Skip to Content
নিউক্লিয়ার ক্লাবে বাংলাদেশ : উন্নয়ন অভিযাত্রায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

Price:

200.00 ৳


নায়ীরা : বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
নায়ীরা : বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
নিউটন (জহিরুল ইসলাম)
নিউটন (জহিরুল ইসলাম)
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

নিউক্লিয়ার ক্লাবে বাংলাদেশ : উন্নয়ন অভিযাত্রায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

এ পুস্তকের লেখাগুলোতে যে বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তা হলো বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা, এর চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা। বর্তমান বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তায় পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার একটি অনিবার্য বাস্তবতা । শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু শক্তির ব্যবহার খুব বেশি দিনের ঘটনা নয় আমাদের দেশে। আর পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একেবারেই নবাগত। নবীন অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অপ্রতুলতা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা- এ সকল প্রতিবন্ধকতার প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মতো উচ্চপ্রযুক্তিঘন, বহুশাস্ত্রীয় ও প্রাথমিকভাবে ব্যয়বহুল উদ্যোগ গ্রহণের জন্য যে সাহস আর উদ্যমের প্রয়োজন তা আমাদের আছে। রাশান ফেডারেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় আমরা শুরু করেছি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ, যা শেষ হবে ২০২৩-২৪ সালে। নির্মাণ কাজ যেমন এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে, কেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের প্রশিক্ষণও চলছে সমান তালে রাশান ফেডারেশনে। বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় উন্নয়নের প্রাণশক্তি। প্রচলিত জ্বালানি ব্যবহার করে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন অসম্ভব হয়ে উঠছে ক্রমে। সে কারণে নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি হিসেবে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ আমাদের সামনে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তবে নতুন বিষয় হিসেবে এ প্রযুক্তি সম্পর্কে এক ধরনের অজানা শঙ্কা আছে মানুষের মাঝে । জানার সীমাবদ্ধতার কারণে এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে সংশয়ও আছে। এ শঙ্কা, এ সংশয় দূর করার উদ্দেশ্যেই এ পুস্তক রচনার প্রয়াস।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/35267/image_1920?unique=05ea55f

200.00 ৳ 200.0 BDT 250.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

এ পুস্তকের লেখাগুলোতে যে বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তা হলো বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা, এর চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা। বর্তমান বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তায় পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার একটি অনিবার্য বাস্তবতা । শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু শক্তির ব্যবহার খুব বেশি দিনের ঘটনা নয় আমাদের দেশে। আর পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একেবারেই নবাগত। নবীন অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অপ্রতুলতা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা- এ সকল প্রতিবন্ধকতার প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মতো উচ্চপ্রযুক্তিঘন, বহুশাস্ত্রীয় ও প্রাথমিকভাবে ব্যয়বহুল উদ্যোগ গ্রহণের জন্য যে সাহস আর উদ্যমের প্রয়োজন তা আমাদের আছে। রাশান ফেডারেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় আমরা শুরু করেছি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ, যা শেষ হবে ২০২৩-২৪ সালে। নির্মাণ কাজ যেমন এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে, কেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের প্রশিক্ষণও চলছে সমান তালে রাশান ফেডারেশনে। বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় উন্নয়নের প্রাণশক্তি। প্রচলিত জ্বালানি ব্যবহার করে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন অসম্ভব হয়ে উঠছে ক্রমে। সে কারণে নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি হিসেবে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ আমাদের সামনে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তবে নতুন বিষয় হিসেবে এ প্রযুক্তি সম্পর্কে এক ধরনের অজানা শঙ্কা আছে মানুষের মাঝে । জানার সীমাবদ্ধতার কারণে এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে সংশয়ও আছে। এ শঙ্কা, এ সংশয় দূর করার উদ্দেশ্যেই এ পুস্তক রচনার প্রয়াস।

প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন

প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৬২ সালে কুষ্টিয়ায়। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট থেকে। এমবিএ ডিগ্রীও অর্জন করেছেন ফিন্যান্সে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে অর্জন করেছেন প্রভুত অভিজ্ঞতা। উচ্চতর প্রকৌশল জ্ঞান ও উন্নয়ন। ব্যবস্থাপনায় অনন্যসাধারণ দক্ষতায় সমৃদ্ধ তাঁর কর্মজীবন। পেশাগত জীবনের শুরু বিসিএস ১৯৮৪ ব্যাচের রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা হিসেবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে ও বিদ্যুৎ বিভাগে দীর্ঘদিন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। দায়িত্ব পালন করেছেন আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন- কোম্পানি লি. ও ইউনাইটেড আতগঞ্জ এনার্জি লি.-এর চেয়ারম্যান এবং ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লি., কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লি... বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লি., ইলেকট্রিসিটি জেনারেল কোম্পানি অব বাংলাদেশ লি. ও নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লি.-এর পরিচালক হিসেবে। বর্তমানে তিনি সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যানও তিনি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাক্ট, রাশান ফেডারেশন সরকারের সঙ্গে আন্তঃরাষ্ট্রীয় ঋণ চুক্তি, প্রক প্রস্তাব (ডিপিপি) এবং স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল রাশান ফেডারেশনে ফেরৎ দেওয়া সংক্রান্ত চুক্তি প্রণয়ন ও চূড়ান্তকরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই (FCD) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

Title

নিউক্লিয়ার ক্লাবে বাংলাদেশ : উন্নয়ন অভিযাত্রায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

Author

প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন

Publisher

Anyaprokash

Number of Pages

78

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Nuclear Physics
  • First Published

    FEB 2019

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    এ পুস্তকের লেখাগুলোতে যে বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তা হলো বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা, এর চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা। বর্তমান বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তায় পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার একটি অনিবার্য বাস্তবতা । শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু শক্তির ব্যবহার খুব বেশি দিনের ঘটনা নয় আমাদের দেশে। আর পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একেবারেই নবাগত। নবীন অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অপ্রতুলতা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা- এ সকল প্রতিবন্ধকতার প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মতো উচ্চপ্রযুক্তিঘন, বহুশাস্ত্রীয় ও প্রাথমিকভাবে ব্যয়বহুল উদ্যোগ গ্রহণের জন্য যে সাহস আর উদ্যমের প্রয়োজন তা আমাদের আছে। রাশান ফেডারেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় আমরা শুরু করেছি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ, যা শেষ হবে ২০২৩-২৪ সালে। নির্মাণ কাজ যেমন এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে, কেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের প্রশিক্ষণও চলছে সমান তালে রাশান ফেডারেশনে। বিদ্যুৎ আমাদের জাতীয় উন্নয়নের প্রাণশক্তি। প্রচলিত জ্বালানি ব্যবহার করে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন অসম্ভব হয়ে উঠছে ক্রমে। সে কারণে নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি হিসেবে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ আমাদের সামনে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তবে নতুন বিষয় হিসেবে এ প্রযুক্তি সম্পর্কে এক ধরনের অজানা শঙ্কা আছে মানুষের মাঝে । জানার সীমাবদ্ধতার কারণে এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে সংশয়ও আছে। এ শঙ্কা, এ সংশয় দূর করার উদ্দেশ্যেই এ পুস্তক রচনার প্রয়াস।
    No Specifications