Skip to Content
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদের বক্তৃতামালা ১৯৭২-১৯৯৪

Price:

960.00 ৳


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান : পোয়েট অব পলিটিক্স
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান : পোয়েট অব পলিটিক্স
800.00 ৳
1,000.00 ৳ (20% OFF)
বাঙলা ভাষা : ১ম খণ্ড
বাঙলা ভাষা : ১ম খণ্ড
1,200.00 ৳
1,500.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদের বক্তৃতামালা ১৯৭২-১৯৯৪

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে অদ্যাবধি তিনি জাতীয় সংসদে জনস্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করছেন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে জাতীয় সংসদে প্রদত্ত বক্তৃতায় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন। বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন। আওয়ামী লীগ দলীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে '৮৬ ও '৯১-এর জাতীয় সংসদে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে তাঁকে বিস্তর বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। পরমতসহিষ্ণুতা ও অপরিসীম ধৈর্য ধারণ করে সেসব বাধার পাহাড় ডিঙিয়ে কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংসদীয় ভাষায় বক্তব্যাদি পেশ করেছেন। বক্তৃতমালায় কিছু স্থানে স্পিকারের হস্তক্ষেপ প্রাসঙ্গিকতায় ঠাই পেয়েছে। '৯১-এর পার্লামেন্টের শেষের দিকে অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে খেদোক্তি প্রকাশ করে প্রবল প্রতিবাদে স্পিকারের উদ্দেশে বলেছিলেন, “মিস্টার। স্পিকার, এই পার্লামেন্টে আমি এক দিনও ‘ইন্টারফিয়ারান্স ছাড়া কথা বলতে পারি নাই।” তাঁর বক্তৃতায় বারংবার ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়েছেমহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস; স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব; যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে জাতির জনকের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা; '৭৫-এর পর অবৈধ-অসাংবিধানিক স্বৈরতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের পক্ষে বলিষ্ঠ ও তেজস্বী অবস্থান; এবং এসব বক্তব্য প্রদানের মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন ইতিহাসের কণ্ঠস্বর, তাঁর বক্তব্য হয়ে উঠেছে ঐতিহাসিক
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/2659/image_1920?unique=89a7d2c

960.00 ৳ 960.0 BDT 1,200.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে অদ্যাবধি তিনি জাতীয় সংসদে জনস্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করছেন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে জাতীয় সংসদে প্রদত্ত বক্তৃতায় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন। বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন। আওয়ামী লীগ দলীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে '৮৬ ও '৯১-এর জাতীয় সংসদে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে তাঁকে বিস্তর বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। পরমতসহিষ্ণুতা ও অপরিসীম ধৈর্য ধারণ করে সেসব বাধার পাহাড় ডিঙিয়ে কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংসদীয় ভাষায় বক্তব্যাদি পেশ করেছেন। বক্তৃতমালায় কিছু স্থানে স্পিকারের হস্তক্ষেপ প্রাসঙ্গিকতায় ঠাই পেয়েছে। '৯১-এর পার্লামেন্টের শেষের দিকে অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে খেদোক্তি প্রকাশ করে প্রবল প্রতিবাদে স্পিকারের উদ্দেশে বলেছিলেন, “মিস্টার। স্পিকার, এই পার্লামেন্টে আমি এক দিনও ‘ইন্টারফিয়ারান্স ছাড়া কথা বলতে পারি নাই।” তাঁর বক্তৃতায় বারংবার ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়েছেমহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস; স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব; যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে জাতির জনকের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা; '৭৫-এর পর অবৈধ-অসাংবিধানিক স্বৈরতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের পক্ষে বলিষ্ঠ ও তেজস্বী অবস্থান; এবং এসব বক্তব্য প্রদানের মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন ইতিহাসের কণ্ঠস্বর, তাঁর বক্তব্য হয়ে উঠেছে ঐতিহাসিক

Title

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদের বক্তৃতামালা ১৯৭২-১৯৯৪

Author

আবুল খায়ের

Publisher

Journeyman Books

Number of Pages

598

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Politics / History
  • First Published

    MAR 2021

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে অদ্যাবধি তিনি জাতীয় সংসদে জনস্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করছেন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে জাতীয় সংসদে প্রদত্ত বক্তৃতায় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন। বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন। আওয়ামী লীগ দলীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে '৮৬ ও '৯১-এর জাতীয় সংসদে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে তাঁকে বিস্তর বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। পরমতসহিষ্ণুতা ও অপরিসীম ধৈর্য ধারণ করে সেসব বাধার পাহাড় ডিঙিয়ে কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংসদীয় ভাষায় বক্তব্যাদি পেশ করেছেন। বক্তৃতমালায় কিছু স্থানে স্পিকারের হস্তক্ষেপ প্রাসঙ্গিকতায় ঠাই পেয়েছে। '৯১-এর পার্লামেন্টের শেষের দিকে অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে খেদোক্তি প্রকাশ করে প্রবল প্রতিবাদে স্পিকারের উদ্দেশে বলেছিলেন, “মিস্টার। স্পিকার, এই পার্লামেন্টে আমি এক দিনও ‘ইন্টারফিয়ারান্স ছাড়া কথা বলতে পারি নাই।” তাঁর বক্তৃতায় বারংবার ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়েছেমহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস; স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব; যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে জাতির জনকের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা; '৭৫-এর পর অবৈধ-অসাংবিধানিক স্বৈরতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের পক্ষে বলিষ্ঠ ও তেজস্বী অবস্থান; এবং এসব বক্তব্য প্রদানের মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন ইতিহাসের কণ্ঠস্বর, তাঁর বক্তব্য হয়ে উঠেছে ঐতিহাসিক
    No Specifications