Skip to Content
র‍্যাপ চার : জুলাই অভ্যুত্থানের র‍্যাপসঙ্গীত

Price:

440.00 ৳


আত্মদর্শন
আত্মদর্শন
636.00 ৳
795.00 ৳ (20% OFF)
Dhaka From City to Megacity
Dhaka From City to Megacity
1,196.00 ৳
1,495.00 ৳ (20% OFF)

র‍্যাপ চার : জুলাই অভ্যুত্থানের র‍্যাপসঙ্গীত

বাংলাদেশে র‍্যাপ মিউজিকের প্রচলন একুশ শতকের প্রথম দশক হলেও জনপ্রিয় এই ধারার গানের উৎপত্তির ইতিহাস বেশ পুরোনো। র‍্যাপ মিউজিককে হিপ-হপ মিউজিকও বলা হয়। একটি বিশেষ শ্রেণির মিউজিক ও সাংস্কৃতিক ঘরানা হিসেবে হিপ-হপের জন্ম। বিশ শতকের ষাটের দশকের শেষের দিকে ও সত্তরের দশকের শুরুতে নিউইয়র্কের সাউথব্রোনস্ক এলাকায় হিপ-হপ বা র‍্যাপ মিউজিক আত্মপ্রকাশ করে। তবে এই সঙ্গীত মূলত আফ্রিকান-আমেরিকান, আফ্রো-লেটিন ও আফ্রো-কেরিবিয়ান সঙ্গীতের নির্যাসকে ধারণ করে। মূলত এর জনপ্রিয়তা তরুণদের মধ্যে। রাষ্ট্রযন্ত্রের জবরদস্তি-নিষ্পেষণ-বৈষম্য ও সামাজিক অসন্তোষ র‍্যাপ গানের মূল কারণ হিসেবে কাজ করে। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দ্রোহপ্রকাশেও র‍্যাপ গান এক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে থাকে। হিপ-হপ মিউজিক আফ্রিকান বামবাতা ও ইউনিভার্সাল জুলু জাতির নেতৃত্বে মাদক ও ভায়োলেন্স বিরোধী সামাজিক আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ফলে ব্ল্যাক কমিউনিটির পরিবেশনার মাধ্যমেই র‍্যাপ সঙ্গীত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ক্রমান্বয়ে সঙ্গীতের এই ধারা হিপ-হপ কালচারের একটি ধারা সৃষ্টি করে যাতে চারটি মূল উপাদান যুক্ত থাকে: ১. র‍্যাপিং ২. টার্নটেবিল স্ট্রেচিং (মঞ্চে জোর দিয়ে ঘোরা) ৩. ব্রেকড্যান্সিং ও ৪. গ্রাফিতি আঁকা ও লেখা। অর্থের জোগান ও গ্রহণযোগ্যতার অভাবের জন্য ১৯৭৯ সালের আগে হিপ-হপ মিউজিক রেডিও বা টেলিভিশনে প্রচারের জন্য অফিশিয়ালি রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/51394/image_1920?unique=584064c

440.00 ৳ 440.0 BDT 550.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বাংলাদেশে র‍্যাপ মিউজিকের প্রচলন একুশ শতকের প্রথম দশক হলেও জনপ্রিয় এই ধারার গানের উৎপত্তির ইতিহাস বেশ পুরোনো। র‍্যাপ মিউজিককে হিপ-হপ মিউজিকও বলা হয়। একটি বিশেষ শ্রেণির মিউজিক ও সাংস্কৃতিক ঘরানা হিসেবে হিপ-হপের জন্ম। বিশ শতকের ষাটের দশকের শেষের দিকে ও সত্তরের দশকের শুরুতে নিউইয়র্কের সাউথব্রোনস্ক এলাকায় হিপ-হপ বা র‍্যাপ মিউজিক আত্মপ্রকাশ করে। তবে এই সঙ্গীত মূলত আফ্রিকান-আমেরিকান, আফ্রো-লেটিন ও আফ্রো-কেরিবিয়ান সঙ্গীতের নির্যাসকে ধারণ করে। মূলত এর জনপ্রিয়তা তরুণদের মধ্যে। রাষ্ট্রযন্ত্রের জবরদস্তি-নিষ্পেষণ-বৈষম্য ও সামাজিক অসন্তোষ র‍্যাপ গানের মূল কারণ হিসেবে কাজ করে। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দ্রোহপ্রকাশেও র‍্যাপ গান এক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে থাকে। হিপ-হপ মিউজিক আফ্রিকান বামবাতা ও ইউনিভার্সাল জুলু জাতির নেতৃত্বে মাদক ও ভায়োলেন্স বিরোধী সামাজিক আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ফলে ব্ল্যাক কমিউনিটির পরিবেশনার মাধ্যমেই র‍্যাপ সঙ্গীত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ক্রমান্বয়ে সঙ্গীতের এই ধারা হিপ-হপ কালচারের একটি ধারা সৃষ্টি করে যাতে চারটি মূল উপাদান যুক্ত থাকে: ১. র‍্যাপিং ২. টার্নটেবিল স্ট্রেচিং (মঞ্চে জোর দিয়ে ঘোরা) ৩. ব্রেকড্যান্সিং ও ৪. গ্রাফিতি আঁকা ও লেখা। অর্থের জোগান ও গ্রহণযোগ্যতার অভাবের জন্য ১৯৭৯ সালের আগে হিপ-হপ মিউজিক রেডিও বা টেলিভিশনে প্রচারের জন্য অফিশিয়ালি রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি।

Title

র‍্যাপ চার : জুলাই অভ্যুত্থানের র‍্যাপসঙ্গীত

Publisher

Gronthik Prakashon

Number of Pages

236

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Songs / Essays
  • First Published

    FEB 2025

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বাংলাদেশে র‍্যাপ মিউজিকের প্রচলন একুশ শতকের প্রথম দশক হলেও জনপ্রিয় এই ধারার গানের উৎপত্তির ইতিহাস বেশ পুরোনো। র‍্যাপ মিউজিককে হিপ-হপ মিউজিকও বলা হয়। একটি বিশেষ শ্রেণির মিউজিক ও সাংস্কৃতিক ঘরানা হিসেবে হিপ-হপের জন্ম। বিশ শতকের ষাটের দশকের শেষের দিকে ও সত্তরের দশকের শুরুতে নিউইয়র্কের সাউথব্রোনস্ক এলাকায় হিপ-হপ বা র‍্যাপ মিউজিক আত্মপ্রকাশ করে। তবে এই সঙ্গীত মূলত আফ্রিকান-আমেরিকান, আফ্রো-লেটিন ও আফ্রো-কেরিবিয়ান সঙ্গীতের নির্যাসকে ধারণ করে। মূলত এর জনপ্রিয়তা তরুণদের মধ্যে। রাষ্ট্রযন্ত্রের জবরদস্তি-নিষ্পেষণ-বৈষম্য ও সামাজিক অসন্তোষ র‍্যাপ গানের মূল কারণ হিসেবে কাজ করে। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দ্রোহপ্রকাশেও র‍্যাপ গান এক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে থাকে। হিপ-হপ মিউজিক আফ্রিকান বামবাতা ও ইউনিভার্সাল জুলু জাতির নেতৃত্বে মাদক ও ভায়োলেন্স বিরোধী সামাজিক আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ফলে ব্ল্যাক কমিউনিটির পরিবেশনার মাধ্যমেই র‍্যাপ সঙ্গীত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ক্রমান্বয়ে সঙ্গীতের এই ধারা হিপ-হপ কালচারের একটি ধারা সৃষ্টি করে যাতে চারটি মূল উপাদান যুক্ত থাকে: ১. র‍্যাপিং ২. টার্নটেবিল স্ট্রেচিং (মঞ্চে জোর দিয়ে ঘোরা) ৩. ব্রেকড্যান্সিং ও ৪. গ্রাফিতি আঁকা ও লেখা। অর্থের জোগান ও গ্রহণযোগ্যতার অভাবের জন্য ১৯৭৯ সালের আগে হিপ-হপ মিউজিক রেডিও বা টেলিভিশনে প্রচারের জন্য অফিশিয়ালি রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি।
    No Specifications