Skip to Content
যুদ্ধাপরাধীর খোঁজে নয় মাস

Price:

120.00 ৳


যুদ্ধাপরাধ দেশে দেশে
যুদ্ধাপরাধ দেশে দেশে
128.00 ৳
160.00 ৳ (20% OFF)
যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি চাই
যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি চাই
108.00 ৳
135.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

যুদ্ধাপরাধীর খোঁজে নয় মাস

নয় মাস কিংবা নয় বছর নয়। খোজা-খুঁজি শুরু করেছি ১৯৮০ সালে। চালিয়ে যাচ্ছি। এখনাে। সহসা তা বন্ধ করার ইচ্ছেও নেই। তা হলে এমন নামটি কেন? ‘যুদ্ধাপরাধীর খোঁজে নয় মাস’-বললেতাে-তা বুঝা যায় না। হ্যা, শুরু করার ১৪ বছর পরের কথা। ততদিন কাজ করেছি একটি অঞ্চল ধরে। এর মধ্যে যােগাযােগ করে ব্রিটেনের একটি টেলিভিশন কোম্পানি টুয়েন্টি টুয়েন্টি । যুদ্ধাপরাধী নিয়ে কিছু গবেষণা কাজ করতে চান তারা। কিন্তু সব যুদ্ধাপরাধী সু-নির্দিষ্ট কয়েকজন। ওরা সবই বাস করছে ব্রিটেনে। সে দেশের নাগরিকত্বও রয়েছে তাদের। বিভিন্ন ব্যানারে কাজ করছে ওরা জামায়াতের হয়ে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরােধী তৎপরতায় লিপ্ত গভীরভাবে। বাংলাদেশে জামায়েতে ইসলামির সঙ্গে সেই যুদ্ধাপরাধীদের রয়েছে আগের মতােই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সেখান থেকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করে জামায়াতকে। মৌলবাদের প্রচার ও প্রসার ঘটাচ্ছে সমস্ত যুক্তরাজ্য জুড়ে। যা ক্ষতিকর-ছিল উভয় দেশের জন্যে। ওরা সবাই ছিল জামায়াতে ইসলামি কিংবা এর অঙ্গ সংগঠন ইত্রসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। মুক্তিযুদ্ধকালে শান্তি কমিটি বা আল বদর বাহিনী গঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল এবং বদর বাহিনী পরিচালনা, এর পরিকল্পনা প্রণয়ন, ও বাস্তবায়ন করেছে। বুদ্ধিজীবী হত্যা, সাধারণ মানুষ খুন, গণহত্যা, নারী বর্ষণ, লুটপাট, অগ্নি সংযােগ ইত্যাদি বহু অপরাধের অভিযােগ রয়েছে-ওদের ব্রুদ্ধে। এসব অভিযােগের ভিত্তিতে ওদের কেউ কেউ গ্রেপ্তারও হয়েছিল। মামলা মায়ের হয় ওদের বিরুদ্ধে। বিচারকার্যও শুরু হয়েছিল। এর মধ্যে জামিনে মুক্ত হয়ে দড়ি জমিয়েছে কেউ কেউ ব্রিটেনে। আবার, কোনাে কোনাে জামায়াত নেতা মফতার হবার আগেই দেশের বাইরে যেতে সক্ষম হয়েছিল। একত্রিত হয়েছে তারা। ব্রটেনে। শুরু করেছে সেখানে বাংলাদেশের বিরােধী তৎপরতা। চালিয়ে যাচ্ছে তা। শন ভাবে
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/38246/image_1920?unique=0c89e89

120.00 ৳ 120.0 BDT 150.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

নয় মাস কিংবা নয় বছর নয়। খোজা-খুঁজি শুরু করেছি ১৯৮০ সালে। চালিয়ে যাচ্ছি। এখনাে। সহসা তা বন্ধ করার ইচ্ছেও নেই। তা হলে এমন নামটি কেন? ‘যুদ্ধাপরাধীর খোঁজে নয় মাস’-বললেতাে-তা বুঝা যায় না। হ্যা, শুরু করার ১৪ বছর পরের কথা। ততদিন কাজ করেছি একটি অঞ্চল ধরে। এর মধ্যে যােগাযােগ করে ব্রিটেনের একটি টেলিভিশন কোম্পানি টুয়েন্টি টুয়েন্টি । যুদ্ধাপরাধী নিয়ে কিছু গবেষণা কাজ করতে চান তারা। কিন্তু সব যুদ্ধাপরাধী সু-নির্দিষ্ট কয়েকজন। ওরা সবই বাস করছে ব্রিটেনে। সে দেশের নাগরিকত্বও রয়েছে তাদের। বিভিন্ন ব্যানারে কাজ করছে ওরা জামায়াতের হয়ে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরােধী তৎপরতায় লিপ্ত গভীরভাবে। বাংলাদেশে জামায়েতে ইসলামির সঙ্গে সেই যুদ্ধাপরাধীদের রয়েছে আগের মতােই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সেখান থেকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করে জামায়াতকে। মৌলবাদের প্রচার ও প্রসার ঘটাচ্ছে সমস্ত যুক্তরাজ্য জুড়ে। যা ক্ষতিকর-ছিল উভয় দেশের জন্যে। ওরা সবাই ছিল জামায়াতে ইসলামি কিংবা এর অঙ্গ সংগঠন ইত্রসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। মুক্তিযুদ্ধকালে শান্তি কমিটি বা আল বদর বাহিনী গঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল এবং বদর বাহিনী পরিচালনা, এর পরিকল্পনা প্রণয়ন, ও বাস্তবায়ন করেছে। বুদ্ধিজীবী হত্যা, সাধারণ মানুষ খুন, গণহত্যা, নারী বর্ষণ, লুটপাট, অগ্নি সংযােগ ইত্যাদি বহু অপরাধের অভিযােগ রয়েছে-ওদের ব্রুদ্ধে। এসব অভিযােগের ভিত্তিতে ওদের কেউ কেউ গ্রেপ্তারও হয়েছিল। মামলা মায়ের হয় ওদের বিরুদ্ধে। বিচারকার্যও শুরু হয়েছিল। এর মধ্যে জামিনে মুক্ত হয়ে দড়ি জমিয়েছে কেউ কেউ ব্রিটেনে। আবার, কোনাে কোনাে জামায়াত নেতা মফতার হবার আগেই দেশের বাইরে যেতে সক্ষম হয়েছিল। একত্রিত হয়েছে তারা। ব্রটেনে। শুরু করেছে সেখানে বাংলাদেশের বিরােধী তৎপরতা। চালিয়ে যাচ্ছে তা। শন ভাবে

Tajul Mohammad

তাজুল মোহাম্মদ তাজুল মােহাম্মদ সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন ১৯৭২ সালে। আর মুক্তিযুদ্ধ গবেষণার কাজে হাত দেন ১৯৭০ সালে। তখন থেকেই লেখালেখি করছেন এ বিষয় নিয়ে। ১৯৮৯ সালে। প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় “সিলেটে গণহত্যা'। এ গ্রন্থের সুবাদে ব্যাপক পরিচিতি। সিলেটের যুদ্ধ কথা’-সহ আরও চার-পাঁচটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৯৪ সাল অবধি। সিলেটের গণহত্যা নিয়ে ব্যাপক আলােচনার কারণেই হয়তাে দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়। ব্রিটেনের টুয়েন্টি টুয়েন্টি টেলিভিশনের। যােগাযােগ করে সে টিভি কর্তৃপক্ষ। নিয়ােগ করে যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে গবেষণার কাজে। ৯ মাসের গবেষণার ফল হিসেবে নির্মিত হয় ‘দা ওয়ার ক্রাইম ফাইল’ নামক প্রামাণ্য চিত্র। যা সাড়া জাগিয়েছিল বিশ্বের দেশে-দেশে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল বাংলাদেশে, ব্রিটেনে, যুক্তরাষ্ট্রে। এর আগেই তাজুল মােহাম্মদের ওপর হুমকি আসে মৌলবাদী, যুদ্ধাপরাধী এবং জামায়েত শিবিরের পক্ষ থেকে। এক সময় দেশ ছেড়ে পালাতে হয় তাকে। দেশের বাইরে থেকেও আন্দোলন করেছেন তিনি। বসতি গড়েছেন কানাডায়। বছরে কয়েক মাস দেশে অবস্থান করে চালান গবেষণাকর্ম। বাকি সময় কানাডায় বসে লেখালেখি করেন। গ্রন্থ। প্রকাশিত হয়েছে ষাটের অধিক। মুক্তিযুদ্ধ গবেষণার জন্য লাভ করেছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। পেয়েছেন ইংল্যান্ডের টাওয়ার হ্যামলেটস মেয়র অ্যাওয়ার্ডসহ বেশ কিছু সম্মাননা। গবেষণা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন যুবকের ন্যায়। তাজুল মােহাম্মদের জন্মস্থান মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায়। পরে থিতু হয়েছিলেন সিলেট শহরে।

Title

যুদ্ধাপরাধীর খোঁজে নয় মাস

Author

Tajul Mohammad

Publisher

Ananya

Number of Pages

106

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Genocide
  • First Published

    FEB 2012

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    নয় মাস কিংবা নয় বছর নয়। খোজা-খুঁজি শুরু করেছি ১৯৮০ সালে। চালিয়ে যাচ্ছি। এখনাে। সহসা তা বন্ধ করার ইচ্ছেও নেই। তা হলে এমন নামটি কেন? ‘যুদ্ধাপরাধীর খোঁজে নয় মাস’-বললেতাে-তা বুঝা যায় না। হ্যা, শুরু করার ১৪ বছর পরের কথা। ততদিন কাজ করেছি একটি অঞ্চল ধরে। এর মধ্যে যােগাযােগ করে ব্রিটেনের একটি টেলিভিশন কোম্পানি টুয়েন্টি টুয়েন্টি । যুদ্ধাপরাধী নিয়ে কিছু গবেষণা কাজ করতে চান তারা। কিন্তু সব যুদ্ধাপরাধী সু-নির্দিষ্ট কয়েকজন। ওরা সবই বাস করছে ব্রিটেনে। সে দেশের নাগরিকত্বও রয়েছে তাদের। বিভিন্ন ব্যানারে কাজ করছে ওরা জামায়াতের হয়ে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরােধী তৎপরতায় লিপ্ত গভীরভাবে। বাংলাদেশে জামায়েতে ইসলামির সঙ্গে সেই যুদ্ধাপরাধীদের রয়েছে আগের মতােই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সেখান থেকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করে জামায়াতকে। মৌলবাদের প্রচার ও প্রসার ঘটাচ্ছে সমস্ত যুক্তরাজ্য জুড়ে। যা ক্ষতিকর-ছিল উভয় দেশের জন্যে। ওরা সবাই ছিল জামায়াতে ইসলামি কিংবা এর অঙ্গ সংগঠন ইত্রসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। মুক্তিযুদ্ধকালে শান্তি কমিটি বা আল বদর বাহিনী গঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল এবং বদর বাহিনী পরিচালনা, এর পরিকল্পনা প্রণয়ন, ও বাস্তবায়ন করেছে। বুদ্ধিজীবী হত্যা, সাধারণ মানুষ খুন, গণহত্যা, নারী বর্ষণ, লুটপাট, অগ্নি সংযােগ ইত্যাদি বহু অপরাধের অভিযােগ রয়েছে-ওদের ব্রুদ্ধে। এসব অভিযােগের ভিত্তিতে ওদের কেউ কেউ গ্রেপ্তারও হয়েছিল। মামলা মায়ের হয় ওদের বিরুদ্ধে। বিচারকার্যও শুরু হয়েছিল। এর মধ্যে জামিনে মুক্ত হয়ে দড়ি জমিয়েছে কেউ কেউ ব্রিটেনে। আবার, কোনাে কোনাে জামায়াত নেতা মফতার হবার আগেই দেশের বাইরে যেতে সক্ষম হয়েছিল। একত্রিত হয়েছে তারা। ব্রটেনে। শুরু করেছে সেখানে বাংলাদেশের বিরােধী তৎপরতা। চালিয়ে যাচ্ছে তা। শন ভাবে
    No Specifications