নাইরোবি থেকে মাসাইমারা : এক সুন্দরের আরাধনা’—বইটির পরতে পরতে দেখা মিলবে পাশের বাড়ির ছেলে ও মেয়েটির। খুঁজে পাবে এক বাংলাদেশকে। উপলব্ধি হবে আমি, আমরা, আমাদের সঙ্গে ‘ওদের’ আসলে কোনো পার্থক্য নেই। সবার রক্তের রং লাল। কান্নার পানি নোনতা। আনন্দ উদযাাপনের ছবিটি একই শিল্পীর আঁকা। সর্বত্রই ‘সুন্দরের আরাধনা’।
সিলেটের এক গ্রাম্য বালকের বিত্তের সর্বোচ্চ আঙিনায় চার দশক ফেরারি বিচরণ ও থিতু হওয়া—কোনোভাবেই ভেতরের মানুষটাকে বদলাতে পারেনি। তাইতো পরিব্রাজক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন ঘুরতে ফিরতে খুঁজে বেড়ান মানুষ। মানুষের মুখ। মানুষই তার আনন্দ-বেদনার কাব্য। আমেরিকা থেকে বিমানযাত্রা দিয়ে শুরু, তারপর কেনিয়ার পথে পথে এমন সব চরিত্রের সঙ্গে পাঠক পরিচিত হবেন, তারা যেন তার অনেক চেনা। হয়তো তিনিই ওটা।