আজ থেকে প্রায় চল্লিশ বছর আগে ১৯৮৬ সালে অধ্যাপক সরদার ফজলুর করিম তাজউদ্দীন আহমদ সম্পর্কে বলেছিলেন, তাজউদ্দীনের আর্বিভাব হয়েছিল তাঁর সময়ের আগেই এবং তাঁকে বুঝে উঠতে আমাদের এখনও বাকি।
অন্তরালে থাকা কর্মবীর এই মানুষটিকে আবিষ্কার করা, ‘তাজউদ্দীন আহমদ : আলোকের অনন্তধারা’ (দ্বিতীয় খণ্ড) সেই চেষ্টারই একটি অংশ। ৩৩ জনের স্মৃতিচারণ নিয়ে প্রকাশিত হলো এই বইটি, যা পড়লে জানা যাবে তরুণ বয়স থেকে তাজউদ্দীন কিভাবে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছেন ভবিষ্যতের জন্য। হয়ে উঠছেন সমাজকর্মী থেকে দেশভক্ত রাজনীতিবিদ। মুক্তিযুদ্ধের নেতা, প্রধানমন্ত্রী।
‘যুদ্ধে জয়লাভ করতেই হবে’–এই কঠিন প্রত্যয়ে ৭১-এর যুদ্ধকালীন সীমাহীন কর্মবিশালতাকে একনিষ্ঠ সাধনায় বিজয়ের চূড়ান্তে নিয়ে যাওয়া তাজউদ্দীন। সর্বোপরি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি সীমাহীন ভালোবাসায় পরিপূর্ণ একজন সৎ মানুষের স্বচ্ছ ছবি ভেসে ওঠে এখানে।