Skip to Content
বাঙালির কলের গান

Price:

380.00 ৳


বাঙালির কন্ঠ
বাঙালির কন্ঠ
640.00 ৳
800.00 ৳ (20% OFF)
বাঙালির খোঁজে বিশ্বময় এপার বাংলা ওপার বাংলা
বাঙালির খোঁজে বিশ্বময় এপার বাংলা ওপার বাংলা
450.00 ৳
500.00 ৳ (10% OFF)
20% OFF

বাঙালির কলের গান

‘গ্রামােফোন’ – বাঙালি এককালে যাকে চিনতাে। কলের গান’ নামে, তার অস্তিত্ব বেশ কয়েক দশক আগেই বিলুপ্ত প্রায় আশি বছর ধরে বাঙালির । গৃহ-বিনােদনের প্রধান উপকরণ ছিল কলের গান । বাঙালির সংগীত-সংস্কৃতির ইতিহাসেও গ্রামােফোনের গভীর সম্পর্ক রয়ে গেছে। গ্রামােফোনের কল্যাণে বাংলা গানের ও সেইসঙ্গে শাস্ত্রীয় সংগীতেরও প্রচার-প্রসার-রূপান্তর ঘটেছে। বহুকাল পর্যন্ত গ্রামকেন্দ্রিক লােকজ গান ও ধর্মীয় সংগীত ছাড়া আর প্রায় সবধরনের সংগীতই বন্দি ছিল । নবাব-নাজিম-রাজা-জমিদার-বিত্তশালী অভিজাতশ্রেণী কিংবা জাতে-ওঠা শ্ৰেষ্ঠীর দরবার-জলসাঘর-বাগানবাড়ি-বৈঠকখানায় । এই অবস্থা থেকে সংগীতকে মুক্তি দিয়ে তা ক্রমে আমজনতার উপভােগের সামগ্রী করে তােলে গ্রামােফোন। গ্রামােফোনের কল্যাণেই আবার অনেক নতুন সংগীতপ্রতিভার আবিষ্কার ও জন্ম সম্ভব হয়। বঙ্গদেশে কলের গানের আবির্ভাব ও গান-রেকর্ডিংয়ের রয়েছে শতবর্ষেরও বেশি সময়ের এক ঐতিহ্যময় ইতিহাস। এক অসম প্রতিযােগিতা – তবুও বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশি কোম্পানিও রেকর্ড-তৈরি শুরু করে। গওহরজান-লালচঁাদ বড়াল-পিয়ারা সাহেবের মতাে খ্যাতিমান গায়কেরা গান-রেকর্ডিংয়ের সূচনা-যুগের স্মরণীয় শিল্পী। এরপর বাংলা গানকে পর্যায়ক্রমে যারা জনপ্রিয় করে তােলেন, তাঁদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় কে, মল্লিক, আব্বাসউদ্দীন, শচীন দেববর্মন, কমলা ঝরিয়া, যুথিকা রায়ের নাম। সুরসৃষ্টি ও গীতরচনার ক্ষেত্রেও বাংলা গান ঋদ্ধ হয়েছে। এই সময়কালে – বিবর্তনের ধারায় এসেছে বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব। কমল দাশগুপ্ত ও প্রণব রায় – তিরিশের দশকের এমনই দু’জন অসামান্য সংগীত-ব্যক্তিত্ব - একজন সুরস্রষ্টা ও আরেকজন গীতিকার হিসেবে বাংলা গানে এনেছিলেন যুগান্তর। বাঙালির কলের গান - এই বইয়ে আবুল আহসান চৌধুরী স্বর্ণযুগের এইসব শিল্পী-সুরকার-গীতিকার, রেকর্ড কোম্পানি এবং রেকর্ড-সংগীতের কথা বলতে গিয়ে গ্রামােফোন-নির্ভর সংগীত-সংস্কৃতির প্রামাণ্য আলেখ্য রচনা করেছেন দুষ্প্রাপ্য, অজ্ঞাত ও নতুন তথ্যের আলােকে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/14481/image_1920?unique=1c0e90c

380.00 ৳ 380.0 BDT 475.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

‘গ্রামােফোন’ – বাঙালি এককালে যাকে চিনতাে। কলের গান’ নামে, তার অস্তিত্ব বেশ কয়েক দশক আগেই বিলুপ্ত প্রায় আশি বছর ধরে বাঙালির । গৃহ-বিনােদনের প্রধান উপকরণ ছিল কলের গান । বাঙালির সংগীত-সংস্কৃতির ইতিহাসেও গ্রামােফোনের গভীর সম্পর্ক রয়ে গেছে। গ্রামােফোনের কল্যাণে বাংলা গানের ও সেইসঙ্গে শাস্ত্রীয় সংগীতেরও প্রচার-প্রসার-রূপান্তর ঘটেছে। বহুকাল পর্যন্ত গ্রামকেন্দ্রিক লােকজ গান ও ধর্মীয় সংগীত ছাড়া আর প্রায় সবধরনের সংগীতই বন্দি ছিল । নবাব-নাজিম-রাজা-জমিদার-বিত্তশালী অভিজাতশ্রেণী কিংবা জাতে-ওঠা শ্ৰেষ্ঠীর দরবার-জলসাঘর-বাগানবাড়ি-বৈঠকখানায় । এই অবস্থা থেকে সংগীতকে মুক্তি দিয়ে তা ক্রমে আমজনতার উপভােগের সামগ্রী করে তােলে গ্রামােফোন। গ্রামােফোনের কল্যাণেই আবার অনেক নতুন সংগীতপ্রতিভার আবিষ্কার ও জন্ম সম্ভব হয়। বঙ্গদেশে কলের গানের আবির্ভাব ও গান-রেকর্ডিংয়ের রয়েছে শতবর্ষেরও বেশি সময়ের এক ঐতিহ্যময় ইতিহাস। এক অসম প্রতিযােগিতা – তবুও বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশি কোম্পানিও রেকর্ড-তৈরি শুরু করে। গওহরজান-লালচঁাদ বড়াল-পিয়ারা সাহেবের মতাে খ্যাতিমান গায়কেরা গান-রেকর্ডিংয়ের সূচনা-যুগের স্মরণীয় শিল্পী। এরপর বাংলা গানকে পর্যায়ক্রমে যারা জনপ্রিয় করে তােলেন, তাঁদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় কে, মল্লিক, আব্বাসউদ্দীন, শচীন দেববর্মন, কমলা ঝরিয়া, যুথিকা রায়ের নাম। সুরসৃষ্টি ও গীতরচনার ক্ষেত্রেও বাংলা গান ঋদ্ধ হয়েছে। এই সময়কালে – বিবর্তনের ধারায় এসেছে বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব। কমল দাশগুপ্ত ও প্রণব রায় – তিরিশের দশকের এমনই দু’জন অসামান্য সংগীত-ব্যক্তিত্ব - একজন সুরস্রষ্টা ও আরেকজন গীতিকার হিসেবে বাংলা গানে এনেছিলেন যুগান্তর। বাঙালির কলের গান - এই বইয়ে আবুল আহসান চৌধুরী স্বর্ণযুগের এইসব শিল্পী-সুরকার-গীতিকার, রেকর্ড কোম্পানি এবং রেকর্ড-সংগীতের কথা বলতে গিয়ে গ্রামােফোন-নির্ভর সংগীত-সংস্কৃতির প্রামাণ্য আলেখ্য রচনা করেছেন দুষ্প্রাপ্য, অজ্ঞাত ও নতুন তথ্যের আলােকে।

আবুল আহসান চৌধুরী

আবুল আহসান চৌধুরী মূলত প্রাবন্ধিক ও গবেষক। সমাজমনস্ক ও ঐতিহ্যসন্ধানী। তাঁর চর্চা ও গবেষণার বিষয় ফোকলোর, উনিশ শতকের সমাজ ও সাহিত্য, সাময়িকপত্র, আধুনিক সাহিত্য, সংগীত-সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ইতিহাস। তাঁর লালন সাঁই, কাঙাল হরিনাথ ও মীর মশাররফ হোসেন-বিষয়ক গবেষণা-কাজ দেশে-বিদেশে সমাদৃত হয়েছে। জন্ম কুষ্টিয়া জেলার মজমপুরে, ১৩ জানুয়ারি ১৯৫৩। সাহিত্যচর্চার পেছনে আছে পারিবারিক আবহ ও আনুকূল্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান), স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি। প্রায় সাঁইত্রিশ বছর অধ্যাপনা-পেশায় যুক্ত। বর্তমানে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রফেসর। পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লালনমেলা সমিতির লালন পুরস্কার (২০০০), বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ পুরস্কার (কলকাতা, ২০০৮) এবং গবেষণায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (ঢাকা, ২০০৯)।

Title

বাঙালির কলের গান

Author

আবুল আহসান চৌধুরী

Publisher

Bengal Publication

Number of Pages

304

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Interview
  • First Published

    NOV 2012

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    ‘গ্রামােফোন’ – বাঙালি এককালে যাকে চিনতাে। কলের গান’ নামে, তার অস্তিত্ব বেশ কয়েক দশক আগেই বিলুপ্ত প্রায় আশি বছর ধরে বাঙালির । গৃহ-বিনােদনের প্রধান উপকরণ ছিল কলের গান । বাঙালির সংগীত-সংস্কৃতির ইতিহাসেও গ্রামােফোনের গভীর সম্পর্ক রয়ে গেছে। গ্রামােফোনের কল্যাণে বাংলা গানের ও সেইসঙ্গে শাস্ত্রীয় সংগীতেরও প্রচার-প্রসার-রূপান্তর ঘটেছে। বহুকাল পর্যন্ত গ্রামকেন্দ্রিক লােকজ গান ও ধর্মীয় সংগীত ছাড়া আর প্রায় সবধরনের সংগীতই বন্দি ছিল । নবাব-নাজিম-রাজা-জমিদার-বিত্তশালী অভিজাতশ্রেণী কিংবা জাতে-ওঠা শ্ৰেষ্ঠীর দরবার-জলসাঘর-বাগানবাড়ি-বৈঠকখানায় । এই অবস্থা থেকে সংগীতকে মুক্তি দিয়ে তা ক্রমে আমজনতার উপভােগের সামগ্রী করে তােলে গ্রামােফোন। গ্রামােফোনের কল্যাণেই আবার অনেক নতুন সংগীতপ্রতিভার আবিষ্কার ও জন্ম সম্ভব হয়। বঙ্গদেশে কলের গানের আবির্ভাব ও গান-রেকর্ডিংয়ের রয়েছে শতবর্ষেরও বেশি সময়ের এক ঐতিহ্যময় ইতিহাস। এক অসম প্রতিযােগিতা – তবুও বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশি কোম্পানিও রেকর্ড-তৈরি শুরু করে। গওহরজান-লালচঁাদ বড়াল-পিয়ারা সাহেবের মতাে খ্যাতিমান গায়কেরা গান-রেকর্ডিংয়ের সূচনা-যুগের স্মরণীয় শিল্পী। এরপর বাংলা গানকে পর্যায়ক্রমে যারা জনপ্রিয় করে তােলেন, তাঁদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় কে, মল্লিক, আব্বাসউদ্দীন, শচীন দেববর্মন, কমলা ঝরিয়া, যুথিকা রায়ের নাম। সুরসৃষ্টি ও গীতরচনার ক্ষেত্রেও বাংলা গান ঋদ্ধ হয়েছে। এই সময়কালে – বিবর্তনের ধারায় এসেছে বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব। কমল দাশগুপ্ত ও প্রণব রায় – তিরিশের দশকের এমনই দু’জন অসামান্য সংগীত-ব্যক্তিত্ব - একজন সুরস্রষ্টা ও আরেকজন গীতিকার হিসেবে বাংলা গানে এনেছিলেন যুগান্তর। বাঙালির কলের গান - এই বইয়ে আবুল আহসান চৌধুরী স্বর্ণযুগের এইসব শিল্পী-সুরকার-গীতিকার, রেকর্ড কোম্পানি এবং রেকর্ড-সংগীতের কথা বলতে গিয়ে গ্রামােফোন-নির্ভর সংগীত-সংস্কৃতির প্রামাণ্য আলেখ্য রচনা করেছেন দুষ্প্রাপ্য, অজ্ঞাত ও নতুন তথ্যের আলােকে।
    No Specifications