Skip to Content
বাংলাদেশে খাসজমি-জলা : দারিদ্র-বৈষম্য বিমোচনের রাজনৈতিক অর্থনীতি

Price:

800.00 ৳


বাংলাদেশে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া
বাংলাদেশে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া
660.00 ৳
825.00 ৳ (20% OFF)
বাংলাদেশে পানি উন্নয়ন : বর্তমান ধারার সংকট এবং বিকল্প পথের প্রস্তাব
বাংলাদেশে পানি উন্নয়ন : বর্তমান ধারার সংকট এবং বিকল্প পথের প্রস্তাব
800.00 ৳
1,000.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

বাংলাদেশে খাসজমি-জলা : দারিদ্র-বৈষম্য বিমোচনের রাজনৈতিক অর্থনীতি

বিদ্যমান আর্থসামাজিক কাঠামোতে দরিদ্র কৃষকরা ক্রমশ ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। ভূমি দখল, নদীভাঙন, জমিসংক্রান্ত বিরোধ এবং অর্থনৈতিক সংকটের মতো বিভিন্ন কারণে তারা জমি হারাচ্ছে। বংশানুক্রমে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত এই ভূমিহীনরা জীবিকা নির্বাহের উপায় হারিয়ে পরিবারসহ অসহায় হয়ে পড়ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৩৬ লক্ষ একরেরও বেশি খাসজমি রয়েছে, যার একটি বড় অংশ কৃষিযোগ্য। তবে স্বাধীন গবেষণায় এই পরিমাণ মোট ৪৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ১৬০ একর। এর মধ্যে কৃষি খাসজমি ৩০ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪৫২ একর (মোট খাসজমি-জলার ৬১.৭%), অকৃষি খাসজমি ১১ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৪০ একর (মোট খাসজমি-জলার ২২.৫%) এবং খাসজলা ৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৮৬৮ একর (মোট খাসজমি-জলার ১৫.৮%)। স্বাধীনতাপরবর্তী সময় থেকে সরকার ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টন করছে। তবু অনেক ভূমিহীন এখনো জমির মালিকানা পায়নি। বন্দোবস্তযোগ্য জমিও সম্পূর্ণভাবে বণ্টিত হয়নি; অনেকের বন্দোবস্ত পাওয়া খাসজমি বেদখল হয়ে আছে। এ ছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিভিন্ন অজুহাতে ভূমিহীনদের কাছ থেকে জমি দখলও করে নিচ্ছে। দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের জন্য জমির মালিকানা একটি মৌলিক অধিকার। এই অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি ও সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/2674/image_1920?unique=511bd30

800.00 ৳ 800.0 BDT 1,000.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বিদ্যমান আর্থসামাজিক কাঠামোতে দরিদ্র কৃষকরা ক্রমশ ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। ভূমি দখল, নদীভাঙন, জমিসংক্রান্ত বিরোধ এবং অর্থনৈতিক সংকটের মতো বিভিন্ন কারণে তারা জমি হারাচ্ছে। বংশানুক্রমে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত এই ভূমিহীনরা জীবিকা নির্বাহের উপায় হারিয়ে পরিবারসহ অসহায় হয়ে পড়ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৩৬ লক্ষ একরেরও বেশি খাসজমি রয়েছে, যার একটি বড় অংশ কৃষিযোগ্য। তবে স্বাধীন গবেষণায় এই পরিমাণ মোট ৪৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ১৬০ একর। এর মধ্যে কৃষি খাসজমি ৩০ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪৫২ একর (মোট খাসজমি-জলার ৬১.৭%), অকৃষি খাসজমি ১১ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৪০ একর (মোট খাসজমি-জলার ২২.৫%) এবং খাসজলা ৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৮৬৮ একর (মোট খাসজমি-জলার ১৫.৮%)। স্বাধীনতাপরবর্তী সময় থেকে সরকার ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টন করছে। তবু অনেক ভূমিহীন এখনো জমির মালিকানা পায়নি। বন্দোবস্তযোগ্য জমিও সম্পূর্ণভাবে বণ্টিত হয়নি; অনেকের বন্দোবস্ত পাওয়া খাসজমি বেদখল হয়ে আছে। এ ছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিভিন্ন অজুহাতে ভূমিহীনদের কাছ থেকে জমি দখলও করে নিচ্ছে। দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের জন্য জমির মালিকানা একটি মৌলিক অধিকার। এই অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি ও সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

আবুল বারকাত

অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত (জন্ম: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান। ২০০৯ সাল থেকে তিনি রাষ্ট্রয়াত্ব ব্যাংক জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আবুল বারকাত সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন ১৯৮২ সালে ড. আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। অধ্যাপক আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপনার পাশাপাশি জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান-এর দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি হিউম্যান ডেভলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানেরও অবৈতনিক প্রধান উপদেষ্ঠা।তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির নির্বাচিত সভাপতি আবুল বারকাতের ৬০০টির বেশি গবেষণা কর্ম রয়েছে। তিনি ২৪টি গবেষণাগ্রন্থ, ১১৯টি জার্নাল প্রবন্ধ (সহ গবেষণা পুস্ককের অধ্যায়), ২২১টি গবেষণা মনোগ্রাফ রচনা করেছেন এবং ২৩৪টি গবেষণাপত্র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থাপন করেছেন। এছাড়াও ইতোমধ্যে তিনি ১০টি লোকবক্তৃতা ও স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেছেন। ইব্রাহিম মেমোরিয়াল স্বর্ণ পদক, (১৯৯৯-২০০০) এবং (২০০৪-২০০৫), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেন্টাইল ব্যাংক স্বর্ণপদক সম্মাননা, (২০০৮)

Title

বাংলাদেশে খাসজমি-জলা : দারিদ্র-বৈষম্য বিমোচনের রাজনৈতিক অর্থনীতি

Author

আবুল বারকাত

Publisher

Muktobuddhi Prokashona

Number of Pages

303

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Research
  • First Published

    MAR 2025

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বিদ্যমান আর্থসামাজিক কাঠামোতে দরিদ্র কৃষকরা ক্রমশ ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। ভূমি দখল, নদীভাঙন, জমিসংক্রান্ত বিরোধ এবং অর্থনৈতিক সংকটের মতো বিভিন্ন কারণে তারা জমি হারাচ্ছে। বংশানুক্রমে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত এই ভূমিহীনরা জীবিকা নির্বাহের উপায় হারিয়ে পরিবারসহ অসহায় হয়ে পড়ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৩৬ লক্ষ একরেরও বেশি খাসজমি রয়েছে, যার একটি বড় অংশ কৃষিযোগ্য। তবে স্বাধীন গবেষণায় এই পরিমাণ মোট ৪৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ১৬০ একর। এর মধ্যে কৃষি খাসজমি ৩০ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪৫২ একর (মোট খাসজমি-জলার ৬১.৭%), অকৃষি খাসজমি ১১ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৪০ একর (মোট খাসজমি-জলার ২২.৫%) এবং খাসজলা ৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৮৬৮ একর (মোট খাসজমি-জলার ১৫.৮%)। স্বাধীনতাপরবর্তী সময় থেকে সরকার ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টন করছে। তবু অনেক ভূমিহীন এখনো জমির মালিকানা পায়নি। বন্দোবস্তযোগ্য জমিও সম্পূর্ণভাবে বণ্টিত হয়নি; অনেকের বন্দোবস্ত পাওয়া খাসজমি বেদখল হয়ে আছে। এ ছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিভিন্ন অজুহাতে ভূমিহীনদের কাছ থেকে জমি দখলও করে নিচ্ছে। দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের জন্য জমির মালিকানা একটি মৌলিক অধিকার। এই অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি ও সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
    No Specifications