Skip to Content
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সম্মোহনী নেতৃত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

Price:

420.00 ৳


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনক আমার নেতা আমার
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনক আমার নেতা আমার
640.00 ৳
800.00 ৳ (20% OFF)
বঙ্গবন্ধু শ্রেষ্ঠ বাঙালি
বঙ্গবন্ধু শ্রেষ্ঠ বাঙালি
640.00 ৳
800.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সম্মোহনী নেতৃত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

বিশ্বের সপ্তম জনবহুল রাষ্ট্র (বর্তমানে অষ্টম) বাংলাদেশকে নিয়ে বইটি রচিত। বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-যিনি জাতিরজনক হিসেবে স্বীকৃত। সম্মােহনী নেতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যায়। তারই প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সামরিক শাসনামলের মধ্যেই অসহযােগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান ৩ সপ্তাহ পরিচালিত হয়। যা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের চেতনাকে সফলভাবে জাগিয়ে তােলার কারণে, বাঙালিরা পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে জীবনবাজি রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফলে সামরিক জান্তারা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে-দেশদ্রোহীতার অভিযােগ আনে। পরবর্তীতে দেশ-বিদেশের সর্ব মহলের চাপে বঙ্গবন্ধুকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানে বাধ্য হয়। অবিশ্বাস্য বিষয় হচ্ছে যে, মহান এই স্থপতি স্বাধীনতাত্তোর কিছু সংখ্যক বিপথগামী সামরিক অফিসারের বুলেটের আঘাতে সপরিবারে নিহত হন। পরবর্তী ইতিহাস হচ্ছে, গণতন্ত্রের উল্টো যাত্রা। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর বাঙালি জাতি, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার সমাপ্তির মাধ্যমে কলংক মুক্ত হয়েছে। আজ বাঙালি জাতি '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সমাপ্তির মাধ্যমে, দীর্ঘ অভিশাপ মুক্তির এক দুর্লভ সুযােগ পেয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর কার্যকরভাবে দুর্নীতি প্রতিরােধের মাধ্যমে,। বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করে-বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সােনার বাংলায় রূপান্তরিত করলেই মুক্তিযুদ্ধের সফল সমাপ্তি হবে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/14328/image_1920?unique=f9a772c

420.00 ৳ 420.0 BDT 525.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বিশ্বের সপ্তম জনবহুল রাষ্ট্র (বর্তমানে অষ্টম) বাংলাদেশকে নিয়ে বইটি রচিত। বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-যিনি জাতিরজনক হিসেবে স্বীকৃত। সম্মােহনী নেতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যায়। তারই প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সামরিক শাসনামলের মধ্যেই অসহযােগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান ৩ সপ্তাহ পরিচালিত হয়। যা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের চেতনাকে সফলভাবে জাগিয়ে তােলার কারণে, বাঙালিরা পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে জীবনবাজি রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফলে সামরিক জান্তারা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে-দেশদ্রোহীতার অভিযােগ আনে। পরবর্তীতে দেশ-বিদেশের সর্ব মহলের চাপে বঙ্গবন্ধুকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানে বাধ্য হয়। অবিশ্বাস্য বিষয় হচ্ছে যে, মহান এই স্থপতি স্বাধীনতাত্তোর কিছু সংখ্যক বিপথগামী সামরিক অফিসারের বুলেটের আঘাতে সপরিবারে নিহত হন। পরবর্তী ইতিহাস হচ্ছে, গণতন্ত্রের উল্টো যাত্রা। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর বাঙালি জাতি, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার সমাপ্তির মাধ্যমে কলংক মুক্ত হয়েছে। আজ বাঙালি জাতি '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সমাপ্তির মাধ্যমে, দীর্ঘ অভিশাপ মুক্তির এক দুর্লভ সুযােগ পেয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর কার্যকরভাবে দুর্নীতি প্রতিরােধের মাধ্যমে,। বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করে-বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সােনার বাংলায় রূপান্তরিত করলেই মুক্তিযুদ্ধের সফল সমাপ্তি হবে।

ড. জিল্লুর রহমান খান

ড. জিল্লুর রহমান খান ইউসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরেটাস প্রফেসর, ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্যাল সায়েন্স এসােসিয়েশনের, আর.সি-৩৭ এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন, ইউএসএ'র প্রেসিডেন্ট। অধ্যাপনা ও গবেষণা কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ লাভ করেছেন। অসংখ্য পুরস্কার। এর মধ্যে উইলার্ড স্মিথ ডিসটিংগুইশড টিচিং এ্যাওয়ার্ড, রােজবুশ প্রফেসরশীপ এ্যাওয়ার্ড এবং আমেরিকান পলিটিক্যাল সায়েন্স এসােসিয়েশন কর্তৃক দু’বার, এক্সিলেন্স ইন টিচিং এন্ড রিসার্চ শীর্ষক স্বীকৃতি অন্যতম। রাজনীতি বিজ্ঞান, বিশেষত দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে অবদানের জন্য ১৯৮৮ সালে মার্কিন কংগ্রেসের পররাষ্ট্র-বিষয়ক কমিটির, শততম শুনানীতে বাংলাদেশ ও আফগানিস্থানের গণতন্ত্রায়ন বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়ার আমন্ত্রণ পান। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১২টি। প্রকাশনাসমূহ হচ্ছে লিডারশীপ ইন দি লিষ্ট ডেভেলপড নেশন : বাংলাদেশ (১৯৮৩), মার্শাল ল টু মার্শাল ল: লিডারশীপ ক্রাইসিস ইন বাংলাদেশ (১৯৮৪), সার্ক এন্ড দি সুপার-পাওয়ারস (১৯৯১) এবং দি থার্ড ওয়ার্ল্ড ক্যারিশম্যাট : শেখ মুজিব এন্ড স্ট্রাগল ফর ফ্রিডম (১৯৯৬)। ড. খান যুক্তরাষ্ট্রের হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের উপর অনুষ্ঠিত সম্মেলনে উত্থাপিত প্রবন্ধসমূহের নির্বাচিত সংকলন ডেমােক্রেসি ইন বাংলাদেশ (২০১০) এবং রিজিওনাল কো-অপারেশন এন্ড গ্লোবালাইজেশন (২০১২) শিরােনামে আরেকটি সংকলন সম্পাদনা করেন। ড. খানের দি থার্ড ওয়ার্ল্ড ক্যারিশম্যাট : শেখ মুজিব এন্ড স্ট্রাগল ফর ফ্রিডম গ্রন্থের পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত বাংলা সংস্করণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সম্মােহনী নেতৃত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম (২০১৪) গ্রন্থটি মাওলা ব্রাদার্স কর্তৃক প্রকাশিত।

Title

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সম্মোহনী নেতৃত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

Author

ড. জিল্লুর রহমান খান

Publisher

Mowla Brothers

Number of Pages

284

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • History
  • First Published

    JAN 2019

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বিশ্বের সপ্তম জনবহুল রাষ্ট্র (বর্তমানে অষ্টম) বাংলাদেশকে নিয়ে বইটি রচিত। বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-যিনি জাতিরজনক হিসেবে স্বীকৃত। সম্মােহনী নেতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যায়। তারই প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সামরিক শাসনামলের মধ্যেই অসহযােগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান ৩ সপ্তাহ পরিচালিত হয়। যা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের চেতনাকে সফলভাবে জাগিয়ে তােলার কারণে, বাঙালিরা পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে জীবনবাজি রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফলে সামরিক জান্তারা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে-দেশদ্রোহীতার অভিযােগ আনে। পরবর্তীতে দেশ-বিদেশের সর্ব মহলের চাপে বঙ্গবন্ধুকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানে বাধ্য হয়। অবিশ্বাস্য বিষয় হচ্ছে যে, মহান এই স্থপতি স্বাধীনতাত্তোর কিছু সংখ্যক বিপথগামী সামরিক অফিসারের বুলেটের আঘাতে সপরিবারে নিহত হন। পরবর্তী ইতিহাস হচ্ছে, গণতন্ত্রের উল্টো যাত্রা। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর বাঙালি জাতি, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার সমাপ্তির মাধ্যমে কলংক মুক্ত হয়েছে। আজ বাঙালি জাতি '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সমাপ্তির মাধ্যমে, দীর্ঘ অভিশাপ মুক্তির এক দুর্লভ সুযােগ পেয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর কার্যকরভাবে দুর্নীতি প্রতিরােধের মাধ্যমে,। বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করে-বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সােনার বাংলায় রূপান্তরিত করলেই মুক্তিযুদ্ধের সফল সমাপ্তি হবে।
    No Specifications