Skip to Content
সমগ্র রচনাবলী : খণ্ড ২

Price:

540.00 ৳


সমগ্র রচনাবলী : খণ্ড ১০
সমগ্র রচনাবলী : খণ্ড ১০
540.00 ৳
600.00 ৳ (10% OFF)
সমগ্র রচনাবলী : খণ্ড ৪
সমগ্র রচনাবলী : খণ্ড ৪
540.00 ৳
600.00 ৳ (10% OFF)
10% OFF

সমগ্র রচনাবলী : খণ্ড ২

সুভাষচন্দ্রের ৮৬তম জন্মবার্ষিকীর শুভলগ্নে প্রকাশিত হচ্ছে সমগ্র রচনাবলীর দ্বিতীয় খণ্ড। এ-খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হল, নেতাজীর প্রামাণ্য গ্রন্থ, ‘ভারতের মুক্তি সংগ্রাম'-এর অখণ্ড ও পরিমাজিত সংস্করণ। এই প্রধান ও অত্যন্ত গুরত্বপর্ণ ঐতিহাসিক রচনা পাঠকের স্বার্থে নতুন করে স্বচ্ছ ও সাবলীল। বাংলায় অনুবাদ করানাে হয়েছে। অনবাদ করেছেন সুমন চট্টোপাধ্যায় ও সুগত বসু। নেতাজীর আত্মজীবনীও। প্রথম জীবনের চিঠিপত্র ও রচনার পরই এই গ্রন্থটি সকলের পড়া সমীচীন, এ-কথা মনে রেখে দ্বিতীয় খণ্ডে এই রচনাকে স্থান দেওয়া হল। ‘ভারতের মুক্তি সংগ্রাম'-এর প্রথম অংশ—১৯২০ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত ভারতের স্বাধীনতাযুদ্ধের কাহিনী–গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে, লণ্ডনের এক প্রকাশনসংস্থা থেকে। ইংলণ্ডের নানান পত্রপত্রিকায় উচ্চ প্রশংসিত এবং ইউরােপের বিদগ্ধ মহলে বিপুল সমাদত এই গ্রন্থটির ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেন তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। গ্রন্থের দ্বিতীয় অংশটি—১৯৩৫ থেকে ১৯৪২ পর্যন্ত মুক্তি-সংগ্রামের কাহিনী—দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়, ১৯৪২ সালে, সুভাষচন্দ্র বালিনে বসে লিখেছিলেন। যুদ্ধের পর তাঁর সহধর্মিণীর কাছ থেকে সেই পাণ্ডুলিপিটি পাওয়া যায়। লন্ডন থেকে প্রকাশিত ১৯৩৫ সালের বইটির একটি পুনর্মুদ্রণ কলকাতায় প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে, দ্বিতীয় অংশ আলাদাভাবে পুস্তকাকারে বেরােয় চার বছর বাদে। নেতাজীর সমগ্র রচনাবলীতে ‘ভারতের। মুক্তি সংগ্রাম'-এর আদ্যন্ত পরিমার্জিত অখণ্ড সংস্করণের সন্নিবেশ তাই নানা দিক থেকে জররী একটি চাহিদাকেই। মেটানাে। এ-গ্রন্থ সম্পর্কে নানা পত্রপত্রিকার ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মুল্যবান। মতামতও সেই সঙ্গে সংকলিত হয়েছে। এ-ছাড়াও দ্বিতীয় খণ্ডের পরিশিষ্টে রয়েছে সুভাষচন্দ্রের একটি সাক্ষাৎকারের বিবরণ। এটিও কৌতুহলােদ্দীপক। মল গ্রথে ফ্যাসিজম, ও কম্যুনিজম। সম্বন্ধে তাঁর মন্তব্যের কিছু ব্যাখ্যা এই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্র।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/16056/image_1920?unique=21703f9

540.00 ৳ 540.0 BDT 600.00 ৳

Not Available For Sale

(10% OFF)

This combination does not exist.

সুভাষচন্দ্রের ৮৬তম জন্মবার্ষিকীর শুভলগ্নে প্রকাশিত হচ্ছে সমগ্র রচনাবলীর দ্বিতীয় খণ্ড। এ-খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হল, নেতাজীর প্রামাণ্য গ্রন্থ, ‘ভারতের মুক্তি সংগ্রাম'-এর অখণ্ড ও পরিমাজিত সংস্করণ। এই প্রধান ও অত্যন্ত গুরত্বপর্ণ ঐতিহাসিক রচনা পাঠকের স্বার্থে নতুন করে স্বচ্ছ ও সাবলীল। বাংলায় অনুবাদ করানাে হয়েছে। অনবাদ করেছেন সুমন চট্টোপাধ্যায় ও সুগত বসু। নেতাজীর আত্মজীবনীও। প্রথম জীবনের চিঠিপত্র ও রচনার পরই এই গ্রন্থটি সকলের পড়া সমীচীন, এ-কথা মনে রেখে দ্বিতীয় খণ্ডে এই রচনাকে স্থান দেওয়া হল। ‘ভারতের মুক্তি সংগ্রাম'-এর প্রথম অংশ—১৯২০ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত ভারতের স্বাধীনতাযুদ্ধের কাহিনী–গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে, লণ্ডনের এক প্রকাশনসংস্থা থেকে। ইংলণ্ডের নানান পত্রপত্রিকায় উচ্চ প্রশংসিত এবং ইউরােপের বিদগ্ধ মহলে বিপুল সমাদত এই গ্রন্থটির ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেন তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। গ্রন্থের দ্বিতীয় অংশটি—১৯৩৫ থেকে ১৯৪২ পর্যন্ত মুক্তি-সংগ্রামের কাহিনী—দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়, ১৯৪২ সালে, সুভাষচন্দ্র বালিনে বসে লিখেছিলেন। যুদ্ধের পর তাঁর সহধর্মিণীর কাছ থেকে সেই পাণ্ডুলিপিটি পাওয়া যায়। লন্ডন থেকে প্রকাশিত ১৯৩৫ সালের বইটির একটি পুনর্মুদ্রণ কলকাতায় প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে, দ্বিতীয় অংশ আলাদাভাবে পুস্তকাকারে বেরােয় চার বছর বাদে। নেতাজীর সমগ্র রচনাবলীতে ‘ভারতের। মুক্তি সংগ্রাম'-এর আদ্যন্ত পরিমার্জিত অখণ্ড সংস্করণের সন্নিবেশ তাই নানা দিক থেকে জররী একটি চাহিদাকেই। মেটানাে। এ-গ্রন্থ সম্পর্কে নানা পত্রপত্রিকার ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মুল্যবান। মতামতও সেই সঙ্গে সংকলিত হয়েছে। এ-ছাড়াও দ্বিতীয় খণ্ডের পরিশিষ্টে রয়েছে সুভাষচন্দ্রের একটি সাক্ষাৎকারের বিবরণ। এটিও কৌতুহলােদ্দীপক। মল গ্রথে ফ্যাসিজম, ও কম্যুনিজম। সম্বন্ধে তাঁর মন্তব্যের কিছু ব্যাখ্যা এই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্র।

সুভাষ চন্দ্র বসু

সুভাষচন্দ্র বসু এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ (সাহায্য·তথ্য) (২৩ জানুয়ারি ১৮৯৭ - ?) ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তিনি হলেন এক উজ্জ্বল ও মহান চরিত্র যিনি এই সংগ্রামে নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি নেতাজি নামে সমধিক পরিচিত। ২০২১ সালে ভারত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার জন্মবার্ষিকীকে জাতীয় পরাক্রম দিবস বলে ঘোষনা করেন। সুভাষচন্দ্র পরপর দুইবার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু গান্ধীর সঙ্গে আদর্শগত সংঘাত, কংগ্রেসের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ নীতির প্রকাশ্য সমালোচনা[টীকা এবং বিরুদ্ধ-মত প্রকাশ করার জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হয়। সুভাষচন্দ্র মনে করতেন, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর অহিংসা এবং সত্যাগ্রহের নীতি ভারতের স্বাধীনতা আনার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। এই কারণে তিনি সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নিয়েছিলেন। সুভাষচন্দ্র ফরওয়ার্ড ব্লক নামক একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং[১২] ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতের পূর্ণ ও সত্বর স্বাধীনতার দাবি জানাতে থাকেন। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তাঁকে এগারো বার কারারুদ্ধ করে। তার বিখ্যাত উক্তি "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।" দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পরেও তার মতাদর্শের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি; বরং এই যুদ্ধকে ব্রিটিশদের দুর্বলতার সুবিধা আদায়ের একটি সুযোগ হিসেবে দেখেন। যুদ্ধের সূচনালগ্নে তিনি লুকিয়ে ভারত ত্যাগ করে সোভিয়েত ইউনিয়ন, জার্মানি ও জাপান ভ্রমণ করেন ভারতে ব্রিটিশদের আক্রমণ করার জন্য সহযোগিতা লাভের উদ্দেশ্যে। জাপানিদের সহযোগিতায় তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজ পুনর্গঠন করেন এবং পরে তিনি নেতৃত্ব প্রদান করেন। এই বাহিনীর সৈনিকেরা ছিলেন মূলত ভারতীয় যুদ্ধবন্দি এবং ব্রিটিশ মালয়, সিঙ্গাপুরসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে কর্মরত মজুর। জাপানের আর্থিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তায় তিনি নির্বাসিত আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্বদান করে ব্রিটিশ মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে ইম্ফল ও ব্রহ্মদেশে (বর্তমান মায়ানমার) যুদ্ধ পরিচালনা করেন। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে নাৎসি ও অন্যান্য যুদ্ধবাদী শক্তিগুলির সঙ্গে মিত্রতা স্থাপনের জন্য কোনো কোনো ঐতিহাসিক ও রাজনীতিবিদ সুভাষচন্দ্রের সমালোচনা করেছেন; এমনকি কেউ কেউ তাকে নাৎসি মতাদর্শের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন বলে অভিযুক্ত করেছেন। তবে ভারতে অন্যান্যরা তার ইস্তাহারকে রিয়েলপোলিটিক (নৈতিক বা আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বদলে ব্যবহারিক রাজনীতি)-এর নিদর্শন বলে উল্লেখ করে তার পথপ্রদর্শক সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবাদর্শের প্রতি সহানুভূতি পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, কংগ্রেস কমিটি যেখানে ভারতের অধিরাজ্য মর্যাদা বা ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাসের পক্ষে মত প্রদান করে, সেখানে সুভাষচন্দ্রই প্রথম ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে মত দেন। জওহরলাল নেহরুসহ অন্যান্য যুবনেতারা তাকে সমর্থন করেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় কংগ্রেসের ঐতিহাসিক লাহোর অধিবেশনে কংগ্রেস পূর্ণ স্বরাজ মতবাদ গ্রহণে বাধ্য হয়। ভগৎ সিংয়ের ফাঁসি ও তার জীবন রক্ষায় কংগ্রেস নেতাদের ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ[টীকা সুভাষচন্দ্র গান্ধী-আরউইন চুক্তি বিরোধী আন্দোলন[টীকা শুরু করেন। তাকে কারারুদ্ধ করে ভারত থেকে নির্বাসিত করা হয়। নিষেধাজ্ঞা ভেঙে তিনি ভারতে ফিরে এলে আবার তাকে কারারুদ্ধ করা হয়।

Title

সমগ্র রচনাবলী : খণ্ড ২

Author

সুভাষ চন্দ্র বসু

Publisher

Ananda Publishers Private Limited (kolkata)

Number of Pages

230

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Anthology
  • First Published

    JAN 2018

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    সুভাষচন্দ্রের ৮৬তম জন্মবার্ষিকীর শুভলগ্নে প্রকাশিত হচ্ছে সমগ্র রচনাবলীর দ্বিতীয় খণ্ড। এ-খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হল, নেতাজীর প্রামাণ্য গ্রন্থ, ‘ভারতের মুক্তি সংগ্রাম'-এর অখণ্ড ও পরিমাজিত সংস্করণ। এই প্রধান ও অত্যন্ত গুরত্বপর্ণ ঐতিহাসিক রচনা পাঠকের স্বার্থে নতুন করে স্বচ্ছ ও সাবলীল। বাংলায় অনুবাদ করানাে হয়েছে। অনবাদ করেছেন সুমন চট্টোপাধ্যায় ও সুগত বসু। নেতাজীর আত্মজীবনীও। প্রথম জীবনের চিঠিপত্র ও রচনার পরই এই গ্রন্থটি সকলের পড়া সমীচীন, এ-কথা মনে রেখে দ্বিতীয় খণ্ডে এই রচনাকে স্থান দেওয়া হল। ‘ভারতের মুক্তি সংগ্রাম'-এর প্রথম অংশ—১৯২০ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত ভারতের স্বাধীনতাযুদ্ধের কাহিনী–গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে, লণ্ডনের এক প্রকাশনসংস্থা থেকে। ইংলণ্ডের নানান পত্রপত্রিকায় উচ্চ প্রশংসিত এবং ইউরােপের বিদগ্ধ মহলে বিপুল সমাদত এই গ্রন্থটির ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেন তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। গ্রন্থের দ্বিতীয় অংশটি—১৯৩৫ থেকে ১৯৪২ পর্যন্ত মুক্তি-সংগ্রামের কাহিনী—দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়, ১৯৪২ সালে, সুভাষচন্দ্র বালিনে বসে লিখেছিলেন। যুদ্ধের পর তাঁর সহধর্মিণীর কাছ থেকে সেই পাণ্ডুলিপিটি পাওয়া যায়। লন্ডন থেকে প্রকাশিত ১৯৩৫ সালের বইটির একটি পুনর্মুদ্রণ কলকাতায় প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে, দ্বিতীয় অংশ আলাদাভাবে পুস্তকাকারে বেরােয় চার বছর বাদে। নেতাজীর সমগ্র রচনাবলীতে ‘ভারতের। মুক্তি সংগ্রাম'-এর আদ্যন্ত পরিমার্জিত অখণ্ড সংস্করণের সন্নিবেশ তাই নানা দিক থেকে জররী একটি চাহিদাকেই। মেটানাে। এ-গ্রন্থ সম্পর্কে নানা পত্রপত্রিকার ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মুল্যবান। মতামতও সেই সঙ্গে সংকলিত হয়েছে। এ-ছাড়াও দ্বিতীয় খণ্ডের পরিশিষ্টে রয়েছে সুভাষচন্দ্রের একটি সাক্ষাৎকারের বিবরণ। এটিও কৌতুহলােদ্দীপক। মল গ্রথে ফ্যাসিজম, ও কম্যুনিজম। সম্বন্ধে তাঁর মন্তব্যের কিছু ব্যাখ্যা এই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্র।
    No Specifications