মোরশেদ শফিউল হাসানের বিশেষ করে প্রবন্ধ জাতীয় রচনার সঙ্গে যাঁদের সামান্যও পরিচয় আছে তাঁরাই জানেন তিনি যখন কিছু লেখেন তখন তাতে নতুন তথ্যের পাশাপাশি কিছু প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাও উত্থাপিত হয়। এমনকি সে লেখা যদি একটি ক্ষুদ্র পুস্তক আলোচনা কিংবা ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণাও হয়। পাঠক সে লেখা পড়ে কমবেশি নতুন ভাবনার খোরাক পান। তা তিনি লেখকের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত সব ব্যাপারে একমত হন চাই না-হন। লেখকের রচনার এক প্রধান বৈশিষ্ট্য তাঁর যুক্তিনির্ভরতা।
সেইসঙ্গে তাঁর চিন্তার স্বচ্ছতা ও সরল-নিরাভরণ বাকভঙ্গি প্রতিটি রচনাকে আকর্ষণীয় ও উপাদেয় করে তোলে। গবেষক হিসেবেও তত্ত্বকণ্টকিত লেখা মোরশেদ কখনো লেখেন না। উল্লিখিত সবকটি বৈশিষ্ট্যেরই পরিচয় পাঠক পাবেন বর্তমান গ্রন্থভুক্ত রচনাগুলোতে। তা সে রচনার বিষয় আমাদের ইতিহাস চর্চার সীমাবদ্ধতা, ক্রুশ্চেভের স্মৃতিকথায় লেখকের স্বাধীনতা প্রসঙ্গ, ওমর আলীর কবিতা, পঙ্কজ ভট্টাচার্যের স্মৃতিকথা, বিদ্যাসাগর-রামকৃষ্ণ সাক্ষাৎকার কিংবা অন্য যাই হোক।