Skip to Content
নির্বাচিত প্রবন্ধ (নীরাদচন্দ্র চৌধুরী)

Price:

1,170.00 ৳


নির্বাচিত গল্পে বঙ্গবন্ধু
নির্বাচিত গল্পে বঙ্গবন্ধু
800.00 ৳
1,000.00 ৳ (20% OFF)
নির্বাচিত বক্তব্য
নির্বাচিত বক্তব্য
800.00 ৳
1,000.00 ৳ (20% OFF)
10% OFF

নির্বাচিত প্রবন্ধ (নীরাদচন্দ্র চৌধুরী)

মন্তর্জাতিক খ্যাতির অধিকারী প্রবীণতম সাবাঙালি লেখক শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী বাংলা ভাষায় এ-যাবৎ যা লিখেছেন, তা নির্দ্বিধায় পাঠক মেনে নেয়নি। কখনও প্রসন্ন, কখনও অপ্রসন্ন চিত্তের দোলাচলে উদ্বেলিত হয়েছে পাঠককুল। চিরমেধাবী, প্রবল আত্মপ্রত্যয়ী ও আজীবন। অনমনীয় নীরদচন্দ্র পাঠকদের এই অনুরাগ ও বীতরাগের মধ্যেই ভাস্বর হয়ে আছেন আপন গরিমায় এই সংকলনে সংগৃহীত তাঁর লেখাগুলি পাঠ করলে একথা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ১৯২৮-এ প্রকাশিত প্রথম প্রবন্ধটি থেকে ১৯৯৪-এ লিখিত রচনাটি পর্যন্ত তিনি সমান সজাগ, প্রাণবন্ত। শুধু বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্যেই নয়, আমাদের দেশের সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে তাঁর আশ্চর্য মননশক্তি ও প্রখর বিচারবুদ্ধি প্রতিফলিত হয়েছে এই সব বিশ্লেষণধর্মী রচনায় ইংরেজি শিক্ষা, ভাষা ও সাহিত্যের সংস্পর্শে এসে উনবিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক। জীবনে বাঙালির যে-প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেকথা যেমন তিনি বলেছেন, তেমনই বর্তমান শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক থেকে বাঙালির জীবনের সর্বস্তরে যে-অবক্ষয় শুরু হয়, তার গতি-প্রকৃতিও বিচার করেছেন। শতজীবী এই লেখকের তীক্ষ্ণ মন্তব্য আমাদের অনেক সময়েই সচকিত করেছে ; কখনও বা প্রতিকূল সমালােচনাও হয়েছে। কিন্তু কোনও দিনই নীরদচন্দ্র নিজের বিশ্বাস ও স্বধর্ম থেকে। বিচ্যুত হননি। সযত্নে সংকলিত ও স্থানবিশেষে। সচিত্র, এই বিষয়নির্ভর প্রবন্ধগুলিতে চিরন্তন সত্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লেখকের অভিজ্ঞতা, গভীর প্রত্যয়, পাণ্ডিত্যের ব্যাপ্তি আর সূক্ষ্ম পরিহাসপ্রিয়তা। তাঁর পছন্দ-অপছন্দের তীব্র আলােয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে বাংলা ও বাঙালি।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/2319/image_1920?unique=345cc1f

1,170.00 ৳ 1170.0 BDT 1,300.00 ৳

Not Available For Sale

(10% OFF)

This combination does not exist.

মন্তর্জাতিক খ্যাতির অধিকারী প্রবীণতম সাবাঙালি লেখক শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী বাংলা ভাষায় এ-যাবৎ যা লিখেছেন, তা নির্দ্বিধায় পাঠক মেনে নেয়নি। কখনও প্রসন্ন, কখনও অপ্রসন্ন চিত্তের দোলাচলে উদ্বেলিত হয়েছে পাঠককুল। চিরমেধাবী, প্রবল আত্মপ্রত্যয়ী ও আজীবন। অনমনীয় নীরদচন্দ্র পাঠকদের এই অনুরাগ ও বীতরাগের মধ্যেই ভাস্বর হয়ে আছেন আপন গরিমায় এই সংকলনে সংগৃহীত তাঁর লেখাগুলি পাঠ করলে একথা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ১৯২৮-এ প্রকাশিত প্রথম প্রবন্ধটি থেকে ১৯৯৪-এ লিখিত রচনাটি পর্যন্ত তিনি সমান সজাগ, প্রাণবন্ত। শুধু বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্যেই নয়, আমাদের দেশের সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে তাঁর আশ্চর্য মননশক্তি ও প্রখর বিচারবুদ্ধি প্রতিফলিত হয়েছে এই সব বিশ্লেষণধর্মী রচনায় ইংরেজি শিক্ষা, ভাষা ও সাহিত্যের সংস্পর্শে এসে উনবিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক। জীবনে বাঙালির যে-প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেকথা যেমন তিনি বলেছেন, তেমনই বর্তমান শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক থেকে বাঙালির জীবনের সর্বস্তরে যে-অবক্ষয় শুরু হয়, তার গতি-প্রকৃতিও বিচার করেছেন। শতজীবী এই লেখকের তীক্ষ্ণ মন্তব্য আমাদের অনেক সময়েই সচকিত করেছে ; কখনও বা প্রতিকূল সমালােচনাও হয়েছে। কিন্তু কোনও দিনই নীরদচন্দ্র নিজের বিশ্বাস ও স্বধর্ম থেকে। বিচ্যুত হননি। সযত্নে সংকলিত ও স্থানবিশেষে। সচিত্র, এই বিষয়নির্ভর প্রবন্ধগুলিতে চিরন্তন সত্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লেখকের অভিজ্ঞতা, গভীর প্রত্যয়, পাণ্ডিত্যের ব্যাপ্তি আর সূক্ষ্ম পরিহাসপ্রিয়তা। তাঁর পছন্দ-অপছন্দের তীব্র আলােয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে বাংলা ও বাঙালি।

নীরদচন্দ্র চৌধুরী

নীরদচন্দ্র চৌধুরী (জন্ম: ২৩ নভেম্বর, ১৮৯৭ - মৃত্যু: ১ আগস্ট, ১৯৯৯) একজন খ্যাতনামা দীর্ঘজীবী বাঙালি মননশীল লেখক ও বিশিষ্ট চিন্তাবিদ। স্কলার এক্সট্রাঅর্ডিনারী শীর্ষক ম্যাক্স মুলারের জীবনী লিখে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে নীরদচন্দ্র চৌধুরী ভারত সরকার প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মাননা হিসেবে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তার ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি ও তির্যক প্রকাশভঙ্গির জন্য বিশেষভাবে আলোচিত ছিলেন উপেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ও সুশীলা সুন্দরী চৌধুরানীর ৮ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় নীরদ চৌধুরী তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলা (বর্তমান বাংলাদেশের) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদীতে ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ এবং কলকাতায় পড়াশোনা করেছেন। এফএ পরীক্ষা পাশ করে তিনি কলকাতার রিপন কলেজে (বর্তমান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) অন্যতম বাঙালি লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে একত্রে ভর্তি হন। এরপর নীরদ কলকাতার অন্যতম খ্যাতিমান স্কটিশ চার্চ কলেজে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হন। ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন স্কটিস চার্চ কলেজের ছাত্র হিসেবে তিনি ইতিহাসে সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মেধা তালিকায় নিজের স্থান করে নেন। স্কটিশ চার্চ কলেজের সেমিনারে ভারতবর্ষের অতিপরিচিত ব্যক্তিত্ব ও ইতিহাসবেত্তা প্রফেসর কালিদাস নাগের সাথে অংশগ্রহণ করেন। স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিতে ভর্তি হলেও ১৯২০-এর অনুষ্ঠিত এম. এ. পরীক্ষায় অংশ না নেয়ায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন নি। এখানেই তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি। ইতোমধ্যে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে Objective Methods in History শিরোনামে একটি তাত্ত্বিক প্রবন্ধ রচনা করেন|

Title

নির্বাচিত প্রবন্ধ (নীরাদচন্দ্র চৌধুরী)

Author

নীরদচন্দ্র চৌধুরী

Publisher

Ananda Publishers Private Limited (kolkata)

Number of Pages

303

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Essays
  • First Published

    NOV 2017

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    মন্তর্জাতিক খ্যাতির অধিকারী প্রবীণতম সাবাঙালি লেখক শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী বাংলা ভাষায় এ-যাবৎ যা লিখেছেন, তা নির্দ্বিধায় পাঠক মেনে নেয়নি। কখনও প্রসন্ন, কখনও অপ্রসন্ন চিত্তের দোলাচলে উদ্বেলিত হয়েছে পাঠককুল। চিরমেধাবী, প্রবল আত্মপ্রত্যয়ী ও আজীবন। অনমনীয় নীরদচন্দ্র পাঠকদের এই অনুরাগ ও বীতরাগের মধ্যেই ভাস্বর হয়ে আছেন আপন গরিমায় এই সংকলনে সংগৃহীত তাঁর লেখাগুলি পাঠ করলে একথা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ১৯২৮-এ প্রকাশিত প্রথম প্রবন্ধটি থেকে ১৯৯৪-এ লিখিত রচনাটি পর্যন্ত তিনি সমান সজাগ, প্রাণবন্ত। শুধু বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্যেই নয়, আমাদের দেশের সাহিত্য, সমাজ, রাজনীতি ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে তাঁর আশ্চর্য মননশক্তি ও প্রখর বিচারবুদ্ধি প্রতিফলিত হয়েছে এই সব বিশ্লেষণধর্মী রচনায় ইংরেজি শিক্ষা, ভাষা ও সাহিত্যের সংস্পর্শে এসে উনবিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক। জীবনে বাঙালির যে-প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেকথা যেমন তিনি বলেছেন, তেমনই বর্তমান শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক থেকে বাঙালির জীবনের সর্বস্তরে যে-অবক্ষয় শুরু হয়, তার গতি-প্রকৃতিও বিচার করেছেন। শতজীবী এই লেখকের তীক্ষ্ণ মন্তব্য আমাদের অনেক সময়েই সচকিত করেছে ; কখনও বা প্রতিকূল সমালােচনাও হয়েছে। কিন্তু কোনও দিনই নীরদচন্দ্র নিজের বিশ্বাস ও স্বধর্ম থেকে। বিচ্যুত হননি। সযত্নে সংকলিত ও স্থানবিশেষে। সচিত্র, এই বিষয়নির্ভর প্রবন্ধগুলিতে চিরন্তন সত্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লেখকের অভিজ্ঞতা, গভীর প্রত্যয়, পাণ্ডিত্যের ব্যাপ্তি আর সূক্ষ্ম পরিহাসপ্রিয়তা। তাঁর পছন্দ-অপছন্দের তীব্র আলােয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে বাংলা ও বাঙালি।
    No Specifications