“আমাকে মারার হলে আরও মার। কিন্তু আমি যেটা বলেছি, সেটাই সত্যি।”
পরের মুহূর্তে তন্ময়ের হাত চলল। একটা প্রচণ্ড গতির চড় পড়ল কাব্যের গালে। যেই বন্ধুর গায়ে কেউ হাত তুললে তন্ময় পাগলের মতো ছুটে যেত প্রতিশোধ নিতে, আজ সেই বন্ধু তার গায়ে হাত তুলল। কিন্তু কাব্য প্রতিরোধ করল না। সে নির্বিকার রইল। কাব্যের ঠোঁটের ধারে কালচে রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করেছে। কাব্য ফের শীতল কণ্ঠে আওড়াল, “আমি সত্যি রুপাকে ভালোবাসি। তুই আমাকে মেরে ফেললেও এই সত্য কোনোদিন বদলাবে না, তন্ময়। দিয়ে দে না তোর বোনটাকে আমাকে। তোর বোনটাও যে আমাকে ভালোবাসে। শুধু তোর ভয়ে কোনোদিন মুখ ফুটে বলতে পারেনি। আর আজ যদি আমি তাকে নিয়ে না যাই, তবে সে... সে সুইসাইড করবে।”
তন্ময় যেন আকাশ থেকে পড়ল। মুখটা তার বিবর্ণ হয়ে গেল। সে কলার ছেড়ে দিয়ে পেছনে সরে গেল।
“কাব্য, তুই পাগল হয়ে গেছিস? তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে? কালকে রুপার বিয়ে, আর তুই আজ এসব বলছিস? আগে বললেও কিছু একটা করার কথা ভাবা যেত। এমনিতেও বেলা'র জন্য আমাদের মান-সম্মান আর কিছু বেঁচে নেই। এখন যদি রুপার ক্ষেত্রেও একই কাণ্ড হয়, তবে লোকমুখে আমরা আর মুখ দেখাতে পারব না।”