Skip to Content
রবীন্দ্রচিঠি গ্রন্থমালা-২

Price:

80.00 ৳


জগদীশ চন্দ্র বসু : আমার চন্দ্র কথা (খন্ড ৬৯৯)
জগদীশ চন্দ্র বসু : আমার চন্দ্র কথা (খন্ড ৬৯৯)
90.00 ৳
100.00 ৳ (10% OFF)
জগৎপুর গণহত্যা
জগৎপুর গণহত্যা
80.00 ৳
100.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

রবীন্দ্রচিঠি গ্রন্থমালা-২

জগদীশ চন্দ্র বসুকে লেখা রবীন্দ্রচিঠি

বিশ্ববিশ্রæত পদার্থবিদ ও জীববিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর (৩০.১১.১৮৫৮Ñ২৫.১১.১৯৩৭) জন্ম বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। ‘অদৃশ্য আলোক’, ‘বিনাতারে বার্তা প্রেরণ’, ‘গাছের প্রাণ আছে—তারা সাড়া প্রদান করে,’ ‘বৃদ্ধিমান যন্ত্র’সহ বহু আবিষ্কার ও মৌলিক গবেষণার জন্য সারা পৃথিবীতেই তিনি সুপরিচিত। বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু বয়সে রবীন্দ্রনাথের চাইতে প্রায় তিন বছরের বড় ছিলেন, কিন্তু দুজনের মাঝে প্রীতিময় বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। উভয়ের মাঝে বন্ধুত্বের নিবিড়তার সূচনা হয় ১৮৯৭-এ বিলেত থেকে জগদীশচন্দ্রের বিজ্ঞানী হিসেবে সুখ্যাতি নিয়ে ভারতে ফেরার পর। বিজ্ঞানী ও কবির এই বন্ধুত্ব জগদীশের মৃত্যুকাল পর্যন্ত অক্ষুণœ ছিল। সুদীর্ঘ অর্ধশত বছর তাঁরা একে অপরের সুখদুখের সাথি হয়ে থেকেছেন। পরস্পরের নৈকট্যে মনের প্রশান্তি পেয়েছেন উভয়েই। বিপদে স্বজনের মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন দুজন দুজনকে। জগদীশচন্দ্র বসু মৃত্যুবরণ করেন ১৯৩৭-এর ২৩ নভেম্বরে। সুদীর্ঘকালের বন্ধুত্বের বিরল অটুট বন্ধনের অবসান ঘটে। জগদীশ-পতœী অবলা বসু রবীন্দ্র-জগদীশ-বন্ধুত্ব প্রসঙ্গে রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে লিখেছিলেন : “জীবনের শেষ বৎসরও উনি [জগদীশচন্দ্র] প্রত্যহ গ্রামোফোনে কবির স্বর, ‘আজি হতে শতবর্ষ পরে’ শুনিয়া শয়ন করিতে যাইতেন।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/42500/image_1920?unique=b3a7204

80.00 ৳ 80.0 BDT 100.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বিশ্ববিশ্রæত পদার্থবিদ ও জীববিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর (৩০.১১.১৮৫৮Ñ২৫.১১.১৯৩৭) জন্ম বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। ‘অদৃশ্য আলোক’, ‘বিনাতারে বার্তা প্রেরণ’, ‘গাছের প্রাণ আছে—তারা সাড়া প্রদান করে,’ ‘বৃদ্ধিমান যন্ত্র’সহ বহু আবিষ্কার ও মৌলিক গবেষণার জন্য সারা পৃথিবীতেই তিনি সুপরিচিত। বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু বয়সে রবীন্দ্রনাথের চাইতে প্রায় তিন বছরের বড় ছিলেন, কিন্তু দুজনের মাঝে প্রীতিময় বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। উভয়ের মাঝে বন্ধুত্বের নিবিড়তার সূচনা হয় ১৮৯৭-এ বিলেত থেকে জগদীশচন্দ্রের বিজ্ঞানী হিসেবে সুখ্যাতি নিয়ে ভারতে ফেরার পর। বিজ্ঞানী ও কবির এই বন্ধুত্ব জগদীশের মৃত্যুকাল পর্যন্ত অক্ষুণœ ছিল। সুদীর্ঘ অর্ধশত বছর তাঁরা একে অপরের সুখদুখের সাথি হয়ে থেকেছেন। পরস্পরের নৈকট্যে মনের প্রশান্তি পেয়েছেন উভয়েই। বিপদে স্বজনের মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন দুজন দুজনকে। জগদীশচন্দ্র বসু মৃত্যুবরণ করেন ১৯৩৭-এর ২৩ নভেম্বরে। সুদীর্ঘকালের বন্ধুত্বের বিরল অটুট বন্ধনের অবসান ঘটে। জগদীশ-পতœী অবলা বসু রবীন্দ্র-জগদীশ-বন্ধুত্ব প্রসঙ্গে রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে লিখেছিলেন : “জীবনের শেষ বৎসরও উনি [জগদীশচন্দ্র] প্রত্যহ গ্রামোফোনে কবির স্বর, ‘আজি হতে শতবর্ষ পরে’ শুনিয়া শয়ন করিতে যাইতেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্পকার, চিত্রশিল্পী, সংগীতস্রষ্টা, অভিনেতা, কন্ঠশিল্পী, কবি, সমাজ-সংস্কারক এবং দার্শনিক। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রথম বাঙালি হিসেবে ১৯১৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে তৎকালীন ব্রিটিশ-শাসিত ভারতে কলকাতার ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিমনা জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। ভানুসিংহ ঠাকুর ছিল তাঁর ছদ্মনাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বই মানেই এক মোহের মাঝে আটকে যাওয়া, যে মোহ পাঠককে জীবনের নানা রঙের সাথে পরিচিত করিয়ে দেয় নানা ঢঙে, নানা ছন্দে, নানা সুর ও বর্ণে। তাঁর ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাট্যগ্রন্থ, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর কিছুদিন পরই আলোর মুখ দেখে। কাবুলিওয়ালা, হৈমন্তী, পোস্টমাস্টারসহ মোট ৯৫টি গল্প স্থান পেয়েছে তাঁর ‘গল্পগুচ্ছ’ গ্রন্থে। অন্যদিকে ‘গীতবিতান’ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে ১,৯১৫টি গান। উপন্যাস, কবিতা, সঙ্গীত, ছোটগল্প, গীতিনাট্য, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনীসহ সাহিত্যের সকল শাখাই যেন ধারণ করে আছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বই সমূহ। তিনি একাধারে নাট্যকার ও নাট্যাভিনেতা দুই-ই ছিলেন। কোনো প্রথাগত শিক্ষা ছাড়া তিনি চিত্রাংকনও করতেন। তৎকালীন সমাজ-সংস্কারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই গুণী ব্যক্তিত্ব। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাতেই অনূদিত হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বই সমগ্র। তাঁর যাবতীয় রচনা ‘রবীন্দ্র রচনাবলী’ নামে ত্রিশ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট জোড়াসাঁকোর বাড়িতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর পর এতদিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও স্বমহিমায় ভাস্বর। আজও আমাদের বাঙালি জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে বিশ্বকবির সাহিত্যকর্ম।

Title

রবীন্দ্রচিঠি গ্রন্থমালা-২

Book Subtitle

জগদীশ চন্দ্র বসুকে লেখা রবীন্দ্রচিঠি

Author

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Publisher

Pathak Shamabesh

Number of Pages

80

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Letters / Literature / Cultural History
  • First Published

    FEB 2017

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বিশ্ববিশ্রæত পদার্থবিদ ও জীববিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর (৩০.১১.১৮৫৮Ñ২৫.১১.১৯৩৭) জন্ম বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। ‘অদৃশ্য আলোক’, ‘বিনাতারে বার্তা প্রেরণ’, ‘গাছের প্রাণ আছে—তারা সাড়া প্রদান করে,’ ‘বৃদ্ধিমান যন্ত্র’সহ বহু আবিষ্কার ও মৌলিক গবেষণার জন্য সারা পৃথিবীতেই তিনি সুপরিচিত। বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু বয়সে রবীন্দ্রনাথের চাইতে প্রায় তিন বছরের বড় ছিলেন, কিন্তু দুজনের মাঝে প্রীতিময় বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। উভয়ের মাঝে বন্ধুত্বের নিবিড়তার সূচনা হয় ১৮৯৭-এ বিলেত থেকে জগদীশচন্দ্রের বিজ্ঞানী হিসেবে সুখ্যাতি নিয়ে ভারতে ফেরার পর। বিজ্ঞানী ও কবির এই বন্ধুত্ব জগদীশের মৃত্যুকাল পর্যন্ত অক্ষুণœ ছিল। সুদীর্ঘ অর্ধশত বছর তাঁরা একে অপরের সুখদুখের সাথি হয়ে থেকেছেন। পরস্পরের নৈকট্যে মনের প্রশান্তি পেয়েছেন উভয়েই। বিপদে স্বজনের মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন দুজন দুজনকে। জগদীশচন্দ্র বসু মৃত্যুবরণ করেন ১৯৩৭-এর ২৩ নভেম্বরে। সুদীর্ঘকালের বন্ধুত্বের বিরল অটুট বন্ধনের অবসান ঘটে। জগদীশ-পতœী অবলা বসু রবীন্দ্র-জগদীশ-বন্ধুত্ব প্রসঙ্গে রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে লিখেছিলেন : “জীবনের শেষ বৎসরও উনি [জগদীশচন্দ্র] প্রত্যহ গ্রামোফোনে কবির স্বর, ‘আজি হতে শতবর্ষ পরে’ শুনিয়া শয়ন করিতে যাইতেন।
    No Specifications