Skip to Content
বাংলাদেশের রাজনীতি : যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ ৪র্থ  খণ্ড

Price:

400.00 ৳


বাংলাদেশের রাজনীতি : যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ ৩য় খণ্ড
বাংলাদেশের রাজনীতি : যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ ৩য় খণ্ড
400.00 ৳
500.00 ৳ (20% OFF)
বাংলাদেশের রাজনীতি : যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ ৬ষ্ঠ খণ্ড
বাংলাদেশের রাজনীতি : যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ ৬ষ্ঠ খণ্ড
400.00 ৳
500.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

বাংলাদেশের রাজনীতি : যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ ৪র্থ খণ্ড

বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীর অবস্থান ও অস্তিত্ব বাস্তব। সত্য। ক্ষমতার রাজনীতির দুর্বলতার সুযােগ এবং ধর্মকে পুঁজি করে যুদ্ধাপরাধীরা আজও বাংলাদেশের। রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছে। বৃহৎ রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপােষকতায় তারা পবিত্র সংসদে বসছে। শুধু তাই নয়, শহীদের রক্তে ভেজা মাটিতে কেউ কেউ মন্ত্রী। হয়ে লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে চলেছে। তাদের অপরাধ যে-কোনাে দৃষ্টিতে ক্ষমার অযােগ্যও বটে। যুদ্ধাপরাধীরা প্রত্যক্ষ-পরােক্ষভাবে উগ্র এবং জঙ্গি। পন্থায় দেশের শান্তি ও প্রগতিকে বিঘ্নিত করতে। প্রয়াস পাচ্ছে। উপরন্ত, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিপন্ন। করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি ২০০৮ সালে। সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের আন্দোলনের ফলে। জনপ্রিয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। ২০০৮ এর। সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত। মহাজোট এ দাবিকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করে। বিগত জামায়াত-বিএনপি সরকারের নানাবিধ অপকর্মের সঙ্গে যুদ্ধপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও জঙ্গিদের পৃষ্ঠপােষকতা দেবার কারণে নির্বাচনে জোটের ভরাডুবি ঘটে। এ গােষ্ঠীটি জাতির জন্য। এখন বিপজ্জনক। নির্বাচনােত্তর সময়ে মহাজোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দাবিকে জাতীয় দাবি হিসেবে। স্বীকৃতি প্রদান করেন। সম্প্রতি দাবিটি জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে অনুমােদিত হয়েছে। বিশেষ ট্রাইবুন্যাল গঠন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা। হােক: এটি আজ জাতির একান্ত প্রত্যাশা। এ বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত লেখক-সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের প্রবন্ধসমূহ থেকে বাছাই করে বর্তমান পুস্তকটি সংকলন করা হয়েছে। পুস্তকটি একদিকে। যেমন গবেষক, অ্যাকাডেমিকগণের কাজে লাগবে, তেমনি আশা করা যায়, এটি গণসচেতনতাবৃদ্ধিপূর্বক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে যৌক্তিক ও প্রতিষ্ঠিানিক পর্যায়ে নিয়ে মানবতার বিরুদ্ধে। অপরাধের মহাকলঙ্ক মােচনে ও সাম্প্রতিক জঙ্গি অপতৎপরতার অপঘাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে। সহায়ক হবে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/14724/image_1920?unique=4108c13

400.00 ৳ 400.0 BDT 500.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীর অবস্থান ও অস্তিত্ব বাস্তব। সত্য। ক্ষমতার রাজনীতির দুর্বলতার সুযােগ এবং ধর্মকে পুঁজি করে যুদ্ধাপরাধীরা আজও বাংলাদেশের। রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছে। বৃহৎ রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপােষকতায় তারা পবিত্র সংসদে বসছে। শুধু তাই নয়, শহীদের রক্তে ভেজা মাটিতে কেউ কেউ মন্ত্রী। হয়ে লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে চলেছে। তাদের অপরাধ যে-কোনাে দৃষ্টিতে ক্ষমার অযােগ্যও বটে। যুদ্ধাপরাধীরা প্রত্যক্ষ-পরােক্ষভাবে উগ্র এবং জঙ্গি। পন্থায় দেশের শান্তি ও প্রগতিকে বিঘ্নিত করতে। প্রয়াস পাচ্ছে। উপরন্ত, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিপন্ন। করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি ২০০৮ সালে। সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের আন্দোলনের ফলে। জনপ্রিয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। ২০০৮ এর। সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত। মহাজোট এ দাবিকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করে। বিগত জামায়াত-বিএনপি সরকারের নানাবিধ অপকর্মের সঙ্গে যুদ্ধপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও জঙ্গিদের পৃষ্ঠপােষকতা দেবার কারণে নির্বাচনে জোটের ভরাডুবি ঘটে। এ গােষ্ঠীটি জাতির জন্য। এখন বিপজ্জনক। নির্বাচনােত্তর সময়ে মহাজোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দাবিকে জাতীয় দাবি হিসেবে। স্বীকৃতি প্রদান করেন। সম্প্রতি দাবিটি জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে অনুমােদিত হয়েছে। বিশেষ ট্রাইবুন্যাল গঠন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা। হােক: এটি আজ জাতির একান্ত প্রত্যাশা। এ বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত লেখক-সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের প্রবন্ধসমূহ থেকে বাছাই করে বর্তমান পুস্তকটি সংকলন করা হয়েছে। পুস্তকটি একদিকে। যেমন গবেষক, অ্যাকাডেমিকগণের কাজে লাগবে, তেমনি আশা করা যায়, এটি গণসচেতনতাবৃদ্ধিপূর্বক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে যৌক্তিক ও প্রতিষ্ঠিানিক পর্যায়ে নিয়ে মানবতার বিরুদ্ধে। অপরাধের মহাকলঙ্ক মােচনে ও সাম্প্রতিক জঙ্গি অপতৎপরতার অপঘাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে। সহায়ক হবে।

ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ

ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি অবসর জীবনযাপন করছেন। তিনি ১৯৭৯ সাল হতে ১৯৯৯ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৯৬ সালে তিনি অধ্যাপক পদ অর্জন করেন এবং বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তী সময়ে ডিন-এর পদে কাজ করেন। অসমতার খেসারত তাঁর ১৩তম অনুবাদ গ্রন্থ। তিনি যথাক্রমে স্যামুয়েল দি হান্টিংটন-এর দুটি গ্রন্থ, যোসেফ ই. স্টিগলিজের একটি গ্রন্থ, নোম চমস্কির তিনটি গ্রন্থ, নেলসন ম্যান্ডেলার একটি গ্রন্থ, ফরিদ জাকারিয়ার একটি গ্রন্থ, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে হামুদুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত পাকিস্তান সরকারের তদন্ত কমিটির বাছাইকৃত অধ্যায়সমূহ, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ভারতের বিএসএফের তৎকালীন ডিজি রুস্তমজীর স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থসহ মৌলানা ওয়াহিদ উদ্দীন খানের ইসলাম ধর্ম বিষয়ক দুটি গ্রন্থ অনুবাদ করেছেন। রাজনীতি ও সামাজিক বিজ্ঞান জ্ঞানকোষ শীর্ষক তাঁর একটি মৌলিক গ্রন্থ দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি যথাক্রমে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ শীর্ষক ৬টি খণ্ড সম্পাদনা করেছেন। গণজাগরণ মঞ্চের ওপর তাঁর সম্পাদিত একটি পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। দৈনিক খবরের কাগজে প্রকাশিত তাঁর কলামসমূহ দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

Title

বাংলাদেশের রাজনীতি : যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং জঙ্গি প্রসঙ্গ ৪র্থ খণ্ড

Editor

ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ

Publisher

Anindya Prokash

Number of Pages

398

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Politics
  • First Published

    FEB 2010

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীর অবস্থান ও অস্তিত্ব বাস্তব। সত্য। ক্ষমতার রাজনীতির দুর্বলতার সুযােগ এবং ধর্মকে পুঁজি করে যুদ্ধাপরাধীরা আজও বাংলাদেশের। রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছে। বৃহৎ রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপােষকতায় তারা পবিত্র সংসদে বসছে। শুধু তাই নয়, শহীদের রক্তে ভেজা মাটিতে কেউ কেউ মন্ত্রী। হয়ে লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে চলেছে। তাদের অপরাধ যে-কোনাে দৃষ্টিতে ক্ষমার অযােগ্যও বটে। যুদ্ধাপরাধীরা প্রত্যক্ষ-পরােক্ষভাবে উগ্র এবং জঙ্গি। পন্থায় দেশের শান্তি ও প্রগতিকে বিঘ্নিত করতে। প্রয়াস পাচ্ছে। উপরন্ত, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। বাংলাদেশকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিপন্ন। করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি ২০০৮ সালে। সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের আন্দোলনের ফলে। জনপ্রিয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। ২০০৮ এর। সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত। মহাজোট এ দাবিকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করে। বিগত জামায়াত-বিএনপি সরকারের নানাবিধ অপকর্মের সঙ্গে যুদ্ধপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও জঙ্গিদের পৃষ্ঠপােষকতা দেবার কারণে নির্বাচনে জোটের ভরাডুবি ঘটে। এ গােষ্ঠীটি জাতির জন্য। এখন বিপজ্জনক। নির্বাচনােত্তর সময়ে মহাজোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দাবিকে জাতীয় দাবি হিসেবে। স্বীকৃতি প্রদান করেন। সম্প্রতি দাবিটি জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে অনুমােদিত হয়েছে। বিশেষ ট্রাইবুন্যাল গঠন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা। হােক: এটি আজ জাতির একান্ত প্রত্যাশা। এ বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত লেখক-সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের প্রবন্ধসমূহ থেকে বাছাই করে বর্তমান পুস্তকটি সংকলন করা হয়েছে। পুস্তকটি একদিকে। যেমন গবেষক, অ্যাকাডেমিকগণের কাজে লাগবে, তেমনি আশা করা যায়, এটি গণসচেতনতাবৃদ্ধিপূর্বক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে যৌক্তিক ও প্রতিষ্ঠিানিক পর্যায়ে নিয়ে মানবতার বিরুদ্ধে। অপরাধের মহাকলঙ্ক মােচনে ও সাম্প্রতিক জঙ্গি অপতৎপরতার অপঘাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে। সহায়ক হবে।
    No Specifications