Skip to Content
ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স (ড্যানিয়েল গোলম্যান) (ঝিনুক)

Price:

256.00 ৳


আত্মদর্শন
আত্মদর্শন
636.00 ৳
795.00 ৳ (20% OFF)
Dhaka From City to Megacity
Dhaka From City to Megacity
1,196.00 ৳
1,495.00 ৳ (20% OFF)

ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স (ড্যানিয়েল গোলম্যান) (ঝিনুক)

জ্ঞান, বুদ্ধি, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং অভিজ্ঞতা এসব কিছুই হচ্ছে নেতৃত্ব দেয়ার প্রধান শর্তাবলী। এসব কিছুর সাথে যদি সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে যেকোনো প্রতিযোগিতায় ভালো ফল আশা করা যেতে পারে।

১৯৯৮ সালে ওয়ার্কিং উইথ ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স বইটি লিখলাম, সেখানে যে বিষয়টি প্রস্তাব করেছি, সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি এবং প্রযুক্তিক দক্ষতার থেকে আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা অনেক বেশি কাজ করে। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় 'বৈষম্য' সৃষ্টি করতে পারে, দেখা যায় একটা গ্রুপে জ্ঞানবুদ্ধিতে সেরা ব্যক্তিরা বসে আছে আর অন্যদিকে আছে আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগকারীরা। দু-গ্রুপের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও লড়াই অবধারিতভাবে সংঘটিত হবে।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দিকে যদি দৃষ্টি দেয়া হয় তাহলে দেখতে পাব, তারা অত্যন্ত স্বতন্ত্রভাবে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বেছে নেয়। যিনি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তাকে অবশ্যই সামাজিক আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।

ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স বইটি লেখার সময়, দি নিউ ইয়র্ক টাইমসে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রতিবেদক ছিলাম। নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিশেষভাবে অবহিত ছিলাম। মনোবিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতাম, মানুষের স্নায়ু কীভাবে কাজ করে, কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে থাকে, এসব বিষয়ে প্রতিবেদন লিখতে পুলকিতবোধ করতাম।

ইনটেলিজেন্স বই লেখার সময় মনোবিজ্ঞানের বিষয় চিন্তা করতে হয়েছে, কখনো কখনো এ বিষয়টিকে আদর্শ হিসেবে মেনে নিতে হয়েছে। ফলে, আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগে যে সূত্র ব্যবহার করেছি, তা যথেষ্ট কার্যকরি হয়েছে।

ইমোশনাল ইনটেলিজেন্সের বইয়ের কাজ করতে গিয়ে এর গঠন প্রণালী, উপায় এবং কৌশল নিয়ে চিন্তা করতে হয়েছে। আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে যে ক্রিয়া- প্রতিক্রিয়া ঘটে যেমন আত্ম-সচেতনতা, আত্ম- উন্নয়নমূলক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সচেতনতা এবং বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা- এসব কিছু পেশাগত জীবনে সাফল্য বয়ে আনতে পারে।

এ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভিড ম্যাককেল্যান্ডের পরামর্শ গ্রহণ করেছি। এ অধ্যাপক পরামর্শ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং বিভিন্ন মতামত পেশ করে পেশাজীবীদের সাহায্য করেন।

See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/51883/image_1920?unique=584064c

256.00 ৳ 256.0 BDT 320.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

জ্ঞান, বুদ্ধি, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং অভিজ্ঞতা এসব কিছুই হচ্ছে নেতৃত্ব দেয়ার প্রধান শর্তাবলী। এসব কিছুর সাথে যদি সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে যেকোনো প্রতিযোগিতায় ভালো ফল আশা করা যেতে পারে।

১৯৯৮ সালে ওয়ার্কিং উইথ ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স বইটি লিখলাম, সেখানে যে বিষয়টি প্রস্তাব করেছি, সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি এবং প্রযুক্তিক দক্ষতার থেকে আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা অনেক বেশি কাজ করে। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় 'বৈষম্য' সৃষ্টি করতে পারে, দেখা যায় একটা গ্রুপে জ্ঞানবুদ্ধিতে সেরা ব্যক্তিরা বসে আছে আর অন্যদিকে আছে আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগকারীরা। দু-গ্রুপের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও লড়াই অবধারিতভাবে সংঘটিত হবে।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দিকে যদি দৃষ্টি দেয়া হয় তাহলে দেখতে পাব, তারা অত্যন্ত স্বতন্ত্রভাবে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বেছে নেয়। যিনি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তাকে অবশ্যই সামাজিক আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।

ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স বইটি লেখার সময়, দি নিউ ইয়র্ক টাইমসে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রতিবেদক ছিলাম। নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিশেষভাবে অবহিত ছিলাম। মনোবিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতাম, মানুষের স্নায়ু কীভাবে কাজ করে, কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে থাকে, এসব বিষয়ে প্রতিবেদন লিখতে পুলকিতবোধ করতাম।

ইনটেলিজেন্স বই লেখার সময় মনোবিজ্ঞানের বিষয় চিন্তা করতে হয়েছে, কখনো কখনো এ বিষয়টিকে আদর্শ হিসেবে মেনে নিতে হয়েছে। ফলে, আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগে যে সূত্র ব্যবহার করেছি, তা যথেষ্ট কার্যকরি হয়েছে।

ইমোশনাল ইনটেলিজেন্সের বইয়ের কাজ করতে গিয়ে এর গঠন প্রণালী, উপায় এবং কৌশল নিয়ে চিন্তা করতে হয়েছে। আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে যে ক্রিয়া- প্রতিক্রিয়া ঘটে যেমন আত্ম-সচেতনতা, আত্ম- উন্নয়নমূলক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সচেতনতা এবং বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা- এসব কিছু পেশাগত জীবনে সাফল্য বয়ে আনতে পারে।

এ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভিড ম্যাককেল্যান্ডের পরামর্শ গ্রহণ করেছি। এ অধ্যাপক পরামর্শ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং বিভিন্ন মতামত পেশ করে পেশাজীবীদের সাহায্য করেন।

Title

ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স (ড্যানিয়েল গোলম্যান) (ঝিনুক)

Publisher

Jhinuk Prokashani

Number of Pages

160

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Motivational
  • First Published

    FEB 2023

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    জ্ঞান, বুদ্ধি, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং অভিজ্ঞতা এসব কিছুই হচ্ছে নেতৃত্ব দেয়ার প্রধান শর্তাবলী। এসব কিছুর সাথে যদি সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে যেকোনো প্রতিযোগিতায় ভালো ফল আশা করা যেতে পারে।

    ১৯৯৮ সালে ওয়ার্কিং উইথ ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স বইটি লিখলাম, সেখানে যে বিষয়টি প্রস্তাব করেছি, সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি এবং প্রযুক্তিক দক্ষতার থেকে আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা অনেক বেশি কাজ করে। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় 'বৈষম্য' সৃষ্টি করতে পারে, দেখা যায় একটা গ্রুপে জ্ঞানবুদ্ধিতে সেরা ব্যক্তিরা বসে আছে আর অন্যদিকে আছে আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগকারীরা। দু-গ্রুপের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও লড়াই অবধারিতভাবে সংঘটিত হবে।

    বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দিকে যদি দৃষ্টি দেয়া হয় তাহলে দেখতে পাব, তারা অত্যন্ত স্বতন্ত্রভাবে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বেছে নেয়। যিনি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তাকে অবশ্যই সামাজিক আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।

    ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স বইটি লেখার সময়, দি নিউ ইয়র্ক টাইমসে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রতিবেদক ছিলাম। নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিশেষভাবে অবহিত ছিলাম। মনোবিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতাম, মানুষের স্নায়ু কীভাবে কাজ করে, কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে থাকে, এসব বিষয়ে প্রতিবেদন লিখতে পুলকিতবোধ করতাম।

    ইনটেলিজেন্স বই লেখার সময় মনোবিজ্ঞানের বিষয় চিন্তা করতে হয়েছে, কখনো কখনো এ বিষয়টিকে আদর্শ হিসেবে মেনে নিতে হয়েছে। ফলে, আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগে যে সূত্র ব্যবহার করেছি, তা যথেষ্ট কার্যকরি হয়েছে।

    ইমোশনাল ইনটেলিজেন্সের বইয়ের কাজ করতে গিয়ে এর গঠন প্রণালী, উপায় এবং কৌশল নিয়ে চিন্তা করতে হয়েছে। আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে যে ক্রিয়া- প্রতিক্রিয়া ঘটে যেমন আত্ম-সচেতনতা, আত্ম- উন্নয়নমূলক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সচেতনতা এবং বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা- এসব কিছু পেশাগত জীবনে সাফল্য বয়ে আনতে পারে।

    এ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভিড ম্যাককেল্যান্ডের পরামর্শ গ্রহণ করেছি। এ অধ্যাপক পরামর্শ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং বিভিন্ন মতামত পেশ করে পেশাজীবীদের সাহায্য করেন।

    No Specifications