আমাদের চারপাশের জীবজগতে আয়ুষ্কালের এক বিশাল বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। আমাদের রান্নাঘরের কোণায় বসবাসকারী ইঁদুরগুলো প্রায় তিন বছরের মতো বাঁচে। অথচ আমাদের পোষা কুকুর-বিড়ালগুলো বাঁচে পনেরো বছর। আবার এই জন্তু জানোয়ারগুলোই অবাক হয়ে মানুষকে ৭০ বছরের বেশী সময় বাচঁতে দেখে। অন্যদিকে এদের সবাইকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হাতি, তিমি কিংবা কচ্ছপেরা জন্মদিনের কেকের উপর শ’খানেক মোমবাতি চড়িয়ে বসে থাকে।
এখানে সবচেয়ে মজার প্রশ্ন হলো বিভিন্ন প্রাণীর আয়ুষ্কালের মাঝে কেনো এতো বেশী তফাৎ? দেহের ভেতরকার কোন বৈশিষ্ট্যগুলো প্রাণীর আয়ু নির্ধারণ করে? তিমি কিংবা হাতির শতবর্ষী জীবনের রহস্য কি কোনভাবে মানবদেহে সঞ্চারণ করা সম্ভব? দীর্ঘকাল ধরে যে অমরত্বের স্বপ্নে মানুষ বিভোর, প্রকৃতির মাঝেই কি তার উত্তর লুকিয় রয়েছে? অসমসাহসী এসকল প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজবো এই বইতে!