Skip to Content
গোল্ড ইজ মানি : স্বর্ণ, কাগুজে টাকা, বৈশ্বিক মুদ্রাযুদ্ধ ও কিছু অজানা সত্য ( জেমস রিকার্ডস)

Price:

216.00 ৳


গোলাপের কান্না
গোলাপের কান্না
240.00 ৳
300.00 ৳ (20% OFF)
গোল্ডেন বুদ্ধ (ক্লাইভ কাসলার)
গোল্ডেন বুদ্ধ (ক্লাইভ কাসলার)
336.00 ৳
420.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

গোল্ড ইজ মানি : স্বর্ণ, কাগুজে টাকা, বৈশ্বিক মুদ্রাযুদ্ধ ও কিছু অজানা সত্য ( জেমস রিকার্ডস)

মানবসভ্যতার প্রাচীনকাল থেকে হাজার হাজার বছর স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রাই শাসন করেছে পৃথিবী। কারণ সবদিক থেকে একমাত্র সোনা ও রুপারই সেই শক্তি, ক্ষমতা, যোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্য আছে, যা ‘অর্থ’ হিসেবে টিকে থাকার জন্য জরুরি। ইউরোপে ব্যাংকব্যবস্থার উত্থানের পর কাগুজে মুদ্রার প্রচলন শুরু হয় বিশ্বব্যাপী; তবে সেটা ছিল গোল্ডস্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক-ই। দুই দুটি বিশ্বযুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় নানান পরিবর্তন আসে। নতুন সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হিসেবে আমেরিকার উত্থান ঘটে; ‘ব্রেটন উডস’ সিস্টেমের আওতায় বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের একক আধিপত্য কায়েম হয়। পৃথিবীর সকল মুদ্রা হয়ে যায় ডলার নির্ভর আর ডলারের পেছনে মজুত থাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ। কিন্তু ১৯৭১ এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন ঘোষণা দিয়ে ডলারের বিপরীতে থাকা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বাতিল করে দিলে ডলার হয়ে যায় এক টুকরো কাগজ মাত্র। ডলারের প্রতি পৃথিবীবাসী আস্থা হারিয়ে ফেলে আর ডলারও পড়ে যায় হুমকির মুখে। একেবারে শেষ মুহূর্তে ‘পেট্রো-ডলার চুক্তি’ ডলারের প্রাণ ফিরিয়ে দেয় আরও কিছুদিন বাঁচার জন্য। পেট্রোডলার চুক্তি কিছুদিনের জন্য ডলারকে বাঁচিয়ে রাখলেও বিশ্বনেতাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়নি। তখন থেকেই শক্তিশালী দেশগুলো ডলারের দাদাগিরিকে চ্যালেঞ্জ করে আসছে; আর সেটা করছে স্বর্ণের মজুত বৃদ্ধির মাধ্যমে। কারণ সবাই জানে, স্বর্ণই সত্যিকারের অর্থ, যার কাছে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ থাকবে, বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় তার আধিপত্য চলবে। আমেরিকান আইনজীবী, অর্থনীতিবিদ ও নিউইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলার লেখক জেমস রিকার্ডস তার শ্বাসরুদ্ধকর বিবরণে বৈশ্বিক অর্থনীতির এমন অনেক বিষয় এখানে তুলে ধরেছেন, যা অর্থনীতির ছাত্র-শিক্ষরাও সাধারণত জানেন না, বা তাদের জানতে দেওয়া হয়না। স্বর্ণভিত্তিক মুদ্রাব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা কেন প্রয়োজন তার যৌক্তিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি এই ধারণার বিরোধীতাকারীদের যুক্তিগুলোকে তিনি ধরে ধরে খণ্ডন করেছেন । তিনি সতর্ক করে দেখিয়েছেন যে, গত শতকে দুই-দুইবার বিশ্ব-অর্থনীতি কীভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং কেন এখন সেটা তৃতীয়বারের মতো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। একজন অর্থ ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা হিসেবে আসন্ন সংকট মোকাবেলার জন্য কিছু কার্যকরী প্রস্তাবনাও তিনি উল্লেখ করেন, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সম্পদের কিছু অংশ স্বর্ণে প্রতিস্থাপন করে সংরক্ষণ করে রাখা। বইটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মতামত— খামখেয়ালি পলিসি আমাদেরকে স্বর্ণের মত নিরাপদ অর্থ অন্বেষণে বাধ্য করছে, সেকথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে দ্য নিউ কেস ফর গোল্ড। এক্ষেত্রে স্বর্ণের চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে? - ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অসাধারণ এই বইটি কারেন্সিবাদীদের প্রোপাগাণ্ডার মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে। স্বর্ণই প্রকৃত অর্থ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সৃষ্ট অর্থনৈতিক অরাজকতা থেকে যারা নিজেদের ও পরিবারের সম্পদ বাঁচাতে চায়, তাদের কেন স্বর্ণকে বিবেচনায় রাখা উচিৎ— রিকার্ডস তার দুর্দান্ত বর্ণনা দিয়েছে। -রন পল, সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/23620/image_1920?unique=29fbc2a

216.00 ৳ 216.0 BDT 270.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

মানবসভ্যতার প্রাচীনকাল থেকে হাজার হাজার বছর স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রাই শাসন করেছে পৃথিবী। কারণ সবদিক থেকে একমাত্র সোনা ও রুপারই সেই শক্তি, ক্ষমতা, যোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্য আছে, যা ‘অর্থ’ হিসেবে টিকে থাকার জন্য জরুরি। ইউরোপে ব্যাংকব্যবস্থার উত্থানের পর কাগুজে মুদ্রার প্রচলন শুরু হয় বিশ্বব্যাপী; তবে সেটা ছিল গোল্ডস্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক-ই। দুই দুটি বিশ্বযুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় নানান পরিবর্তন আসে। নতুন সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হিসেবে আমেরিকার উত্থান ঘটে; ‘ব্রেটন উডস’ সিস্টেমের আওতায় বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের একক আধিপত্য কায়েম হয়। পৃথিবীর সকল মুদ্রা হয়ে যায় ডলার নির্ভর আর ডলারের পেছনে মজুত থাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ। কিন্তু ১৯৭১ এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন ঘোষণা দিয়ে ডলারের বিপরীতে থাকা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বাতিল করে দিলে ডলার হয়ে যায় এক টুকরো কাগজ মাত্র। ডলারের প্রতি পৃথিবীবাসী আস্থা হারিয়ে ফেলে আর ডলারও পড়ে যায় হুমকির মুখে। একেবারে শেষ মুহূর্তে ‘পেট্রো-ডলার চুক্তি’ ডলারের প্রাণ ফিরিয়ে দেয় আরও কিছুদিন বাঁচার জন্য। পেট্রোডলার চুক্তি কিছুদিনের জন্য ডলারকে বাঁচিয়ে রাখলেও বিশ্বনেতাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়নি। তখন থেকেই শক্তিশালী দেশগুলো ডলারের দাদাগিরিকে চ্যালেঞ্জ করে আসছে; আর সেটা করছে স্বর্ণের মজুত বৃদ্ধির মাধ্যমে। কারণ সবাই জানে, স্বর্ণই সত্যিকারের অর্থ, যার কাছে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ থাকবে, বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় তার আধিপত্য চলবে। আমেরিকান আইনজীবী, অর্থনীতিবিদ ও নিউইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলার লেখক জেমস রিকার্ডস তার শ্বাসরুদ্ধকর বিবরণে বৈশ্বিক অর্থনীতির এমন অনেক বিষয় এখানে তুলে ধরেছেন, যা অর্থনীতির ছাত্র-শিক্ষরাও সাধারণত জানেন না, বা তাদের জানতে দেওয়া হয়না। স্বর্ণভিত্তিক মুদ্রাব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা কেন প্রয়োজন তার যৌক্তিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি এই ধারণার বিরোধীতাকারীদের যুক্তিগুলোকে তিনি ধরে ধরে খণ্ডন করেছেন । তিনি সতর্ক করে দেখিয়েছেন যে, গত শতকে দুই-দুইবার বিশ্ব-অর্থনীতি কীভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং কেন এখন সেটা তৃতীয়বারের মতো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। একজন অর্থ ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা হিসেবে আসন্ন সংকট মোকাবেলার জন্য কিছু কার্যকরী প্রস্তাবনাও তিনি উল্লেখ করেন, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সম্পদের কিছু অংশ স্বর্ণে প্রতিস্থাপন করে সংরক্ষণ করে রাখা। বইটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মতামত— খামখেয়ালি পলিসি আমাদেরকে স্বর্ণের মত নিরাপদ অর্থ অন্বেষণে বাধ্য করছে, সেকথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে দ্য নিউ কেস ফর গোল্ড। এক্ষেত্রে স্বর্ণের চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে? - ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অসাধারণ এই বইটি কারেন্সিবাদীদের প্রোপাগাণ্ডার মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে। স্বর্ণই প্রকৃত অর্থ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সৃষ্ট অর্থনৈতিক অরাজকতা থেকে যারা নিজেদের ও পরিবারের সম্পদ বাঁচাতে চায়, তাদের কেন স্বর্ণকে বিবেচনায় রাখা উচিৎ— রিকার্ডস তার দুর্দান্ত বর্ণনা দিয়েছে। -রন পল, সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী

Rakibul Hasan

রকিবুল হাসান ইনফরমেশন এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজি ও কম্পিউটারের এর নানা বিষয় নিয়ে বিশেষ জ্ঞানসম্পন্ন একজন লেখক হলেন রকিবুল হাসান। বর্তমান যুগ হলো যোগাযোগ বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ। পুরো বিশ্ব চলছে বিভিন্ন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপর ভর করে এবং কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করছে বিশ্বের প্রায় সবকিছু। পৃথিবীর যেকোনো স্থানের যেকোনো মানুষের জীবনে কম্পিউটার ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। আর তাই এখন সকল শিক্ষিত মানুষেরই কম্পিউটার এবং অন্যান্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে থাকা প্রয়োজন বিশদ জ্ঞান। আর এসকল জ্ঞান সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতেই রচিত হয়েছে রকিবুল হাসান এর বই সমূহ। ১৯৭০ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করা এই লেখক শিক্ষাজীবন পার করেছেন ক্যাডেট কলেজে৷ ছোটবেলা থেকেই রেডিও কমিউনিকেশন নিয়ে অগাধ ভালোবাসা তাঁর। আর এরই সূত্রে ছুটিতে এলে বাসায় নিয়মিত তৈরি করতেন আরঅ্যান্ডডি ল্যাব, চাকরিজীবী বাবা-মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে। ফিউজ উড়ানো ও বাসায় আগুন লাগিয়ে দেয়া ছিল তাঁর নিয়মিত কাজ। তবে ইলেকট্রনিক কমিনিউকেশনের প্রতি ভালোবাসাই একসময় তাঁকে সাহায্য করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এর সিগন্যাল কোরে যোগ দিতে। তিনি সবসময় নতুন নতুন বিষয় শিখতে চান এবং এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ব্যক্তিগত অথবা সরকারিভাবে অংশ নিয়েছেন সত্তরটিরও অধিক ট্রেনিংয়ে, যার মধ্যে রয়েছে আমেরিকান সেনাবাহিনীর সিগন্যাল স্কুলের কোর্স এবং ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির 'লার্নিং হাউ টু লার্ন' কোর্স। ডেটা বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা অনেক, যা তাঁকে সাহায্য করেছে জাতীয় স্কেলে এদেশের টেলিকম অপারেটরগুলোর 'ইন্টারকানেকশন ভয়েস কল কস্ট মডেলিং' তৈরিতে সহযোগিতা করতে৷ তাঁর রয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনে কাজ করার অভিজ্ঞতা। আর এসকল জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতেই তিনি লিখেছেন বই। রকিবুল হাসান এর বই সমগ্রতে আছে 'হাতেকলমে মেশিন লার্নিং' ও 'শূন্য থেকে পাইথন মেশিন লার্নিং: হাতেকলমে সাইকিট-লার্ন'। তাঁর রচিত এসকল বই সকলকে সাহায্য করবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত নানা বিষয় সম্পর্কে সহজে জানতে ও এগুলো নিয়ে সহজে কাজ করতে।

Title

গোল্ড ইজ মানি : স্বর্ণ, কাগুজে টাকা, বৈশ্বিক মুদ্রাযুদ্ধ ও কিছু অজানা সত্য ( জেমস রিকার্ডস)

Author

Rakibul Hasan

Publisher

Fountain Publications

Number of Pages

140

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Economics / History
  • First Published

    FEB 2022

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    মানবসভ্যতার প্রাচীনকাল থেকে হাজার হাজার বছর স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রাই শাসন করেছে পৃথিবী। কারণ সবদিক থেকে একমাত্র সোনা ও রুপারই সেই শক্তি, ক্ষমতা, যোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্য আছে, যা ‘অর্থ’ হিসেবে টিকে থাকার জন্য জরুরি। ইউরোপে ব্যাংকব্যবস্থার উত্থানের পর কাগুজে মুদ্রার প্রচলন শুরু হয় বিশ্বব্যাপী; তবে সেটা ছিল গোল্ডস্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক-ই। দুই দুটি বিশ্বযুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় নানান পরিবর্তন আসে। নতুন সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হিসেবে আমেরিকার উত্থান ঘটে; ‘ব্রেটন উডস’ সিস্টেমের আওতায় বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের একক আধিপত্য কায়েম হয়। পৃথিবীর সকল মুদ্রা হয়ে যায় ডলার নির্ভর আর ডলারের পেছনে মজুত থাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ। কিন্তু ১৯৭১ এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন ঘোষণা দিয়ে ডলারের বিপরীতে থাকা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বাতিল করে দিলে ডলার হয়ে যায় এক টুকরো কাগজ মাত্র। ডলারের প্রতি পৃথিবীবাসী আস্থা হারিয়ে ফেলে আর ডলারও পড়ে যায় হুমকির মুখে। একেবারে শেষ মুহূর্তে ‘পেট্রো-ডলার চুক্তি’ ডলারের প্রাণ ফিরিয়ে দেয় আরও কিছুদিন বাঁচার জন্য। পেট্রোডলার চুক্তি কিছুদিনের জন্য ডলারকে বাঁচিয়ে রাখলেও বিশ্বনেতাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়নি। তখন থেকেই শক্তিশালী দেশগুলো ডলারের দাদাগিরিকে চ্যালেঞ্জ করে আসছে; আর সেটা করছে স্বর্ণের মজুত বৃদ্ধির মাধ্যমে। কারণ সবাই জানে, স্বর্ণই সত্যিকারের অর্থ, যার কাছে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ থাকবে, বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থায় তার আধিপত্য চলবে। আমেরিকান আইনজীবী, অর্থনীতিবিদ ও নিউইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলার লেখক জেমস রিকার্ডস তার শ্বাসরুদ্ধকর বিবরণে বৈশ্বিক অর্থনীতির এমন অনেক বিষয় এখানে তুলে ধরেছেন, যা অর্থনীতির ছাত্র-শিক্ষরাও সাধারণত জানেন না, বা তাদের জানতে দেওয়া হয়না। স্বর্ণভিত্তিক মুদ্রাব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা কেন প্রয়োজন তার যৌক্তিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি এই ধারণার বিরোধীতাকারীদের যুক্তিগুলোকে তিনি ধরে ধরে খণ্ডন করেছেন । তিনি সতর্ক করে দেখিয়েছেন যে, গত শতকে দুই-দুইবার বিশ্ব-অর্থনীতি কীভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং কেন এখন সেটা তৃতীয়বারের মতো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। একজন অর্থ ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা হিসেবে আসন্ন সংকট মোকাবেলার জন্য কিছু কার্যকরী প্রস্তাবনাও তিনি উল্লেখ করেন, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সম্পদের কিছু অংশ স্বর্ণে প্রতিস্থাপন করে সংরক্ষণ করে রাখা। বইটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মতামত— খামখেয়ালি পলিসি আমাদেরকে স্বর্ণের মত নিরাপদ অর্থ অন্বেষণে বাধ্য করছে, সেকথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে দ্য নিউ কেস ফর গোল্ড। এক্ষেত্রে স্বর্ণের চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে? - ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অসাধারণ এই বইটি কারেন্সিবাদীদের প্রোপাগাণ্ডার মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে। স্বর্ণই প্রকৃত অর্থ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সৃষ্ট অর্থনৈতিক অরাজকতা থেকে যারা নিজেদের ও পরিবারের সম্পদ বাঁচাতে চায়, তাদের কেন স্বর্ণকে বিবেচনায় রাখা উচিৎ— রিকার্ডস তার দুর্দান্ত বর্ণনা দিয়েছে। -রন পল, সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী
    No Specifications