Skip to Content
বাংলাদেশের নদী -অভিধান

Price:

784.00 ৳


আত্মদর্শন
আত্মদর্শন
636.00 ৳
795.00 ৳ (20% OFF)
Dhaka From City to Megacity
Dhaka From City to Megacity
1,196.00 ৳
1,495.00 ৳ (20% OFF)

বাংলাদেশের নদী -অভিধান

পদ্মা-মেঘনা-যমুনা- ব্রহ্মপুত্র-বুড়িগঙ্গা-শীতলক্ষ্যা-মধুমতি-ঘাগট-তিস্তা-আগুনমুখো-বলেশ্বর-ধানসিঁড়ি – বিচিত্র নামের অসংখ্য নদ-নদী বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এসব নদীর সঙ্গে কূলবিধৌত মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। মানুষের সুখ-দুঃখ, ভাগ্য-দুর্ভাগ্যের সক্রিয় উপাদান এসব নদী। সুখ-দুঃখ বা ভাগ্যের চড়াই-উৎড়াই-সূত্রে নদীকে নিয়ে মানুষের বিচিত্র সব কথা । জীবনের অপরিহার্য উপাদান জলের উৎস-সূত্রে নদীর ওপর মানুষ অসীম নির্ভরশীল।সে নির্ভশীলতা-সূত্রে নদী তাদের আপনজন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাসে নদী কেবল জলপ্রবাহের ভৌগোলিক ধারা নয়। বরং তাদের জীবনের অনুষঙ্গী সৃষ্টিকর্তাপ্রদত্ত এক জীবন্ত সত্তা।

দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলাদেশ নদীমাতৃক হলেও নদ-নদীর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।তবে সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নদী সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত-পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে,যা আশাব্যঞ্জক। প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, দৈর্ঘ্য, ও গভীরতায় দেশের বৃহত্তম নদী হচ্ছে মেঘনা। এ নদীর মোট দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, ভৈরবের কাছে প্রস্থ দেড় কিলোমিটার ও গভীরতা ২৫ মিটার। চাঁদপুরের কাছে প্রস্থ ১৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৭ মিটার। সে জরিপে দেশের ক্ষুদ্রতম নদী হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার গোবরা। দৈর্ঘ্য মাত্র ৪ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৫ মিটার। পলি জমে এ নদীর গভীরতা হ্রাস পেয়ে ৩০ সেন্টিমিটারে উপনীত হয়েছে। অবশ্য সর্বশেষ জরিপে আরও ছোট নদীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যেমন, সুনামগঞ্জ সদরের জালু নদী, যার দৈর্ঘ্য মাত্র ১ কিলোমিটার।

এই জরিপে ১ কিলোমিটারের কম বেশকিছু জলপ্রবাহের পরিচয়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

এসব জলপ্রবাহকে অনেকে নদী বলতে চান না , খাল বা ভাড়ানি হিসেবে এসবের পরিচয়।

তবে ,পরিচয় যাই থাকুক,প্রবাহিত জলপ্রবাহই মুখ্য।

বাংলাদেশের নদ- নদীর উৎপত্তি, গতিপথ, নামকরণে অন্যবিধ তথ্য, অববাহিকা ও সন্নিহিত অঞ্চলের ঐতিহ্যিক অনুষঙ্গ, সামাজিক-রাজনৈতিক ও পরিবেশ-সংক্রান্ত বিবেচনায় নদীর গুরুত্ব ইত্যাদি বাংলাদেশ নদী অভিধান- এ সন্নিবেশিত হয়েছে, যা এ যাবৎকালে বাংলাদেশের নদ-নদীর সর্বোচ্চ সংখ্যক বিবরণ।

See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/51002/image_1920?unique=8970789

784.00 ৳ 784.0 BDT 980.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

পদ্মা-মেঘনা-যমুনা- ব্রহ্মপুত্র-বুড়িগঙ্গা-শীতলক্ষ্যা-মধুমতি-ঘাগট-তিস্তা-আগুনমুখো-বলেশ্বর-ধানসিঁড়ি – বিচিত্র নামের অসংখ্য নদ-নদী বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এসব নদীর সঙ্গে কূলবিধৌত মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। মানুষের সুখ-দুঃখ, ভাগ্য-দুর্ভাগ্যের সক্রিয় উপাদান এসব নদী। সুখ-দুঃখ বা ভাগ্যের চড়াই-উৎড়াই-সূত্রে নদীকে নিয়ে মানুষের বিচিত্র সব কথা । জীবনের অপরিহার্য উপাদান জলের উৎস-সূত্রে নদীর ওপর মানুষ অসীম নির্ভরশীল।সে নির্ভশীলতা-সূত্রে নদী তাদের আপনজন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাসে নদী কেবল জলপ্রবাহের ভৌগোলিক ধারা নয়। বরং তাদের জীবনের অনুষঙ্গী সৃষ্টিকর্তাপ্রদত্ত এক জীবন্ত সত্তা।

দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলাদেশ নদীমাতৃক হলেও নদ-নদীর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।তবে সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নদী সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত-পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে,যা আশাব্যঞ্জক। প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, দৈর্ঘ্য, ও গভীরতায় দেশের বৃহত্তম নদী হচ্ছে মেঘনা। এ নদীর মোট দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, ভৈরবের কাছে প্রস্থ দেড় কিলোমিটার ও গভীরতা ২৫ মিটার। চাঁদপুরের কাছে প্রস্থ ১৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৭ মিটার। সে জরিপে দেশের ক্ষুদ্রতম নদী হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার গোবরা। দৈর্ঘ্য মাত্র ৪ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৫ মিটার। পলি জমে এ নদীর গভীরতা হ্রাস পেয়ে ৩০ সেন্টিমিটারে উপনীত হয়েছে। অবশ্য সর্বশেষ জরিপে আরও ছোট নদীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যেমন, সুনামগঞ্জ সদরের জালু নদী, যার দৈর্ঘ্য মাত্র ১ কিলোমিটার।

এই জরিপে ১ কিলোমিটারের কম বেশকিছু জলপ্রবাহের পরিচয়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

এসব জলপ্রবাহকে অনেকে নদী বলতে চান না , খাল বা ভাড়ানি হিসেবে এসবের পরিচয়।

তবে ,পরিচয় যাই থাকুক,প্রবাহিত জলপ্রবাহই মুখ্য।

বাংলাদেশের নদ- নদীর উৎপত্তি, গতিপথ, নামকরণে অন্যবিধ তথ্য, অববাহিকা ও সন্নিহিত অঞ্চলের ঐতিহ্যিক অনুষঙ্গ, সামাজিক-রাজনৈতিক ও পরিবেশ-সংক্রান্ত বিবেচনায় নদীর গুরুত্ব ইত্যাদি বাংলাদেশ নদী অভিধান- এ সন্নিবেশিত হয়েছে, যা এ যাবৎকালে বাংলাদেশের নদ-নদীর সর্বোচ্চ সংখ্যক বিবরণ।

আবু দায়েন

আবু দায়েন জন্ম ২৭ চৈত্র। তৎকালীন ঢাকা জেলার বৈদ্যের বাজার থানার খাসের চর গ্রামে। কাশফুলে ঢাকা সে গ্রাম মেঘনার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। বেড়ে ওঠা পার্শ্ববর্তী সাতভাইয়া পাড়া গ্রামে, বর্তমান সােনারগাঁ উপজেলা। লেখাপড়া বৈদ্যের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈদ্যের বাজার এন এ এম পাইলট স্কুল, ঢাকার শহীদ সােহরাওয়ার্দী কলেজ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। কর্মসূত্রে বসবাস জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। বাংলা। বিভাগের শিক্ষক। সন্তান নীপমনন ইসলাম, স্ত্রী আফরােজা রেশমা ও মা সাবেরা খাতুনকে নিয়ে চৈতন্যের সংসার। চৈতন্য জুড়ে থাকেন। পরলােকগত পিতা মুনশি আবদুল খালেক। সংসার, সমাজ, রাষ্ট্র ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বােধ বরাবর। সে-বিবেচনায়। আত্মীয়-পরিজন ও দেশ-জনতার যাবতীয় অনুষঙ্গ চৈতন্যের অংশীদার। সাহিত্য-রাজনীতি-সংস্কৃতির বিবিধ বিষয়ে বােঝাপড়ার প্রয়ােজনে স্বল্পপরিসরে নিবেদিত কবিতা রচনা ও মৌলিক গবেষণায়, কখনাে আগ্রহী রাজনৈতিক কলাম রচনায় । প্রকাশিত গ্রন্থ : কবিতা জল ও ঝিনুকের গল্প (২০০৭) ভুবনবিত্তান্ত (২০১০) জল হবে জলবন্দি (২০১১) গবেষণাগ্রন্থ : বাংলাদেশের লােকছড়া (২০১১)

Title

বাংলাদেশের নদী -অভিধান

Author

আবু দায়েন

Publisher

Mowla Brothers

Number of Pages

300

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Environment/ Nature
  • First Published

    AUG 2025

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    পদ্মা-মেঘনা-যমুনা- ব্রহ্মপুত্র-বুড়িগঙ্গা-শীতলক্ষ্যা-মধুমতি-ঘাগট-তিস্তা-আগুনমুখো-বলেশ্বর-ধানসিঁড়ি – বিচিত্র নামের অসংখ্য নদ-নদী বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এসব নদীর সঙ্গে কূলবিধৌত মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। মানুষের সুখ-দুঃখ, ভাগ্য-দুর্ভাগ্যের সক্রিয় উপাদান এসব নদী। সুখ-দুঃখ বা ভাগ্যের চড়াই-উৎড়াই-সূত্রে নদীকে নিয়ে মানুষের বিচিত্র সব কথা । জীবনের অপরিহার্য উপাদান জলের উৎস-সূত্রে নদীর ওপর মানুষ অসীম নির্ভরশীল।সে নির্ভশীলতা-সূত্রে নদী তাদের আপনজন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাসে নদী কেবল জলপ্রবাহের ভৌগোলিক ধারা নয়। বরং তাদের জীবনের অনুষঙ্গী সৃষ্টিকর্তাপ্রদত্ত এক জীবন্ত সত্তা।

    দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলাদেশ নদীমাতৃক হলেও নদ-নদীর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।তবে সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নদী সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত-পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে,যা আশাব্যঞ্জক। প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, দৈর্ঘ্য, ও গভীরতায় দেশের বৃহত্তম নদী হচ্ছে মেঘনা। এ নদীর মোট দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, ভৈরবের কাছে প্রস্থ দেড় কিলোমিটার ও গভীরতা ২৫ মিটার। চাঁদপুরের কাছে প্রস্থ ১৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৭ মিটার। সে জরিপে দেশের ক্ষুদ্রতম নদী হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার গোবরা। দৈর্ঘ্য মাত্র ৪ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৫ মিটার। পলি জমে এ নদীর গভীরতা হ্রাস পেয়ে ৩০ সেন্টিমিটারে উপনীত হয়েছে। অবশ্য সর্বশেষ জরিপে আরও ছোট নদীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যেমন, সুনামগঞ্জ সদরের জালু নদী, যার দৈর্ঘ্য মাত্র ১ কিলোমিটার।

    এই জরিপে ১ কিলোমিটারের কম বেশকিছু জলপ্রবাহের পরিচয়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

    এসব জলপ্রবাহকে অনেকে নদী বলতে চান না , খাল বা ভাড়ানি হিসেবে এসবের পরিচয়।

    তবে ,পরিচয় যাই থাকুক,প্রবাহিত জলপ্রবাহই মুখ্য।

    বাংলাদেশের নদ- নদীর উৎপত্তি, গতিপথ, নামকরণে অন্যবিধ তথ্য, অববাহিকা ও সন্নিহিত অঞ্চলের ঐতিহ্যিক অনুষঙ্গ, সামাজিক-রাজনৈতিক ও পরিবেশ-সংক্রান্ত বিবেচনায় নদীর গুরুত্ব ইত্যাদি বাংলাদেশ নদী অভিধান- এ সন্নিবেশিত হয়েছে, যা এ যাবৎকালে বাংলাদেশের নদ-নদীর সর্বোচ্চ সংখ্যক বিবরণ।

    No Specifications