Skip to Content
একাত্তরের গল্প

Price:

280.00 ৳


একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতন
একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতন
240.00 ৳
300.00 ৳ (20% OFF)
একাত্তরের গোপন দলিল
একাত্তরের গোপন দলিল
224.00 ৳
280.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

একাত্তরের গল্প

চান্দু মিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র খোলার আগেই আমাদের বাড়িতে এসেছেন। তিনি হাতে করে পত্রিকার একটি কপি এবং তার মিষ্টির বালতি এনেছেন। তার কাছে শুনলাম, তিনি নাকি বাসের ভেতর মিষ্টি বিক্রির সময়ই শুনেছেন মোনায়েম খান খতম। হকারের কাছ থেকে দ্বিগুণ পয়সা দিয়ে পত্রিকা কিনে বাড়ি এসেছেন। চান্দু মিয়ার চোখ আনন্দে বিড়ালের চোখের মতো জ্বলজ্বল করছে। স্বাধীন বাংলা বেতারের খবর শুনে চান্দু মিয়া খুশিতে কয়েকটা লাফও দিলেন। তিনি বললেন, শোনো ভাতিজা, মোনায়েম খান যেমন শেষ, টিক্কা খানও শেষ। টিক্কা খান নামে যারে দেখানো হয়েছে সেটা ভুয়া টিক্কা খান। পাকসেনাদের মনোবল ঠিক রাখার জন্যই সরকার এমন নাটক সাজাইছে। কই এখন তো আর টিক্কা খানকে দেখায় না? ওই শালাও শেষ হইছে কইলাম, দেইখো। শুধু চান্দু মিয়া না আমাদের এলাকার অনেকেই এমনটা বিশ্বাস করেন। সেদিন চান্দু মিয়া যাওয়ার সময় পত্রিকাটি আমাকে দিয়ে গেলেন। আর তার বালতিতে থাকা মিষ্টি আনন্দে উপস্থিত সবার মাঝে বিলিয়ে দিলেন। মোনায়েম খান সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানতাম না। তার মৃত্যুর পর মানুষের কথাবার্তায় কিছুটা জানতে পেরেছি। মোনায়েম খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের শাসনামলে। তার নৃশংসতা ছিল অবর্ণনীয়। তিনি দীর্ঘ ছয়-সাত বছর বাঙালি ছাত্র-জনতার বুকের ওপর অত্যাচারের স্টিমরোলার চালিয়েছিলেন। তার অত্যাচারে মানুষ অসহ্য হয়ে পড়ে। আন্দোলন বিক্ষোভ চলতে থাকে। এক পর্যায়ে আন্দোলন গণ অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। আইয়ুব খানের পতনের আগেই তার পতন হয়। কিছুদিন চুপচাপ থাকলেও তিনি সুযোগ বুঝে একাত্তর সালে আবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠে পাকিস্তানি হানাদার শক্তির সঙ্গে হাত মিলান এবং স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/22691/image_1920?unique=35970dc

280.00 ৳ 280.0 BDT 350.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

চান্দু মিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র খোলার আগেই আমাদের বাড়িতে এসেছেন। তিনি হাতে করে পত্রিকার একটি কপি এবং তার মিষ্টির বালতি এনেছেন। তার কাছে শুনলাম, তিনি নাকি বাসের ভেতর মিষ্টি বিক্রির সময়ই শুনেছেন মোনায়েম খান খতম। হকারের কাছ থেকে দ্বিগুণ পয়সা দিয়ে পত্রিকা কিনে বাড়ি এসেছেন। চান্দু মিয়ার চোখ আনন্দে বিড়ালের চোখের মতো জ্বলজ্বল করছে। স্বাধীন বাংলা বেতারের খবর শুনে চান্দু মিয়া খুশিতে কয়েকটা লাফও দিলেন। তিনি বললেন, শোনো ভাতিজা, মোনায়েম খান যেমন শেষ, টিক্কা খানও শেষ। টিক্কা খান নামে যারে দেখানো হয়েছে সেটা ভুয়া টিক্কা খান। পাকসেনাদের মনোবল ঠিক রাখার জন্যই সরকার এমন নাটক সাজাইছে। কই এখন তো আর টিক্কা খানকে দেখায় না? ওই শালাও শেষ হইছে কইলাম, দেইখো। শুধু চান্দু মিয়া না আমাদের এলাকার অনেকেই এমনটা বিশ্বাস করেন। সেদিন চান্দু মিয়া যাওয়ার সময় পত্রিকাটি আমাকে দিয়ে গেলেন। আর তার বালতিতে থাকা মিষ্টি আনন্দে উপস্থিত সবার মাঝে বিলিয়ে দিলেন। মোনায়েম খান সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানতাম না। তার মৃত্যুর পর মানুষের কথাবার্তায় কিছুটা জানতে পেরেছি। মোনায়েম খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের শাসনামলে। তার নৃশংসতা ছিল অবর্ণনীয়। তিনি দীর্ঘ ছয়-সাত বছর বাঙালি ছাত্র-জনতার বুকের ওপর অত্যাচারের স্টিমরোলার চালিয়েছিলেন। তার অত্যাচারে মানুষ অসহ্য হয়ে পড়ে। আন্দোলন বিক্ষোভ চলতে থাকে। এক পর্যায়ে আন্দোলন গণ অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। আইয়ুব খানের পতনের আগেই তার পতন হয়। কিছুদিন চুপচাপ থাকলেও তিনি সুযোগ বুঝে একাত্তর সালে আবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠে পাকিস্তানি হানাদার শক্তির সঙ্গে হাত মিলান এবং স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন

আতাউর রহমান কানন

আতাউর রহমান কানন আতাউর রহমান কানন ঢাকা জেলার ধামরাইয়ে এনএম এল জ ই ঈরলগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, লালন জলজ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জানা ত্রশ এর লেখা কবিতা, ইভা, নাটক, আক, প্রবন্ধ উস ইতত এই ইতােমধ্যে প্রকাশিত। ই-ই এ পর্যন্ত তাঁর একশত গ্রন্থসংখ্যা ২২টি। এ লেখা ১২ট গান নিয়ে এই বৃষ্টি ভেজা দিন। =মক মত বেরিয়েছে। এতে দেশের খ্যাতিমান ১২ জীল শাড়ী কন্ঠ দিয়েছেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিন সহবত সাহিত্য পুরস্কার’, ‘পুঠিয়া সাহিত্য দত্ত, অকণিমা সাহিত্য পুরস্কার’, ‘রাজশাহী তহত সফদ পদক, কবি বাবু ফরিদী সাহিত্য জনক, নর্ণয় শিল্পীগােষ্ঠী স্বর্ণপদক, কবি সুফি মে তাহার হােসেন স্বর্ণপদক', সুকুমার রায় সাহিত্য জনক, লিজা ললিতকলা একাডেমি পদক' ইত্যাদি সে Sইল। এইভা অমর একুশে আন্তর্জাতিক মত বিস-২০০০ উপলক্ষ্যে কবিতার জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয় লেখক ফোরাম কর্তৃক পুরস্কৃত হয়েই তিনি বাংলা একাডেমি, পুঠিয়া সাহিত্য সরিষদ, রাজশাহী সাহিত্য পরিষদ, কবিতা ক্লাব এবং উৱঙ্গ সংস্কৃতি পরিষদের সদস্য। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টিভির একজন তালিকাভুক্ত তিকর। জনাব কানন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, ইউক্রেন, দুবাই, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইলি, রাশিয়া, ব্রুনাই, পােল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বােডিয়া প্রভৃতি দেশভ্রমণ করেছেন।

Title

একাত্তরের গল্প

Author

আতাউর রহমান কানন

Publisher

Anindya Prokash

Number of Pages

190

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Liberation War / Genocide
  • First Published

    FEB 2021

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    চান্দু মিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র খোলার আগেই আমাদের বাড়িতে এসেছেন। তিনি হাতে করে পত্রিকার একটি কপি এবং তার মিষ্টির বালতি এনেছেন। তার কাছে শুনলাম, তিনি নাকি বাসের ভেতর মিষ্টি বিক্রির সময়ই শুনেছেন মোনায়েম খান খতম। হকারের কাছ থেকে দ্বিগুণ পয়সা দিয়ে পত্রিকা কিনে বাড়ি এসেছেন। চান্দু মিয়ার চোখ আনন্দে বিড়ালের চোখের মতো জ্বলজ্বল করছে। স্বাধীন বাংলা বেতারের খবর শুনে চান্দু মিয়া খুশিতে কয়েকটা লাফও দিলেন। তিনি বললেন, শোনো ভাতিজা, মোনায়েম খান যেমন শেষ, টিক্কা খানও শেষ। টিক্কা খান নামে যারে দেখানো হয়েছে সেটা ভুয়া টিক্কা খান। পাকসেনাদের মনোবল ঠিক রাখার জন্যই সরকার এমন নাটক সাজাইছে। কই এখন তো আর টিক্কা খানকে দেখায় না? ওই শালাও শেষ হইছে কইলাম, দেইখো। শুধু চান্দু মিয়া না আমাদের এলাকার অনেকেই এমনটা বিশ্বাস করেন। সেদিন চান্দু মিয়া যাওয়ার সময় পত্রিকাটি আমাকে দিয়ে গেলেন। আর তার বালতিতে থাকা মিষ্টি আনন্দে উপস্থিত সবার মাঝে বিলিয়ে দিলেন। মোনায়েম খান সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানতাম না। তার মৃত্যুর পর মানুষের কথাবার্তায় কিছুটা জানতে পেরেছি। মোনায়েম খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের শাসনামলে। তার নৃশংসতা ছিল অবর্ণনীয়। তিনি দীর্ঘ ছয়-সাত বছর বাঙালি ছাত্র-জনতার বুকের ওপর অত্যাচারের স্টিমরোলার চালিয়েছিলেন। তার অত্যাচারে মানুষ অসহ্য হয়ে পড়ে। আন্দোলন বিক্ষোভ চলতে থাকে। এক পর্যায়ে আন্দোলন গণ অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। আইয়ুব খানের পতনের আগেই তার পতন হয়। কিছুদিন চুপচাপ থাকলেও তিনি সুযোগ বুঝে একাত্তর সালে আবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠে পাকিস্তানি হানাদার শক্তির সঙ্গে হাত মিলান এবং স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন
    No Specifications