Skip to Content
সাদা কালো

Price:

160.00 ৳


সভ্যতার পতন ও পুনরুদ্ধার
সভ্যতার পতন ও পুনরুদ্ধার
200.00 ৳
250.00 ৳ (20% OFF)
পাতাদের সংসার : মে ২০২৩ (গাজী মোঃ সাইফুজ্জমান )
পাতাদের সংসার : মে ২০২৩ (গাজী মোঃ সাইফুজ্জমান )
250.00 ৳
250.00 ৳
20% OFF

সাদা কালো

স্বাধীনতার ছত্রিশ বছর পরও বাংলাদেশের জনগণকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে হচ্ছে রাজপথে। কিন্তু আন্দোলনে বিজয় অর্জন হলেই সুফল ভােগ করেছে একটা শ্রেণী, আর যারা রক্ত দিয়ে অর্জনটুকু এনেছিল তারা হয়ে যাচ্ছে অপাংক্তেয়। আজও ঘরে ঘরে হাহাকার, দুর্ভিক্ষ, ছিন্নমূল মানুষ আশ্রয় নেয় ফুটপাতে, রেল লাইনের পাশে, একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য্য অপর দিকে লজ্জা নিবারণ বা সামাজিক নিরাপত্তার সামান্য ব্যবস্থা নেই। হতদরিদ্র মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। সমাজে বিরাজ করছে বিরাট বৈষম্য । এদিকে লাখ টাকা খরচ করে একটি সন্তানকে স্কুলে পড়াচ্ছে, অপর দিকে স্কুলে পাঠান তাে দূরের কথা এক বেলা ভাত দিতে পারে না মা তার সন্তানকে। এ বৈষম্য আর কত সহ্য করা যায়? স্বাধীন বাংলাদেশে এভাবে মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা আর কতদিন। বাংলার মানুষ কি গিনিপিগ? এদের নিয়ে কি শুধু এক্সপেরিমেন্ট চলবে? এদের সাহায্য করার নামে ধার দিয়ে, উচ্চহারে সুদ নিয়ে সেই সুদে ভাগ্য গড়েছে অনেকে। গরিবের সুদের টাকায় সামান্য কলেজ শিক্ষক থেকে ধনিক শ্রেণীর উচ্চাসনে উঠে বসেন কেউ কেউ কিন্তু যে দরিদ্র মানুষগুলাে ঋণ ও সুদ টেনে যাচ্ছে বছরের পর বছর তাদের ভাগ্য কি পরিবর্তন হয়েছে? তারাও কি দারিদ্র থেকে মুক্তি পেয়ে ধনীক শ্রেণীতে নাম লেখাতে। পেরেছে? না, তাদের ভাগ্যের চাকা ঘােরে নাই কিন্তু তাদের মেহনতের কামাই থেকে ভাগ্য গড়ে আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও খ্যাতি নিয়ে ক্ষমতা ভােগ করছে কেউ কেউ। আর বাংলার জনগণকে নিয়ে শুধু পরীক্ষা নীরিক্ষাই চলছে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/39268/image_1920?unique=c808881

160.00 ৳ 160.0 BDT 200.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

স্বাধীনতার ছত্রিশ বছর পরও বাংলাদেশের জনগণকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে হচ্ছে রাজপথে। কিন্তু আন্দোলনে বিজয় অর্জন হলেই সুফল ভােগ করেছে একটা শ্রেণী, আর যারা রক্ত দিয়ে অর্জনটুকু এনেছিল তারা হয়ে যাচ্ছে অপাংক্তেয়। আজও ঘরে ঘরে হাহাকার, দুর্ভিক্ষ, ছিন্নমূল মানুষ আশ্রয় নেয় ফুটপাতে, রেল লাইনের পাশে, একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য্য অপর দিকে লজ্জা নিবারণ বা সামাজিক নিরাপত্তার সামান্য ব্যবস্থা নেই। হতদরিদ্র মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। সমাজে বিরাজ করছে বিরাট বৈষম্য । এদিকে লাখ টাকা খরচ করে একটি সন্তানকে স্কুলে পড়াচ্ছে, অপর দিকে স্কুলে পাঠান তাে দূরের কথা এক বেলা ভাত দিতে পারে না মা তার সন্তানকে। এ বৈষম্য আর কত সহ্য করা যায়? স্বাধীন বাংলাদেশে এভাবে মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা আর কতদিন। বাংলার মানুষ কি গিনিপিগ? এদের নিয়ে কি শুধু এক্সপেরিমেন্ট চলবে? এদের সাহায্য করার নামে ধার দিয়ে, উচ্চহারে সুদ নিয়ে সেই সুদে ভাগ্য গড়েছে অনেকে। গরিবের সুদের টাকায় সামান্য কলেজ শিক্ষক থেকে ধনিক শ্রেণীর উচ্চাসনে উঠে বসেন কেউ কেউ কিন্তু যে দরিদ্র মানুষগুলাে ঋণ ও সুদ টেনে যাচ্ছে বছরের পর বছর তাদের ভাগ্য কি পরিবর্তন হয়েছে? তারাও কি দারিদ্র থেকে মুক্তি পেয়ে ধনীক শ্রেণীতে নাম লেখাতে। পেরেছে? না, তাদের ভাগ্যের চাকা ঘােরে নাই কিন্তু তাদের মেহনতের কামাই থেকে ভাগ্য গড়ে আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও খ্যাতি নিয়ে ক্ষমতা ভােগ করছে কেউ কেউ। আর বাংলার জনগণকে নিয়ে শুধু পরীক্ষা নীরিক্ষাই চলছে।

Sheikh Hasina

শেখ হাসিনা জন্ম: ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ, যিনি ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা। বিশ বছরেরও বেশিসময় সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করার পর, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী। ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন এবং অসহযোগ আন্দোলনের ফলে ঘটিত ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পলায়ন এর মধ্যদিয়ে তার দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী ও কর্তৃত্ববাদী শাসনকালের অবসান ঘটে। ১৯৮১ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটলে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেত্রী হাসিনা ১৯৯১ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়ার কাছে পরাজিত হন, যার সাথে তিনি এরশাদের বিরুদ্ধে অন্দোলনে সহযোগিতা করেছিলেন। এরপর বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে হাসিনা, খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) নির্বাচনী অসততার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং সংসদ বর্জন করেন, যার ফলে দেশে সহিংস বিক্ষোভ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়। খালেদা জিয়া একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে পদত্যাগ করেন, তারপরে ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনের মাধ্যমে হাসিনা প্রথমবারের মত দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এরপর বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাস পেতে শুরু করলেও, হাসিনার প্রথম মেয়াদে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়, যা ২০০১ সালের জুলাইয়ের নির্বাচনে খালেদার কাছে তার নির্বাচনী পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়েছিল। স্বাধীন দেশ হওয়ার পর এটিই ছিল বাংলাদেশের কোনো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম পূর্ণ পাঁচ বছরের মেয়াদ।

Title

সাদা কালো

Author

Sheikh Hasina

Publisher

Agamee Prakashani

Number of Pages

79

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Politics
  • First Published

    OCT 2020

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    স্বাধীনতার ছত্রিশ বছর পরও বাংলাদেশের জনগণকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে হচ্ছে রাজপথে। কিন্তু আন্দোলনে বিজয় অর্জন হলেই সুফল ভােগ করেছে একটা শ্রেণী, আর যারা রক্ত দিয়ে অর্জনটুকু এনেছিল তারা হয়ে যাচ্ছে অপাংক্তেয়। আজও ঘরে ঘরে হাহাকার, দুর্ভিক্ষ, ছিন্নমূল মানুষ আশ্রয় নেয় ফুটপাতে, রেল লাইনের পাশে, একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য্য অপর দিকে লজ্জা নিবারণ বা সামাজিক নিরাপত্তার সামান্য ব্যবস্থা নেই। হতদরিদ্র মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। সমাজে বিরাজ করছে বিরাট বৈষম্য । এদিকে লাখ টাকা খরচ করে একটি সন্তানকে স্কুলে পড়াচ্ছে, অপর দিকে স্কুলে পাঠান তাে দূরের কথা এক বেলা ভাত দিতে পারে না মা তার সন্তানকে। এ বৈষম্য আর কত সহ্য করা যায়? স্বাধীন বাংলাদেশে এভাবে মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা আর কতদিন। বাংলার মানুষ কি গিনিপিগ? এদের নিয়ে কি শুধু এক্সপেরিমেন্ট চলবে? এদের সাহায্য করার নামে ধার দিয়ে, উচ্চহারে সুদ নিয়ে সেই সুদে ভাগ্য গড়েছে অনেকে। গরিবের সুদের টাকায় সামান্য কলেজ শিক্ষক থেকে ধনিক শ্রেণীর উচ্চাসনে উঠে বসেন কেউ কেউ কিন্তু যে দরিদ্র মানুষগুলাে ঋণ ও সুদ টেনে যাচ্ছে বছরের পর বছর তাদের ভাগ্য কি পরিবর্তন হয়েছে? তারাও কি দারিদ্র থেকে মুক্তি পেয়ে ধনীক শ্রেণীতে নাম লেখাতে। পেরেছে? না, তাদের ভাগ্যের চাকা ঘােরে নাই কিন্তু তাদের মেহনতের কামাই থেকে ভাগ্য গড়ে আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও খ্যাতি নিয়ে ক্ষমতা ভােগ করছে কেউ কেউ। আর বাংলার জনগণকে নিয়ে শুধু পরীক্ষা নীরিক্ষাই চলছে।
    No Specifications