Skip to Content
হোয়াট ইজ টাইম : সময়ের বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণ

Price:

360.00 ৳


হোয়াইটচ্যাপেল
হোয়াইটচ্যাপেল
320.00 ৳
400.00 ৳ (20% OFF)
হ্যাঁ
হ্যাঁ
240.00 ৳
300.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

হোয়াট ইজ টাইম : সময়ের বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণ

পৃথিবী, মহাবিশ্ব থেকে আমাদের শরীরের জৈবিক ক্রিয়া- সবই চলে ঘড়ি ধরে, সময় মেনে। কিন্তু সময় আসলে কী? তার ব্যাখ্যা বিজ্ঞানও ঠিকঠাক দিতে পারেনি আজ পর্যন্ত। অবশ্য প্রশ্নের শুরুটা হয়েছিল গ্রিক যুগেই। বড়ো দার্শনিকেরা প্রশ্নটার উত্তর দিয়েছিলেন নিজেদের মতো করেই। তাতে ব্যাখ্যা-যুক্তি ছিল, তর্ক ছিল- ছিল না বিজ্ঞান। এভাবেই মধ্যযুগ পর্যন্ত চলেছিল সময়রহস্য সমাধানের চেষ্টা। দার্শনিকদের সঙ্গে ধর্মতত্ত্ববিদেরাও যোগ দেন সময়রহস্যের চুলচেরা বিশ্লেষণে, তবুও সময়ের স্বরূপ ঠিকঠাক কাঠামোবদ্ধ করা যায়নি। সপ্তদশ শতাব্দীতে এসে নিউটন ও লিবনিজের মতো বিজ্ঞানীরা সময়ের ব্যাখ্যা দিতে চেয়েছেন বিজ্ঞানের কাঠামোর ভেতর থেকেই। কিন্তু সময়কে আর দশটা প্রাকৃতিক সূত্রের মতো পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারেননি তাঁরা। শেষমেশ বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই আলবার্ট আইনস্টাইন সময়ের স্বরূপ উন্মোচন করেন গণিত ও বিজ্ঞানের সুরে। সেই সুর পরবর্তী সময়ে আরও পোক্ত হয়। নিউটনীয় বলবিদ্যা, আপেক্ষিকতা, কোয়ান্টাম বলবিদ্যা হয়ে সময়ের ব্যাখ্যায় মজেছে হালের স্ট্রিং থিওরিও। সময়ের দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাত-সতেরো নিয়েই রচিত হয়েছে হোয়াট ইজ টাইম।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/29641/image_1920?unique=7309d84

360.00 ৳ 360.0 BDT 450.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

পৃথিবী, মহাবিশ্ব থেকে আমাদের শরীরের জৈবিক ক্রিয়া- সবই চলে ঘড়ি ধরে, সময় মেনে। কিন্তু সময় আসলে কী? তার ব্যাখ্যা বিজ্ঞানও ঠিকঠাক দিতে পারেনি আজ পর্যন্ত। অবশ্য প্রশ্নের শুরুটা হয়েছিল গ্রিক যুগেই। বড়ো দার্শনিকেরা প্রশ্নটার উত্তর দিয়েছিলেন নিজেদের মতো করেই। তাতে ব্যাখ্যা-যুক্তি ছিল, তর্ক ছিল- ছিল না বিজ্ঞান। এভাবেই মধ্যযুগ পর্যন্ত চলেছিল সময়রহস্য সমাধানের চেষ্টা। দার্শনিকদের সঙ্গে ধর্মতত্ত্ববিদেরাও যোগ দেন সময়রহস্যের চুলচেরা বিশ্লেষণে, তবুও সময়ের স্বরূপ ঠিকঠাক কাঠামোবদ্ধ করা যায়নি। সপ্তদশ শতাব্দীতে এসে নিউটন ও লিবনিজের মতো বিজ্ঞানীরা সময়ের ব্যাখ্যা দিতে চেয়েছেন বিজ্ঞানের কাঠামোর ভেতর থেকেই। কিন্তু সময়কে আর দশটা প্রাকৃতিক সূত্রের মতো পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারেননি তাঁরা। শেষমেশ বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই আলবার্ট আইনস্টাইন সময়ের স্বরূপ উন্মোচন করেন গণিত ও বিজ্ঞানের সুরে। সেই সুর পরবর্তী সময়ে আরও পোক্ত হয়। নিউটনীয় বলবিদ্যা, আপেক্ষিকতা, কোয়ান্টাম বলবিদ্যা হয়ে সময়ের ব্যাখ্যায় মজেছে হালের স্ট্রিং থিওরিও। সময়ের দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাত-সতেরো নিয়েই রচিত হয়েছে হোয়াট ইজ টাইম।

আবদুল গাফফার রনি

আবদুল গাফফার রনি জন্ম ৩ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কাঁটাপােল গ্রামে, মাতুলালয়ে। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় ইছামতীর তীরঘেঁষা শ্যামকুড় গ্রামে তাঁর বেড়ে ওঠা । আধাবােহেমিয়ান । ঘর আছে আবার ঘর ছাড়তেও জানেন । প্রকৃতির হাতছানিতে বেরিয়ে পড়েন। দেশের পথে-প্রান্তরে, সাগরে-পাহাড়ে, জঙ্গলে । ভালােবাসেন বই পড়তে, গান নেতে। বিভূতিভূষণের অপু-দুর্গা, ইছামতী, গ্রাম, প্রকৃতি তার মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছে। বিজ্ঞানের বইয়ের ভেতর থেকেও মজা খুঁজে নিতে জানেন । বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যজিৎ রায়, মুহম্মদ জাফর ইকবাল আর পথিক গুহকে আইডল মেনে লিখে যাচ্ছেন বিজ্ঞান, প্রকৃতি বিষয়ক লেখা এমনকি গল্পও। পড়া, লেখা আর ভ্রমণের পাশাপাশি দেশের জনপ্রিয়তম বিজ্ঞান ম্যাগাজিন বিজ্ঞানচিন্তার সহসম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এ পর্যন্ত প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৫টি। শিশুতােষ গল্পের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন ইউনিসেফের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড'।

Title

হোয়াট ইজ টাইম : সময়ের বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণ

Author

আবদুল গাফফার রনি

Publisher

Panjeree Publications Ltd.

Number of Pages

159

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Philosophy
  • First Published

    FEB 2025

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    পৃথিবী, মহাবিশ্ব থেকে আমাদের শরীরের জৈবিক ক্রিয়া- সবই চলে ঘড়ি ধরে, সময় মেনে। কিন্তু সময় আসলে কী? তার ব্যাখ্যা বিজ্ঞানও ঠিকঠাক দিতে পারেনি আজ পর্যন্ত। অবশ্য প্রশ্নের শুরুটা হয়েছিল গ্রিক যুগেই। বড়ো দার্শনিকেরা প্রশ্নটার উত্তর দিয়েছিলেন নিজেদের মতো করেই। তাতে ব্যাখ্যা-যুক্তি ছিল, তর্ক ছিল- ছিল না বিজ্ঞান। এভাবেই মধ্যযুগ পর্যন্ত চলেছিল সময়রহস্য সমাধানের চেষ্টা। দার্শনিকদের সঙ্গে ধর্মতত্ত্ববিদেরাও যোগ দেন সময়রহস্যের চুলচেরা বিশ্লেষণে, তবুও সময়ের স্বরূপ ঠিকঠাক কাঠামোবদ্ধ করা যায়নি। সপ্তদশ শতাব্দীতে এসে নিউটন ও লিবনিজের মতো বিজ্ঞানীরা সময়ের ব্যাখ্যা দিতে চেয়েছেন বিজ্ঞানের কাঠামোর ভেতর থেকেই। কিন্তু সময়কে আর দশটা প্রাকৃতিক সূত্রের মতো পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারেননি তাঁরা। শেষমেশ বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই আলবার্ট আইনস্টাইন সময়ের স্বরূপ উন্মোচন করেন গণিত ও বিজ্ঞানের সুরে। সেই সুর পরবর্তী সময়ে আরও পোক্ত হয়। নিউটনীয় বলবিদ্যা, আপেক্ষিকতা, কোয়ান্টাম বলবিদ্যা হয়ে সময়ের ব্যাখ্যায় মজেছে হালের স্ট্রিং থিওরিও। সময়ের দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাত-সতেরো নিয়েই রচিত হয়েছে হোয়াট ইজ টাইম।
    No Specifications