জয় বঙ্গবন্ধু

মানুষের মুখ ক্যামেরার শিল্পী নাসির আলী মামুনের সৃজন-সাধনার ভরকেন্দ্র। এত মানুষের মুখের পানে চেয়ে থাকার সাধ কেন এই আলোর শিল্পীর হৃদয়ে অফুরান! আমাদের বিস্ময় জাগায়। মামুন প্রধানত ইতিহাসখ্যাত মানুষের মুখ আলোকচিত্রায়িত করেছেন। স্বদেশের খ্যাতিমান মানুষ নয় শুধু, ছয় মহাদেশের অনেক কীর্তিমানের মুখ হয়েছে মামুনের ধ্যানবিন্দু।

কিন্তু সব ছাপিয়ে একটি মানুষ, পেছনে আকাশ না থাকলে শোভমান হয় না যার ইমেজ, যার দিকে তাকিয়ে লক্ষ লক্ষ জনতা রচিত করে মানব-সমুদ্র, যাকে পরম মমতায় এ ভূখণ্ডের মানুষেরা নাম দিয়েছে বঙ্গবন্ধু। যাকে পিতৃজ্ঞান করা অনিবার্য হয়ে যায় তাঁর কীর্তির জন্য, তাই তিনি পরিজ্ঞাত হন জাতির জনক হিসেবে। তাঁকে কিশোর মামুন দেখেছেন জনতাঘনিষ্ঠ হয়ে বক্তৃতারত ভঙ্গিতে, দেখেছেন নেতাদের মাঝে মধ্যমণি হয়ে মত-বিনিময়ের একান্ত আলাপচারিতায়।

৳ 995.00 ৳ 796.00

In stock

Book Details

Weight .800 kg
Dimensions 8.9 × 8.2 × .6 in
Binding Type

Language

ISBN

Publishers

Release date

Pages

About The Author

নাসির আলী মামুন

বাংলাদেশের আলোকচিত্রের অন্যতম পুরোধা নাসির আলী মামুনের জন্ম পুরান ঢাকায় ১৯৫৩ সালে। ছোটবেলা থেকে বিখ্যাত ব্যাক্তিদের প্রতি মুগ্ধতা পরবর্তী জীবনে তাঁর পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফির অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। কিশোর বয়সে পাড়ার এক স্টুডিও থেকে ক্যামেরা ধার করে তিনি ফটোগ্রাফি শুরু করেন। ১৯৭২ সালে তাঁর হাত ধরে বাংলাদেশে পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফির সূচনা হয়। তাঁর তোলা সাদাকালো ছবিগুলো আমাদের সময় ও ইতিহাসের সম্পদ।
বর্তমান বাংলাদেশে নাসির আলী মামুন সবচেয়ে প্রভাবশালী আলোকচিত্রী হিসেবে গণ্য। বিখ্যাত সব মানুষের মুখ তাঁর ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ছবিগুলো যেমন তাঁদের ব্যাক্তিত্বের স্মারক, তেমনই নান্দনিকতার প্রতীক।
দেশে বিদেশে মামুনের ষাটটি একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সবক’টি হয়েছে প্রশংসিত। তাঁর রচিত আলোকচিত্রের বইয়ের সংখ্যা পাঁচ, এছাড়া রয়েছে প্রবন্ধ ও সাক্ষাৎকারের ১১টি বই। ২০১৭ সালে ছবিমেলা কর্তৃক তিনি ‘আজীবন সম্মাননা’ পান, একই বছর স্ট্যান্ডার্ড চার্টারড ব্যাংক ও ডেইলি স্টার তাঁকে 'সেলিব্রেটিং লাইফ' পদকে ভ‚ষিত করেন। ২০১৮ সালে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে গ্রহন করেন ‘শিল্পকলা পদক’। ২০২০ সালে বেগ আর্ট ইন্সটিটিউট অফ ফটোগ্রাফি তাঁকে ‘আলোকচিত্রাচার্য্য মনজুর আলম বেগ পদক’-এ সম্মানিত করেন।

মানুষের মুখ ক্যামেরার শিল্পী নাসির আলী মামুনের সৃজন-সাধনার ভরকেন্দ্র। এত মানুষের মুখের পানে চেয়ে থাকার সাধ কেন এই আলোর শিল্পীর হৃদয়ে অফুরান! আমাদের বিস্ময় জাগায়। মামুন প্রধানত ইতিহাসখ্যাত মানুষের মুখ আলোকচিত্রায়িত করেছেন। স্বদেশের খ্যাতিমান মানুষ নয় শুধু, ছয় মহাদেশের অনেক কীর্তিমানের মুখ হয়েছে মামুনের ধ্যানবিন্দু।

কিন্তু সব ছাপিয়ে একটি মানুষ, পেছনে আকাশ না থাকলে শোভমান হয় না যার ইমেজ, যার দিকে তাকিয়ে লক্ষ লক্ষ জনতা রচিত করে মানব-সমুদ্র, যাকে পরম মমতায় এ ভূখণ্ডের মানুষেরা নাম দিয়েছে বঙ্গবন্ধু। যাকে পিতৃজ্ঞান করা অনিবার্য হয়ে যায় তাঁর কীর্তির জন্য, তাই তিনি পরিজ্ঞাত হন জাতির জনক হিসেবে। তাঁকে কিশোর মামুন দেখেছেন জনতাঘনিষ্ঠ হয়ে বক্তৃতারত ভঙ্গিতে, দেখেছেন নেতাদের মাঝে মধ্যমণি হয়ে মত-বিনিময়ের একান্ত আলাপচারিতায়।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “জয় বঙ্গবন্ধু”

Your email address will not be published.