একটি মেয়ে জীবনে যত দুঃখ পায় এর কানাকড়িও কি জানে তার চারপাশের মানুষ? তীব্র দুঃখ বুকে চেপে ঠোঁটে মিথ্যা হাসি দেখিয়ে একটা দীর্ঘ জীবন পার করে দেয়ার যোগ্যতা রাখে প্রতিটি মেয়ে। মনীষা সেরকম একজন। তার ক্যান্সার। পাঁচ বছরের ইমরুল প্রায়ই মাকে জিজ্ঞেস করে, মা তুমি কি মরে যাবে? মনীষা চুপ করে থাকে। নিজের জীবন নিয়ে সে ভাবে না। কিন্তু ছেলেটার কী হবে! মহান করুণাময় নিশ্চয়ই কোনো ব্যবস্থা করবেন।
চাকরির খুঁজে হাসান ঢাকার পথে পথে হাঁটে। এই মুহূর্তে একটা চাকরি তার বড় প্রয়োজন। গত শুক্রবার তার বাবা রক্ত বমি করছেন টানা তেরো মিনিট। কিছু একটা তো করা দরকার। বেকার জীবনের যন্ত্রণা কতদিন সহ্য করতে পারে একটা মানুষ!
শীলু নামের একটা মেয়েকে হাসান ভালোবাসে। শীলু চমৎকার গান গায়। হাসান মুগ্ধ হয়ে বলে, বাহ তোমার গানের গলা তো বেশ! এতেই লজ্জায় শীলু লাল হয়ে যায়। হাসে। মেয়েটার হাসি খুব সুন্দর।
বাড়িওয়ালার মেয়ে মীরা হাসানকে দূরে থেকে দেখে। সামনাসামনি পাওয়া গেলে কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করে, হাসান ভাই ভালো আছেন? হাসান বলে, ভালো। গভীর রাত হলে মীরা গোপনে কাঁদে।