Skip to Content
আদায়ের ইতিহাস

Price:

120.00 ৳


আত্মদর্শন
আত্মদর্শন
636.00 ৳
795.00 ৳ (20% OFF)
Dhaka From City to Megacity
Dhaka From City to Megacity
1,196.00 ৳
1,495.00 ৳ (20% OFF)

আদায়ের ইতিহাস

"আদায়ের ইতিহাস" মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক গল্প, যেখানে ঋণ, লোভ এবং মানব প্রকৃতির অসারতা খুব সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সারমর্ম:

গল্পের মূল চরিত্র শ্রীমান ভদ্রলোক একজন সুদখোর মহাজন, যিনি গরিব মানুষদের ঋণ দিয়ে তার ওপর সুদে টাকা আদায় করেন। তার উদ্দেশ্য কখনোই সাহায্য করা নয়, বরং তাদের দুঃস্থতাকে কাজে লাগিয়ে লাভবান হওয়া। গল্পে দেখা যায়, এক ব্যক্তি তার কাছ থেকে টাকা ধার করে নানা কষ্টে তা শোধ করতে থাকে। কিন্তু মহাজনের কাছে টাকা পরিশোধ করেও তার মুক্তি নেই—তিনি বারবার নতুন ছুতোয় সুদ আদায় করে চলেন।

গল্পটি শেষ হয় এক ব্যঙ্গাত্মক বাঁকে, যেখানে বোঝানো হয়—ঋণের এই চক্র থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি নেই। ‘আদায়ের ইতিহাস’ কেবল অর্থনৈতিক নয়, নৈতিকভাবে এক অন্যরকম শোষণের কাহিনি, যেখানে সমাজের উচ্চবিত্তরা নিম্নবিত্তদের কষ্টকে পুঁজি করে চলে।

মূল বক্তব্য:

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গল্পে সমাজের এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা চিত্রিত হয়েছে—লোক দেখানো সহানুভূতির আড়ালে শোষণ, এবং মানুষের দুর্দশাকে ব্যবহার করে এক শ্রেণির মানুষের ধনী হয়ে ওঠা। গল্পটি ঋণের ফাঁদ এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করে।

চাইলে গল্পটির ব্যাখ্যা বা চরিত্র বিশ্লেষণও করে দিতে পারি

See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/52332/image_1920?unique=584064c

120.00 ৳ 120.0 BDT 150.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

"আদায়ের ইতিহাস" মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক গল্প, যেখানে ঋণ, লোভ এবং মানব প্রকৃতির অসারতা খুব সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সারমর্ম:

গল্পের মূল চরিত্র শ্রীমান ভদ্রলোক একজন সুদখোর মহাজন, যিনি গরিব মানুষদের ঋণ দিয়ে তার ওপর সুদে টাকা আদায় করেন। তার উদ্দেশ্য কখনোই সাহায্য করা নয়, বরং তাদের দুঃস্থতাকে কাজে লাগিয়ে লাভবান হওয়া। গল্পে দেখা যায়, এক ব্যক্তি তার কাছ থেকে টাকা ধার করে নানা কষ্টে তা শোধ করতে থাকে। কিন্তু মহাজনের কাছে টাকা পরিশোধ করেও তার মুক্তি নেই—তিনি বারবার নতুন ছুতোয় সুদ আদায় করে চলেন।

গল্পটি শেষ হয় এক ব্যঙ্গাত্মক বাঁকে, যেখানে বোঝানো হয়—ঋণের এই চক্র থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি নেই। ‘আদায়ের ইতিহাস’ কেবল অর্থনৈতিক নয়, নৈতিকভাবে এক অন্যরকম শোষণের কাহিনি, যেখানে সমাজের উচ্চবিত্তরা নিম্নবিত্তদের কষ্টকে পুঁজি করে চলে।

মূল বক্তব্য:

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গল্পে সমাজের এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা চিত্রিত হয়েছে—লোক দেখানো সহানুভূতির আড়ালে শোষণ, এবং মানুষের দুর্দশাকে ব্যবহার করে এক শ্রেণির মানুষের ধনী হয়ে ওঠা। গল্পটি ঋণের ফাঁদ এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করে।

চাইলে গল্পটির ব্যাখ্যা বা চরিত্র বিশ্লেষণও করে দিতে পারি

Title

আদায়ের ইতিহাস

Publisher

Jonaki Prokashoni

Number of Pages

60

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Bangla Classic / Novel
  • First Published

    FEB 2025

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    "আদায়ের ইতিহাস" মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক গল্প, যেখানে ঋণ, লোভ এবং মানব প্রকৃতির অসারতা খুব সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

    সারমর্ম:

    গল্পের মূল চরিত্র শ্রীমান ভদ্রলোক একজন সুদখোর মহাজন, যিনি গরিব মানুষদের ঋণ দিয়ে তার ওপর সুদে টাকা আদায় করেন। তার উদ্দেশ্য কখনোই সাহায্য করা নয়, বরং তাদের দুঃস্থতাকে কাজে লাগিয়ে লাভবান হওয়া। গল্পে দেখা যায়, এক ব্যক্তি তার কাছ থেকে টাকা ধার করে নানা কষ্টে তা শোধ করতে থাকে। কিন্তু মহাজনের কাছে টাকা পরিশোধ করেও তার মুক্তি নেই—তিনি বারবার নতুন ছুতোয় সুদ আদায় করে চলেন।

    গল্পটি শেষ হয় এক ব্যঙ্গাত্মক বাঁকে, যেখানে বোঝানো হয়—ঋণের এই চক্র থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি নেই। ‘আদায়ের ইতিহাস’ কেবল অর্থনৈতিক নয়, নৈতিকভাবে এক অন্যরকম শোষণের কাহিনি, যেখানে সমাজের উচ্চবিত্তরা নিম্নবিত্তদের কষ্টকে পুঁজি করে চলে।

    মূল বক্তব্য:

    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গল্পে সমাজের এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা চিত্রিত হয়েছে—লোক দেখানো সহানুভূতির আড়ালে শোষণ, এবং মানুষের দুর্দশাকে ব্যবহার করে এক শ্রেণির মানুষের ধনী হয়ে ওঠা। গল্পটি ঋণের ফাঁদ এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করে।

    চাইলে গল্পটির ব্যাখ্যা বা চরিত্র বিশ্লেষণও করে দিতে পারি

    No Specifications