৩০০ শয্যার সেই হসপিটালের এমন কোনো কেবিন বাকি নেই যেখানে আমি মুড়িকে খুঁজিনি। একজন নার্স আমাকে আটকে রাখলেন কারণ আমার বাম হাতের উপরিভাগ অনেকাংশে পুড়ে গিয়েছিল। হাতে মলম লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করবে বলে আমাকে রুমের ভেতর আটকে রেখেছিলেন যাতে পালাতে না পারি কারণ তারা দেখছিল মুড়ির নাম ছাড়া আর কোন কথাই বলতে পারছিলাম না আমি। সুযোগ পেয়ে সেই কেবিনে জানালা দিয়ে পালিয়ে বস্তিতে ফিরে এসেছিলাম। এসে জানতে পারলাম আমাদের সাথের কয়েকটা বাচ্চা সেদিন পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিলো। লাশ নিয়ে চলে গেছে পুলিশ। কেউ তো বললো মুড়িও নাকি মারা গেছে আগুনে পুড়ে।_x000D_
_x000D_
আমি এবার গেলাম পুলিশ স্টেশনে। তিনটা লাশ ফ্লোরে শোয়ানো ছিল। সবগুলো পোড়া লাশ।_x000D_
_x000D_
পুলিশ লাশগুলো একা রেখে আরেক দিকে যেতেই আমি বুকে পাথর বেঁধে এক এক করে লাশগুলোকে পরখ করে দেখলাম। মুখ ঝলসানো থাকলেও আমার আত্মবিশ্বাস ছিল আমি মুড়ি কে ঠিক চিনতে পারবো কিন্তু ওগুলোর মধ্যে একটাও মুড়ি ছিল না।