Skip to Content
সোনার হরিন নেই

Price:

1,260.00 ৳


সোনার বাংলা
সোনার বাংলা
810.00 ৳
900.00 ৳ (10% OFF)
সোনালি ঈগল ও উদ্বাস্তু সময়
সোনালি ঈগল ও উদ্বাস্তু সময়
960.00 ৳
1,200.00 ৳ (20% OFF)
10% OFF

সোনার হরিন নেই

‘সােনার হরিণ নেই’ উপন্যাসটি তৎকালীন ‘অমৃত সাহিত্যপত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্তকাকারে দুইখণ্ডের এই বৃহৎ কাহিনীটির প্রথম প্রকাশ কার্তিক, ১৩৮৬ বঙ্গাব্দ। অত্যন্ত সুখপাঠ্য এই উপন্যাসখানি লেখকের নিজস্ব পছন্দের তালিকার অন্যতম এবং প্রিয়তম। উপন্যাসের মূল চরিত্র এবং নায়ক বাপী তরফদার। কাহিনীকারেরই অন্তলীন সত্তার প্রতিফলন। সে কথা তিনি নিজে স্বীকার করে গেছেন। এবং সে কারণেই। উপন্যাসখানি তিনি উৎসর্গ করেছেন তার কায়-মনের। যথার্থ অধাঙ্গিনী- ‘তােমাকে, স্ত্রী-মমতা মুখােপাধ্যায়কে। এ প্রসঙ্গ আশুতােষ রচনাবলী ১ম খণ্ডে ‘কিছু কথা জীবনআলেখ্যে বর্ণিত হয়েছে। আশুতােষ মুখােপাধ্যায়ের উপন্যাসের পড়তে পড়তে ছড়ানাে থাকে জীবনের যে ব্যাপ্ত জটিলতা এবং মানবমনের বিচিত্রমুখী বহগামী বিন্যাস এবং তারপরেও সবকিছুর উর্ধ্বে যে বিরাজমান। অস্তিত্বের ইতিবাচক সদর্থক সার্থকতা, এই উপন্যাসের কাহিনীতেও তার ব্যাতিক্রম নেই। ‘সােনার হরিণ নেই’ -এর নায়ক বাপী তরফদারের যে অনুসন্ধান-মানবজীবনের মূল সার্থকতার সােনার চাবিকাঠিটি আসলে কী এবং পার্থিব জগতের সমস্ত। কাঙ্খিত বস্ত, কামিনী-কাঞ্চন, অর্থ-যশ-খ্যাতি, সােনার পাহাড়, হীরের পাহাড়, অতুল বিত্তবৈভবের মণিরত্নের পাহাড়ের পরেও সর্বত্যাগী, যােগী মহাত্মার ‘আগে বাঢ়ো’ কথাটির আসল অর্থ কোনখানে- সেই নিগুঢ় খােজই সাহিত্যিকের নিজেরই আত্মানুসন্ধান। সমস্তকিছুর প্রাপ্তির পরেও অধরা থেকে যায় সােনার হরিণ। তাকে পেতে। গেলে খুঁজতে হবে নিজেরই ভেতরে, বাইরে নয়! পাহাড়ি জঙ্গলে ঘােরার সময় কাহিনীর নায়ক বাপী তরফদারের দেখা হয়েছিল জটাজুট সমন্বিত ত্রিশূলধারী। যে নগ্ন সন্ন্যাসীর, তারই মুখনিঃসৃত ‘আগে বাঢ়। মিযায়গা’- বাপীকে সজাগ সচকিত চমকিত করে ঠেলে। দেয় চরম আত্মিক উত্তরণে। সেখান থেকেই শুরু হয়। ভােগী, বিলাসী, অর্থ-প্রতিপত্তিকামী, ঈপ্সিত নারীকে করায়ত্তকারী পুরুষের জীবনের আমূল পালাবদল। এই চারটি শব্দ বারবার তাকে ঠেলে দেয়, সামনে এগােতে তাড়না করে-‘আগে বাঢ় মিল যায়গা—সামনে এগােও, পেয়ে যাবে। কী পাবে? নিজের ভেতরেই সামনে আগে। বাড়তে বাড়তে , সামনে এগােতে এগােতে শেষপর্যন্ত। সে পেয়ে যায় মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ আত্মশুদ্ধি এবং শাশ্বত ঐশ্বর্যের সন্ধান-চিরঅধরা সেই ‘সােনার। হরিণ। যার বিপুল সম্ভার নিয়ে সে বাস করে মানুষেরই নিজের ভেতরে। তাকে অন্বেষণ করতে করতে খুজে পাওয়ার নামই জীবন'। যে জীবনে জীবনের শেষদিনের শেষ মুহূর্তটি পর্যন্ত বিশ্বাস রেখে গেছেন লেখক।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/3566/image_1920?unique=e30ce93

1,260.00 ৳ 1260.0 BDT 1,400.00 ৳

Not Available For Sale

(10% OFF)

This combination does not exist.

‘সােনার হরিণ নেই’ উপন্যাসটি তৎকালীন ‘অমৃত সাহিত্যপত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্তকাকারে দুইখণ্ডের এই বৃহৎ কাহিনীটির প্রথম প্রকাশ কার্তিক, ১৩৮৬ বঙ্গাব্দ। অত্যন্ত সুখপাঠ্য এই উপন্যাসখানি লেখকের নিজস্ব পছন্দের তালিকার অন্যতম এবং প্রিয়তম। উপন্যাসের মূল চরিত্র এবং নায়ক বাপী তরফদার। কাহিনীকারেরই অন্তলীন সত্তার প্রতিফলন। সে কথা তিনি নিজে স্বীকার করে গেছেন। এবং সে কারণেই। উপন্যাসখানি তিনি উৎসর্গ করেছেন তার কায়-মনের। যথার্থ অধাঙ্গিনী- ‘তােমাকে, স্ত্রী-মমতা মুখােপাধ্যায়কে। এ প্রসঙ্গ আশুতােষ রচনাবলী ১ম খণ্ডে ‘কিছু কথা জীবনআলেখ্যে বর্ণিত হয়েছে। আশুতােষ মুখােপাধ্যায়ের উপন্যাসের পড়তে পড়তে ছড়ানাে থাকে জীবনের যে ব্যাপ্ত জটিলতা এবং মানবমনের বিচিত্রমুখী বহগামী বিন্যাস এবং তারপরেও সবকিছুর উর্ধ্বে যে বিরাজমান। অস্তিত্বের ইতিবাচক সদর্থক সার্থকতা, এই উপন্যাসের কাহিনীতেও তার ব্যাতিক্রম নেই। ‘সােনার হরিণ নেই’ -এর নায়ক বাপী তরফদারের যে অনুসন্ধান-মানবজীবনের মূল সার্থকতার সােনার চাবিকাঠিটি আসলে কী এবং পার্থিব জগতের সমস্ত। কাঙ্খিত বস্ত, কামিনী-কাঞ্চন, অর্থ-যশ-খ্যাতি, সােনার পাহাড়, হীরের পাহাড়, অতুল বিত্তবৈভবের মণিরত্নের পাহাড়ের পরেও সর্বত্যাগী, যােগী মহাত্মার ‘আগে বাঢ়ো’ কথাটির আসল অর্থ কোনখানে- সেই নিগুঢ় খােজই সাহিত্যিকের নিজেরই আত্মানুসন্ধান। সমস্তকিছুর প্রাপ্তির পরেও অধরা থেকে যায় সােনার হরিণ। তাকে পেতে। গেলে খুঁজতে হবে নিজেরই ভেতরে, বাইরে নয়! পাহাড়ি জঙ্গলে ঘােরার সময় কাহিনীর নায়ক বাপী তরফদারের দেখা হয়েছিল জটাজুট সমন্বিত ত্রিশূলধারী। যে নগ্ন সন্ন্যাসীর, তারই মুখনিঃসৃত ‘আগে বাঢ়। মিযায়গা’- বাপীকে সজাগ সচকিত চমকিত করে ঠেলে। দেয় চরম আত্মিক উত্তরণে। সেখান থেকেই শুরু হয়। ভােগী, বিলাসী, অর্থ-প্রতিপত্তিকামী, ঈপ্সিত নারীকে করায়ত্তকারী পুরুষের জীবনের আমূল পালাবদল। এই চারটি শব্দ বারবার তাকে ঠেলে দেয়, সামনে এগােতে তাড়না করে-‘আগে বাঢ় মিল যায়গা—সামনে এগােও, পেয়ে যাবে। কী পাবে? নিজের ভেতরেই সামনে আগে। বাড়তে বাড়তে , সামনে এগােতে এগােতে শেষপর্যন্ত। সে পেয়ে যায় মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ আত্মশুদ্ধি এবং শাশ্বত ঐশ্বর্যের সন্ধান-চিরঅধরা সেই ‘সােনার। হরিণ। যার বিপুল সম্ভার নিয়ে সে বাস করে মানুষেরই নিজের ভেতরে। তাকে অন্বেষণ করতে করতে খুজে পাওয়ার নামই জীবন'। যে জীবনে জীবনের শেষদিনের শেষ মুহূর্তটি পর্যন্ত বিশ্বাস রেখে গেছেন লেখক।

আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় (২৯ জুন ১৮৬৪ - ২৫ মে ১৯২৪) বাঙালি শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষা জাতীয় উদ্দেশ্য লাভে ব্যর্থ হয়। ১৯০৪ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন-এ জাতীয় শিক্ষার পরিধি আরও একটু সীমিত হয়ে যায়। কারণ এ আইনের বলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ সরকার মনোনীত ইউরোপীয়দের হাতে চলে যায়। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল প্রশাসন ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে যে কোন ধরনের জাতীয়তাবাদী আদর্শের অণুপ্রবেশ বন্ধ করা। তাদের আরও চেষ্টা ছিল স্বদেশী বুদ্ধিজীবী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কলেজ সমূহকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অন্তর্ভুক্ত হতে না দেওয়া। ১৯০৪ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ জাতীয়তাবাদী চেতনাকে দারুণভানে উজ্জীবিত করে তোলে। ঠিক এসময়ে সরকারের প্রয়োজন ছিল আশুতোষ মুখার্জীর মতো একজন ব্যক্তিত্ব। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মপ্রচেষ্টাকে আশুতোষ সমর্থন করেন নি। তার মতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় একটি অ্যাকাডেমিক ঐতিহ্য স্থাপন করেছে যা আমাদের রক্ষা করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত পাশ্চাত্য শিক্ষাকেও জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা সম্ভব। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার চেয়েছিলেন, বিপ্লব চান নি। সরকার অনুভব করেছিল যে, আশুতোষ মুখার্জীর তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপদ থাকবে, রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে না। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোর মধ্যে থেকেই প্রায় সব জাতীয়তাবাদমূলক বিষয়কে কার্যকর করেছিলেন। তিনি কলেজ স্ট্রীট ও রাজাবাজার ক্যাম্পাসে কলা ও বিজ্ঞান শাখার জন্য নতুন বিভাগসমূহ স্থাপন করেন এবং ‘দেশী ভাষা’ ও ‘প্রাচীন ভারতের ইতিহাস’ বিভাগ দুটি চালু করেন। বিদেশী ও ভারতীয় বহু খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ প্রফেসর হিসেবে বিভিন্ন বিভাগে নিযুক্ত হন। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সমস্ত বিভাগের সিলেবাস প্রণয়নে তত্ত্বাবধান করেন। তিনি ছাত্রদের কল্যাণের জন্য যেমন উদ্বিগ্ন থাকতেন, তেমনি শিক্ষা ও পরীক্ষার ব্যাপারেও তিনি তাদের আগ্রহ সৃষ্টিতে অণুপ্রেরণা দিতেন। তিনি ১৯২১ থেকে ১৯২৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো উপাচার্যের পদে অধিষ্ঠিত হন। এ সময়েই তিনি কলা ও বিজ্ঞান শাখার পি.জি. কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হন। ১৮৮৯ সাল থেকেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন। তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অণুপ্রেরণা। রাজনীতির সাথে জড়িত না হয়েই তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাশ্চাত্য ও জাতীয় শিক্ষার সুফলগুলি অত্যন্ত সফলতার সাথে সংযু্‌ক্ত করেন। এভাবে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক রেনেসাঁস ঘটিয়ে ফেলেন। জাতীয় শিক্ষা কাউন্সিল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে জাতীয়তাবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় অভিষ্ঠ লক্ষ্যে তাদের কাজকর্মে কোন অংশেই পিছিয়ে ছিলনা। তবে কারিগরি ও প্রযুক্তিবিদ্যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অবদান বেশি রাখছিল। তখন পর্যন্ত ঔপনিবেশিক প্রভাব থাকার কারণে আশুতোষ মুখার্জী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের চরিত্রে সম্পূর্ণ পরিবর্তন সূচিত করতে পারে নি। আশুতোষ মুখার্জী ১৯২৩ সালে কলকাতা হাইকোর্ট ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯২৪ সালের ২৫ মে পাটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Title

সোনার হরিন নেই

Author

আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

Publisher

Mitra & Ghosh Publishers Pvt. Ltd.

Number of Pages

675

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Novel
  • First Published

    FEB 2023

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    ‘সােনার হরিণ নেই’ উপন্যাসটি তৎকালীন ‘অমৃত সাহিত্যপত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্তকাকারে দুইখণ্ডের এই বৃহৎ কাহিনীটির প্রথম প্রকাশ কার্তিক, ১৩৮৬ বঙ্গাব্দ। অত্যন্ত সুখপাঠ্য এই উপন্যাসখানি লেখকের নিজস্ব পছন্দের তালিকার অন্যতম এবং প্রিয়তম। উপন্যাসের মূল চরিত্র এবং নায়ক বাপী তরফদার। কাহিনীকারেরই অন্তলীন সত্তার প্রতিফলন। সে কথা তিনি নিজে স্বীকার করে গেছেন। এবং সে কারণেই। উপন্যাসখানি তিনি উৎসর্গ করেছেন তার কায়-মনের। যথার্থ অধাঙ্গিনী- ‘তােমাকে, স্ত্রী-মমতা মুখােপাধ্যায়কে। এ প্রসঙ্গ আশুতােষ রচনাবলী ১ম খণ্ডে ‘কিছু কথা জীবনআলেখ্যে বর্ণিত হয়েছে। আশুতােষ মুখােপাধ্যায়ের উপন্যাসের পড়তে পড়তে ছড়ানাে থাকে জীবনের যে ব্যাপ্ত জটিলতা এবং মানবমনের বিচিত্রমুখী বহগামী বিন্যাস এবং তারপরেও সবকিছুর উর্ধ্বে যে বিরাজমান। অস্তিত্বের ইতিবাচক সদর্থক সার্থকতা, এই উপন্যাসের কাহিনীতেও তার ব্যাতিক্রম নেই। ‘সােনার হরিণ নেই’ -এর নায়ক বাপী তরফদারের যে অনুসন্ধান-মানবজীবনের মূল সার্থকতার সােনার চাবিকাঠিটি আসলে কী এবং পার্থিব জগতের সমস্ত। কাঙ্খিত বস্ত, কামিনী-কাঞ্চন, অর্থ-যশ-খ্যাতি, সােনার পাহাড়, হীরের পাহাড়, অতুল বিত্তবৈভবের মণিরত্নের পাহাড়ের পরেও সর্বত্যাগী, যােগী মহাত্মার ‘আগে বাঢ়ো’ কথাটির আসল অর্থ কোনখানে- সেই নিগুঢ় খােজই সাহিত্যিকের নিজেরই আত্মানুসন্ধান। সমস্তকিছুর প্রাপ্তির পরেও অধরা থেকে যায় সােনার হরিণ। তাকে পেতে। গেলে খুঁজতে হবে নিজেরই ভেতরে, বাইরে নয়! পাহাড়ি জঙ্গলে ঘােরার সময় কাহিনীর নায়ক বাপী তরফদারের দেখা হয়েছিল জটাজুট সমন্বিত ত্রিশূলধারী। যে নগ্ন সন্ন্যাসীর, তারই মুখনিঃসৃত ‘আগে বাঢ়। মিযায়গা’- বাপীকে সজাগ সচকিত চমকিত করে ঠেলে। দেয় চরম আত্মিক উত্তরণে। সেখান থেকেই শুরু হয়। ভােগী, বিলাসী, অর্থ-প্রতিপত্তিকামী, ঈপ্সিত নারীকে করায়ত্তকারী পুরুষের জীবনের আমূল পালাবদল। এই চারটি শব্দ বারবার তাকে ঠেলে দেয়, সামনে এগােতে তাড়না করে-‘আগে বাঢ় মিল যায়গা—সামনে এগােও, পেয়ে যাবে। কী পাবে? নিজের ভেতরেই সামনে আগে। বাড়তে বাড়তে , সামনে এগােতে এগােতে শেষপর্যন্ত। সে পেয়ে যায় মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ আত্মশুদ্ধি এবং শাশ্বত ঐশ্বর্যের সন্ধান-চিরঅধরা সেই ‘সােনার। হরিণ। যার বিপুল সম্ভার নিয়ে সে বাস করে মানুষেরই নিজের ভেতরে। তাকে অন্বেষণ করতে করতে খুজে পাওয়ার নামই জীবন'। যে জীবনে জীবনের শেষদিনের শেষ মুহূর্তটি পর্যন্ত বিশ্বাস রেখে গেছেন লেখক।
    No Specifications