচারের মুখোমুখি করাই হল ধার্মিকতা (পবিত্রতা)। সেখানে দুজনের মধ্যে ধার্মিকতা বিষয়ে যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয় তা নিয়ে রচিত হয়েছে ইউথিফ্রো।

৳ 225.00 ৳ 180.00

Book Details

Language

Binding Type

ISBN

Publishers

Release date

Pages

Translator

Size

8 X 5.2

Weight

Price

Tk 225 US : $ 20 UK : £ 10

About The Author

আমিনুল ইসলাম ভুইয়া

আমিনুল ইসলাম ভুইয়া ১৯৫৩ সালের ১ অক্টোবর নরসিংদী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এবং ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি থেকে নীতি বিশ্লেষণে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা : প্লেটোর আইনকানুন (অনুবাদ : বাংলা একাডেমি); সক্রেটিসের জবানবন্দি, ইউথিফ্রো, প্রোতাগোরাস, ক্রিতো, মেনো, ফিদো, ফিদ্রাস, লেকিজ, লাইসিস, ইউথিদামাস (অনুবাদ: পাঠক সমাবেশ); কার্ল পপার: নির্বাচিত দার্শনিক রচনা (অনুবাদ ও সম্পাদনা; ৩ খন্ডে; বাংলা একাডেমি); জগতের লাঞ্ছিত (ফ্রাঞ্জ ফাঁনোর The Wretched of the Earth-এর অনুবাদ; বাংলা একাডেমি ও মওলা ব্রাদার্স); বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা (আকবর আলি খানের Discovery of Bangladesh-এর অনুবাদ; বাংলা একাডেমি); অত্যাচারিতের শিক্ষা (পাওলো ফ্রেইরির Pedagogy of the Oppressed-এর অনুবাদ; আরবান); রবীন্দ্রনাখ: দর্শনভাবনা (মূর্ধন্য) ও প্লেটোর রিপাবলিক-এর ভূমিকা (পাঠক সমাবেশ) । ২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সচিব পদ থেকে অবসর লাভ করেন (সর্বশেষ দায়িত্বপালন: সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ)। বর্তমানে বাংলায় প্লেটোসমগ্র অনুবাদে ব্যাপৃত। পছন্দের বিষয়: বিজ্ঞানের দর্শন ও তুলনামূলক কিংবদন্তিশাস্ত্র।

সক্রেটিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ‘অধার্মিকতা’ আর ‘যুবকদের কলুষিত করা’র অপরাধে; অভিযোগের খোঁজখবর করতে তিনি উপস্থিত হয়েছেন আর্কনের দরবারের রোয়াকে। ইউথিফ্রো নামের এক অ্যাথেনীয় সেখানে উপস্থিত তার পিতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার উদ্দেশ্যে; তার পিতার অবহেলার কারণে এক ক্রীতদাসের মৃত্যু ঘটেছে তাই। তার ধারণা তার পিতাকে বিচারের মুখোমুখি করাই হল ধার্মিকতা (পবিত্রতা)। সেখানে দুজনের মধ্যে ধার্মিকতা বিষয়ে যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয় তা নিয়ে রচিত হয়েছে ইউথিফ্রো। সক্রেটিসের প্রশ্নের মুখে ইউথিফ্রো একে একে পবিত্রতার যে সংজ্ঞা উপস্থাপন করেন তা হল: (ক) মন্দিরে চুরি, বা এ ধরনের কাজ হল অধার্মিকতা; (খ) যা দেবতার প্রিয় তা-ই পবিত্র বা ধর্মসম্মত; (গ) ধার্মিকতা হল দেবতার দেখভাল করা; (ঘ) ধার্মিকতা হল প্রার্থনা আর উৎসর্গের মাধ্যমে দেবতার সন্তুষ্টিবিধান করা। এসব সংজ্ঞার কোনোটিই যুক্তির ধোপে টেকে না, কারণ, প্রথমটি একটি উদাহরণ মাত্র, সর্বজনীন কিছু নয়, তাই সংজ্ঞা নয়; দ্বিতীয় সংজ্ঞাটিতে ধার্মিকতাকে দেবতার নির্দেশের পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়েছে, যা ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে, ভিন্ন ভিন্ন দেবতার মতে ভিন্ন হতে পারে, আবার ভুল হতে পারে, স্বেচ্ছাচারীও হতে পারে। তৃতীয় ও চতুর্থ সংজ্ঞাতে ধর্মকে ব্যবসায়িক লেনদেনে পর্যবসিত করা হয়েছে। তাহলে কি যা নিজ থেকে ধার্মিকতা, তা-ই ধার্মিকতা। ধার্মিকতা যদি নিজ থেকেই ধার্মিকতা হয় তাহলে দেবতার প্রয়োজন কী, তার ভূমিকাই বা কী? আর তা যদি দেবতার নির্দেশই হয় তবে দেবতার (দেবতাদের) স্বেচ্ছাচারী হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। ইউথিফ্রো তাহলে ধার্মিকতার কোন্ পথ বেছে নেবে? এটিই ‘ইউথিফ্রোর উভয়-সংকট’। প্লেটো যে সংকটটি আবিষ্কার করেছেন, তা এক সর্বজনীন, সর্বকালীন সংকট—আমাদের কালের মানুষের সংকটও বটে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “প্লেটো: ইউথিফ্রো ধার্মিকতা সম্পর্কে একটি সংলাপ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *