Skip to Content
মৌন মুখর বাদল দিন

Price:

1,200.00 ৳


আবুল মনসুর আহমদের শ্রেষ্ঠ গল্প (পেপারব্যাক)
আবুল মনসুর আহমদের শ্রেষ্ঠ গল্প (পেপারব্যাক)
380.00 ৳
475.00 ৳ (20% OFF)
উন্মুক্ত এক জীবন
উন্মুক্ত এক জীবন
316.00 ৳
395.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

মৌন মুখর বাদল দিন

বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটিতে আমার যোগ দেয়াটা অনেকটা বিবেকের তাড়নায়। ১৯৮৫ সাল থেকেই টুকটাক ছবি তুলি, ৮৬ সালের দিকে ছবি তোলার বিষয়বস্তু পারিবারিক গণ্ডি ছাড়িয়ে রাস্তায় গড়ালো। ১৯৮৩ সাল থেকেই এলিফেন্ট রোড সায়েন্স ল্যাবরেটরির উল্টো দিকের ফুজি কালার ল্যাবে ছবি প্রিন্ট করি । ত্রি আর সাইজের এক কপি ছবি প্রিন্ট করতে তখন খরচ হতো ১০ টাকা। ১৯৮৬ সালের কোনো এক সময় বাটা সিগন্যালের মোড়ে ফুজি কালার ল্যাবের নতুন শাখা চালু হলো । কিছুটা নতুন মেশিনের টানে, কিছুটা এই শাখার ম্যানেজার টিপু ভাইয়ের আন্তরিক ব্যবহারে এবং অনেকটাই সায়েন্স ল্যাব শাখার অভদ্র আচরণের কারণে শুরুর দিন থেকেই আমি এই শাখায় আমার ছবি প্রিন্ট করা শুরু করি। এই সময়ে বড় ভাইয়ের বিয়ের সব ছবি এখানে প্রিন্ট করতে দেওয়ায় আমি গুরুত্বপূর্ণ ক্লায়েন্টের মর্যাদা পেলাম । একদিন দেখি টিপু ভাই অর্ডার খামে আমার নামের পাশে বিপিএস লিখে দিলেন। ছবি ডেলিভারি নেবার সময় দাম ধরলেন ৮ টাকা, প্রতি ছবিতে ২ টাকা কম, আমার মতো কপর্দকশূন্য ছাত্রের জন্য যা তখন অনেক । পর পর কয়েকদিন বিপিএস লিখে কম দামে ছবি পাবার পর মনে হলো কাজটা ঠিক হচ্ছে না। বিপিএস সদস্যের সুবিধা পাচ্ছি তাহলে সদস্য হতে সমস্যা কোথায় । টিপু ভাইয়ের কাছ থেকে ঠিকানা যোগাড় করে সায়েন্স ল্যাবরেটরি কোয়ার্টার রোডে বিপিএসের অফিসে হাজির হলাম। অফিসের দায়িত্বে থাকা গোলাম মোস্তফার কাছে ফরম পূরণ করে বিপিএসের সদস্য হয়ে গেলাম। অফিস সহকারী নুরুল ইসলাম জানালো মাসের প্রথম শুক্রবার সকাল ৯-১০টার দিকে চলে আসলে মাসিক সভায় যোগ দিতে পারবো। সম্ভবত ১৯৮৮ সালের এপ্রিল মাসে আমি প্রথম বিপিএসের মাসিক সভায় যোগ দেই। অর্ধসমাপ্ত একটা বাসায় গেট পেরিয়ে সিড়ি বেয়ে উঠে খানিকটা খোলা ছাদ, এর পরে একটা লম্বা রুম, তাতে সারিবদ্ধ চেয়ারে বসা বিভিন্ন বয়সী লোক । এরা সবাই আলোকচিত্রী। নবাগত হিসাবে ইতস্তত করে রুমের একদম শেষের সারিতে বসে পড়লাম। কিছুসময় পর তিনজন তরুণ হইচই করতে করতে রুমে ঢুকলেন, তাদের দু'জন লম্বা, একজন মাঝারি। লম্বা দুজনের মাঝে এক জনের আবার ঠোট ঢাকা পুরুষ্ঠ গোঁফ। নিজেই আগ বাড়িয়ে পরিচিত হলেন, নাম বল্লেন বাদল । সাথের দু'জনের পরিচয় দিলেন, ঝাকড়া চুলের জন শাহিন আর মাঝারি গড়নের জন শফি। প্রথম দিন থেকেই আমি জুটে গেলাম এই দলে চার নম্বর হিসেবে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/3091/image_1920?unique=7842928

1,200.00 ৳ 1200.0 BDT 1,500.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটিতে আমার যোগ দেয়াটা অনেকটা বিবেকের তাড়নায়। ১৯৮৫ সাল থেকেই টুকটাক ছবি তুলি, ৮৬ সালের দিকে ছবি তোলার বিষয়বস্তু পারিবারিক গণ্ডি ছাড়িয়ে রাস্তায় গড়ালো। ১৯৮৩ সাল থেকেই এলিফেন্ট রোড সায়েন্স ল্যাবরেটরির উল্টো দিকের ফুজি কালার ল্যাবে ছবি প্রিন্ট করি । ত্রি আর সাইজের এক কপি ছবি প্রিন্ট করতে তখন খরচ হতো ১০ টাকা। ১৯৮৬ সালের কোনো এক সময় বাটা সিগন্যালের মোড়ে ফুজি কালার ল্যাবের নতুন শাখা চালু হলো । কিছুটা নতুন মেশিনের টানে, কিছুটা এই শাখার ম্যানেজার টিপু ভাইয়ের আন্তরিক ব্যবহারে এবং অনেকটাই সায়েন্স ল্যাব শাখার অভদ্র আচরণের কারণে শুরুর দিন থেকেই আমি এই শাখায় আমার ছবি প্রিন্ট করা শুরু করি। এই সময়ে বড় ভাইয়ের বিয়ের সব ছবি এখানে প্রিন্ট করতে দেওয়ায় আমি গুরুত্বপূর্ণ ক্লায়েন্টের মর্যাদা পেলাম । একদিন দেখি টিপু ভাই অর্ডার খামে আমার নামের পাশে বিপিএস লিখে দিলেন। ছবি ডেলিভারি নেবার সময় দাম ধরলেন ৮ টাকা, প্রতি ছবিতে ২ টাকা কম, আমার মতো কপর্দকশূন্য ছাত্রের জন্য যা তখন অনেক । পর পর কয়েকদিন বিপিএস লিখে কম দামে ছবি পাবার পর মনে হলো কাজটা ঠিক হচ্ছে না। বিপিএস সদস্যের সুবিধা পাচ্ছি তাহলে সদস্য হতে সমস্যা কোথায় । টিপু ভাইয়ের কাছ থেকে ঠিকানা যোগাড় করে সায়েন্স ল্যাবরেটরি কোয়ার্টার রোডে বিপিএসের অফিসে হাজির হলাম। অফিসের দায়িত্বে থাকা গোলাম মোস্তফার কাছে ফরম পূরণ করে বিপিএসের সদস্য হয়ে গেলাম। অফিস সহকারী নুরুল ইসলাম জানালো মাসের প্রথম শুক্রবার সকাল ৯-১০টার দিকে চলে আসলে মাসিক সভায় যোগ দিতে পারবো। সম্ভবত ১৯৮৮ সালের এপ্রিল মাসে আমি প্রথম বিপিএসের মাসিক সভায় যোগ দেই। অর্ধসমাপ্ত একটা বাসায় গেট পেরিয়ে সিড়ি বেয়ে উঠে খানিকটা খোলা ছাদ, এর পরে একটা লম্বা রুম, তাতে সারিবদ্ধ চেয়ারে বসা বিভিন্ন বয়সী লোক । এরা সবাই আলোকচিত্রী। নবাগত হিসাবে ইতস্তত করে রুমের একদম শেষের সারিতে বসে পড়লাম। কিছুসময় পর তিনজন তরুণ হইচই করতে করতে রুমে ঢুকলেন, তাদের দু'জন লম্বা, একজন মাঝারি। লম্বা দুজনের মাঝে এক জনের আবার ঠোট ঢাকা পুরুষ্ঠ গোঁফ। নিজেই আগ বাড়িয়ে পরিচিত হলেন, নাম বল্লেন বাদল । সাথের দু'জনের পরিচয় দিলেন, ঝাকড়া চুলের জন শাহিন আর মাঝারি গড়নের জন শফি। প্রথম দিন থেকেই আমি জুটে গেলাম এই দলে চার নম্বর হিসেবে।

Title

মৌন মুখর বাদল দিন

Author

শহীদুল আলম বাদল

Publisher

Attoprokash

Number of Pages

140

Language

Bengali / বাংলা

First Published

FEB 2025

Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

 Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

 Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

 International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

 3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

 Multiple Payment Methods

Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটিতে আমার যোগ দেয়াটা অনেকটা বিবেকের তাড়নায়। ১৯৮৫ সাল থেকেই টুকটাক ছবি তুলি, ৮৬ সালের দিকে ছবি তোলার বিষয়বস্তু পারিবারিক গণ্ডি ছাড়িয়ে রাস্তায় গড়ালো। ১৯৮৩ সাল থেকেই এলিফেন্ট রোড সায়েন্স ল্যাবরেটরির উল্টো দিকের ফুজি কালার ল্যাবে ছবি প্রিন্ট করি । ত্রি আর সাইজের এক কপি ছবি প্রিন্ট করতে তখন খরচ হতো ১০ টাকা। ১৯৮৬ সালের কোনো এক সময় বাটা সিগন্যালের মোড়ে ফুজি কালার ল্যাবের নতুন শাখা চালু হলো । কিছুটা নতুন মেশিনের টানে, কিছুটা এই শাখার ম্যানেজার টিপু ভাইয়ের আন্তরিক ব্যবহারে এবং অনেকটাই সায়েন্স ল্যাব শাখার অভদ্র আচরণের কারণে শুরুর দিন থেকেই আমি এই শাখায় আমার ছবি প্রিন্ট করা শুরু করি। এই সময়ে বড় ভাইয়ের বিয়ের সব ছবি এখানে প্রিন্ট করতে দেওয়ায় আমি গুরুত্বপূর্ণ ক্লায়েন্টের মর্যাদা পেলাম । একদিন দেখি টিপু ভাই অর্ডার খামে আমার নামের পাশে বিপিএস লিখে দিলেন। ছবি ডেলিভারি নেবার সময় দাম ধরলেন ৮ টাকা, প্রতি ছবিতে ২ টাকা কম, আমার মতো কপর্দকশূন্য ছাত্রের জন্য যা তখন অনেক । পর পর কয়েকদিন বিপিএস লিখে কম দামে ছবি পাবার পর মনে হলো কাজটা ঠিক হচ্ছে না। বিপিএস সদস্যের সুবিধা পাচ্ছি তাহলে সদস্য হতে সমস্যা কোথায় । টিপু ভাইয়ের কাছ থেকে ঠিকানা যোগাড় করে সায়েন্স ল্যাবরেটরি কোয়ার্টার রোডে বিপিএসের অফিসে হাজির হলাম। অফিসের দায়িত্বে থাকা গোলাম মোস্তফার কাছে ফরম পূরণ করে বিপিএসের সদস্য হয়ে গেলাম। অফিস সহকারী নুরুল ইসলাম জানালো মাসের প্রথম শুক্রবার সকাল ৯-১০টার দিকে চলে আসলে মাসিক সভায় যোগ দিতে পারবো। সম্ভবত ১৯৮৮ সালের এপ্রিল মাসে আমি প্রথম বিপিএসের মাসিক সভায় যোগ দেই। অর্ধসমাপ্ত একটা বাসায় গেট পেরিয়ে সিড়ি বেয়ে উঠে খানিকটা খোলা ছাদ, এর পরে একটা লম্বা রুম, তাতে সারিবদ্ধ চেয়ারে বসা বিভিন্ন বয়সী লোক । এরা সবাই আলোকচিত্রী। নবাগত হিসাবে ইতস্তত করে রুমের একদম শেষের সারিতে বসে পড়লাম। কিছুসময় পর তিনজন তরুণ হইচই করতে করতে রুমে ঢুকলেন, তাদের দু'জন লম্বা, একজন মাঝারি। লম্বা দুজনের মাঝে এক জনের আবার ঠোট ঢাকা পুরুষ্ঠ গোঁফ। নিজেই আগ বাড়িয়ে পরিচিত হলেন, নাম বল্লেন বাদল । সাথের দু'জনের পরিচয় দিলেন, ঝাকড়া চুলের জন শাহিন আর মাঝারি গড়নের জন শফি। প্রথম দিন থেকেই আমি জুটে গেলাম এই দলে চার নম্বর হিসেবে।
No Specifications