Skip to Content
রবিজীবনী : চতুর্থ খণ্ড

Price:

630.00 ৳


রবি কিশোর : রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত শিশু-কিশোর সঙ্কলন
রবি কিশোর : রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত শিশু-কিশোর সঙ্কলন
440.00 ৳
550.00 ৳ (20% OFF)
রবিন্দ্র নজরুল প্লে গ্রাউন্ড প্রসঙ্গে
রবিন্দ্র নজরুল প্লে গ্রাউন্ড প্রসঙ্গে
448.00 ৳
560.00 ৳ (20% OFF)
10% OFF

রবিজীবনী : চতুর্থ খণ্ড

‘একজন অমৃতপুত্রকে আমরা তখনই আবার সহজভাবে তাঁর মর্ত্য-রূপে ভাবতে পারি, যখন সময়ের ব্যবধানে অনেক অবান্তর সঞ্চয় ক’রে ঝড়ে, আবার সমস্ত তথ্য প্রকাশিত হবারও বাধা থাকে না। রবীন্দ্রনাথকে তাই অপেক্ষা করতে হবে, হয়তো দীর্ঘকাল—অন্তত যতদিন না ‘রবীন্দ্রজীবনী’ পরিবর্ধিত হবার পরেও নতুনতর তথ্য নিয়ে অনুরূপ গ্রন্থ আরও বেরোয়।’—চল্লিশ বছর আগে সেই-যে লিখেছিলেন বুদ্ধদেব বসু, সেই অপেক্ষারই যেন যোগ্য অবসান ঘটালেন প্রশান্তকুমার পাল তাঁর ‘রবিজীবনী’ গ্রন্থে। নতুনতর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, নবতর তথ্যের মিশেল ঘটিয়ে, যুক্তিসিদ্ধভাবে যাবতীয় তথ্যকে যাচাই করে, একটির-পর-একটি খণ্ডে তিনি তুলে ধরে চলেছেন এ-যাবৎ অনাবিষ্কৃত এক মর্ত্য-রূপী রবীন্দ্রনাথকে। উচ্ছ্বাসের বাষ্পে অস্পষ্ট নয় সেই মূর্তি, কবিকৃত ভাষ্যে খণ্ডিত নয় তার স্বরূপ। কবিকেও যে জীবনচরিতে খুঁজে পাওয়া সম্ভব, সে-কথা জানাতেই প্রশান্তকুমার পালের ‘রবিজীবনী’। ‘রবিজীবনী’র এই চতুর্থ খণ্ডের কালসীমায় রয়েছে ১৩০১ থেকে ১৩০৭ (১৮৯৪-১৯০১) পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও কর্মজীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। এর সূচনায় পরিণত যৌবনের বিচিত্র সৃষ্টিশীলতা, পরিণতিতে আসন্ন প্রৌঢ়ত্বের প্রশান্তি। ‘সাধনা’ থেকে ‘ভারতী’ হয়ে ‘বঙ্গদর্শন’-এর প্রস্তুতি-পর্ব। সাধনায় যে-প্রতিভা সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে তীক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করেছে, ভারতীতে সেই প্রতিভা ইতিহাসের আদর্শ নির্ধারণে ব্রতী। এ যেন বঙ্গদর্শনে অতীত ইতিহাসের পটভূমিকায় সমকালীন সমাজ ও রাজনীতিকে প্রতিস্থাপনের ভূমিকা। বহু অচিহ্নিত রবীন্দ্রনাথকে যুক্তি-তর্ক দিয়ে চিহ্নিত করে, সমকালীন সৃষ্টিকে বিশ্লেষণ করে এই ভূমিকাটিকে স্পষ্ট করে। তুলেছেন প্রশান্তকুমার। এই পর্বটিকে সঠিকভাবে বুঝে নিতে পারলে তবেই পরবর্তীকালের আদর্শবাদী, ভবিষ্যতের দিশারী রবীন্দ্রনাথকে বুঝে নেওয়া সম্ভব। এই খন্ড শেষ হয়েছে ঊনবিংশ শতাব্দীর সমাপ্তিতে ও বিংশ শতাব্দীর সূচনায়। উনিশ শতকের বহু বদ্ধমূল বিশ্বাসের ভিত কীভাবে শতাব্দীর শেষ পর্বে টলে গিয়েছে—রবীন্দ্রনাথের ভাবজীবনের বিকাশের মধ্য দিয়ে বিশ্ব-ইতিহাসের এই বিবর্তনের চেহারাটিও এই গ্রন্থে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/15558/image_1920?unique=4eecf21

630.00 ৳ 630.0 BDT 700.00 ৳

Not Available For Sale

(10% OFF)

This combination does not exist.

‘একজন অমৃতপুত্রকে আমরা তখনই আবার সহজভাবে তাঁর মর্ত্য-রূপে ভাবতে পারি, যখন সময়ের ব্যবধানে অনেক অবান্তর সঞ্চয় ক’রে ঝড়ে, আবার সমস্ত তথ্য প্রকাশিত হবারও বাধা থাকে না। রবীন্দ্রনাথকে তাই অপেক্ষা করতে হবে, হয়তো দীর্ঘকাল—অন্তত যতদিন না ‘রবীন্দ্রজীবনী’ পরিবর্ধিত হবার পরেও নতুনতর তথ্য নিয়ে অনুরূপ গ্রন্থ আরও বেরোয়।’—চল্লিশ বছর আগে সেই-যে লিখেছিলেন বুদ্ধদেব বসু, সেই অপেক্ষারই যেন যোগ্য অবসান ঘটালেন প্রশান্তকুমার পাল তাঁর ‘রবিজীবনী’ গ্রন্থে। নতুনতর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, নবতর তথ্যের মিশেল ঘটিয়ে, যুক্তিসিদ্ধভাবে যাবতীয় তথ্যকে যাচাই করে, একটির-পর-একটি খণ্ডে তিনি তুলে ধরে চলেছেন এ-যাবৎ অনাবিষ্কৃত এক মর্ত্য-রূপী রবীন্দ্রনাথকে। উচ্ছ্বাসের বাষ্পে অস্পষ্ট নয় সেই মূর্তি, কবিকৃত ভাষ্যে খণ্ডিত নয় তার স্বরূপ। কবিকেও যে জীবনচরিতে খুঁজে পাওয়া সম্ভব, সে-কথা জানাতেই প্রশান্তকুমার পালের ‘রবিজীবনী’। ‘রবিজীবনী’র এই চতুর্থ খণ্ডের কালসীমায় রয়েছে ১৩০১ থেকে ১৩০৭ (১৮৯৪-১৯০১) পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও কর্মজীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। এর সূচনায় পরিণত যৌবনের বিচিত্র সৃষ্টিশীলতা, পরিণতিতে আসন্ন প্রৌঢ়ত্বের প্রশান্তি। ‘সাধনা’ থেকে ‘ভারতী’ হয়ে ‘বঙ্গদর্শন’-এর প্রস্তুতি-পর্ব। সাধনায় যে-প্রতিভা সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে তীক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করেছে, ভারতীতে সেই প্রতিভা ইতিহাসের আদর্শ নির্ধারণে ব্রতী। এ যেন বঙ্গদর্শনে অতীত ইতিহাসের পটভূমিকায় সমকালীন সমাজ ও রাজনীতিকে প্রতিস্থাপনের ভূমিকা। বহু অচিহ্নিত রবীন্দ্রনাথকে যুক্তি-তর্ক দিয়ে চিহ্নিত করে, সমকালীন সৃষ্টিকে বিশ্লেষণ করে এই ভূমিকাটিকে স্পষ্ট করে। তুলেছেন প্রশান্তকুমার। এই পর্বটিকে সঠিকভাবে বুঝে নিতে পারলে তবেই পরবর্তীকালের আদর্শবাদী, ভবিষ্যতের দিশারী রবীন্দ্রনাথকে বুঝে নেওয়া সম্ভব। এই খন্ড শেষ হয়েছে ঊনবিংশ শতাব্দীর সমাপ্তিতে ও বিংশ শতাব্দীর সূচনায়। উনিশ শতকের বহু বদ্ধমূল বিশ্বাসের ভিত কীভাবে শতাব্দীর শেষ পর্বে টলে গিয়েছে—রবীন্দ্রনাথের ভাবজীবনের বিকাশের মধ্য দিয়ে বিশ্ব-ইতিহাসের এই বিবর্তনের চেহারাটিও এই গ্রন্থে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Prasanta Kumar Pal

প্রশান্তকুমার পাল জন্ম: ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৫ (১৮ মে ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ)। কলকাতায়। শৈশব কেটেছিল কৃষ্ণনগরে, প্রাথমিক পড়াশোনা এ. ভি. স্কুলে। কৈশোর ও যৌবন কলকাতারই স্কুলে-কলেজে। স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুল থেকে স্কুল ফাইনাল পাশ করে প্রেসিডেন্সি কলেজে। সেখান থেকে ১৯৫৮ সালে বাংলায় অনার্স নিয়ে বি-এ পাশ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। এম-এ পাশ করেছেন ১৯৬০ সালে। ১৯৬১ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপনা শুরু করেন কলকাতার আনন্দমোহন কলেজে। অধ্যাপনা করতে করতেই রবীন্দ্রজীবনের বিবর্তনের সঙ্গে মিলিয়ে ধারাবাহিকভাবে রবীন্দ্ররচনা পড়তে গিয়ে অনুভব করেন যে, রবীন্দ্রজীবনীর এক বিশাল অংশ রয়ে গেছে তমসাবৃত অবস্থায়। উৎসাহী হয়ে শুরু করেন গবেষণা, অবশ্য ডিগ্রি-প্রত্যাশার বাইরে দাঁড়িয়ে। ১৯৭২ থেকে সেই নবতর গবেষণার সূচনা। ১৯৮২-তে ‘রবিজীবনী’র প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়। প্রকাশমাত্রই এ-গ্রন্থ সর্বস্তরে তোলে আলোড়ন। ১৯৮৪-তে বেরোয় দ্বিতীয় খণ্ড। একইভাবে সমাদৃত হয় এই নতুন খণ্ডও। ১৯৮৫ সালে ‘রবিজীবনী’র জন্য দুটি বিশিষ্ট পুরস্কার পান। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ও সুরেশচন্দ্র-স্মৃতি আনন্দ পুরস্কার। বিশ্বভারতীতে আনন্দবাজার পত্রিকা সংস্থা প্রবর্তিত অশোককুমার সরকার স্মৃতিবৃত্তির প্রথম প্রাপকরূপে ১৯৮৫ সাল থেকে তিন বৎসর শান্তিনিকেতন রবীন্দ্রভবনে গবেষণা করে প্রশান্তকুমার ১৯৯৩-এর শেষ থেকে সেখানকার অধ্যাপক পদে কাজ করেছেন। কলকাতার টেগোর রিসার্চ ইনস্টিট্যুট তাঁকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধিতে সম্মানিত করেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা এবং তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ বাংলা সাহিত্য বিভাগের জন্য তাঁকে ২০০১ সালের রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত করেছেন।

Title

রবিজীবনী : চতুর্থ খণ্ড

Author

Prasanta Kumar Pal

Publisher

Ananda Publishers Private Limited (kolkata)

Number of Pages

349

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Rabindranath / Memoirs / Biography
  • First Published

    JAN 2018

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    ‘একজন অমৃতপুত্রকে আমরা তখনই আবার সহজভাবে তাঁর মর্ত্য-রূপে ভাবতে পারি, যখন সময়ের ব্যবধানে অনেক অবান্তর সঞ্চয় ক’রে ঝড়ে, আবার সমস্ত তথ্য প্রকাশিত হবারও বাধা থাকে না। রবীন্দ্রনাথকে তাই অপেক্ষা করতে হবে, হয়তো দীর্ঘকাল—অন্তত যতদিন না ‘রবীন্দ্রজীবনী’ পরিবর্ধিত হবার পরেও নতুনতর তথ্য নিয়ে অনুরূপ গ্রন্থ আরও বেরোয়।’—চল্লিশ বছর আগে সেই-যে লিখেছিলেন বুদ্ধদেব বসু, সেই অপেক্ষারই যেন যোগ্য অবসান ঘটালেন প্রশান্তকুমার পাল তাঁর ‘রবিজীবনী’ গ্রন্থে। নতুনতর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, নবতর তথ্যের মিশেল ঘটিয়ে, যুক্তিসিদ্ধভাবে যাবতীয় তথ্যকে যাচাই করে, একটির-পর-একটি খণ্ডে তিনি তুলে ধরে চলেছেন এ-যাবৎ অনাবিষ্কৃত এক মর্ত্য-রূপী রবীন্দ্রনাথকে। উচ্ছ্বাসের বাষ্পে অস্পষ্ট নয় সেই মূর্তি, কবিকৃত ভাষ্যে খণ্ডিত নয় তার স্বরূপ। কবিকেও যে জীবনচরিতে খুঁজে পাওয়া সম্ভব, সে-কথা জানাতেই প্রশান্তকুমার পালের ‘রবিজীবনী’। ‘রবিজীবনী’র এই চতুর্থ খণ্ডের কালসীমায় রয়েছে ১৩০১ থেকে ১৩০৭ (১৮৯৪-১৯০১) পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও কর্মজীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। এর সূচনায় পরিণত যৌবনের বিচিত্র সৃষ্টিশীলতা, পরিণতিতে আসন্ন প্রৌঢ়ত্বের প্রশান্তি। ‘সাধনা’ থেকে ‘ভারতী’ হয়ে ‘বঙ্গদর্শন’-এর প্রস্তুতি-পর্ব। সাধনায় যে-প্রতিভা সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে তীক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করেছে, ভারতীতে সেই প্রতিভা ইতিহাসের আদর্শ নির্ধারণে ব্রতী। এ যেন বঙ্গদর্শনে অতীত ইতিহাসের পটভূমিকায় সমকালীন সমাজ ও রাজনীতিকে প্রতিস্থাপনের ভূমিকা। বহু অচিহ্নিত রবীন্দ্রনাথকে যুক্তি-তর্ক দিয়ে চিহ্নিত করে, সমকালীন সৃষ্টিকে বিশ্লেষণ করে এই ভূমিকাটিকে স্পষ্ট করে। তুলেছেন প্রশান্তকুমার। এই পর্বটিকে সঠিকভাবে বুঝে নিতে পারলে তবেই পরবর্তীকালের আদর্শবাদী, ভবিষ্যতের দিশারী রবীন্দ্রনাথকে বুঝে নেওয়া সম্ভব। এই খন্ড শেষ হয়েছে ঊনবিংশ শতাব্দীর সমাপ্তিতে ও বিংশ শতাব্দীর সূচনায়। উনিশ শতকের বহু বদ্ধমূল বিশ্বাসের ভিত কীভাবে শতাব্দীর শেষ পর্বে টলে গিয়েছে—রবীন্দ্রনাথের ভাবজীবনের বিকাশের মধ্য দিয়ে বিশ্ব-ইতিহাসের এই বিবর্তনের চেহারাটিও এই গ্রন্থে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
    No Specifications