Skip to Content
রবিজীবনী : নবম খণ্ড

Price:

1,350.00 ৳


রবিজীবনী : দ্বিতীয় খণ্ড
রবিজীবনী : দ্বিতীয় খণ্ড
1,080.00 ৳
1,200.00 ৳ (10% OFF)
রবিজীবনী : পঞ্চম খণ্ড
রবিজীবনী : পঞ্চম খণ্ড
2,160.00 ৳
2,400.00 ৳ (10% OFF)
10% OFF

রবিজীবনী : নবম খণ্ড

রবিজীবনী নবম খণ্ড প্রকাশিত হল। এই খণ্ডের পরিধি ১৩৩০-৩২ বঙ্গাব্দ [1923-26]। এই পর্বটি তাঁর জীবনে যেন বিশ্বপথিকবৃত্তির পর্ব। দেশের মধ্যে বিশ্বভারতীর জন্য অর্থসংগ্রহের অভিযানে তিনি বিভিন্ন স্থানে যেমন পরিভ্রমণ করেছেন, তেমনি গেছেন চিনে ও জাপানে, দক্ষিণ আমেরিকায় পেরুর স্বাধীনতার শতবার্ষিকীতে রওনা হয়ে অসুস্থতার জন্য কয়েকটি মাস কাটিয়েছেন আর্জেন্টিনায় ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো নামক এক বিদগ্ধা সুন্দরী লাতিন যুবতীর মান অভিমানের নাটকীয় সম্পর্কের অভিজ্ঞতার মধ্যে। সেখান থেকে এসেছেন ইতালির আহ্বানে সাড়া দিতে, যা অসমাপ্ত থেকে গেল অসুস্থতার বাধ্যবাধকতায়। ‘পুনরাগমনায় চ’ আহ্বানও ছিল, বারংবার চেষ্টাও করেছেন প্রতিশ্রুতি পালনের- কিন্তু প্রতিবারই শরীর প্রতিবন্ধকতা করেছে। বোঝা যায়, অতিরিক্ত ব্যবহারে শরীরের শক্তি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু তাকে মানতে চাননি— বসে থাকা মানে যেন মরে থাকা, তাই চরৈবেতি মন্ত্রে নিজেকে উজ্জীবিত করে তুলতে চেয়েছেন বারবার; এই খণ্ডের শেষে পাঠক দেখবেন, পূর্ববঙ্গ সফরে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ যেন যৌবন ফিরে পেয়েছেন, দেশবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছেন বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন যুগের কর্মযজ্ঞের সাধনায়, যে সাধনা তিনি নিজেই করছিলেন শ্রীনিকেতনের পল্লিপুনর্গঠন কেন্দ্রের বিবিধ কর্মতৎপরতায়। দেশের পরিস্থিতি তাঁর সাধনার অনুকূল ছিল না। গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলনে ও চিত্তরঞ্জন-মোতিলাল নেহরুর রাজনীতিতে ফুটে উঠছিল না-বাচক বিশেষত্বসমূহ, যেগুলি রবীন্দ্রনাথের মতে সম্পূর্ণভাবে দেশগঠনের প্রতিবন্ধক। তারই মধ্যে লিখেছেন ‘রক্তকরবী’ ‘রথযাত্রা’র মতো নাটক, যাদের মধ্যে রূপ নিচ্ছিল সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় আদর্শের অভ্যুদয় ও পরিণতির ইঙ্গিত। সব মিলিয়ে এখানে পাওয়া যাবে এক দ্বন্দ্বমুখর জটিল জীবনপ্রবাহের কেন্দ্রবর্তী রবীন্দ্রনাথকে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/3145/image_1920?unique=ee1b822

1,350.00 ৳ 1350.0 BDT 1,500.00 ৳

Not Available For Sale

(10% OFF)

This combination does not exist.

রবিজীবনী নবম খণ্ড প্রকাশিত হল। এই খণ্ডের পরিধি ১৩৩০-৩২ বঙ্গাব্দ [1923-26]। এই পর্বটি তাঁর জীবনে যেন বিশ্বপথিকবৃত্তির পর্ব। দেশের মধ্যে বিশ্বভারতীর জন্য অর্থসংগ্রহের অভিযানে তিনি বিভিন্ন স্থানে যেমন পরিভ্রমণ করেছেন, তেমনি গেছেন চিনে ও জাপানে, দক্ষিণ আমেরিকায় পেরুর স্বাধীনতার শতবার্ষিকীতে রওনা হয়ে অসুস্থতার জন্য কয়েকটি মাস কাটিয়েছেন আর্জেন্টিনায় ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো নামক এক বিদগ্ধা সুন্দরী লাতিন যুবতীর মান অভিমানের নাটকীয় সম্পর্কের অভিজ্ঞতার মধ্যে। সেখান থেকে এসেছেন ইতালির আহ্বানে সাড়া দিতে, যা অসমাপ্ত থেকে গেল অসুস্থতার বাধ্যবাধকতায়। ‘পুনরাগমনায় চ’ আহ্বানও ছিল, বারংবার চেষ্টাও করেছেন প্রতিশ্রুতি পালনের- কিন্তু প্রতিবারই শরীর প্রতিবন্ধকতা করেছে। বোঝা যায়, অতিরিক্ত ব্যবহারে শরীরের শক্তি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু তাকে মানতে চাননি— বসে থাকা মানে যেন মরে থাকা, তাই চরৈবেতি মন্ত্রে নিজেকে উজ্জীবিত করে তুলতে চেয়েছেন বারবার; এই খণ্ডের শেষে পাঠক দেখবেন, পূর্ববঙ্গ সফরে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ যেন যৌবন ফিরে পেয়েছেন, দেশবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছেন বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন যুগের কর্মযজ্ঞের সাধনায়, যে সাধনা তিনি নিজেই করছিলেন শ্রীনিকেতনের পল্লিপুনর্গঠন কেন্দ্রের বিবিধ কর্মতৎপরতায়। দেশের পরিস্থিতি তাঁর সাধনার অনুকূল ছিল না। গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলনে ও চিত্তরঞ্জন-মোতিলাল নেহরুর রাজনীতিতে ফুটে উঠছিল না-বাচক বিশেষত্বসমূহ, যেগুলি রবীন্দ্রনাথের মতে সম্পূর্ণভাবে দেশগঠনের প্রতিবন্ধক। তারই মধ্যে লিখেছেন ‘রক্তকরবী’ ‘রথযাত্রা’র মতো নাটক, যাদের মধ্যে রূপ নিচ্ছিল সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় আদর্শের অভ্যুদয় ও পরিণতির ইঙ্গিত। সব মিলিয়ে এখানে পাওয়া যাবে এক দ্বন্দ্বমুখর জটিল জীবনপ্রবাহের কেন্দ্রবর্তী রবীন্দ্রনাথকে।

প্রশান্তকুমার পাল

প্রশান্তকুমার পাল জন্ম: ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৫ (১৮ মে ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ)। কলকাতায়। শৈশব কেটেছিল কৃষ্ণনগরে, প্রাথমিক পড়াশোনা এ. ভি. স্কুলে। কৈশোর ও যৌবন কলকাতারই স্কুলে-কলেজে। স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুল থেকে স্কুল ফাইনাল পাশ করে প্রেসিডেন্সি কলেজে। সেখান থেকে ১৯৫৮ সালে বাংলায় অনার্স নিয়ে বি-এ পাশ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। এম-এ পাশ করেছেন ১৯৬০ সালে। ১৯৬১ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপনা শুরু করেন কলকাতার আনন্দমোহন কলেজে। অধ্যাপনা করতে করতেই রবীন্দ্রজীবনের বিবর্তনের সঙ্গে মিলিয়ে ধারাবাহিকভাবে রবীন্দ্ররচনা পড়তে গিয়ে অনুভব করেন যে, রবীন্দ্রজীবনীর এক বিশাল অংশ রয়ে গেছে তমসাবৃত অবস্থায়। উৎসাহী হয়ে শুরু করেন গবেষণা, অবশ্য ডিগ্রি-প্রত্যাশার বাইরে দাঁড়িয়ে। ১৯৭২ থেকে সেই নবতর গবেষণার সূচনা। ১৯৮২-তে ‘রবিজীবনী’র প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়। প্রকাশমাত্রই এ-গ্রন্থ সর্বস্তরে তোলে আলোড়ন। ১৯৮৪-তে বেরোয় দ্বিতীয় খণ্ড। একইভাবে সমাদৃত হয় এই নতুন খণ্ডও। ১৯৮৫ সালে ‘রবিজীবনী’র জন্য দুটি বিশিষ্ট পুরস্কার পান। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ও সুরেশচন্দ্র-স্মৃতি আনন্দ পুরস্কার। বিশ্বভারতীতে আনন্দবাজার পত্রিকা সংস্থা প্রবর্তিত অশোককুমার সরকার স্মৃতিবৃত্তির প্রথম প্রাপকরূপে ১৯৮৫ সাল থেকে তিন বৎসর শান্তিনিকেতন রবীন্দ্রভবনে গবেষণা করে প্রশান্তকুমার ১৯৯৩-এর শেষ থেকে সেখানকার অধ্যাপক পদে কাজ করেছেন। কলকাতার টেগোর রিসার্চ ইনস্টিট্যুট তাঁকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধিতে সম্মানিত করেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা এবং তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ বাংলা সাহিত্য বিভাগের জন্য তাঁকে ২০০১ সালের রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত করেছেন।

Title

রবিজীবনী : নবম খণ্ড

Author

প্রশান্তকুমার পাল

Publisher

Ananda Publishers Private Limited (kolkata)

Number of Pages

340

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Rabindranath / Memoirs / Biography
  • First Published

    MAY 2020

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    রবিজীবনী নবম খণ্ড প্রকাশিত হল। এই খণ্ডের পরিধি ১৩৩০-৩২ বঙ্গাব্দ [1923-26]। এই পর্বটি তাঁর জীবনে যেন বিশ্বপথিকবৃত্তির পর্ব। দেশের মধ্যে বিশ্বভারতীর জন্য অর্থসংগ্রহের অভিযানে তিনি বিভিন্ন স্থানে যেমন পরিভ্রমণ করেছেন, তেমনি গেছেন চিনে ও জাপানে, দক্ষিণ আমেরিকায় পেরুর স্বাধীনতার শতবার্ষিকীতে রওনা হয়ে অসুস্থতার জন্য কয়েকটি মাস কাটিয়েছেন আর্জেন্টিনায় ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো নামক এক বিদগ্ধা সুন্দরী লাতিন যুবতীর মান অভিমানের নাটকীয় সম্পর্কের অভিজ্ঞতার মধ্যে। সেখান থেকে এসেছেন ইতালির আহ্বানে সাড়া দিতে, যা অসমাপ্ত থেকে গেল অসুস্থতার বাধ্যবাধকতায়। ‘পুনরাগমনায় চ’ আহ্বানও ছিল, বারংবার চেষ্টাও করেছেন প্রতিশ্রুতি পালনের- কিন্তু প্রতিবারই শরীর প্রতিবন্ধকতা করেছে। বোঝা যায়, অতিরিক্ত ব্যবহারে শরীরের শক্তি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু তাকে মানতে চাননি— বসে থাকা মানে যেন মরে থাকা, তাই চরৈবেতি মন্ত্রে নিজেকে উজ্জীবিত করে তুলতে চেয়েছেন বারবার; এই খণ্ডের শেষে পাঠক দেখবেন, পূর্ববঙ্গ সফরে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ যেন যৌবন ফিরে পেয়েছেন, দেশবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছেন বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন যুগের কর্মযজ্ঞের সাধনায়, যে সাধনা তিনি নিজেই করছিলেন শ্রীনিকেতনের পল্লিপুনর্গঠন কেন্দ্রের বিবিধ কর্মতৎপরতায়। দেশের পরিস্থিতি তাঁর সাধনার অনুকূল ছিল না। গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলনে ও চিত্তরঞ্জন-মোতিলাল নেহরুর রাজনীতিতে ফুটে উঠছিল না-বাচক বিশেষত্বসমূহ, যেগুলি রবীন্দ্রনাথের মতে সম্পূর্ণভাবে দেশগঠনের প্রতিবন্ধক। তারই মধ্যে লিখেছেন ‘রক্তকরবী’ ‘রথযাত্রা’র মতো নাটক, যাদের মধ্যে রূপ নিচ্ছিল সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় আদর্শের অভ্যুদয় ও পরিণতির ইঙ্গিত। সব মিলিয়ে এখানে পাওয়া যাবে এক দ্বন্দ্বমুখর জটিল জীবনপ্রবাহের কেন্দ্রবর্তী রবীন্দ্রনাথকে।
    No Specifications