Skip to Content
সুন্নি ও শিয়া : সম্রদায়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (জন ম্যাকহুগো)

Price:

400.00 ৳


সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ইতিহাস
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ইতিহাস
400.00 ৳
500.00 ৳ (20% OFF)
সুফি মেডিটেশন : আধ্যাত্মিক যাত্রার পথ উন্মোচন
সুফি মেডিটেশন : আধ্যাত্মিক যাত্রার পথ উন্মোচন
400.00 ৳
500.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

সুন্নি ও শিয়া : সম্রদায়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (জন ম্যাকহুগো)

বর্তমান সময়ে আরব বিশ্ব ও অন্যান্য মুসলিম দেশের মানুষ ভয়ংকর এক সহিংসতার মধ্যে বসবাস করছেন। যখন প্রশ্ন ওঠে, কেন এমনটি হচ্ছে, তখন থেকেই তা হচ্ছে। কুরআনের বিশেষ বিশেষ আয়াতগুলোর অর্থ ও আল্লাহর নির্দেশাবলি অনুসরণের প্রশ্নে মুসলিমদের মধ্যে প্রায়শ মতভেদ লক্ষ করা যায়। এ ধরনের মতভেদ, সুন্নি ও শিয়াদের মধ্যে ধর্মের মৌলিক বিষয়ে যে মতভেদ রয়েছে, তার তুলনায় যৎসামান্য। সুন্নি ও শিয়াদের মধ্যে বিরাজমান মতভেদ সমগ্র মুসলিম সমাজের সর্বত্র এক বিশেষ সাংস্কৃতিক সিলমোহর লেপন করছে। সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনে প্রতিনিয়ত রক্তপাতের মূল কারণ হিসেবে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতাকে দায়ী করা হয়। রক্তক্ষয়ী এসব সংঘর্ষের পেছনে সুন্নি সৌদি আরব ও শিয়া ইরানের আঞ্চলিক প্রতিদ্বিদিতা নিহিত রয়েছে। তথাকথিত, ‘ইসলামি রাষ্ট্রের’ (আরবি পরিভাষায় ‘দায়েশ’) আবির্ভাবে হাজার হাজার সুন্নি তরুণ মুসলিম সিরিয়া গমন করেন নতুন খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। তাদের লক্ষ্য সেখানে শরিয়াহ্ আইন কঠোরভাবে কার্যকর করা। সারা বিশ্বে, বিশেষত মুসলিম দেশগুলোতে, বিপুলসংখ্যক মানুষ ইসলামের নামে দায়েশের হিংস্রতা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ ধরনের হিংস্রতার শিকার হন খ্রিটান ও ইয়াজিদিদের মতো অমুসলিমগণ। এসব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। বিশেষ করে, শিয়াদের ওপর এ জাতীয় সহিংসতা অধিক পরিমাণে চালানো হয়। দায়েশদের মতে, শিয়া সম্পদায়ের মানুষেরা ধর্মদ্রোহী ও প্রতারক। ইসলাম বিশ্বের দ্রুততম প্রসারমাণ ধর্ম। প্রধানত, মরক্কো ও মৌরিতানিয়ার আটলান্টিক উপক‚ল থেকে নিয়ে ভারতের বৃহদাংশ ব্যতিরেকে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত এ ধর্মের অনুসারীরা সুবিস্তৃত। উত্তর দিকে মধ্য এশিয়া থেকে রাশিয়ার কিয়দংশ এবং দক্ষিণে সাব-সাহারার আফ্রিকা পর্যন্ত ইসলামের অস্তিত্ব বিদ্যমান। এ ছাড়া, অন্যান্য অনেক দেশে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় রয়েছে, যাদের অবস্থান গড়ে উঠেছে বিশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে অভিবাসন প্রক্রিয়ার কারণে। তবে মুসলিমদের অধিকাংশই সুন্নি। বিশ্বস্ত সূত্রে না হলেও, ধারণা করা হয়, বিশ্বের ১৬০ কোটি মুসলিম জনগণের মধ্যে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ সুন্নি মুসলিম। অবশিষ্টদের মধ্যে বেশির ভাগ শিয়া। বিশ্বের মাত্র চারটি দেশে শিয়া সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশগুলো হচ্ছে ইরান, ইরাক, আজারবাইজান ও বাইরাইন। আর, লেবানন একমাত্র দেশ যেখানে সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায় সুন্নিদের তুলনায় সংখ্যায় বেশি। ইসলামি ভূখেন্ডর কেন্দ্রস্থলের বাইরে কোথাও কোথাও শিয়া সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব রয়েছে কিন্তু তা সেখানকার মোট মুসলিম জনসংখ্যার হিসেবে খুবই নগণ্য। তারা বণিক শ্রেণি, অথবা অভিবাসী, অথবা ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে ইরানি বিপ্লবের পর শিয়া মতবাদে ধর্মান্তরিত হওয়া মুসলিম।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/16235/image_1920?unique=fda9e57

400.00 ৳ 400.0 BDT 500.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বর্তমান সময়ে আরব বিশ্ব ও অন্যান্য মুসলিম দেশের মানুষ ভয়ংকর এক সহিংসতার মধ্যে বসবাস করছেন। যখন প্রশ্ন ওঠে, কেন এমনটি হচ্ছে, তখন থেকেই তা হচ্ছে। কুরআনের বিশেষ বিশেষ আয়াতগুলোর অর্থ ও আল্লাহর নির্দেশাবলি অনুসরণের প্রশ্নে মুসলিমদের মধ্যে প্রায়শ মতভেদ লক্ষ করা যায়। এ ধরনের মতভেদ, সুন্নি ও শিয়াদের মধ্যে ধর্মের মৌলিক বিষয়ে যে মতভেদ রয়েছে, তার তুলনায় যৎসামান্য। সুন্নি ও শিয়াদের মধ্যে বিরাজমান মতভেদ সমগ্র মুসলিম সমাজের সর্বত্র এক বিশেষ সাংস্কৃতিক সিলমোহর লেপন করছে। সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনে প্রতিনিয়ত রক্তপাতের মূল কারণ হিসেবে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতাকে দায়ী করা হয়। রক্তক্ষয়ী এসব সংঘর্ষের পেছনে সুন্নি সৌদি আরব ও শিয়া ইরানের আঞ্চলিক প্রতিদ্বিদিতা নিহিত রয়েছে। তথাকথিত, ‘ইসলামি রাষ্ট্রের’ (আরবি পরিভাষায় ‘দায়েশ’) আবির্ভাবে হাজার হাজার সুন্নি তরুণ মুসলিম সিরিয়া গমন করেন নতুন খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। তাদের লক্ষ্য সেখানে শরিয়াহ্ আইন কঠোরভাবে কার্যকর করা। সারা বিশ্বে, বিশেষত মুসলিম দেশগুলোতে, বিপুলসংখ্যক মানুষ ইসলামের নামে দায়েশের হিংস্রতা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ ধরনের হিংস্রতার শিকার হন খ্রিটান ও ইয়াজিদিদের মতো অমুসলিমগণ। এসব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। বিশেষ করে, শিয়াদের ওপর এ জাতীয় সহিংসতা অধিক পরিমাণে চালানো হয়। দায়েশদের মতে, শিয়া সম্পদায়ের মানুষেরা ধর্মদ্রোহী ও প্রতারক। ইসলাম বিশ্বের দ্রুততম প্রসারমাণ ধর্ম। প্রধানত, মরক্কো ও মৌরিতানিয়ার আটলান্টিক উপক‚ল থেকে নিয়ে ভারতের বৃহদাংশ ব্যতিরেকে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত এ ধর্মের অনুসারীরা সুবিস্তৃত। উত্তর দিকে মধ্য এশিয়া থেকে রাশিয়ার কিয়দংশ এবং দক্ষিণে সাব-সাহারার আফ্রিকা পর্যন্ত ইসলামের অস্তিত্ব বিদ্যমান। এ ছাড়া, অন্যান্য অনেক দেশে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় রয়েছে, যাদের অবস্থান গড়ে উঠেছে বিশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে অভিবাসন প্রক্রিয়ার কারণে। তবে মুসলিমদের অধিকাংশই সুন্নি। বিশ্বস্ত সূত্রে না হলেও, ধারণা করা হয়, বিশ্বের ১৬০ কোটি মুসলিম জনগণের মধ্যে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ সুন্নি মুসলিম। অবশিষ্টদের মধ্যে বেশির ভাগ শিয়া। বিশ্বের মাত্র চারটি দেশে শিয়া সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশগুলো হচ্ছে ইরান, ইরাক, আজারবাইজান ও বাইরাইন। আর, লেবানন একমাত্র দেশ যেখানে সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায় সুন্নিদের তুলনায় সংখ্যায় বেশি। ইসলামি ভূখেন্ডর কেন্দ্রস্থলের বাইরে কোথাও কোথাও শিয়া সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব রয়েছে কিন্তু তা সেখানকার মোট মুসলিম জনসংখ্যার হিসেবে খুবই নগণ্য। তারা বণিক শ্রেণি, অথবা অভিবাসী, অথবা ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে ইরানি বিপ্লবের পর শিয়া মতবাদে ধর্মান্তরিত হওয়া মুসলিম।

Title

সুন্নি ও শিয়া : সম্রদায়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (জন ম্যাকহুগো)

Author

আলফাজ তরফদার

Publisher

Gyankosh Prokashani

Number of Pages

318

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Civilizations
  • First Published

    FEB 2024

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বর্তমান সময়ে আরব বিশ্ব ও অন্যান্য মুসলিম দেশের মানুষ ভয়ংকর এক সহিংসতার মধ্যে বসবাস করছেন। যখন প্রশ্ন ওঠে, কেন এমনটি হচ্ছে, তখন থেকেই তা হচ্ছে। কুরআনের বিশেষ বিশেষ আয়াতগুলোর অর্থ ও আল্লাহর নির্দেশাবলি অনুসরণের প্রশ্নে মুসলিমদের মধ্যে প্রায়শ মতভেদ লক্ষ করা যায়। এ ধরনের মতভেদ, সুন্নি ও শিয়াদের মধ্যে ধর্মের মৌলিক বিষয়ে যে মতভেদ রয়েছে, তার তুলনায় যৎসামান্য। সুন্নি ও শিয়াদের মধ্যে বিরাজমান মতভেদ সমগ্র মুসলিম সমাজের সর্বত্র এক বিশেষ সাংস্কৃতিক সিলমোহর লেপন করছে। সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনে প্রতিনিয়ত রক্তপাতের মূল কারণ হিসেবে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতাকে দায়ী করা হয়। রক্তক্ষয়ী এসব সংঘর্ষের পেছনে সুন্নি সৌদি আরব ও শিয়া ইরানের আঞ্চলিক প্রতিদ্বিদিতা নিহিত রয়েছে। তথাকথিত, ‘ইসলামি রাষ্ট্রের’ (আরবি পরিভাষায় ‘দায়েশ’) আবির্ভাবে হাজার হাজার সুন্নি তরুণ মুসলিম সিরিয়া গমন করেন নতুন খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। তাদের লক্ষ্য সেখানে শরিয়াহ্ আইন কঠোরভাবে কার্যকর করা। সারা বিশ্বে, বিশেষত মুসলিম দেশগুলোতে, বিপুলসংখ্যক মানুষ ইসলামের নামে দায়েশের হিংস্রতা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ ধরনের হিংস্রতার শিকার হন খ্রিটান ও ইয়াজিদিদের মতো অমুসলিমগণ। এসব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। বিশেষ করে, শিয়াদের ওপর এ জাতীয় সহিংসতা অধিক পরিমাণে চালানো হয়। দায়েশদের মতে, শিয়া সম্পদায়ের মানুষেরা ধর্মদ্রোহী ও প্রতারক। ইসলাম বিশ্বের দ্রুততম প্রসারমাণ ধর্ম। প্রধানত, মরক্কো ও মৌরিতানিয়ার আটলান্টিক উপক‚ল থেকে নিয়ে ভারতের বৃহদাংশ ব্যতিরেকে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত এ ধর্মের অনুসারীরা সুবিস্তৃত। উত্তর দিকে মধ্য এশিয়া থেকে রাশিয়ার কিয়দংশ এবং দক্ষিণে সাব-সাহারার আফ্রিকা পর্যন্ত ইসলামের অস্তিত্ব বিদ্যমান। এ ছাড়া, অন্যান্য অনেক দেশে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় রয়েছে, যাদের অবস্থান গড়ে উঠেছে বিশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে অভিবাসন প্রক্রিয়ার কারণে। তবে মুসলিমদের অধিকাংশই সুন্নি। বিশ্বস্ত সূত্রে না হলেও, ধারণা করা হয়, বিশ্বের ১৬০ কোটি মুসলিম জনগণের মধ্যে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ সুন্নি মুসলিম। অবশিষ্টদের মধ্যে বেশির ভাগ শিয়া। বিশ্বের মাত্র চারটি দেশে শিয়া সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশগুলো হচ্ছে ইরান, ইরাক, আজারবাইজান ও বাইরাইন। আর, লেবানন একমাত্র দেশ যেখানে সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায় সুন্নিদের তুলনায় সংখ্যায় বেশি। ইসলামি ভূখেন্ডর কেন্দ্রস্থলের বাইরে কোথাও কোথাও শিয়া সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব রয়েছে কিন্তু তা সেখানকার মোট মুসলিম জনসংখ্যার হিসেবে খুবই নগণ্য। তারা বণিক শ্রেণি, অথবা অভিবাসী, অথবা ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে ইরানি বিপ্লবের পর শিয়া মতবাদে ধর্মান্তরিত হওয়া মুসলিম।
    No Specifications