Skip to Content
অপেক্ষা (অনিন্দ্য)

Price:

160.00 ৳


অপেক্ষা
অপেক্ষা
180.00 ৳
225.00 ৳ (20% OFF)
অপেক্ষা (সেলিনা) (আবিস্কার)
অপেক্ষা (সেলিনা) (আবিস্কার)
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

অপেক্ষা (অনিন্দ্য)

সবেমাত্র নবম শ্রেণিতে পড়ে সাদিয়া। বড় হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলছে আপন গতিতে। হঠাৎ আবেগের বশে ভালােবাসায় হাবুডুবু খেয়ে ভুলে গেছে তার সকল স্বপ্নকে। অথচ তাকে নিয়ে তার বাবা-মায়ের স্বপ্নও কম নয়। প্রেমিকের সাথে একমুহূর্ত কথা না বলেও থাকতে পারে না। বাবা-মায়েরও অনেক চাপ ভালােবাসা ছেড়ে পড়ালেখায় মনােযােগ দেওয়ার জন্য। সাদিয়া কী করবে এখন? কোনটা টিকিয়ে রাখবে? ভালােবাসা না পড়ালেখা? ইতােমধ্যে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে। হজম করতে হচ্ছে বাবার মার। নিয়ে গেছে মােবাইল ফোন। তারপরও প্রেমিকের দেওয়া মােবাইল দিয়ে গােপনে যােগাযােগ করে যাচ্ছে সাদিয়া। ভালােবাসায় দুজন যখন পরিপূর্ণ এর মাঝেই বিয়ে হয়ে যায় প্রেমিকের। নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়েও প্রেমিককে -পাওয়ার বেদনায় অস্থির সাদিয়া। প্রেমিককে প্রস্তাব দেয় তাকে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু প্রেমিকের কথা সে সাদিয়াকে বিয়ে করলে তার স্ত্রীকে ঠকানাে হবে। আস্তে আস্তে গলতে শুরু করল বরফ। আবারও জোড়া লাগল দুজনের ভালােবাসায়। অপরদিকে প্রেমিকের স্ত্রী স্বামীর অধিকার ছাড়া হয়েও বাস করছে স্বামীর ঘরেই। এক সময় স্ত্রীর কোলে আসে একটি ফুটফুটে সন্তান। সাদিয়া এখন ভার্সিটিতে পড়ে। পরিবারে আসছে নানা বিয়ের প্রস্তাব। প্রেমিকের আশায় ভেঙে দেয় সকল বিয়ে। এর মাঝেই ক্যানসারে মারা যায় প্রেমিকের স্ত্রী। খুশিতে আত্মহারা প্রেমিক। আর সাদিয়াও অপেক্ষায় প্রেমিকের। এবার বুঝি শেষ হচ্ছে অপেক্ষা। কিন্তু বিধি বাম মায়ের পছন্দে আবারও দ্বিতীয় বিয়ে করতে হয় প্রেমিককে। সাদিয়ার যেন আবারও বিনা মেঘে বজ্রপাত। শেষ হয়েও শেষ হলাে না অপেক্ষার। আবারও অপেক্ষা করে যাচ্ছে সাদিয়া। কিন্তু সাদিয়া জানে না কবে শেষ হবে তার অপেক্ষা। আর কবে নিজের করে পাবে তার প্রেমিককে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/31450/image_1920?unique=05ea55f

160.00 ৳ 160.0 BDT 200.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

সবেমাত্র নবম শ্রেণিতে পড়ে সাদিয়া। বড় হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলছে আপন গতিতে। হঠাৎ আবেগের বশে ভালােবাসায় হাবুডুবু খেয়ে ভুলে গেছে তার সকল স্বপ্নকে। অথচ তাকে নিয়ে তার বাবা-মায়ের স্বপ্নও কম নয়। প্রেমিকের সাথে একমুহূর্ত কথা না বলেও থাকতে পারে না। বাবা-মায়েরও অনেক চাপ ভালােবাসা ছেড়ে পড়ালেখায় মনােযােগ দেওয়ার জন্য। সাদিয়া কী করবে এখন? কোনটা টিকিয়ে রাখবে? ভালােবাসা না পড়ালেখা? ইতােমধ্যে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে। হজম করতে হচ্ছে বাবার মার। নিয়ে গেছে মােবাইল ফোন। তারপরও প্রেমিকের দেওয়া মােবাইল দিয়ে গােপনে যােগাযােগ করে যাচ্ছে সাদিয়া। ভালােবাসায় দুজন যখন পরিপূর্ণ এর মাঝেই বিয়ে হয়ে যায় প্রেমিকের। নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়েও প্রেমিককে -পাওয়ার বেদনায় অস্থির সাদিয়া। প্রেমিককে প্রস্তাব দেয় তাকে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু প্রেমিকের কথা সে সাদিয়াকে বিয়ে করলে তার স্ত্রীকে ঠকানাে হবে। আস্তে আস্তে গলতে শুরু করল বরফ। আবারও জোড়া লাগল দুজনের ভালােবাসায়। অপরদিকে প্রেমিকের স্ত্রী স্বামীর অধিকার ছাড়া হয়েও বাস করছে স্বামীর ঘরেই। এক সময় স্ত্রীর কোলে আসে একটি ফুটফুটে সন্তান। সাদিয়া এখন ভার্সিটিতে পড়ে। পরিবারে আসছে নানা বিয়ের প্রস্তাব। প্রেমিকের আশায় ভেঙে দেয় সকল বিয়ে। এর মাঝেই ক্যানসারে মারা যায় প্রেমিকের স্ত্রী। খুশিতে আত্মহারা প্রেমিক। আর সাদিয়াও অপেক্ষায় প্রেমিকের। এবার বুঝি শেষ হচ্ছে অপেক্ষা। কিন্তু বিধি বাম মায়ের পছন্দে আবারও দ্বিতীয় বিয়ে করতে হয় প্রেমিককে। সাদিয়ার যেন আবারও বিনা মেঘে বজ্রপাত। শেষ হয়েও শেষ হলাে না অপেক্ষার। আবারও অপেক্ষা করে যাচ্ছে সাদিয়া। কিন্তু সাদিয়া জানে না কবে শেষ হবে তার অপেক্ষা। আর কবে নিজের করে পাবে তার প্রেমিককে।

Redwan Masud

রেদোয়ান মাসুদ ১৯৮৮ সালের ৬ই জানুয়ারী শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানাধীন মোড়ল কান্দি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবার নাম মোঃ নুরউদ্দিন মোড়ল ও মাতার নাম জামিলা খাতুন। ২০০৬ সালে তার মা মারা যান। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে এমবি এ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ তথ্য ভান্ডার “বাংলাকোষ” এর প্রতিষ্ঠাতা ও সি ই ও, হেলথ এইড হাসপাতালের পরিচালক ও দেশের একটি জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল এর বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক। কবিতা চর্চার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করেন। ২০১৪ সালে বই মেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ“মায়ের ভাষা”। ২০১৫ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার ২য় কাব্যগ্রন্থ “মনে পড়ে তোমাকে”। ২০১৭ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার ৩য় কাব্যগ্রন্থ “অনেক কথা ছিল বলার”। তার মনে পড়ে তোমাকে ও অনেক কথা ছিল বলার বই ২’টি কলকাতা বইমেলায়ও প্রকাশিত হয়েছে। যা তাকে পাঠকের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় করে তুলে। সম্পূর্ণ বাস্তব ঘটনা নিয়ে লেখা তার “অপেক্ষা” উপন্যাসটি ২০১৮ সালের একুশে বই মেলায় ব্যাপক সাড়া জাগায়। কবিতা দিয়ে সাহিত্য জগতে প্রবেশ করলেও “অপেক্ষা” উপন্যাসের মাধ্যমে পাঠকের মাঝে একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে ব্যপক প্রশংসিত হয়েছেন। তিনি কবিতা ও উপন্যাস লেখার পাশাপাশি ইতিহাস চর্চাও করে যাচ্ছেন। ইতিহাসের উপর কয়েকটি বই প্রকাশের জন্য কাজ শুরু করেছেন। তিনি জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপনে ততোটা আগ্রহী নন। তাই আধুনিকতার এই যুগে একেবারে সাধারণ জীবনযাপন করছেন।

Title

অপেক্ষা (অনিন্দ্য)

Author

Redwan Masud

Publisher

Anindya Prokash

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Novel
  • Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    সবেমাত্র নবম শ্রেণিতে পড়ে সাদিয়া। বড় হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলছে আপন গতিতে। হঠাৎ আবেগের বশে ভালােবাসায় হাবুডুবু খেয়ে ভুলে গেছে তার সকল স্বপ্নকে। অথচ তাকে নিয়ে তার বাবা-মায়ের স্বপ্নও কম নয়। প্রেমিকের সাথে একমুহূর্ত কথা না বলেও থাকতে পারে না। বাবা-মায়েরও অনেক চাপ ভালােবাসা ছেড়ে পড়ালেখায় মনােযােগ দেওয়ার জন্য। সাদিয়া কী করবে এখন? কোনটা টিকিয়ে রাখবে? ভালােবাসা না পড়ালেখা? ইতােমধ্যে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে। হজম করতে হচ্ছে বাবার মার। নিয়ে গেছে মােবাইল ফোন। তারপরও প্রেমিকের দেওয়া মােবাইল দিয়ে গােপনে যােগাযােগ করে যাচ্ছে সাদিয়া। ভালােবাসায় দুজন যখন পরিপূর্ণ এর মাঝেই বিয়ে হয়ে যায় প্রেমিকের। নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়েও প্রেমিককে -পাওয়ার বেদনায় অস্থির সাদিয়া। প্রেমিককে প্রস্তাব দেয় তাকে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু প্রেমিকের কথা সে সাদিয়াকে বিয়ে করলে তার স্ত্রীকে ঠকানাে হবে। আস্তে আস্তে গলতে শুরু করল বরফ। আবারও জোড়া লাগল দুজনের ভালােবাসায়। অপরদিকে প্রেমিকের স্ত্রী স্বামীর অধিকার ছাড়া হয়েও বাস করছে স্বামীর ঘরেই। এক সময় স্ত্রীর কোলে আসে একটি ফুটফুটে সন্তান। সাদিয়া এখন ভার্সিটিতে পড়ে। পরিবারে আসছে নানা বিয়ের প্রস্তাব। প্রেমিকের আশায় ভেঙে দেয় সকল বিয়ে। এর মাঝেই ক্যানসারে মারা যায় প্রেমিকের স্ত্রী। খুশিতে আত্মহারা প্রেমিক। আর সাদিয়াও অপেক্ষায় প্রেমিকের। এবার বুঝি শেষ হচ্ছে অপেক্ষা। কিন্তু বিধি বাম মায়ের পছন্দে আবারও দ্বিতীয় বিয়ে করতে হয় প্রেমিককে। সাদিয়ার যেন আবারও বিনা মেঘে বজ্রপাত। শেষ হয়েও শেষ হলাে না অপেক্ষার। আবারও অপেক্ষা করে যাচ্ছে সাদিয়া। কিন্তু সাদিয়া জানে না কবে শেষ হবে তার অপেক্ষা। আর কবে নিজের করে পাবে তার প্রেমিককে।
    No Specifications