Skip to Content
আমার স্মৃতি কথা

Price:

240.00 ৳


আমার স্বামী হেমন্ত
আমার স্বামী হেমন্ত
270.00 ৳
300.00 ৳ (10% OFF)
আমারও একটা প্রেমকাহিনি আছে
আমারও একটা প্রেমকাহিনি আছে
304.00 ৳
380.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

আমার স্মৃতি কথা

বইটিকে মোটাদাগে দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম অংশে শিক্ষাজীবনের বর্ণনা,বাংলাদেশের স্মৃতি ইত্যাদি ফুটে উঠেছে। এবখ শেষ অংশে,মিলিটারি জীবনের যাত্রা এবং সম্পূর্ণ এক নতুন জগতের সন্ধানের স্মৃতি... ১৯৪৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন ব্রি জে এম সাখাওয়াত হোসেন। তার পৈতৃক বাড়ি বরিশালের হিজলায় এবং নানাবাড়ি ভোলার জেলার মনপুরার বিখ্যাত চৌধুরী পরিবার।একদম গ্রামের অন্যান্যদের মতো জীবন অতিবাহিত করেছে লেখক।বাবার সরকারি চাকরির দরুন দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘোরার সৌভাগ্য হয়েছিলো।বাবার পশ্চিম পাকিস্তানে বদলি হয়ে গেলে সেখানেও তারা পরিবার সহ চলে যান।ঢাকায় তার পড়াশুনার হাতেখড়ি। তারপর,বদলির কারণে রংপুরে চলে যান।সেখানেই জিলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন তিনি।এশিয়ার পঞ্চম পুরাতন স্কুল অর্থাৎ যশোর জিলা স্কুলের সেই দুরন্তপনার দিনগুলো উঠে এসেছে এখানে।তারপর,তৎকালীন পাকিস্তানের রাজধানী করাচিতে চলে যান।সেখানে সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে নতুন জীবনের আগমন! বাংলা স্কুলে বাংলাভাষী প্রধান শিক্ষকের দাবিতে একদিন হঠাৎ করে দেখা হয়ে যায় জুলফিকার আলি ভুট্টোর সাথে।তিনি তাদের চা খাবার কথা বলেছিলেন।এই সেই ভুট্টো যার নির্দেশেই ১৯৭১ সালে বাংলার ৩০ লক্ষ মানুষের জীবন দিতে হয়েছিলো।তারা তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী ফকা চৌধুরী(চট্টগ্রামে বাড়ি ছিলো)র সাথে দেখা করে দাবি জানাতে গিয়েছিলো। পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়েই মিলিটারি জীবনে পদার্পণ।নিয়োগের পূর্বে যখন অভিভাবকের সাক্ষর প্রয়োজন তখন বাবার সাথে দেখা করতে গেলে তিনি জানতে পারেন।প্রথমে তো রাজিই হচ্ছিলেন না,পরে সহকর্মীর কথাতে কিছুটা ভরসা পেয়ে ছেলের স্বপ্নের দুয়ারে আর বাধা হয়ে দাঁড়ান নি ডাঃ বাবা।এরপরে যাত্রা শুরু হয় পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি স্কুলের।সিনিয়রদের বুলিং,দৌঁড়ানো,সূর্যের আলো ফোটার পূর্বেই ঘুম থেকে জাগা,কাঁটাচামচ দিয়ে খাবার খাওয়া সবই নতুন জীবনের হাতছানি ছিলো মাত্র।এভাবে ছয়মাস কেটে যায় কীভাবে সেটা টেরই পাওয়া যায় না।সব ফর্মালিটি শেষে পরিবারের সাথে দেখা করতে ফিরে আসেন লেখক।দীর্ঘ ছয় মাসে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছিলো। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হয়ে উঠলেন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তা!🌻 ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ, মেজর জিয়াউর রহমান কিংবা আলতাফ চৌধুরির(পরে বাংলাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।বাড়ি বরিশালে,লেখকে বাড়ি বরিশালে জানতে পেরে লেখককে অফিসার্স মেসে দাওয়াত দিয়েছিলেন।লেখক,পরে সেখানে গিয়েছিলেনও) সম্পর্কে জানা যাবে।বাঙালি সিনিয়র অফিসাররা কত স্নেহ করতেন তাদের তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে বর্ণনায়।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/22075/image_1920?unique=1a37ccc

240.00 ৳ 240.0 BDT 300.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বইটিকে মোটাদাগে দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম অংশে শিক্ষাজীবনের বর্ণনা,বাংলাদেশের স্মৃতি ইত্যাদি ফুটে উঠেছে। এবখ শেষ অংশে,মিলিটারি জীবনের যাত্রা এবং সম্পূর্ণ এক নতুন জগতের সন্ধানের স্মৃতি... ১৯৪৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন ব্রি জে এম সাখাওয়াত হোসেন। তার পৈতৃক বাড়ি বরিশালের হিজলায় এবং নানাবাড়ি ভোলার জেলার মনপুরার বিখ্যাত চৌধুরী পরিবার।একদম গ্রামের অন্যান্যদের মতো জীবন অতিবাহিত করেছে লেখক।বাবার সরকারি চাকরির দরুন দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘোরার সৌভাগ্য হয়েছিলো।বাবার পশ্চিম পাকিস্তানে বদলি হয়ে গেলে সেখানেও তারা পরিবার সহ চলে যান।ঢাকায় তার পড়াশুনার হাতেখড়ি। তারপর,বদলির কারণে রংপুরে চলে যান।সেখানেই জিলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন তিনি।এশিয়ার পঞ্চম পুরাতন স্কুল অর্থাৎ যশোর জিলা স্কুলের সেই দুরন্তপনার দিনগুলো উঠে এসেছে এখানে।তারপর,তৎকালীন পাকিস্তানের রাজধানী করাচিতে চলে যান।সেখানে সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে নতুন জীবনের আগমন! বাংলা স্কুলে বাংলাভাষী প্রধান শিক্ষকের দাবিতে একদিন হঠাৎ করে দেখা হয়ে যায় জুলফিকার আলি ভুট্টোর সাথে।তিনি তাদের চা খাবার কথা বলেছিলেন।এই সেই ভুট্টো যার নির্দেশেই ১৯৭১ সালে বাংলার ৩০ লক্ষ মানুষের জীবন দিতে হয়েছিলো।তারা তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী ফকা চৌধুরী(চট্টগ্রামে বাড়ি ছিলো)র সাথে দেখা করে দাবি জানাতে গিয়েছিলো। পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়েই মিলিটারি জীবনে পদার্পণ।নিয়োগের পূর্বে যখন অভিভাবকের সাক্ষর প্রয়োজন তখন বাবার সাথে দেখা করতে গেলে তিনি জানতে পারেন।প্রথমে তো রাজিই হচ্ছিলেন না,পরে সহকর্মীর কথাতে কিছুটা ভরসা পেয়ে ছেলের স্বপ্নের দুয়ারে আর বাধা হয়ে দাঁড়ান নি ডাঃ বাবা।এরপরে যাত্রা শুরু হয় পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি স্কুলের।সিনিয়রদের বুলিং,দৌঁড়ানো,সূর্যের আলো ফোটার পূর্বেই ঘুম থেকে জাগা,কাঁটাচামচ দিয়ে খাবার খাওয়া সবই নতুন জীবনের হাতছানি ছিলো মাত্র।এভাবে ছয়মাস কেটে যায় কীভাবে সেটা টেরই পাওয়া যায় না।সব ফর্মালিটি শেষে পরিবারের সাথে দেখা করতে ফিরে আসেন লেখক।দীর্ঘ ছয় মাসে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছিলো। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হয়ে উঠলেন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তা!🌻 ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ, মেজর জিয়াউর রহমান কিংবা আলতাফ চৌধুরির(পরে বাংলাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।বাড়ি বরিশালে,লেখকে বাড়ি বরিশালে জানতে পেরে লেখককে অফিসার্স মেসে দাওয়াত দিয়েছিলেন।লেখক,পরে সেখানে গিয়েছিলেনও) সম্পর্কে জানা যাবে।বাঙালি সিনিয়র অফিসাররা কত স্নেহ করতেন তাদের তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে বর্ণনায়।

Title

আমার স্মৃতি কথা

Author

ব্রি. জে. (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন, এনডিসি, পিএসসি

Publisher

Palok Publishers

Number of Pages

195

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Memoir
  • First Published

    FEB 2021

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বইটিকে মোটাদাগে দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম অংশে শিক্ষাজীবনের বর্ণনা,বাংলাদেশের স্মৃতি ইত্যাদি ফুটে উঠেছে। এবখ শেষ অংশে,মিলিটারি জীবনের যাত্রা এবং সম্পূর্ণ এক নতুন জগতের সন্ধানের স্মৃতি... ১৯৪৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন ব্রি জে এম সাখাওয়াত হোসেন। তার পৈতৃক বাড়ি বরিশালের হিজলায় এবং নানাবাড়ি ভোলার জেলার মনপুরার বিখ্যাত চৌধুরী পরিবার।একদম গ্রামের অন্যান্যদের মতো জীবন অতিবাহিত করেছে লেখক।বাবার সরকারি চাকরির দরুন দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘোরার সৌভাগ্য হয়েছিলো।বাবার পশ্চিম পাকিস্তানে বদলি হয়ে গেলে সেখানেও তারা পরিবার সহ চলে যান।ঢাকায় তার পড়াশুনার হাতেখড়ি। তারপর,বদলির কারণে রংপুরে চলে যান।সেখানেই জিলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন তিনি।এশিয়ার পঞ্চম পুরাতন স্কুল অর্থাৎ যশোর জিলা স্কুলের সেই দুরন্তপনার দিনগুলো উঠে এসেছে এখানে।তারপর,তৎকালীন পাকিস্তানের রাজধানী করাচিতে চলে যান।সেখানে সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে নতুন জীবনের আগমন! বাংলা স্কুলে বাংলাভাষী প্রধান শিক্ষকের দাবিতে একদিন হঠাৎ করে দেখা হয়ে যায় জুলফিকার আলি ভুট্টোর সাথে।তিনি তাদের চা খাবার কথা বলেছিলেন।এই সেই ভুট্টো যার নির্দেশেই ১৯৭১ সালে বাংলার ৩০ লক্ষ মানুষের জীবন দিতে হয়েছিলো।তারা তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী ফকা চৌধুরী(চট্টগ্রামে বাড়ি ছিলো)র সাথে দেখা করে দাবি জানাতে গিয়েছিলো। পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়েই মিলিটারি জীবনে পদার্পণ।নিয়োগের পূর্বে যখন অভিভাবকের সাক্ষর প্রয়োজন তখন বাবার সাথে দেখা করতে গেলে তিনি জানতে পারেন।প্রথমে তো রাজিই হচ্ছিলেন না,পরে সহকর্মীর কথাতে কিছুটা ভরসা পেয়ে ছেলের স্বপ্নের দুয়ারে আর বাধা হয়ে দাঁড়ান নি ডাঃ বাবা।এরপরে যাত্রা শুরু হয় পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি স্কুলের।সিনিয়রদের বুলিং,দৌঁড়ানো,সূর্যের আলো ফোটার পূর্বেই ঘুম থেকে জাগা,কাঁটাচামচ দিয়ে খাবার খাওয়া সবই নতুন জীবনের হাতছানি ছিলো মাত্র।এভাবে ছয়মাস কেটে যায় কীভাবে সেটা টেরই পাওয়া যায় না।সব ফর্মালিটি শেষে পরিবারের সাথে দেখা করতে ফিরে আসেন লেখক।দীর্ঘ ছয় মাসে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছিলো। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হয়ে উঠলেন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তা!🌻 ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ, মেজর জিয়াউর রহমান কিংবা আলতাফ চৌধুরির(পরে বাংলাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।বাড়ি বরিশালে,লেখকে বাড়ি বরিশালে জানতে পেরে লেখককে অফিসার্স মেসে দাওয়াত দিয়েছিলেন।লেখক,পরে সেখানে গিয়েছিলেনও) সম্পর্কে জানা যাবে।বাঙালি সিনিয়র অফিসাররা কত স্নেহ করতেন তাদের তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে বর্ণনায়।
    No Specifications