পরনে তার কয়েদির পোশাক, যার বুকে সংখ্যাটি খোদাই ২৩৪। পাথরের মেঝেতে বসে আব্র তার পুরনো ভায়োলিনটি হাতে তুলে নেয়। কারাগারের এই নির্জনতায়, অনেকেই নানা উপায়ে দিন গোনে। কিন্তু আব্র? সে তার ভায়োলিনের সুরে হারায়, আর মাঝেমধ্যে ডায়েরির পাতায় কলমের আঁচড়ে জীবন্ত করে তোলে তার চন্দ্রাবালার স্মৃতি। সেই ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠায়, ধূলিমলিন কালিতে এখনো লেখা—
“পাপ-পুণ্যের হিসাব চুকিয়ে, হাশরের ময়দানে আমাদের আরেকবার সাক্ষাৎ হোক।”