Skip to Content
শেষের কবিতা (বাংলাপ্রকাশ)

Price:

120.00 ৳


I Can Colour 1
I Can Colour 1
104.00 ৳
130.00 ৳ (20% OFF)
বকপক্ষী ও সারমেয় ভ্রাতৃত্রয়
বকপক্ষী ও সারমেয় ভ্রাতৃত্রয়
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

শেষের কবিতা (বাংলাপ্রকাশ)

কলকাতার কলেজে পড়ে যতিশংকর। থাকে কলুটোলা প্রেসিডেনসি কলেজের মেসে। অমিত তাকে প্রায় বাড়িতে নিয়ে আসে, খাওয়ায়, তার সঙ্গে না না বই পড়ে, না না অদ্ভুত কথায় তার মনটাকে চমকিয়ে দেয়, মােটরে করে তাকে বেড়িয়ে নিয়ে আসে। তারপর কিছুকাল যতিশংকর অমিতর কোনাে নিশ্চিত খবর পায় না। কখনও শােনে সে নৈনিতালে, কখনও উটকামন্ডে । একদিন শুনলে, অমিতর এক বন্ধু ঠাট্টা করে বলছে, সে আজকাল কেটি মিত্তিরের বাইরেকার রংটা ঘােচাতে উঠেপড়ে লেগেছে। কাজ পেয়েছে মনের মতাে। এতদিন অমিত মুর্তি গড়বার শখ মেটাত কথা দিয়ে, আজ পেয়েছে সজীব মানুষ। সে মানুষটিও একে একে আপন উপকার রঙিন পাপড়িগুলাে খসাতে রাজি, চরমে ফল ধরবে আশা করে। অমিতর বােন লিসি নাকি বলছে, কেটিকে একেবারে চেনাই যায় না। তাকে নাকি বড় বেশি স্বাভাবিক দেখাচ্ছে। বন্ধুদের সে বলে দিয়েছে তাকে কেতকী বলে ডাকতে। এটা তার পক্ষে নির্লজ্জতা, যে মেয়ে একদা ফিনফিনে শাড়ি পরত সেই লজ্জাবতীর পক্ষে জামা শেমিজ পরারই মতাে। অমিত তাকে নাকি নিভৃতে ডাকে কেয়া বলে। এ কথাও লােকে কানাকানি করছে যে, নৈনিতালের সরােবরে নৌকো ভাসিয়ে কেটি তার হাল ধরেছে, আর অমিত তাকে পড়ে শােনাচ্ছে রবি ঠাকুরের ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/38958/image_1920?unique=7842928

120.00 ৳ 120.0 BDT 150.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

কলকাতার কলেজে পড়ে যতিশংকর। থাকে কলুটোলা প্রেসিডেনসি কলেজের মেসে। অমিত তাকে প্রায় বাড়িতে নিয়ে আসে, খাওয়ায়, তার সঙ্গে না না বই পড়ে, না না অদ্ভুত কথায় তার মনটাকে চমকিয়ে দেয়, মােটরে করে তাকে বেড়িয়ে নিয়ে আসে। তারপর কিছুকাল যতিশংকর অমিতর কোনাে নিশ্চিত খবর পায় না। কখনও শােনে সে নৈনিতালে, কখনও উটকামন্ডে । একদিন শুনলে, অমিতর এক বন্ধু ঠাট্টা করে বলছে, সে আজকাল কেটি মিত্তিরের বাইরেকার রংটা ঘােচাতে উঠেপড়ে লেগেছে। কাজ পেয়েছে মনের মতাে। এতদিন অমিত মুর্তি গড়বার শখ মেটাত কথা দিয়ে, আজ পেয়েছে সজীব মানুষ। সে মানুষটিও একে একে আপন উপকার রঙিন পাপড়িগুলাে খসাতে রাজি, চরমে ফল ধরবে আশা করে। অমিতর বােন লিসি নাকি বলছে, কেটিকে একেবারে চেনাই যায় না। তাকে নাকি বড় বেশি স্বাভাবিক দেখাচ্ছে। বন্ধুদের সে বলে দিয়েছে তাকে কেতকী বলে ডাকতে। এটা তার পক্ষে নির্লজ্জতা, যে মেয়ে একদা ফিনফিনে শাড়ি পরত সেই লজ্জাবতীর পক্ষে জামা শেমিজ পরারই মতাে। অমিত তাকে নাকি নিভৃতে ডাকে কেয়া বলে। এ কথাও লােকে কানাকানি করছে যে, নৈনিতালের সরােবরে নৌকো ভাসিয়ে কেটি তার হাল ধরেছে, আর অমিত তাকে পড়ে শােনাচ্ছে রবি ঠাকুরের ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্পকার, চিত্রশিল্পী, সংগীতস্রষ্টা, অভিনেতা, কন্ঠশিল্পী, কবি, সমাজ-সংস্কারক এবং দার্শনিক। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রথম বাঙালি হিসেবে ১৯১৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে তৎকালীন ব্রিটিশ-শাসিত ভারতে কলকাতার ধনাঢ্য ও সংস্কৃতিমনা জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। ভানুসিংহ ঠাকুর ছিল তাঁর ছদ্মনাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বই মানেই এক মোহের মাঝে আটকে যাওয়া, যে মোহ পাঠককে জীবনের নানা রঙের সাথে পরিচিত করিয়ে দেয় নানা ঢঙে, নানা ছন্দে, নানা সুর ও বর্ণে। তাঁর ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাট্যগ্রন্থ, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর কিছুদিন পরই আলোর মুখ দেখে। কাবুলিওয়ালা, হৈমন্তী, পোস্টমাস্টারসহ মোট ৯৫টি গল্প স্থান পেয়েছে তাঁর ‘গল্পগুচ্ছ’ গ্রন্থে। অন্যদিকে ‘গীতবিতান’ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে ১,৯১৫টি গান। উপন্যাস, কবিতা, সঙ্গীত, ছোটগল্প, গীতিনাট্য, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনীসহ সাহিত্যের সকল শাখাই যেন ধারণ করে আছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বই সমূহ। তিনি একাধারে নাট্যকার ও নাট্যাভিনেতা দুই-ই ছিলেন। কোনো প্রথাগত শিক্ষা ছাড়া তিনি চিত্রাংকনও করতেন। তৎকালীন সমাজ-সংস্কারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই গুণী ব্যক্তিত্ব। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাতেই অনূদিত হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বই সমগ্র। তাঁর যাবতীয় রচনা ‘রবীন্দ্র রচনাবলী’ নামে ত্রিশ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট জোড়াসাঁকোর বাড়িতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর পর এতদিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও স্বমহিমায় ভাস্বর। আজও আমাদের বাঙালি জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে বিশ্বকবির সাহিত্যকর্ম।

Title

শেষের কবিতা (বাংলাপ্রকাশ)

Author

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Publisher

Banglaprakash (a concern of Omicon Group)

Number of Pages

112

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Stories
  • First Published

    FEB 2016

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    কলকাতার কলেজে পড়ে যতিশংকর। থাকে কলুটোলা প্রেসিডেনসি কলেজের মেসে। অমিত তাকে প্রায় বাড়িতে নিয়ে আসে, খাওয়ায়, তার সঙ্গে না না বই পড়ে, না না অদ্ভুত কথায় তার মনটাকে চমকিয়ে দেয়, মােটরে করে তাকে বেড়িয়ে নিয়ে আসে। তারপর কিছুকাল যতিশংকর অমিতর কোনাে নিশ্চিত খবর পায় না। কখনও শােনে সে নৈনিতালে, কখনও উটকামন্ডে । একদিন শুনলে, অমিতর এক বন্ধু ঠাট্টা করে বলছে, সে আজকাল কেটি মিত্তিরের বাইরেকার রংটা ঘােচাতে উঠেপড়ে লেগেছে। কাজ পেয়েছে মনের মতাে। এতদিন অমিত মুর্তি গড়বার শখ মেটাত কথা দিয়ে, আজ পেয়েছে সজীব মানুষ। সে মানুষটিও একে একে আপন উপকার রঙিন পাপড়িগুলাে খসাতে রাজি, চরমে ফল ধরবে আশা করে। অমিতর বােন লিসি নাকি বলছে, কেটিকে একেবারে চেনাই যায় না। তাকে নাকি বড় বেশি স্বাভাবিক দেখাচ্ছে। বন্ধুদের সে বলে দিয়েছে তাকে কেতকী বলে ডাকতে। এটা তার পক্ষে নির্লজ্জতা, যে মেয়ে একদা ফিনফিনে শাড়ি পরত সেই লজ্জাবতীর পক্ষে জামা শেমিজ পরারই মতাে। অমিত তাকে নাকি নিভৃতে ডাকে কেয়া বলে। এ কথাও লােকে কানাকানি করছে যে, নৈনিতালের সরােবরে নৌকো ভাসিয়ে কেটি তার হাল ধরেছে, আর অমিত তাকে পড়ে শােনাচ্ছে রবি ঠাকুরের ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা।
    No Specifications