"ক্ষণিকা" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে। এই বইটিতে মোট ৪৯টি কবিতা রয়েছে। "ক্ষণিকা" নামটি থেকেই বোঝা যায়, প্রতিটি কবিতা যেন জীবনের এক-একটি মুহূর্তের অনুভব, একটি ক্ষণিক উপলব্ধির রূপায়ণ।
সারমর্ম:
"ক্ষণিকা" কাব্যগ্রন্থটি মূলত আত্মজিজ্ঞাসা, প্রেম, দুঃখ, অতল উপলব্ধি ও ঈশ্বর-অনুসন্ধানের গভীর অনুভূতিকে তুলে ধরে। এই কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ একজন গভীর আত্মবিশ্লেষক এবং অন্তর্জগতে ডুবে থাকা কবি হিসেবে উপস্থিত হন।
প্রতিটি কবিতা ছোট হলেও গভীর দার্শনিক ও মানবিক উপলব্ধিতে ভরপুর। এখানে প্রেম যেমন আছে, তেমনই আছে বিচ্ছেদ, বেদনা এবং অস্তিত্বের সন্ধান।
এই গ্রন্থে তিনি সময়ের স্বল্পতা, জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব ও আত্মার চিরন্তন আকাঙ্ক্ষার মধ্যে এক ধরণের টানাপোড়েন তুলে ধরেছেন। রবীন্দ্রনাথ এখানে নিছক প্রেমের কবি নন — বরং তিনি এখানে প্রশ্ন করেন, জীবন কী, আমি কে, ঈশ্বর কোথায়?