Skip to Content
শিখা

Price:

1,596.00 ৳


বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পিআর পদ্ধতি
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পিআর পদ্ধতি
236.00 ৳
295.00 ৳ (20% OFF)
Flesh
Flesh
1,620.00 ৳
1,800.00 ৳ (10% OFF)
20% OFF

শিখা

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র

বাঙালি মুসলমানের সমাজ-সংস্কার ও সমাজ-জাগরণের কাজ শুরু হয় সভা-সমিতি, সাময়িকপত্র, সাহিত্যকর্ম—নানা মাধ্যমে। খুব স্পষ্ট বা পদ্ধতিমাফিক না-হলেও মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রসঙ্গও সেখানে শামিল হয়। উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগ থেকেই এর সূচনা। তবে সংগঠিত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হয়তো নয়, তখন এই ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী চিন্তা-চেতনা ছিল মোটের উপর ব্যক্তিগত একক প্রয়াসের ফসল। এমন মুক্ত, স্বচ্ছ ও উদার মননচর্চার ধারাবাহিকতায় এবং বাঙালি হিন্দুর জাগরণের দৃষ্টান্ত ও নানা মনীষীর আদর্শিক প্রেরণায় ১৯২৬ সালে ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর জন্ম।

এই ‘সাহিত্য সমাজ’-এর মূলমন্ত্র ছিল— “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।” মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও সামাজিক জাগরণ ছিল এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও প্রয়াস। ‘শিখা’ ছিল এই সংগঠনের বার্ষিক মুখপত্র। ‘সাহিত্য সমাজ’ অস্তিত্ব রক্ষা করেছিল বারো বছর (১৯২৬–১৯৩৮), আর শিখা-র সাকল্যে পাঁচটি খণ্ড (১৯২৭–১৯৩১) প্রকাশিত হয়। মাত্র এই ক’টি সংখ্যাতেই ‘সাহিত্য সমাজ’-এর চেতনা, কর্মসাক্ষ্য ও সাহিত্যপ্রয়াসকে ধারণ করেছে এই পত্রিকা। তাই ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’-এ এই পত্রিকার মূল্য ও গুরুত্ব অপরিসীম। শিখা শুধু একটি সংগঠনের মুখপত্র নয়, এই পত্রিকা মুক্তবুদ্ধি চর্চার এক মূল্যবান সামাজিক-সাংস্কৃতিক দলিলও বটে।

মূল শিখা পত্রিকা এখন প্রায় দুষ্প্রাপ্যই বলা চলে। তাই সম্পূর্ণ শিখা পত্রিকার প্রতিলিপি (facsimile) সংস্করণ প্রকাশের আলাদা গুরুত্ব ও আবেদন আছে। এই বিবেচনা থেকেই শিখা-র প্রতিলিপি-সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ। অনুসন্ধিৎসু গবেষক ড. আবুল আহসান চৌধুরী সম্পাদিত পাঁচ খণ্ডের শিখা সংকলনের শেষে পরিশিষ্ট-পর্যায়ে সংযোজিত হয়েছে বেশ কিছু দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য তথ্যদলিল। এই মূল্যবান উপকরণ শিখা-র মূল্যায়ন ও পর্যালোচনায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/48562/image_1920?unique=1e26522
দু ষ্প্রা প্য প ত্রি কা মা লা :  এ ক
বুদ্ধির মুক্তির ১০০ বছরের যাত্রা — ফিরে আসছে "শিখা" 💡
১৯২৬ সালে মুসলিম সাহিত্য সমাজ যে পত্রিকাটি প্রকাশ করেছিল, তার নাম — “শিখা” এটাই ছিল “বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন”-এর মুখপত্র — এক নতুন চিন্তা, স্বাধীন যুক্তি ও ধর্মীয় কুসংস্কারবিরোধী মানবিকতার প্রতীক।

1,596.00 ৳ 1596.0 BDT 1,995.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

Pathak Shamabesh Books New Arrival

বাঙালি মুসলমানের সমাজ-সংস্কার ও সমাজ-জাগরণের কাজ শুরু হয় সভা-সমিতি, সাময়িকপত্র, সাহিত্যকর্ম—নানা মাধ্যমে। খুব স্পষ্ট বা পদ্ধতিমাফিক না-হলেও মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রসঙ্গও সেখানে শামিল হয়। উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগ থেকেই এর সূচনা। তবে সংগঠিত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হয়তো নয়, তখন এই ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী চিন্তা-চেতনা ছিল মোটের উপর ব্যক্তিগত একক প্রয়াসের ফসল। এমন মুক্ত, স্বচ্ছ ও উদার মননচর্চার ধারাবাহিকতায় এবং বাঙালি হিন্দুর জাগরণের দৃষ্টান্ত ও নানা মনীষীর আদর্শিক প্রেরণায় ১৯২৬ সালে ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর জন্ম।

এই ‘সাহিত্য সমাজ’-এর মূলমন্ত্র ছিল— “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।” মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও সামাজিক জাগরণ ছিল এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও প্রয়াস। ‘শিখা’ ছিল এই সংগঠনের বার্ষিক মুখপত্র। ‘সাহিত্য সমাজ’ অস্তিত্ব রক্ষা করেছিল বারো বছর (১৯২৬–১৯৩৮), আর শিখা-র সাকল্যে পাঁচটি খণ্ড (১৯২৭–১৯৩১) প্রকাশিত হয়। মাত্র এই ক’টি সংখ্যাতেই ‘সাহিত্য সমাজ’-এর চেতনা, কর্মসাক্ষ্য ও সাহিত্যপ্রয়াসকে ধারণ করেছে এই পত্রিকা। তাই ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’-এ এই পত্রিকার মূল্য ও গুরুত্ব অপরিসীম। শিখা শুধু একটি সংগঠনের মুখপত্র নয়, এই পত্রিকা মুক্তবুদ্ধি চর্চার এক মূল্যবান সামাজিক-সাংস্কৃতিক দলিলও বটে।

মূল শিখা পত্রিকা এখন প্রায় দুষ্প্রাপ্যই বলা চলে। তাই সম্পূর্ণ শিখা পত্রিকার প্রতিলিপি (facsimile) সংস্করণ প্রকাশের আলাদা গুরুত্ব ও আবেদন আছে। এই বিবেচনা থেকেই শিখা-র প্রতিলিপি-সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ। অনুসন্ধিৎসু গবেষক ড. আবুল আহসান চৌধুরী সম্পাদিত পাঁচ খণ্ডের শিখা সংকলনের শেষে পরিশিষ্ট-পর্যায়ে সংযোজিত হয়েছে বেশ কিছু দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য তথ্যদলিল। এই মূল্যবান উপকরণ শিখা-র মূল্যায়ন ও পর্যালোচনায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

কাজী মোতাহার হোসেন

কাজী মোতাহার হোসেন পৈতৃক বাড়ি ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে। তবে তার জন্ম কুষ্টিয়া (তখনকার নদীয়া) জেলার কুমারখালি থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামে তাঁর মামাবাড়িতে ১৮৯৭ সালের ৩০ জুলাই। তাঁর পিতা কাজী গওহরউদ্দীন আহমদ ছিলেন সেটেলমেন্টের আমিন। মায়ের নাম তাসিরুন্নেসা। শৈশব কাটিয়েছেন ফরিদপুরের বাগমারায়। ১৯২১ সালে এম. এ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন সময়ে কলকাতার তালতলা নিবাসী মোহাম্মদ ফয়েজুর রহমানের কন্যা সাজেদা খাতুনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তাঁদের সংসারে চার পুত্র ও সাত কন্যা ছিল। তন্মধ্যে - সনজীদা খাতুন, ফাহমিদা খাতুন, মাহমুদা খাতুন, কাজী আনোয়ার হোসেন, কাজী মাহবুব হোসেন প্রমুখ রয়েছেন। কাজী মোতাহার হোসেনের শিক্ষাজীবন শুরু হয় কুষ্টিয়াতেই। মেধাবি ছাত্র হিসাবে বৃত্তি নিয়ে ১৯০৭ সালে নিম্ন প্রাইমারি ও ১৯০৯ সালে উচ্চ প্রাইমারি পাশ করেন। ১৯১৫ সালে Kushtia Muslim High School থেকে মেট্রিক পরীক্ষা পাস করে ভর্তি হন কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে। এখানে তিনি শিক্ষক হিসেবে পান প্রফুল্ল চন্দ্র রায়কে। ১৯১৭ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ১৯১৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে অনার্সসহ বিএ পরীক্ষায় বাংলা ও আসাম জোনে প্রথমস্থান অর্জন করে মাসিক ৩০ টাকা বৃত্তিলাভ করেন। ঢাকা কলেজে তার শিক্ষকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন ওয়াল্টার অ্যালেন জেনকিন্স, পদ্মভূষণ ভূপতি মোহন সেন, ১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকা কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান নিয়ে এমএ পাশ করেন। উল্লেখ্য, সেবছর কেউ প্রথম শ্রেণি পান নি। ১৯৩৮ সালে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে পরিসংখ্যান বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন। যুগপৎভাবে, তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে পি.এইচ.ডি করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল 'Design of Experiments'। তাঁর ডক্টরাল থিসিসে তিনি 'Hussain's Chain Rule' নামক একটি নতুন তত্ত্বের অবতারণা করেন। বস্তুত, তৎকালীন পূর্ববঙ্গে (বর্তমান বাংলাদেশ) তিনিই প্রথম স্বীকৃত পরিসংখ্যানবিদ। ১৯২১ সালে ঢাকা কলেজে ছাত্র থাকাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ডেমনেস্ট্রেটর হিসেবে চাকরি শুরু করেন এবং একই বিভাগে ১৯২৩ সালে একজন সহকারী প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। কাজী মোতাহার হোসেনের নিজ উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যানে এম.এ কোর্স চালু হয় এবং তিনি এই নতুন বিভাগে যোগ দেন। তিনি গণিত বিভাগেও ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন। ১৯৫১ সালে তিনি পরিসংখ্যানে একজন রিডার ও ১৯৫৪ সালে অধ্যাপক হন। ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি পরিসংখ্যান বিভাগে ১৯৬১ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৪ সালে স্থাপিত পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের তিনি প্রথম পরিচালক।১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে অনারারি (Professor Emeritus) অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়। ১৯৬০ সালে পাকিস্তান সরকার অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেনকে সিতারা-ই-ইমতিয়াজ উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৬৬ সালে প্রবন্ধসাহিত্যের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং বিজ্ঞান চর্চায় অসাধারণ অবদানের জন্য ১৯৭৯ সালে দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় তাকে। ১৯৭৪ সালে বিজ্ঞান ও কলা বিষয়ে অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে ডি.এস.সি ডিগ্রি দ্বারা সম্মানিত করে। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে সম্মানিত করে। উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দাবাড়ু হিসেবে ১৯২৯ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলা ও পূর্ব পাকিস্তানে একক চ্যাম্পিয়ন ছিলেন তিনি। তিনি ১৯৮১ সালের ৯ অক্টোবর তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

আবুল ফজল

আবুল ফজল মননশীল চিন্তাবিদ, শিক্ষাব্রতী, মানবদরদি আবুল ফজলের জন্ম ১৯০৩ সালের পহেলা জুলাই। বাবা মৌলানা ফজলুর রহমান ছিলেন বিজ্ঞ আলেম। ১৯২৩ সালে নিউস্কিম মাদ্রাসা থেকে প্রবেশিকা ও ১৯২৫তে ঢাকা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯২৮-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. এবং ১৯২৯-এ ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিটি পাস করেন। এগার বছর পর ১৯৪০-এ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. পাস করেন। স্কুল-কলেজে চাকরি করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। মুক্তবুদ্ধির চিরসজাগ প্রহরী আবুল ফজল জাতির সংকট মুহূর্তে নির্ভীক ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য ভূষিত হয়েছেন বাংলা একাডেমী পুরস্কার, রাষ্ট্রিয় সাহিত্য পুরস্কার ও সমকাল পুরস্কারে । ১৯৭৫-এ পেয়েছেন সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি । ১৯৮৩, ৪ মে, রাত ১১টা ১৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আবুল আহসান চৌধুরী

আবুল আহসান চৌধুরী মূলত প্রাবন্ধিক ও গবেষক। সমাজমনস্ক ও ঐতিহ্যসন্ধানী। তাঁর চর্চা ও গবেষণার বিষয় ফোকলোর, উনিশ শতকের সমাজ ও সাহিত্য, সাময়িকপত্র, আধুনিক সাহিত্য, সংগীত-সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ইতিহাস। তাঁর লালন সাঁই, কাঙাল হরিনাথ ও মীর মশাররফ হোসেন-বিষয়ক গবেষণা-কাজ দেশে-বিদেশে সমাদৃত হয়েছে। জন্ম কুষ্টিয়া জেলার মজমপুরে, ১৩ জানুয়ারি ১৯৫৩। সাহিত্যচর্চার পেছনে আছে পারিবারিক আবহ ও আনুকূল্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান), স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি। প্রায় সাঁইত্রিশ বছর অধ্যাপনা-পেশায় যুক্ত। বর্তমানে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রফেসর। পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লালনমেলা সমিতির লালন পুরস্কার (২০০০), বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ পুরস্কার (কলকাতা, ২০০৮) এবং গবেষণায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (ঢাকা, ২০০৯)।

Title

শিখা

Book Subtitle

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র

Editor

কাজী মোতাহার হোসেন , মোহাম্মদ আবদুর রশিদ , আবুল ফজল , অধ্যাপক আবুল হুসেন

Publisher

Pathak Shamabesh

ISBN

9789846960099

Number of Pages

753

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Periodicals / Literature / Social Thoughts
  • First Published

    OCT 2025

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বাঙালি মুসলমানের সমাজ-সংস্কার ও সমাজ-জাগরণের কাজ শুরু হয় সভা-সমিতি, সাময়িকপত্র, সাহিত্যকর্ম—নানা মাধ্যমে। খুব স্পষ্ট বা পদ্ধতিমাফিক না-হলেও মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রসঙ্গও সেখানে শামিল হয়। উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগ থেকেই এর সূচনা। তবে সংগঠিত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হয়তো নয়, তখন এই ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী চিন্তা-চেতনা ছিল মোটের উপর ব্যক্তিগত একক প্রয়াসের ফসল। এমন মুক্ত, স্বচ্ছ ও উদার মননচর্চার ধারাবাহিকতায় এবং বাঙালি হিন্দুর জাগরণের দৃষ্টান্ত ও নানা মনীষীর আদর্শিক প্রেরণায় ১৯২৬ সালে ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর জন্ম।

    এই ‘সাহিত্য সমাজ’-এর মূলমন্ত্র ছিল— “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।” মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও সামাজিক জাগরণ ছিল এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও প্রয়াস। ‘শিখা’ ছিল এই সংগঠনের বার্ষিক মুখপত্র। ‘সাহিত্য সমাজ’ অস্তিত্ব রক্ষা করেছিল বারো বছর (১৯২৬–১৯৩৮), আর শিখা-র সাকল্যে পাঁচটি খণ্ড (১৯২৭–১৯৩১) প্রকাশিত হয়। মাত্র এই ক’টি সংখ্যাতেই ‘সাহিত্য সমাজ’-এর চেতনা, কর্মসাক্ষ্য ও সাহিত্যপ্রয়াসকে ধারণ করেছে এই পত্রিকা। তাই ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’-এ এই পত্রিকার মূল্য ও গুরুত্ব অপরিসীম। শিখা শুধু একটি সংগঠনের মুখপত্র নয়, এই পত্রিকা মুক্তবুদ্ধি চর্চার এক মূল্যবান সামাজিক-সাংস্কৃতিক দলিলও বটে।

    মূল শিখা পত্রিকা এখন প্রায় দুষ্প্রাপ্যই বলা চলে। তাই সম্পূর্ণ শিখা পত্রিকার প্রতিলিপি (facsimile) সংস্করণ প্রকাশের আলাদা গুরুত্ব ও আবেদন আছে। এই বিবেচনা থেকেই শিখা-র প্রতিলিপি-সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ। অনুসন্ধিৎসু গবেষক ড. আবুল আহসান চৌধুরী সম্পাদিত পাঁচ খণ্ডের শিখা সংকলনের শেষে পরিশিষ্ট-পর্যায়ে সংযোজিত হয়েছে বেশ কিছু দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য তথ্যদলিল। এই মূল্যবান উপকরণ শিখা-র মূল্যায়ন ও পর্যালোচনায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

    No Specifications