Skip to Content
উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদী ও বামধারার রাজনীতি : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

Price:

640.00 ৳


উপমহাদেশের কৃষক বিদ্রোহ
উপমহাদেশের কৃষক বিদ্রোহ
560.00 ৳
700.00 ৳ (20% OFF)
উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ দশ রাজনীতিবিদ
উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ দশ রাজনীতিবিদ
480.00 ৳
600.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদী ও বামধারার রাজনীতি : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে মূলত দুটি প্রধান ধারা লক্ষ করা যায়। প্রথমত কংগ্রেস-মুসলিম লীগের (ব্রিটিশ আমল) ও আওয়ামী লীগের (পাকিস্তানি আমল) বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী ধারা। দ্বিতীয়ত বামপন্থি। মার্কসবাদী আন্দোলনের ধারা। তদানিন্তন অবস্থায় প্রধান। বিরােধ ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ও পাক-উপনিবেশবাদ। বনাম সমগ্র জাতির বিরােধ । এই প্রধান বিরােধ নিরসনের দুটি পথ খােলা ছিল। একটি সংস্কারবাদী পথ যেখানে শ্রেণিসংগ্রাম-পুঁজিবাদ-শােষণ বিরােধিতা পরিত্যাজ্য। যেখানে জাতীয় আন্দোলনের লক্ষ মূলত শুধু ভৌগােলিক স্বাধীনতা অর্জন; অপরটি মার্কসীয় বিপ্লববাদী পথ । সাবালটার্ন স্কুলের মতে এসব জাতীয়বাদী আন্দোলনের নেতারা ছিলেন শােষক ও উৎপীড়ক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তাই এই আন্দোলনে সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে বিরােধের চেয়ে আত্মসমর্পণের পাল্লাই অধিকতর ভারি। বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদীদের এসব আপােষকামিতা সুবিধাবাদিতা এবং জনগণের সাথে প্রতারণার বিষয়গুলাে বইয়ে বিশদভাবে তুরে ধরা হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদীরা কখনাে সাম্রাজ্যবাদ বিরােধিতা কখনাে বিদেশি হটানাের নামে, কখনাে ভারত। বিরেধিতা, কখনাে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে একই। পুঁজিবাদী সমাজকাঠামােকে বজায় রেখে ক্ষমতার। পালাবদল ঘটিয়ে শােষণ নির্যাতনের মাধ্যমে ধনী-গরিবের বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থার বিকাশ ঘটিয়ে চলছে। আলােচনা করা হয়েছে ৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগের সময় অর্থাৎ ক্ষমতা হস্তান্তরে এবং ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী। অর্থাৎ ৭১'র মুক্তিযুদ্ধের সময় বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী মূলধারাটি কেন নিয়ামক শক্তি হয়ে দাড়াল আর বামপন্থি ধারাটি এই ঘটনার ওপর তেমন বিশেষ কোনাে প্রভাবই রাখতে পারল না। ৪৭'র ভারতবর্ষ ভাগকে কেন্দ্র করে ১৯৪৬-১৯৫০-এর কালপর্বে উপমহাদেশব্যাপী বিশেষত বাংলা-বিহার ও পাঞ্জাবে হিন্দু-মুসলমান ও শিখদের মধ্যে যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা সংঘটিত হয় তার পটভূমি ও বিস্তার নিয়েও এ বইয়ে আলােচনা করা হয়। ৪৭'র ভারত ভাগের পর বাংলাদেশ ভূখ-ে বামধারার। রাজনৈতিক দলগুলাের ৬৫ বছরের রাজনীতির ইতিহাস। ডান (সুবিধাবাদী) বিচ্যুতি ও অতিবাম হঠকারিতার ইতিহাস। এ ডান (সুবিধাবাদী) বিচ্যুতি ও অতি বামহঠকারিতা কখন কীভাবে কোথায় কাজ করেছে এবং কেন বামপন্থিরা জাতীয়তাবাদী বুর্জোয়াদের বিকল্প হয়ে উঠতে পারল না। এতদসম্পর্কে এই বইয়ে বিশদভাবে আলােচনা করা হয়েছে এবং আরাে বিস্তারিত ধারণা নেওয়ার উদ্দেশ্যে এ বইয়ের পরিশিষ্টে এতদসংশ্লিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক-দলিল ও প্রামাণ্য কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/12163/image_1920?unique=fa64fa7

640.00 ৳ 640.0 BDT 800.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে মূলত দুটি প্রধান ধারা লক্ষ করা যায়। প্রথমত কংগ্রেস-মুসলিম লীগের (ব্রিটিশ আমল) ও আওয়ামী লীগের (পাকিস্তানি আমল) বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী ধারা। দ্বিতীয়ত বামপন্থি। মার্কসবাদী আন্দোলনের ধারা। তদানিন্তন অবস্থায় প্রধান। বিরােধ ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ও পাক-উপনিবেশবাদ। বনাম সমগ্র জাতির বিরােধ । এই প্রধান বিরােধ নিরসনের দুটি পথ খােলা ছিল। একটি সংস্কারবাদী পথ যেখানে শ্রেণিসংগ্রাম-পুঁজিবাদ-শােষণ বিরােধিতা পরিত্যাজ্য। যেখানে জাতীয় আন্দোলনের লক্ষ মূলত শুধু ভৌগােলিক স্বাধীনতা অর্জন; অপরটি মার্কসীয় বিপ্লববাদী পথ । সাবালটার্ন স্কুলের মতে এসব জাতীয়বাদী আন্দোলনের নেতারা ছিলেন শােষক ও উৎপীড়ক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তাই এই আন্দোলনে সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে বিরােধের চেয়ে আত্মসমর্পণের পাল্লাই অধিকতর ভারি। বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদীদের এসব আপােষকামিতা সুবিধাবাদিতা এবং জনগণের সাথে প্রতারণার বিষয়গুলাে বইয়ে বিশদভাবে তুরে ধরা হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদীরা কখনাে সাম্রাজ্যবাদ বিরােধিতা কখনাে বিদেশি হটানাের নামে, কখনাে ভারত। বিরেধিতা, কখনাে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে একই। পুঁজিবাদী সমাজকাঠামােকে বজায় রেখে ক্ষমতার। পালাবদল ঘটিয়ে শােষণ নির্যাতনের মাধ্যমে ধনী-গরিবের বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থার বিকাশ ঘটিয়ে চলছে। আলােচনা করা হয়েছে ৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগের সময় অর্থাৎ ক্ষমতা হস্তান্তরে এবং ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী। অর্থাৎ ৭১'র মুক্তিযুদ্ধের সময় বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী মূলধারাটি কেন নিয়ামক শক্তি হয়ে দাড়াল আর বামপন্থি ধারাটি এই ঘটনার ওপর তেমন বিশেষ কোনাে প্রভাবই রাখতে পারল না। ৪৭'র ভারতবর্ষ ভাগকে কেন্দ্র করে ১৯৪৬-১৯৫০-এর কালপর্বে উপমহাদেশব্যাপী বিশেষত বাংলা-বিহার ও পাঞ্জাবে হিন্দু-মুসলমান ও শিখদের মধ্যে যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা সংঘটিত হয় তার পটভূমি ও বিস্তার নিয়েও এ বইয়ে আলােচনা করা হয়। ৪৭'র ভারত ভাগের পর বাংলাদেশ ভূখ-ে বামধারার। রাজনৈতিক দলগুলাের ৬৫ বছরের রাজনীতির ইতিহাস। ডান (সুবিধাবাদী) বিচ্যুতি ও অতিবাম হঠকারিতার ইতিহাস। এ ডান (সুবিধাবাদী) বিচ্যুতি ও অতি বামহঠকারিতা কখন কীভাবে কোথায় কাজ করেছে এবং কেন বামপন্থিরা জাতীয়তাবাদী বুর্জোয়াদের বিকল্প হয়ে উঠতে পারল না। এতদসম্পর্কে এই বইয়ে বিশদভাবে আলােচনা করা হয়েছে এবং আরাে বিস্তারিত ধারণা নেওয়ার উদ্দেশ্যে এ বইয়ের পরিশিষ্টে এতদসংশ্লিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক-দলিল ও প্রামাণ্য কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।

জয়নাল আবেদীন

জয়নাল আবেদীন বামপন্থি রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক, বিশিষ্ট আইনজীবী ও লেখক এবং পত্রিকা সম্পাদক ও নিবন্ধকার জয়নাল আবেদীনের জন্ম ১৯৫৫ সালের ২৫ জুলাই ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ আলীপুর গ্রামে। বর্তমান নিবাস দাগনভূঞা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডস্থ বেতুয়া গ্রামে। পিতা মরহুম তফাজ্জল হােসেন ও মাতা ফয়জুন নেছা। জয়নাল আবেদীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৫ সালে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে এমএসএস এবং ১৯৮৭ সালে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৭ সালে তিনি দাগনভূঞা সদরে প্রতিষ্ঠা করেন গণপাঠাগার নামক একটি গ্রন্থাগার এবং ১৯৭৯ সালে ফেনী-দাগনভূঞার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন কালান্তর গােষ্ঠী। ১৯৮৪ সালে গড়ে তােলেন দরবার ই-জহুর খ্যাত জহুর হােসেন চৌধুরী নামে জহুর হােসেন চৌধুরী গ্রন্থাগার। ইতােমধ্যে ‘সমকালীন বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ, ‘এম.এন. রায় : সমাজ বদলের এক অশাত বিশ্বপথিক’, ‘বাংলা ও বাঙালির চিরকালের অহংকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও অন্যান্য’ ও ‘গণতন্ত্রের সন্ধানে। বাংলাদেশ’ নামক চারটি গ্রন্থ এবং তার সংকলন ও সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে একটি আকর এই ‘বাংলা বাঙালি বাংলাদেশ’

Title

উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদী ও বামধারার রাজনীতি : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

Author

জয়নাল আবেদীন

Publisher

Banglaprakash (a concern of Omicon Group)

Number of Pages

603

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Politics
  • First Published

    FEB 2013

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে মূলত দুটি প্রধান ধারা লক্ষ করা যায়। প্রথমত কংগ্রেস-মুসলিম লীগের (ব্রিটিশ আমল) ও আওয়ামী লীগের (পাকিস্তানি আমল) বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী ধারা। দ্বিতীয়ত বামপন্থি। মার্কসবাদী আন্দোলনের ধারা। তদানিন্তন অবস্থায় প্রধান। বিরােধ ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ও পাক-উপনিবেশবাদ। বনাম সমগ্র জাতির বিরােধ । এই প্রধান বিরােধ নিরসনের দুটি পথ খােলা ছিল। একটি সংস্কারবাদী পথ যেখানে শ্রেণিসংগ্রাম-পুঁজিবাদ-শােষণ বিরােধিতা পরিত্যাজ্য। যেখানে জাতীয় আন্দোলনের লক্ষ মূলত শুধু ভৌগােলিক স্বাধীনতা অর্জন; অপরটি মার্কসীয় বিপ্লববাদী পথ । সাবালটার্ন স্কুলের মতে এসব জাতীয়বাদী আন্দোলনের নেতারা ছিলেন শােষক ও উৎপীড়ক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তাই এই আন্দোলনে সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে বিরােধের চেয়ে আত্মসমর্পণের পাল্লাই অধিকতর ভারি। বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদীদের এসব আপােষকামিতা সুবিধাবাদিতা এবং জনগণের সাথে প্রতারণার বিষয়গুলাে বইয়ে বিশদভাবে তুরে ধরা হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদীরা কখনাে সাম্রাজ্যবাদ বিরােধিতা কখনাে বিদেশি হটানাের নামে, কখনাে ভারত। বিরেধিতা, কখনাে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে একই। পুঁজিবাদী সমাজকাঠামােকে বজায় রেখে ক্ষমতার। পালাবদল ঘটিয়ে শােষণ নির্যাতনের মাধ্যমে ধনী-গরিবের বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থার বিকাশ ঘটিয়ে চলছে। আলােচনা করা হয়েছে ৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগের সময় অর্থাৎ ক্ষমতা হস্তান্তরে এবং ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী। অর্থাৎ ৭১'র মুক্তিযুদ্ধের সময় বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদী মূলধারাটি কেন নিয়ামক শক্তি হয়ে দাড়াল আর বামপন্থি ধারাটি এই ঘটনার ওপর তেমন বিশেষ কোনাে প্রভাবই রাখতে পারল না। ৪৭'র ভারতবর্ষ ভাগকে কেন্দ্র করে ১৯৪৬-১৯৫০-এর কালপর্বে উপমহাদেশব্যাপী বিশেষত বাংলা-বিহার ও পাঞ্জাবে হিন্দু-মুসলমান ও শিখদের মধ্যে যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা সংঘটিত হয় তার পটভূমি ও বিস্তার নিয়েও এ বইয়ে আলােচনা করা হয়। ৪৭'র ভারত ভাগের পর বাংলাদেশ ভূখ-ে বামধারার। রাজনৈতিক দলগুলাের ৬৫ বছরের রাজনীতির ইতিহাস। ডান (সুবিধাবাদী) বিচ্যুতি ও অতিবাম হঠকারিতার ইতিহাস। এ ডান (সুবিধাবাদী) বিচ্যুতি ও অতি বামহঠকারিতা কখন কীভাবে কোথায় কাজ করেছে এবং কেন বামপন্থিরা জাতীয়তাবাদী বুর্জোয়াদের বিকল্প হয়ে উঠতে পারল না। এতদসম্পর্কে এই বইয়ে বিশদভাবে আলােচনা করা হয়েছে এবং আরাে বিস্তারিত ধারণা নেওয়ার উদ্দেশ্যে এ বইয়ের পরিশিষ্টে এতদসংশ্লিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক-দলিল ও প্রামাণ্য কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।
    No Specifications