Skip to Content
উদাসীন পথিকের মনের কথা (সালাউদ্দিন বইঘর)

Price:

160.00 ৳


আত্মদর্শন
আত্মদর্শন
636.00 ৳
795.00 ৳ (20% OFF)
Dhaka From City to Megacity
Dhaka From City to Megacity
1,196.00 ৳
1,495.00 ৳ (20% OFF)

উদাসীন পথিকের মনের কথা (সালাউদ্দিন বইঘর)

মীর মশারফ হোসেন (ছদ্মনাম : গাজী মিয়া) ১২৫৪ সালের ২৮শে কার্তিক মোতাবেক ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বরে অবিভক্ত বাংলার নদীয়া জেলার বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার অন্তর্গত গড়াই নদীর তীরবর্তী লাহিনীপাড়া গ্রামে, মাতামহ মুন্সী জিনাতুল্লার গৃহে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মায়ের নাম দৌলতনেসা, পিতার নাম মীর মোয়াজ্জেম হোসেন। মীর মশারফ হোসেন ছিলেন তাঁর পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেনের দ্বিতীয় পক্ষের প্রথম সন্তান। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মীর মশার্রফ হোসেন ছিলেন সর্বজ্যেষ্ঠ। মীর মশার্রফ হোসেনের পিতা মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার । রাজ-কার্যে যথাযথ যোগ্যতা ও পারদর্শিতার জন্য এঁরা ‘মীর’ উপাধি প্রাপ্ত হন। প্রকৃতপক্ষে এঁদের বংশ-পরিচিতি ছিল ‘সৈয়দ’।

শিক্ষা জীবন

মীর মশারফ হোসেন প্রথম ভর্তি হন কুমারখালী ইংরেজী স্কুলে। উক্ত স্কুলে তিনি স্বল্প-কালীন পাঠ নিয়ে পিতার সাথে পদমদীতে চলে যান এবং পদমদী নবাব-স্কুলে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হন। বিভিন্ন কারণে পদমদীতে মীরের পড়া-লেখার ততটা অগ্রগতি হয়নি, এর ফলে মাত্র এক বছরের মধ্যে পদমদী নবাব স্কুল ত্যাগ করে পিতার নির্দেশে ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে অক্টোবর মাসে কৃষ্ণনগর চলে যান । এখানে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হন । কৃষ্ণনগরে মীর মশার্রফ হোসেন মাত্র সাত মাস অধ্যয়ন করেন। অতঃপর তিনি চলে যান কলকাতা। কলকাতা বাবার বন্ধু নাদির হোসেনের বাসায় থেকে কালীঘাট স্কুলে ভর্তি হন। এখানে সম্ভবত অস্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করে শিক্ষা জীবনের ইতি টানেন ।

বিবাহিত জীবন

প্রথম বিয়ে : মীর মশারফ হোসেন কলকাতায় তাঁর বাবার বন্ধু নাদির হোসেনের বাড়িতে থেকে যখন অস্টম শ্রেণীতে পড়া-লেখা করছিলেন সম্ভবত সেই সময় ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১৯ মে, (১২৭২ সাল জ্যৈষ্ঠ) নাদির হোসেনর দ্বিতীয় কন্যা আজীজ-উন-নিসার সঙ্গে তাঁর প্রথমে বিয়ে হয়। তখন মীরের বয়স ছিল সতের বছর। আজীজ-উন-নিসার সাথে বিয়ে হওয়া পর্যন্ত মীরের পড়াশুনার একটি ধারাবাহিক ইতিহাস পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে তাঁর পড়া-লেখার ইতিহাস আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি ।

দ্বিতীয় বিয়ে : একটি বিশেষ কারণে প্রথম বিয়ে সুখের না হওয়ায় প্রথম বিয়ের আট বছর পর ১২৮০ সালের মাঘ মাসে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী সাঁওতা গ্রামের এক বিধবার কন্যা, নাম কুলসুম। বিবি কুলসুমের বয়স বার বছর, অপর দিকে মীর মশার্রফ হোসেনের ছাব্বিশ বছর।

See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/52250/image_1920?unique=584064c

160.00 ৳ 160.0 BDT 200.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

মীর মশারফ হোসেন (ছদ্মনাম : গাজী মিয়া) ১২৫৪ সালের ২৮শে কার্তিক মোতাবেক ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বরে অবিভক্ত বাংলার নদীয়া জেলার বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার অন্তর্গত গড়াই নদীর তীরবর্তী লাহিনীপাড়া গ্রামে, মাতামহ মুন্সী জিনাতুল্লার গৃহে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মায়ের নাম দৌলতনেসা, পিতার নাম মীর মোয়াজ্জেম হোসেন। মীর মশারফ হোসেন ছিলেন তাঁর পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেনের দ্বিতীয় পক্ষের প্রথম সন্তান। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মীর মশার্রফ হোসেন ছিলেন সর্বজ্যেষ্ঠ। মীর মশার্রফ হোসেনের পিতা মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার । রাজ-কার্যে যথাযথ যোগ্যতা ও পারদর্শিতার জন্য এঁরা ‘মীর’ উপাধি প্রাপ্ত হন। প্রকৃতপক্ষে এঁদের বংশ-পরিচিতি ছিল ‘সৈয়দ’।

শিক্ষা জীবন

মীর মশারফ হোসেন প্রথম ভর্তি হন কুমারখালী ইংরেজী স্কুলে। উক্ত স্কুলে তিনি স্বল্প-কালীন পাঠ নিয়ে পিতার সাথে পদমদীতে চলে যান এবং পদমদী নবাব-স্কুলে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হন। বিভিন্ন কারণে পদমদীতে মীরের পড়া-লেখার ততটা অগ্রগতি হয়নি, এর ফলে মাত্র এক বছরের মধ্যে পদমদী নবাব স্কুল ত্যাগ করে পিতার নির্দেশে ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে অক্টোবর মাসে কৃষ্ণনগর চলে যান । এখানে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হন । কৃষ্ণনগরে মীর মশার্রফ হোসেন মাত্র সাত মাস অধ্যয়ন করেন। অতঃপর তিনি চলে যান কলকাতা। কলকাতা বাবার বন্ধু নাদির হোসেনের বাসায় থেকে কালীঘাট স্কুলে ভর্তি হন। এখানে সম্ভবত অস্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করে শিক্ষা জীবনের ইতি টানেন ।

বিবাহিত জীবন

প্রথম বিয়ে : মীর মশারফ হোসেন কলকাতায় তাঁর বাবার বন্ধু নাদির হোসেনের বাড়িতে থেকে যখন অস্টম শ্রেণীতে পড়া-লেখা করছিলেন সম্ভবত সেই সময় ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১৯ মে, (১২৭২ সাল জ্যৈষ্ঠ) নাদির হোসেনর দ্বিতীয় কন্যা আজীজ-উন-নিসার সঙ্গে তাঁর প্রথমে বিয়ে হয়। তখন মীরের বয়স ছিল সতের বছর। আজীজ-উন-নিসার সাথে বিয়ে হওয়া পর্যন্ত মীরের পড়াশুনার একটি ধারাবাহিক ইতিহাস পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে তাঁর পড়া-লেখার ইতিহাস আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি ।

দ্বিতীয় বিয়ে : একটি বিশেষ কারণে প্রথম বিয়ে সুখের না হওয়ায় প্রথম বিয়ের আট বছর পর ১২৮০ সালের মাঘ মাসে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী সাঁওতা গ্রামের এক বিধবার কন্যা, নাম কুলসুম। বিবি কুলসুমের বয়স বার বছর, অপর দিকে মীর মশার্রফ হোসেনের ছাব্বিশ বছর।

Title

উদাসীন পথিকের মনের কথা (সালাউদ্দিন বইঘর)

Publisher

Salauddin Boighor

Number of Pages

142

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Biographical Novels
  • First Published

    JAN 2015

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    মীর মশারফ হোসেন (ছদ্মনাম : গাজী মিয়া) ১২৫৪ সালের ২৮শে কার্তিক মোতাবেক ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বরে অবিভক্ত বাংলার নদীয়া জেলার বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার অন্তর্গত গড়াই নদীর তীরবর্তী লাহিনীপাড়া গ্রামে, মাতামহ মুন্সী জিনাতুল্লার গৃহে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মায়ের নাম দৌলতনেসা, পিতার নাম মীর মোয়াজ্জেম হোসেন। মীর মশারফ হোসেন ছিলেন তাঁর পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেনের দ্বিতীয় পক্ষের প্রথম সন্তান। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মীর মশার্রফ হোসেন ছিলেন সর্বজ্যেষ্ঠ। মীর মশার্রফ হোসেনের পিতা মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার । রাজ-কার্যে যথাযথ যোগ্যতা ও পারদর্শিতার জন্য এঁরা ‘মীর’ উপাধি প্রাপ্ত হন। প্রকৃতপক্ষে এঁদের বংশ-পরিচিতি ছিল ‘সৈয়দ’।

    শিক্ষা জীবন

    মীর মশারফ হোসেন প্রথম ভর্তি হন কুমারখালী ইংরেজী স্কুলে। উক্ত স্কুলে তিনি স্বল্প-কালীন পাঠ নিয়ে পিতার সাথে পদমদীতে চলে যান এবং পদমদী নবাব-স্কুলে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হন। বিভিন্ন কারণে পদমদীতে মীরের পড়া-লেখার ততটা অগ্রগতি হয়নি, এর ফলে মাত্র এক বছরের মধ্যে পদমদী নবাব স্কুল ত্যাগ করে পিতার নির্দেশে ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে অক্টোবর মাসে কৃষ্ণনগর চলে যান । এখানে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হন । কৃষ্ণনগরে মীর মশার্রফ হোসেন মাত্র সাত মাস অধ্যয়ন করেন। অতঃপর তিনি চলে যান কলকাতা। কলকাতা বাবার বন্ধু নাদির হোসেনের বাসায় থেকে কালীঘাট স্কুলে ভর্তি হন। এখানে সম্ভবত অস্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করে শিক্ষা জীবনের ইতি টানেন ।

    বিবাহিত জীবন

    প্রথম বিয়ে : মীর মশারফ হোসেন কলকাতায় তাঁর বাবার বন্ধু নাদির হোসেনের বাড়িতে থেকে যখন অস্টম শ্রেণীতে পড়া-লেখা করছিলেন সম্ভবত সেই সময় ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১৯ মে, (১২৭২ সাল জ্যৈষ্ঠ) নাদির হোসেনর দ্বিতীয় কন্যা আজীজ-উন-নিসার সঙ্গে তাঁর প্রথমে বিয়ে হয়। তখন মীরের বয়স ছিল সতের বছর। আজীজ-উন-নিসার সাথে বিয়ে হওয়া পর্যন্ত মীরের পড়াশুনার একটি ধারাবাহিক ইতিহাস পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে তাঁর পড়া-লেখার ইতিহাস আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি ।

    দ্বিতীয় বিয়ে : একটি বিশেষ কারণে প্রথম বিয়ে সুখের না হওয়ায় প্রথম বিয়ের আট বছর পর ১২৮০ সালের মাঘ মাসে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী সাঁওতা গ্রামের এক বিধবার কন্যা, নাম কুলসুম। বিবি কুলসুমের বয়স বার বছর, অপর দিকে মীর মশার্রফ হোসেনের ছাব্বিশ বছর।

    No Specifications