Skip to Content
উন্নয়নের গল্প : কৃষি খাদ্য গ্রামোন্নয়ন

Price:

160.00 ৳


উনিশশো তিয়াত্তরের একটি সকাল
উনিশশো তিয়াত্তরের একটি সকাল
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
উন্মাদিনী, আয়
উন্মাদিনী, আয়
144.00 ৳
180.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

উন্নয়নের গল্প : কৃষি খাদ্য গ্রামোন্নয়ন

প্রেক্ষিত ইতিহাসের এক যুগসন্ধিকালে জন্ম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের। ব্রিটিশ শাসিত পূর্ব বাংলায় দ্রুত জনসংখ্যাবৃদ্ধির বিপরীতে কৃষির অতি নিম্ন উৎপাদনশীলতার কারণে সারা বছর খাদ্যঘাটতি লেগেই থাকতাে। তার ওপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কা, কুইট ইন্ডিয়া' আন্দোলনের উত্তাপ, উইনস্টন চার্চিলের ভারত বিমুখ যুদ্ধবাদী কূটচাল, জাপানের কাছে বার্মার পতন এবং সেদেশ থেকে চাল আমদানি বন্ধ, যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রিত খাদ্য চলাচল, খাদ্য মজুতদারি ও উপর্যুপরি খরা বন্যার কারণে ফসলহানি। সব মিলে ১৯৪৩ সালে বাংলার মহাদুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ না খেয়ে প্রাণ হারায়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও পূর্ব বাংলার প্রতি পাকিস্তানি বৈষম্যমূলক আচরণ খাদ্য পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তােলে। ব্রিটিশ শাসনমুক্ত পূর্ব বাংলাকে দুর্ভিক্ষের দুষ্টচক্র থেকে মুক্ত করা ছিল তৎকালীন রাজনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। পাকিস্তান সরকারও এ অঞ্চলের অনাহার দারিদ্র্য দূর করার পদক্ষেপ নেয়ার পরিবর্তে বরং নিপীড়নমূলক কর্ডন’ প্রথা চালু করেছিল। যার ফলে, এক জেলার ধান অন্য জেলায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরােপ করা হলাে। যেমন- খুলনা ও বরিশাল থেকে ঢাকা ও ফরিদপুরে এবং সিলেট থেকে কুমিল্লায় ধান আসতে বাধা দেওয়া হতাে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও এ অপব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফরিদপুর, ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার ধানকাটা শ্রমিক, যাদেরকে দাওয়াল’ বলা হতাে, তাদের পক্ষে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। পাকিস্তান শাসিত পূর্ব বাংলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোন না কোন জেলায় বন্যা খরায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্ভিক্ষাবস্থা লেগেই থাকতাে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/32356/image_1920?unique=a1c2c10

160.00 ৳ 160.0 BDT 200.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

প্রেক্ষিত ইতিহাসের এক যুগসন্ধিকালে জন্ম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের। ব্রিটিশ শাসিত পূর্ব বাংলায় দ্রুত জনসংখ্যাবৃদ্ধির বিপরীতে কৃষির অতি নিম্ন উৎপাদনশীলতার কারণে সারা বছর খাদ্যঘাটতি লেগেই থাকতাে। তার ওপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কা, কুইট ইন্ডিয়া' আন্দোলনের উত্তাপ, উইনস্টন চার্চিলের ভারত বিমুখ যুদ্ধবাদী কূটচাল, জাপানের কাছে বার্মার পতন এবং সেদেশ থেকে চাল আমদানি বন্ধ, যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রিত খাদ্য চলাচল, খাদ্য মজুতদারি ও উপর্যুপরি খরা বন্যার কারণে ফসলহানি। সব মিলে ১৯৪৩ সালে বাংলার মহাদুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ না খেয়ে প্রাণ হারায়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও পূর্ব বাংলার প্রতি পাকিস্তানি বৈষম্যমূলক আচরণ খাদ্য পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তােলে। ব্রিটিশ শাসনমুক্ত পূর্ব বাংলাকে দুর্ভিক্ষের দুষ্টচক্র থেকে মুক্ত করা ছিল তৎকালীন রাজনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। পাকিস্তান সরকারও এ অঞ্চলের অনাহার দারিদ্র্য দূর করার পদক্ষেপ নেয়ার পরিবর্তে বরং নিপীড়নমূলক কর্ডন’ প্রথা চালু করেছিল। যার ফলে, এক জেলার ধান অন্য জেলায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরােপ করা হলাে। যেমন- খুলনা ও বরিশাল থেকে ঢাকা ও ফরিদপুরে এবং সিলেট থেকে কুমিল্লায় ধান আসতে বাধা দেওয়া হতাে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও এ অপব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফরিদপুর, ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার ধানকাটা শ্রমিক, যাদেরকে দাওয়াল’ বলা হতাে, তাদের পক্ষে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। পাকিস্তান শাসিত পূর্ব বাংলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোন না কোন জেলায় বন্যা খরায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্ভিক্ষাবস্থা লেগেই থাকতাে।

এম. এ. সাত্তার মণ্ডল

এম. এ. সাত্তার মণ্ডল জন্ম ১৯৪৯ সালে। তিনি প্রথম বিভাগে এসএসসি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে কৃষি অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থানসহ বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। লন্ডন থেকে পিএইচডি ও অক্সফোর্ডে পােস্ট-ডক্টরাল গবেষণা করেন। পাঁচ দশক বাকবি-র কৃষি অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপনা ও গবেষণা করছেন এবং বিভাগীয় প্রধান, অনুষদীয় ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তিনি বাকৃবি-র প্রথম ইমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ছিলেন (সাধারণ অর্থনীতি ও কৃষি)। তাঁর বই: উন্নয়নের গল্প, কৃষি অর্থনীতি, বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি, পথিকৃত। অর্থনীতিবিদ (অনূদিত), কৃষকদের উপযােগী প্রযুক্তি পরিকল্পনা (অনূদিত), হিমালয়ের ছায়া (কবিতা) এবং বহু জনপ্রিয় প্রবন্ধ । ইংরেজি প্রকাশনা। Changing Rural Economy of Bangladesh (BEA), Crop Diversification: Findings from Field Research (UPL), Irrigation Management for Crop Diversification (UPL) এবং আশির বেশি জার্নাল। তিনি চ্যান্সেলর পুরস্কার, নাজমুল স্বর্ণপদক, বাকৃবি এলামনাই সমিতি ও বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ২০২২ সালে ‘একুশে পদক লাভ করেছেন।

Title

উন্নয়নের গল্প : কৃষি খাদ্য গ্রামোন্নয়ন

Author

এম. এ. সাত্তার মণ্ডল

Publisher

Grantha Kutir

Number of Pages

103

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Agriculture / Development / Economics
  • First Published

    FEB 2019

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    প্রেক্ষিত ইতিহাসের এক যুগসন্ধিকালে জন্ম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের। ব্রিটিশ শাসিত পূর্ব বাংলায় দ্রুত জনসংখ্যাবৃদ্ধির বিপরীতে কৃষির অতি নিম্ন উৎপাদনশীলতার কারণে সারা বছর খাদ্যঘাটতি লেগেই থাকতাে। তার ওপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কা, কুইট ইন্ডিয়া' আন্দোলনের উত্তাপ, উইনস্টন চার্চিলের ভারত বিমুখ যুদ্ধবাদী কূটচাল, জাপানের কাছে বার্মার পতন এবং সেদেশ থেকে চাল আমদানি বন্ধ, যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রিত খাদ্য চলাচল, খাদ্য মজুতদারি ও উপর্যুপরি খরা বন্যার কারণে ফসলহানি। সব মিলে ১৯৪৩ সালে বাংলার মহাদুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ না খেয়ে প্রাণ হারায়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও পূর্ব বাংলার প্রতি পাকিস্তানি বৈষম্যমূলক আচরণ খাদ্য পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তােলে। ব্রিটিশ শাসনমুক্ত পূর্ব বাংলাকে দুর্ভিক্ষের দুষ্টচক্র থেকে মুক্ত করা ছিল তৎকালীন রাজনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। পাকিস্তান সরকারও এ অঞ্চলের অনাহার দারিদ্র্য দূর করার পদক্ষেপ নেয়ার পরিবর্তে বরং নিপীড়নমূলক কর্ডন’ প্রথা চালু করেছিল। যার ফলে, এক জেলার ধান অন্য জেলায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরােপ করা হলাে। যেমন- খুলনা ও বরিশাল থেকে ঢাকা ও ফরিদপুরে এবং সিলেট থেকে কুমিল্লায় ধান আসতে বাধা দেওয়া হতাে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও এ অপব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফরিদপুর, ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার ধানকাটা শ্রমিক, যাদেরকে দাওয়াল’ বলা হতাে, তাদের পক্ষে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। পাকিস্তান শাসিত পূর্ব বাংলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোন না কোন জেলায় বন্যা খরায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্ভিক্ষাবস্থা লেগেই থাকতাে।
    No Specifications