Skip to Content
ঘোর (বিদ্যা)

Price:

200.00 ৳


ঘোর (প্রথমা)
ঘোর (প্রথমা)
200.00 ৳
250.00 ৳ (20% OFF)
ঘোর অথবা অনন্ত তৃষার গল্প
ঘোর অথবা অনন্ত তৃষার গল্প
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

ঘোর (বিদ্যা)

জয়ন না কান্না চোখে গাড়িতে উঠে গেলাে। ড্রাইভার ধীরে ধীরে হাসপাতালের পেট থেকে গাড়িটা রে করছে। গাড়িটির পিছনে মাইক্রোবাস তাকে অনুসরণ করতে লাগলাে। ফিরাে গাড়ির দিকে তাকিয়ে। দেখলাে, সিটের মাঝখানে রাজিয়া বেগম বসে আছে। তার দুপাশে বসে আছে= উষা আর অপু। তিনি উষনা কাঁধে মাথা রেখে কান্না করছেন। অপু তার মায়ের হাত শক্ত করে ধরে তেখেছে। ফিরােজ হাসপাতালের গেট থেকে রিকশা ঠিক করে বাসার দিকে রওনা দিলে। রিকশায় উঠে সে আকাশের দিকে তাকালাে। কালাে রাতের আকাশের আঁধার দেখে পবিত্র কুরআনুল কারীমের সেই আয়াতটি মনে পড়ে পোলাে- “আহিই তােমাদের জন্য দান করেছেন। তিনিই তোমাদের মৃত্য ঘটাবেন। আবার তিনিই তোমাদেরকে পুনরুথিত করবেন। তারপরও মানুষ অতি-অকৃতজ্ঞ।' (সূরা হজ, আয়াত ৬৬) ফিরােজ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো, আসলেই আমরা অকৃতজ্ঞ । ফিরােজের মুখের কথা শুনে রিকশাওয়ালা মুখ ঘুরিয়ে বললাে, ভাইজান কি কিছু বলছেন না। ছুি বলছি না অকৃতজ্ঞের বলার কিছু থাকে না। বুঝলাম না, ভাইজান। সব কিছু মানুষ বুঝতে পারে না। আবার যখন সে বােঝে হন। তার কিছু করার থাকে না। ততক্ষণে সে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যায়। এইান, এলাে কি বলেন? কিছুই তো বুঝি না। সামনের দিকে তাকিয়ে রিকশা চালাও। নাহলে পরে দুর্ঘটনা Wর্টৰে। জি, ভাইজান। কালাে রাতের আঁধারে রিকশাওয়ালা তার রিকশা টানছে। পাশ দিয়ে গাড়ি, মােট সাইকেল সাে মােরে চলে যাচ্ছে। রিকশাওয়ালা তার রিকশার বেল বাজাচ্ছে। টুই, টছি।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/33612/image_1920?unique=918fa3f

200.00 ৳ 200.0 BDT 250.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

জয়ন না কান্না চোখে গাড়িতে উঠে গেলাে। ড্রাইভার ধীরে ধীরে হাসপাতালের পেট থেকে গাড়িটা রে করছে। গাড়িটির পিছনে মাইক্রোবাস তাকে অনুসরণ করতে লাগলাে। ফিরাে গাড়ির দিকে তাকিয়ে। দেখলাে, সিটের মাঝখানে রাজিয়া বেগম বসে আছে। তার দুপাশে বসে আছে= উষা আর অপু। তিনি উষনা কাঁধে মাথা রেখে কান্না করছেন। অপু তার মায়ের হাত শক্ত করে ধরে তেখেছে। ফিরােজ হাসপাতালের গেট থেকে রিকশা ঠিক করে বাসার দিকে রওনা দিলে। রিকশায় উঠে সে আকাশের দিকে তাকালাে। কালাে রাতের আকাশের আঁধার দেখে পবিত্র কুরআনুল কারীমের সেই আয়াতটি মনে পড়ে পোলাে- “আহিই তােমাদের জন্য দান করেছেন। তিনিই তোমাদের মৃত্য ঘটাবেন। আবার তিনিই তোমাদেরকে পুনরুথিত করবেন। তারপরও মানুষ অতি-অকৃতজ্ঞ।' (সূরা হজ, আয়াত ৬৬) ফিরােজ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো, আসলেই আমরা অকৃতজ্ঞ । ফিরােজের মুখের কথা শুনে রিকশাওয়ালা মুখ ঘুরিয়ে বললাে, ভাইজান কি কিছু বলছেন না। ছুি বলছি না অকৃতজ্ঞের বলার কিছু থাকে না। বুঝলাম না, ভাইজান। সব কিছু মানুষ বুঝতে পারে না। আবার যখন সে বােঝে হন। তার কিছু করার থাকে না। ততক্ষণে সে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যায়। এইান, এলাে কি বলেন? কিছুই তো বুঝি না। সামনের দিকে তাকিয়ে রিকশা চালাও। নাহলে পরে দুর্ঘটনা Wর্টৰে। জি, ভাইজান। কালাে রাতের আঁধারে রিকশাওয়ালা তার রিকশা টানছে। পাশ দিয়ে গাড়ি, মােট সাইকেল সাে মােরে চলে যাচ্ছে। রিকশাওয়ালা তার রিকশার বেল বাজাচ্ছে। টুই, টছি।

Title

ঘোর (বিদ্যা)

Author

তানভীর রহমান

Publisher

Biddya Prokash

Number of Pages

105

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Novel
  • First Published

    SEP 2020

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    জয়ন না কান্না চোখে গাড়িতে উঠে গেলাে। ড্রাইভার ধীরে ধীরে হাসপাতালের পেট থেকে গাড়িটা রে করছে। গাড়িটির পিছনে মাইক্রোবাস তাকে অনুসরণ করতে লাগলাে। ফিরাে গাড়ির দিকে তাকিয়ে। দেখলাে, সিটের মাঝখানে রাজিয়া বেগম বসে আছে। তার দুপাশে বসে আছে= উষা আর অপু। তিনি উষনা কাঁধে মাথা রেখে কান্না করছেন। অপু তার মায়ের হাত শক্ত করে ধরে তেখেছে। ফিরােজ হাসপাতালের গেট থেকে রিকশা ঠিক করে বাসার দিকে রওনা দিলে। রিকশায় উঠে সে আকাশের দিকে তাকালাে। কালাে রাতের আকাশের আঁধার দেখে পবিত্র কুরআনুল কারীমের সেই আয়াতটি মনে পড়ে পোলাে- “আহিই তােমাদের জন্য দান করেছেন। তিনিই তোমাদের মৃত্য ঘটাবেন। আবার তিনিই তোমাদেরকে পুনরুথিত করবেন। তারপরও মানুষ অতি-অকৃতজ্ঞ।' (সূরা হজ, আয়াত ৬৬) ফিরােজ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো, আসলেই আমরা অকৃতজ্ঞ । ফিরােজের মুখের কথা শুনে রিকশাওয়ালা মুখ ঘুরিয়ে বললাে, ভাইজান কি কিছু বলছেন না। ছুি বলছি না অকৃতজ্ঞের বলার কিছু থাকে না। বুঝলাম না, ভাইজান। সব কিছু মানুষ বুঝতে পারে না। আবার যখন সে বােঝে হন। তার কিছু করার থাকে না। ততক্ষণে সে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যায়। এইান, এলাে কি বলেন? কিছুই তো বুঝি না। সামনের দিকে তাকিয়ে রিকশা চালাও। নাহলে পরে দুর্ঘটনা Wর্টৰে। জি, ভাইজান। কালাে রাতের আঁধারে রিকশাওয়ালা তার রিকশা টানছে। পাশ দিয়ে গাড়ি, মােট সাইকেল সাে মােরে চলে যাচ্ছে। রিকশাওয়ালা তার রিকশার বেল বাজাচ্ছে। টুই, টছি।
    No Specifications