Skip to Content
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও  আমি

Price:

432.00 ৳


বিশ্বশ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ
বিশ্বশ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ
600.00 ৳
750.00 ৳ (20% OFF)
বিশ্বসাহিত্যে গ্রীক পৌরাণিক গল্প
বিশ্বসাহিত্যে গ্রীক পৌরাণিক গল্প
380.00 ৳
475.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও আমি

বড় বেদনা ছাড়া কি বড় কাজ হয়? বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জর্নালে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ লিখেছিলেন, ‘কেন্দ্রের ভবনের ইটের দেয়ালগুলােকে আমরা কোনােদিন প্লাস্টার করব না। এই কেন্দ্র যে একদিন আমাদের রক্ত দিয়ে তৈরি হয়েছিল- এই ইটগুলাে তার সাক্ষী হয়ে থাক।' ইট তাে ক্ষয়ে যাবে, কিন্তু সুলিখিতভাবে ধরে রাখা গেলে একটি বড় স্বপ্ন ও সংগঠনের চলমান ইতিহাসটি টিকে যেতে পারে কালের আক্রমণ অগ্রাহ্য করে। সেই কাজটি নানাভাবেই করে যাচ্ছিলেন। এ-সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদজর্নাল লিখে, সাক্ষাৎকার দিয়ে, নানা জায়গায় নানা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করে। এমনকি কেন্দ্রের পরিচিতিপত্র, ঘােষণাপত্রের মধ্যেও রয়ে গেছে এই কেন্দ্রটির প্রতিষ্ঠাপুরুষের স্বপ্ন ও ভাবনার বিবরণ। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র-সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কথা, লেখা, ভাবনা ও সক্রিয়তার সমাবেশ এই গ্রন্থ। একবার পড়তে শুরু করলে আর থামা যায় না। এই বইয়ে একই সঙ্গে পাওয়া যাবে অসাধারণ কথক ও বাগ্মীর বিস্তার করা সম্মােহনী জাল, একজন স্বপ্নবান মানুষের উদ্দীপনাসঞ্চারী চিন্তা, এক বেদনার্ত প্রেমিক-হৃদয়ের গােপন রক্তক্ষরণের বিবরণ। এই বইয়ের মূল্যবান সম্পদ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর চমৎকার ভাষাশৈলী যা একই সঙ্গে মননশীল, ঋজু, প্রসাদগুণময় এবং হাস্যরসদীপ্ত! বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র সম্পর্কে তাঁর ভেতর-বাহিরের। পুরােটা বিবরণের জন্যে এই বই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কেন্দ্র বিষয়ে অনুৎসাহিত পাঠকও বইটি পড়ে ঋদ্ধ হতে পারবেন জীবন, সময়, স্বদেশ ও জগৎ নিয়ে এই চিন্তাবিদের বিচিত্রগামী ভাবনার আলােয় আলােকিত হয়ে। এই বই একই সঙ্গে ব্যক্তিগত, সাংগঠনিক ও সর্বজনীন
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/14885/image_1920?unique=1b57cf1

432.00 ৳ 432.0 BDT 540.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

বড় বেদনা ছাড়া কি বড় কাজ হয়? বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জর্নালে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ লিখেছিলেন, ‘কেন্দ্রের ভবনের ইটের দেয়ালগুলােকে আমরা কোনােদিন প্লাস্টার করব না। এই কেন্দ্র যে একদিন আমাদের রক্ত দিয়ে তৈরি হয়েছিল- এই ইটগুলাে তার সাক্ষী হয়ে থাক।' ইট তাে ক্ষয়ে যাবে, কিন্তু সুলিখিতভাবে ধরে রাখা গেলে একটি বড় স্বপ্ন ও সংগঠনের চলমান ইতিহাসটি টিকে যেতে পারে কালের আক্রমণ অগ্রাহ্য করে। সেই কাজটি নানাভাবেই করে যাচ্ছিলেন। এ-সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদজর্নাল লিখে, সাক্ষাৎকার দিয়ে, নানা জায়গায় নানা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করে। এমনকি কেন্দ্রের পরিচিতিপত্র, ঘােষণাপত্রের মধ্যেও রয়ে গেছে এই কেন্দ্রটির প্রতিষ্ঠাপুরুষের স্বপ্ন ও ভাবনার বিবরণ। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র-সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কথা, লেখা, ভাবনা ও সক্রিয়তার সমাবেশ এই গ্রন্থ। একবার পড়তে শুরু করলে আর থামা যায় না। এই বইয়ে একই সঙ্গে পাওয়া যাবে অসাধারণ কথক ও বাগ্মীর বিস্তার করা সম্মােহনী জাল, একজন স্বপ্নবান মানুষের উদ্দীপনাসঞ্চারী চিন্তা, এক বেদনার্ত প্রেমিক-হৃদয়ের গােপন রক্তক্ষরণের বিবরণ। এই বইয়ের মূল্যবান সম্পদ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর চমৎকার ভাষাশৈলী যা একই সঙ্গে মননশীল, ঋজু, প্রসাদগুণময় এবং হাস্যরসদীপ্ত! বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র সম্পর্কে তাঁর ভেতর-বাহিরের। পুরােটা বিবরণের জন্যে এই বই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কেন্দ্র বিষয়ে অনুৎসাহিত পাঠকও বইটি পড়ে ঋদ্ধ হতে পারবেন জীবন, সময়, স্বদেশ ও জগৎ নিয়ে এই চিন্তাবিদের বিচিত্রগামী ভাবনার আলােয় আলােকিত হয়ে। এই বই একই সঙ্গে ব্যক্তিগত, সাংগঠনিক ও সর্বজনীন

আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ (জন্ম ২৫ জুলাই ১৯৩৯) বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক। তিনি ষাটের দশকে একজন প্রতিশ্রুতিশীল কবি হিসেবে পরিচিতি পান। সে সময়ে সমালোচক এবং সাহিত্য-সম্পাদক হিসাবেও তিনি অবদান রেখেছিলেন। তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কীর্তি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, যা চল্লিশ বছর ধরে বাংলাদেশে ‘আলোকিত মানুষ’ তৈরির কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ২০০৪ সালে তিনি রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। বাংলাদেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ২০০৫ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে। প্রবন্ধে অবদানের জন্য তিনি ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭০-এর দশকে তিনি টিভি উপস্থাপক হিসাবে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন আবু সায়ীদ ১৯৬১ সালে মুন্সীগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি কিছুকাল সিলেট মহিলা কলেজে শিক্ষকতা করেন। ১৯৬২ সালের পহেলা এপ্রিল তিনি রাজশাহী কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে সরকারি চাকুরিজীবন শুরু করেন। সেখানে পাঁচ মাস শিক্ষকতা করার পর তিনি ঢাকায় ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজে যোগ দেন (বর্তমানে সরকারী বিজ্ঞান কলেজ)। এই কলেজে তিনি দু' বছর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র তেইশ। এরপর তিনি ঢাকা কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ জালালউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রণে সেখানে যোগদান করেন। আবু সায়ীদ যখন ঢাকা কলেজে যোগ দেন তখন কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও গদ্য লেখক শওকত ওসমান৷ ষাটের দশকে বাংলাদেশে যে নতুন ধারার সাহিত্য আন্দোলন হয়, তিনি ছিলেন তাঁর নেতৃত্বে। সাহিত্য পত্রিকা কণ্ঠস্বর সম্পাদনার মাধ্যমে সেকালের নবীন সাহিত্যযাত্রাকে তিনি নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দিয়ে সংহত ও বেগবান করে রেখেছিলেন এক দশক ধরে। এ সময় কিছুকাল বাংলাদেশে টেলিভিশনে উপস্থাপনাও করেন

Title

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও আমি

Author

আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ

Publisher

Bishwo Shahitto Kendro

Number of Pages

302

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Essays
  • First Published

    FEB 2023

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    বড় বেদনা ছাড়া কি বড় কাজ হয়? বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জর্নালে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ লিখেছিলেন, ‘কেন্দ্রের ভবনের ইটের দেয়ালগুলােকে আমরা কোনােদিন প্লাস্টার করব না। এই কেন্দ্র যে একদিন আমাদের রক্ত দিয়ে তৈরি হয়েছিল- এই ইটগুলাে তার সাক্ষী হয়ে থাক।' ইট তাে ক্ষয়ে যাবে, কিন্তু সুলিখিতভাবে ধরে রাখা গেলে একটি বড় স্বপ্ন ও সংগঠনের চলমান ইতিহাসটি টিকে যেতে পারে কালের আক্রমণ অগ্রাহ্য করে। সেই কাজটি নানাভাবেই করে যাচ্ছিলেন। এ-সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদজর্নাল লিখে, সাক্ষাৎকার দিয়ে, নানা জায়গায় নানা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করে। এমনকি কেন্দ্রের পরিচিতিপত্র, ঘােষণাপত্রের মধ্যেও রয়ে গেছে এই কেন্দ্রটির প্রতিষ্ঠাপুরুষের স্বপ্ন ও ভাবনার বিবরণ। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র-সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কথা, লেখা, ভাবনা ও সক্রিয়তার সমাবেশ এই গ্রন্থ। একবার পড়তে শুরু করলে আর থামা যায় না। এই বইয়ে একই সঙ্গে পাওয়া যাবে অসাধারণ কথক ও বাগ্মীর বিস্তার করা সম্মােহনী জাল, একজন স্বপ্নবান মানুষের উদ্দীপনাসঞ্চারী চিন্তা, এক বেদনার্ত প্রেমিক-হৃদয়ের গােপন রক্তক্ষরণের বিবরণ। এই বইয়ের মূল্যবান সম্পদ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর চমৎকার ভাষাশৈলী যা একই সঙ্গে মননশীল, ঋজু, প্রসাদগুণময় এবং হাস্যরসদীপ্ত! বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র সম্পর্কে তাঁর ভেতর-বাহিরের। পুরােটা বিবরণের জন্যে এই বই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কেন্দ্র বিষয়ে অনুৎসাহিত পাঠকও বইটি পড়ে ঋদ্ধ হতে পারবেন জীবন, সময়, স্বদেশ ও জগৎ নিয়ে এই চিন্তাবিদের বিচিত্রগামী ভাবনার আলােয় আলােকিত হয়ে। এই বই একই সঙ্গে ব্যক্তিগত, সাংগঠনিক ও সর্বজনীন
    No Specifications