উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ঈশ্বর, একজন দক্ষ শ্রমিক ও শিকারি। এক বাঘ শিকারের ঘটনায় ঈশ্বরের গুলিতে বাঘ মারা যায়। তবে কারখানার মালিক রবার্টসন ও প্রভাস, নিজেদের কৃতিত্ব দাবি করে ঈশ্বরকে মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করে। ঈশ্বর আর্থিক প্রয়োজনে তাদের দাবি মেনে নেয়, কিন্তু ফলস্বরূপ সে চাকরি হারায়।
চাকরি হারানোর পর ঈশ্বরের জীবনে একের পর এক বিপর্যয় নেমে আসে। তার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়, বন্দুকের লাইসেন্স বাতিল হয়, এবং সে গৃহহীন হয়ে পড়ে। তবে সহকর্মী শ্রমিকদের সহায়তায় সে পুনরায় ঘুরে দাঁড়ায় এবং নতুন চাকরি পায়। কিন্তু প্রতিবারই ধনী শ্রেণির শোষণের শিকার হয় সে।
উপন্যাসের শেষাংশে, একটি ভয়াবহ বন্যায় ঈশ্বর ও তার স্ত্রী গৌরী প্রাণে বাঁচে। এই বিপর্যয়ের মধ্যেও ঈশ্বরের প্রতি লখার মায়ের সহানুভূতি ও সহায়তা মানবিক সম্পর্কের শক্তিকে তুলে ধরে। উপন্যাসটি শেষ হয় এই বার্তায় যে, "মানুষের আশ্রয় মিলবেই, বন্যা হোক আর ভূমিকম্প হোক"।