ভূমিকা
মানুষের একদা বেঁচে থাকার লড়াই একসময় রূপ নেয় সুখী হওয়ার জার্নিতে। তৈরি হয়েছে আইন-কানুন, সমাজ, রাষ্ট্র, সভ্যতা, বসতি আর বিশাল বিশাল সব নির্মাণ। তবু সে সুখ খুঁজে পায়নি। তারপর শুরু হয়েছে যুদ্ধ-জাতিতে- জাতিতে, গোত্রে-গোত্রে, দেশে-দেশে, ভাইয়ে ভাইয়ে আত্মীয়ে-আত্মীয়ে। সে তারপরও সুখ খুঁজে পায়নি। সুখের খোঁজে কী করেনি সে। তারপর শুরু হলো বিনিময় প্রথা। কিছুর বিনিময়ে অন্য কিছু দেওয়া-নেওয়া। তবুও তার আত্মতুষ্টি আসেনি। এরপর এলো কারেন্সির যুগ।
জাতি, কাল, পাত্রকে পেরিয়ে কারেন্সির রূপ বদলেছে, বদলেছে তার ভাষা আর অর্থ। কিন্তু কারেন্সির ধারণা থেকে গেছে একই রকম। তারপর সেই কারেন্সি আর্ন করাই হয়ে উঠেছে তার মুখ্য উদ্দেশ্য। যুগ পেরিয়েছে, শতাব্দী পেরিয়েছে, পেরিয়েছে মহাকাল; কারেন্সির ভাষা হয়ে উঠেছে সফলতার ভাষা, ক্যারিয়ারের ভাষা। আর এই কারেন্সির কাছে মানুষ ভুলে গেছে তার লাইফের আল্টিমেট কারেন্সির কথা। কারেন্সি দিয়ে মানুষ কিনতে চেয়েছে সব। কিন্তু সুখ? যার জন্য তার এতকিছু, সেই সুখটাই রয়ে গেছে অধরা।