উপন্যাসের পুরুষ চরিত্রটি একটি কলেজে অধ্যাপনা করেন। তিনি একদিন আন্তর্জাতিক পত্র লিখন প্রতিযোগিতায় একটি ছাত্রীর লেখা চিঠি পড়ে মুগ্ধ হয়ে ছাত্রীকে জিজ্ঞেস করে বসেন, চিঠিটি সে লিখেছে কিনা, কারণ সেটি খুবই আকর্ষণীয়। আর তখন সেই হতচ্ছাড়া স্বীকার করে বসে যে চিঠি সে নিজে লেখেনি। যেহেতু বাসা থেকে লিখে নিয়ে আসার সুযোগ ছিল, সে তাহার সদ্ব্যবহার করেছে। তাহার আপন খালাকে বহু অনুনয় বিনয় করিয়া তার হাত দিয়ে একখানা চিঠি লিখিয়ে এনে জমা দিয়ে দেয়। আর তা কম্পিটিশনে না জিতলেও টিচারের মন জিতে ফেলেছে অকস্মাৎ। তৎক্ষণাৎ সেই শিক্ষক আর সময় নষ্ট না করে তার খালার বাসার ঠিকানা জেনে নেন কৌশলে। ছাত্রী সেই ঘটনাকে গুরুত্বহীন মনে করে তা ভুলিয়া বসেছে। এদিকে, তার কারণে যে এক ইতিহাস জন্ম নিতে চলেছে, তা সেই আহম্মককে কে বোঝাবে! থাক, বুঝিয়ে আর কাজ নাই। যার যার কর্মের শাস্তি অথবা পুরস্কার সে সে বুঝিয়ে নেবে বৈ কি!
চিঠি আদান-প্রদানের মাধ্যমে হয়ে ওঠে একটা আস্ত উপন্যাস। উপন্যাসের পরতে পরতে নতুন নতুন ভাবনা আর শব্দের খেলা। বাংলা ভাষায় সম্ভবত নতুন নতুন শব্দের উৎস পাওয়া যাবে এই পত্রোপন্যাস থেকে।