Skip to Content
গণঅভ্যুত্থান ও গঠন : বাংলাদেশে গণরাজনৈতিক ধারার বিকাশ প্রসঙ্গে

Price:

640.00 ৳


গজেন্দ্রকুমার মিত্র শতবার্ষিকী সংকলন
গজেন্দ্রকুমার মিত্র শতবার্ষিকী সংকলন
900.00 ৳
1,000.00 ৳ (10% OFF)
গণতন্ত্রের বহিৃশিখা শেখ হাসিনা
গণতন্ত্রের বহিৃশিখা শেখ হাসিনা
1,200.00 ৳
1,500.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

গণঅভ্যুত্থান ও গঠন : বাংলাদেশে গণরাজনৈতিক ধারার বিকাশ প্রসঙ্গে

রাজনৈতিক বর্গ হিশাবে 'গণতন্ত্র' কি অকেজো ও অন্তঃসারশূন্য? বিশেষত নির্বাচনসর্বস্ব গণতন্ত্র কি আদৌ গণতন্ত্র? নাকি ফাঁপা আওয়াজ! এই ফাঁদ থেকে আমরা বের হব কীভাবে? বাংলাদেশে গণরাজনৈতিক ধারা বিকাশের জন্য যা অপরিহার্য। আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানান ঘনীভূত সংকটের বেড়াজাল থেকে আমরা কী করে মুক্ত হব। কী করে বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থায় নিজেদের সামষ্টিক রাজনৈতিক কর্তাসত্তা নিয়ে হাজির থাকব? ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিশ্বসভায় রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে বাংলাদেশের জন্ম। কিন্তু আমরা নিজেদের নিজেরা গঠন করতে পারিনি। এখন কী করে 'গঠন' করব নিজেদের? কী করে গোলকায়ন এবং বাজারতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশ টিকে থাকবে? রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে নিজেদের ‘গঠন' করার অর্থ কী?- এই প্রধান প্রশ্নটি এই বইয়ে আলোচিত হয়েছে। গণশক্তি কী করে গাঠনিক ক্ষমতায় এবং জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা কী করে “গঠনতন্ত্র' প্রণয়ন করে এবং রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে নিজেরা নিজেদের ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, নীতি-নৈতিকতা এবং আর্থসামাজিক সম্পর্ক নিয়ে বিশ্বে অস্তিত্বমান থাকে। বিশ্বসভায় নিজের স্বাধীন রাজনৈতিক সত্তা নিয়ে কীভাবে আমরা হাজির ও জারি থাকব সেইসব এই বইয়ের বিষয়। আছে 'ইসলাম প্রশ্ন। আমরা কারা? 'বাঙালি' নাকি “মুসলমান' নাকি বাঙালি মুসলমান? এই জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষ সকলেই কি 'বাঙালি'? কী করে আমরা ধর্মীয় কিম্বা ধর্মনিরপেক্ষ জাতিবাদের বিভিন্ন ফাঁদ চিনব ও নিজেদের মুক্ত রাখব? পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়নের বিভিন্ন রূপ-রূপান্তরের (ব্যক্তিবাদ থেকে বাজারতন্ত্রে সম্পর্ক বা লেনদেনের ধরনের বিপরীতে আমাদের আন্তরিক গঠনের প্রক্রিয়া কেমন হবে? কেমন হবে ব্যক্তিবাদকে ছাপিয়ে ব্যক্তির স্বাধীন কর্তাসত্তার সামাজিক রূপঃ ব্যক্তি কীভাবে সমাজে এবং সমাজ কীভাবে ব্যক্তির বিকাশের পথ ধরে বিকশিত হবে। ব্যক্তি ও সমাজের দ্বন্দ্ব মীমাংসাই বা আমরা করব কীভাবে? আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন, শৃঙ্খলা ও বলপ্রয়োগ ব্যবস্থার বিপরীতে জনগণের সার্বভোমত্ব বা গণসার্বভৌমত্ব কায়েমের রণনীতি ও রণকৌশল আলোচিত হয়েছে এই গ্রন্থে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/1877/image_1920?unique=511bd30

640.00 ৳ 640.0 BDT 800.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

রাজনৈতিক বর্গ হিশাবে 'গণতন্ত্র' কি অকেজো ও অন্তঃসারশূন্য? বিশেষত নির্বাচনসর্বস্ব গণতন্ত্র কি আদৌ গণতন্ত্র? নাকি ফাঁপা আওয়াজ! এই ফাঁদ থেকে আমরা বের হব কীভাবে? বাংলাদেশে গণরাজনৈতিক ধারা বিকাশের জন্য যা অপরিহার্য। আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানান ঘনীভূত সংকটের বেড়াজাল থেকে আমরা কী করে মুক্ত হব। কী করে বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থায় নিজেদের সামষ্টিক রাজনৈতিক কর্তাসত্তা নিয়ে হাজির থাকব? ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিশ্বসভায় রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে বাংলাদেশের জন্ম। কিন্তু আমরা নিজেদের নিজেরা গঠন করতে পারিনি। এখন কী করে 'গঠন' করব নিজেদের? কী করে গোলকায়ন এবং বাজারতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশ টিকে থাকবে? রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে নিজেদের ‘গঠন' করার অর্থ কী?- এই প্রধান প্রশ্নটি এই বইয়ে আলোচিত হয়েছে। গণশক্তি কী করে গাঠনিক ক্ষমতায় এবং জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা কী করে “গঠনতন্ত্র' প্রণয়ন করে এবং রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে নিজেরা নিজেদের ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, নীতি-নৈতিকতা এবং আর্থসামাজিক সম্পর্ক নিয়ে বিশ্বে অস্তিত্বমান থাকে। বিশ্বসভায় নিজের স্বাধীন রাজনৈতিক সত্তা নিয়ে কীভাবে আমরা হাজির ও জারি থাকব সেইসব এই বইয়ের বিষয়। আছে 'ইসলাম প্রশ্ন। আমরা কারা? 'বাঙালি' নাকি “মুসলমান' নাকি বাঙালি মুসলমান? এই জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষ সকলেই কি 'বাঙালি'? কী করে আমরা ধর্মীয় কিম্বা ধর্মনিরপেক্ষ জাতিবাদের বিভিন্ন ফাঁদ চিনব ও নিজেদের মুক্ত রাখব? পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়নের বিভিন্ন রূপ-রূপান্তরের (ব্যক্তিবাদ থেকে বাজারতন্ত্রে সম্পর্ক বা লেনদেনের ধরনের বিপরীতে আমাদের আন্তরিক গঠনের প্রক্রিয়া কেমন হবে? কেমন হবে ব্যক্তিবাদকে ছাপিয়ে ব্যক্তির স্বাধীন কর্তাসত্তার সামাজিক রূপঃ ব্যক্তি কীভাবে সমাজে এবং সমাজ কীভাবে ব্যক্তির বিকাশের পথ ধরে বিকশিত হবে। ব্যক্তি ও সমাজের দ্বন্দ্ব মীমাংসাই বা আমরা করব কীভাবে? আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন, শৃঙ্খলা ও বলপ্রয়োগ ব্যবস্থার বিপরীতে জনগণের সার্বভোমত্ব বা গণসার্বভৌমত্ব কায়েমের রণনীতি ও রণকৌশল আলোচিত হয়েছে এই গ্রন্থে।

ফরহাদ মজহার

ফরহাদ মজহার জন্ম ১৯৪৭ সালে, নোয়াখালী। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা : ঔষধশাস্ত্র ও অর্থনীতি, প্রিয় স্মৃতি : মাইজদী কোর্ট, প্রিয় স্থান : বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা নয়াকৃষির বিদ্যগাঘর। তিনি একজন বাংলাদেশি কবি, কলামিস্ট, লেখক, ঔষধশাস্ত্রবিদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, বুদ্ধিজীবী, সামাজিক ও মানবাধিকার কর্মী এবং পরিবেশবাদী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে ওষুধশাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের দি নিউ স্কুল ফর সোশাল রিসার্চ থেকে অর্থশাস্ত্রে ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সামাজিক অর্থনীতিতেও গবেষণা করেছেন। চিন্তা নামক একটি পত্রিকার সম্পাদক মজহার উবিনীগ এনজিও গঠন করে নয়াকৃষি আন্দোলনও শুরু করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ হল: প্রস্তাব, মোকাবিলা, এবাদতনামা ও মার্কস পাঠের ভূমিকা।

Title

গণঅভ্যুত্থান ও গঠন : বাংলাদেশে গণরাজনৈতিক ধারার বিকাশ প্রসঙ্গে

Author

ফরহাদ মজহার

Publisher

Rashtrochinta

Number of Pages

328

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Government System
  • First Published

    FEB 2025

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    রাজনৈতিক বর্গ হিশাবে 'গণতন্ত্র' কি অকেজো ও অন্তঃসারশূন্য? বিশেষত নির্বাচনসর্বস্ব গণতন্ত্র কি আদৌ গণতন্ত্র? নাকি ফাঁপা আওয়াজ! এই ফাঁদ থেকে আমরা বের হব কীভাবে? বাংলাদেশে গণরাজনৈতিক ধারা বিকাশের জন্য যা অপরিহার্য। আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানান ঘনীভূত সংকটের বেড়াজাল থেকে আমরা কী করে মুক্ত হব। কী করে বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থায় নিজেদের সামষ্টিক রাজনৈতিক কর্তাসত্তা নিয়ে হাজির থাকব? ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিশ্বসভায় রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে বাংলাদেশের জন্ম। কিন্তু আমরা নিজেদের নিজেরা গঠন করতে পারিনি। এখন কী করে 'গঠন' করব নিজেদের? কী করে গোলকায়ন এবং বাজারতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশ টিকে থাকবে? রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে নিজেদের ‘গঠন' করার অর্থ কী?- এই প্রধান প্রশ্নটি এই বইয়ে আলোচিত হয়েছে। গণশক্তি কী করে গাঠনিক ক্ষমতায় এবং জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা কী করে “গঠনতন্ত্র' প্রণয়ন করে এবং রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিশাবে নিজেরা নিজেদের ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, নীতি-নৈতিকতা এবং আর্থসামাজিক সম্পর্ক নিয়ে বিশ্বে অস্তিত্বমান থাকে। বিশ্বসভায় নিজের স্বাধীন রাজনৈতিক সত্তা নিয়ে কীভাবে আমরা হাজির ও জারি থাকব সেইসব এই বইয়ের বিষয়। আছে 'ইসলাম প্রশ্ন। আমরা কারা? 'বাঙালি' নাকি “মুসলমান' নাকি বাঙালি মুসলমান? এই জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষ সকলেই কি 'বাঙালি'? কী করে আমরা ধর্মীয় কিম্বা ধর্মনিরপেক্ষ জাতিবাদের বিভিন্ন ফাঁদ চিনব ও নিজেদের মুক্ত রাখব? পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়নের বিভিন্ন রূপ-রূপান্তরের (ব্যক্তিবাদ থেকে বাজারতন্ত্রে সম্পর্ক বা লেনদেনের ধরনের বিপরীতে আমাদের আন্তরিক গঠনের প্রক্রিয়া কেমন হবে? কেমন হবে ব্যক্তিবাদকে ছাপিয়ে ব্যক্তির স্বাধীন কর্তাসত্তার সামাজিক রূপঃ ব্যক্তি কীভাবে সমাজে এবং সমাজ কীভাবে ব্যক্তির বিকাশের পথ ধরে বিকশিত হবে। ব্যক্তি ও সমাজের দ্বন্দ্ব মীমাংসাই বা আমরা করব কীভাবে? আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন, শৃঙ্খলা ও বলপ্রয়োগ ব্যবস্থার বিপরীতে জনগণের সার্বভোমত্ব বা গণসার্বভৌমত্ব কায়েমের রণনীতি ও রণকৌশল আলোচিত হয়েছে এই গ্রন্থে।
    No Specifications