Skip to Content
বাঙালীর জাতীয়তাবাদ

Price:

480.00 ৳


বাংলাদেশের সাপ ও সর্পদংশন প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
বাংলাদেশের সাপ ও সর্পদংশন প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
640.00 ৳
800.00 ৳ (20% OFF)
বাঙালির লৌকিক ভাবদর্শন ৩ : অনার্য শিব ও তাঁর লিঙ্গায়ন
বাঙালির লৌকিক ভাবদর্শন ৩ : অনার্য শিব ও তাঁর লিঙ্গায়ন
640.00 ৳
800.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

বাঙালীর জাতীয়তাবাদ

জাতীয়তাবাদের পক্ষে যেমন বিপক্ষেও তেমনি। অনেক কিছু বলার আছে, এবং থাকবে। জাতীয়তাবাদ আর দেশপ্রেম এক বস্তু নয়; জাতীয়তাবাদ আরাে বেশি রাজনৈতিক। বাঙালীর জাতীয়তাবাদ ভাষাভিত্তিক, এবং আত্মরক্ষামূলক। কথা ছিল জাতীয়তাবাদ বাঙালীকে ঐক্যবদ্ধ। করবে, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা ঘটে নি। না-ঘটার কারণ হচ্ছে বৈষম্য। বৈষম্যের মুখ্য প্রকাশগুলাের মধ্যে রয়েছে সাম্প্রদায়িকতা ও শ্ৰেণীবিভাজন। সাম্প্রদায়িক কারণে বাংলা বিভক্ত হয়েছে, পরে প্রতিষ্ঠা ঘটেছে বাংলাদেশের, কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশেও সব বাঙালী যে ঐক্যবদ্ধ তা নয়, এখানে ঐক্যের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে রয়েছে শ্রেণী-দূরত্ব। ঐক্যের অন্তরায়গুলােকে চিহ্নিত করাই এই বইয়ের প্রধান উদ্দেশ্য। অনৈক্য সৃষ্টিতে রাষ্ট্র ও রাজনীতির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; তদুপরি জাতীয়তাবাদ নিজেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত; সে-কারণে রাজনীতির আলােচনা নিয়েই বইয়ের দীর্ঘতম পরিচ্ছেদ। বৈষম্য রয়েছে অর্থনীতিতে, শিক্ষায়, নারীর অবস্থানে। ভাষার দায় ও দায়িত্ব ছিল ঐক্য গড়ায় সাহায্য করা; কিন্তু ভাষা সে-কাজ করতে পারে নি। প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠায় বাঙালী মধ্যবিত্তের অপারগতাও অনৈক্য সৃষ্টির কারণ বটে। আমলাতন্ত্র বৈষম্যকে পুষ্ট করেছে, এবং দায়িত্ব নিয়েছে তার সংরক্ষণের। বাংলা ও বাঙালীর জীবনে আঞ্চলিক পার্থক্যও অসত্য ছিল না। এই বিষয়গুলাের প্রত্যেকটির ওপর বিস্তারিত আলােকপাত করা হয়েছে। বাঙালীর ঐক্য-অনৈক্য সৃষ্টির ইতিহাসে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ধারার তিন প্রতিনিধি—মেকওলে, বিদ্যাসাগর ও বিবেকানন্দকে নিয়ে আলােচনা রয়েছে একটি স্বতন্ত্র পরিচ্ছেদে। সর্বনাম কিভাবে বাঙালীর সঙ্গে বাঙালীর দূরত্বের স্মারকচিহ্ন হিসাবে কাজ করেছে সেটি দেখানাে। হয়েছে আরেকটি পরিচ্ছেদে। অবতরণিকা থেকে শুরু করে উপসংহার পর্যন্ত আসলে একটিই পর্যালােচনা, যেটিকে ভিন্ন ভিন্ন পরিচ্ছেদে ভাগ করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ইংরেজ আগমনের পর থেকে; বইয়ের কাহিনীর সূত্রপাতও সেখান থেকেই; শেষ হয়েছে সাম্প্রতিক কালে এসে । যে বক্তব্যটি প্রচ্ছন্নভাবে অধিকাংশ সময়ে এবং কখনাে। স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে তা হলাে ঐক্যের সকল আয়ােজনের আড়ালে জাতিগঠনের পরিবর্তে শ্ৰেণীগঠনের কাজটাই ঘটেছে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/14485/image_1920?unique=22ddeb8

480.00 ৳ 480.0 BDT 600.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

Best Selling Bangladshi books
জাতীয়তাবাদের পক্ষে যেমন বিপক্ষেও তেমনি। অনেক কিছু বলার আছে, এবং থাকবে। জাতীয়তাবাদ আর দেশপ্রেম এক বস্তু নয়; জাতীয়তাবাদ আরাে বেশি রাজনৈতিক। বাঙালীর জাতীয়তাবাদ ভাষাভিত্তিক, এবং আত্মরক্ষামূলক। কথা ছিল জাতীয়তাবাদ বাঙালীকে ঐক্যবদ্ধ। করবে, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা ঘটে নি। না-ঘটার কারণ হচ্ছে বৈষম্য। বৈষম্যের মুখ্য প্রকাশগুলাের মধ্যে রয়েছে সাম্প্রদায়িকতা ও শ্ৰেণীবিভাজন। সাম্প্রদায়িক কারণে বাংলা বিভক্ত হয়েছে, পরে প্রতিষ্ঠা ঘটেছে বাংলাদেশের, কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশেও সব বাঙালী যে ঐক্যবদ্ধ তা নয়, এখানে ঐক্যের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে রয়েছে শ্রেণী-দূরত্ব। ঐক্যের অন্তরায়গুলােকে চিহ্নিত করাই এই বইয়ের প্রধান উদ্দেশ্য। অনৈক্য সৃষ্টিতে রাষ্ট্র ও রাজনীতির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; তদুপরি জাতীয়তাবাদ নিজেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত; সে-কারণে রাজনীতির আলােচনা নিয়েই বইয়ের দীর্ঘতম পরিচ্ছেদ। বৈষম্য রয়েছে অর্থনীতিতে, শিক্ষায়, নারীর অবস্থানে। ভাষার দায় ও দায়িত্ব ছিল ঐক্য গড়ায় সাহায্য করা; কিন্তু ভাষা সে-কাজ করতে পারে নি। প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠায় বাঙালী মধ্যবিত্তের অপারগতাও অনৈক্য সৃষ্টির কারণ বটে। আমলাতন্ত্র বৈষম্যকে পুষ্ট করেছে, এবং দায়িত্ব নিয়েছে তার সংরক্ষণের। বাংলা ও বাঙালীর জীবনে আঞ্চলিক পার্থক্যও অসত্য ছিল না। এই বিষয়গুলাের প্রত্যেকটির ওপর বিস্তারিত আলােকপাত করা হয়েছে। বাঙালীর ঐক্য-অনৈক্য সৃষ্টির ইতিহাসে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ধারার তিন প্রতিনিধি—মেকওলে, বিদ্যাসাগর ও বিবেকানন্দকে নিয়ে আলােচনা রয়েছে একটি স্বতন্ত্র পরিচ্ছেদে। সর্বনাম কিভাবে বাঙালীর সঙ্গে বাঙালীর দূরত্বের স্মারকচিহ্ন হিসাবে কাজ করেছে সেটি দেখানাে। হয়েছে আরেকটি পরিচ্ছেদে। অবতরণিকা থেকে শুরু করে উপসংহার পর্যন্ত আসলে একটিই পর্যালােচনা, যেটিকে ভিন্ন ভিন্ন পরিচ্ছেদে ভাগ করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ইংরেজ আগমনের পর থেকে; বইয়ের কাহিনীর সূত্রপাতও সেখান থেকেই; শেষ হয়েছে সাম্প্রতিক কালে এসে । যে বক্তব্যটি প্রচ্ছন্নভাবে অধিকাংশ সময়ে এবং কখনাে। স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে তা হলাে ঐক্যের সকল আয়ােজনের আড়ালে জাতিগঠনের পরিবর্তে শ্ৰেণীগঠনের কাজটাই ঘটেছে।

Serajul Islam Chowdhury

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (জন্ম ২৩ জুন, ১৯৩৬) একজন বাংলাদেশি লেখক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক। দীর্ঘকাল তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। তিনি মার্কসবাদী চিন্তা-চেতনায় উদ্বুদ্ধ এবং[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] নতুন দিগন্ত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। ১৯৮০-এর দশকে "গাছপাথর" ছদ্মনামে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন লিখে খ্যাতি অর্জন করেন।‌শিক্ষায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কর্তৃক দুবার উপাচার্য হওয়ার জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। সম্পাদনা করেছেন ‘পরিক্রমা’, ‘সাহিত্যপত্র’, ‘সচিত্র সময়’, ‘সাপ্তাহিক সময়’, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পত্রিকা’, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টাডিস’ প্রভৃতি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তাঁর সম্পাদনায় নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে সাহিত্য-সংস্কৃতির পত্রিকা ‘নতুন দিগন্ত’। ‘নতুন দিগন্ত’ প্রগতিশীল, মুক্তচিন্তার মানুষের লেখালেখির জন্য পরিচিত। ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ করেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

Title

বাঙালীর জাতীয়তাবাদ

Author

Serajul Islam Chowdhury

Publisher

THE UNIVERSITY PRESS LTD.

Number of Pages

472

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Essays /Politics / Culture / Economics
  • First Published

    FEB 2023

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    জাতীয়তাবাদের পক্ষে যেমন বিপক্ষেও তেমনি। অনেক কিছু বলার আছে, এবং থাকবে। জাতীয়তাবাদ আর দেশপ্রেম এক বস্তু নয়; জাতীয়তাবাদ আরাে বেশি রাজনৈতিক। বাঙালীর জাতীয়তাবাদ ভাষাভিত্তিক, এবং আত্মরক্ষামূলক। কথা ছিল জাতীয়তাবাদ বাঙালীকে ঐক্যবদ্ধ। করবে, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা ঘটে নি। না-ঘটার কারণ হচ্ছে বৈষম্য। বৈষম্যের মুখ্য প্রকাশগুলাের মধ্যে রয়েছে সাম্প্রদায়িকতা ও শ্ৰেণীবিভাজন। সাম্প্রদায়িক কারণে বাংলা বিভক্ত হয়েছে, পরে প্রতিষ্ঠা ঘটেছে বাংলাদেশের, কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশেও সব বাঙালী যে ঐক্যবদ্ধ তা নয়, এখানে ঐক্যের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে রয়েছে শ্রেণী-দূরত্ব। ঐক্যের অন্তরায়গুলােকে চিহ্নিত করাই এই বইয়ের প্রধান উদ্দেশ্য। অনৈক্য সৃষ্টিতে রাষ্ট্র ও রাজনীতির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; তদুপরি জাতীয়তাবাদ নিজেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত; সে-কারণে রাজনীতির আলােচনা নিয়েই বইয়ের দীর্ঘতম পরিচ্ছেদ। বৈষম্য রয়েছে অর্থনীতিতে, শিক্ষায়, নারীর অবস্থানে। ভাষার দায় ও দায়িত্ব ছিল ঐক্য গড়ায় সাহায্য করা; কিন্তু ভাষা সে-কাজ করতে পারে নি। প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠায় বাঙালী মধ্যবিত্তের অপারগতাও অনৈক্য সৃষ্টির কারণ বটে। আমলাতন্ত্র বৈষম্যকে পুষ্ট করেছে, এবং দায়িত্ব নিয়েছে তার সংরক্ষণের। বাংলা ও বাঙালীর জীবনে আঞ্চলিক পার্থক্যও অসত্য ছিল না। এই বিষয়গুলাের প্রত্যেকটির ওপর বিস্তারিত আলােকপাত করা হয়েছে। বাঙালীর ঐক্য-অনৈক্য সৃষ্টির ইতিহাসে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ধারার তিন প্রতিনিধি—মেকওলে, বিদ্যাসাগর ও বিবেকানন্দকে নিয়ে আলােচনা রয়েছে একটি স্বতন্ত্র পরিচ্ছেদে। সর্বনাম কিভাবে বাঙালীর সঙ্গে বাঙালীর দূরত্বের স্মারকচিহ্ন হিসাবে কাজ করেছে সেটি দেখানাে। হয়েছে আরেকটি পরিচ্ছেদে। অবতরণিকা থেকে শুরু করে উপসংহার পর্যন্ত আসলে একটিই পর্যালােচনা, যেটিকে ভিন্ন ভিন্ন পরিচ্ছেদে ভাগ করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ইংরেজ আগমনের পর থেকে; বইয়ের কাহিনীর সূত্রপাতও সেখান থেকেই; শেষ হয়েছে সাম্প্রতিক কালে এসে । যে বক্তব্যটি প্রচ্ছন্নভাবে অধিকাংশ সময়ে এবং কখনাে। স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে তা হলাে ঐক্যের সকল আয়ােজনের আড়ালে জাতিগঠনের পরিবর্তে শ্ৰেণীগঠনের কাজটাই ঘটেছে।
    No Specifications