Skip to Content
মোহিনীর বিয়ে

Price:

160.00 ৳


মোহাম্মদ নাসের এক মৃত্যুহীন প্রাণ
মোহাম্মদ নাসের এক মৃত্যুহীন প্রাণ
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
মৌনতা
মৌনতা
160.00 ৳
200.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

মোহিনীর বিয়ে

এই উপন্যাসে যে মেয়েটির গল্প বলা হয়েছে সেটি শুধু একটি মেয়ের গল্প নয়। এ গল্পের শিকড় সমাজের অনেক গভীরে বিস্তৃত। একটি গল্পের সূত্র ধরে উঠে আসে আরব্যরজনীর হাজার কাহিনী। এই উপন্যাসের রমজান আলি ভালােবাসার নামে প্রতারিত করে নিজ প্রেমিকাকে। তাকে বিক্রি করে দেয়। পতিতালয়ে। সময়ের পরিধিতে দুজনের জীবন গড়ায়। দুজনের আবার দেখা হয় পতিতালয়ে। ততােদিনে। রমজান আলি সংসারী এবং পাঁচ কন্যার জনক। পতিতালয়ে প্রাক্তন প্রেমিকাকে গর্ভবতী দেখে সে। প্রতারণার নতুন জাল ফাঁদে। প্রেমিকাকে বলে, আমার স্ত্রীও গর্ভবতী। তােমাদের দুজনের একই সময়ে সন্তান। হবে। তােমার ছেলে হলে আমাকে দিও। ওকে লুকিয়ে আমার স্ত্রীর কোলে দেবাে। আমার বংশরক্ষা হবে। প্রেমিকা বলে, এবার তােমার মেয়ে হলে আমাকে দিও। পতিতালয়ে মেয়েরা সােনা। এভাবেই বদল হয় মােহিনী। শুরু হয় জীবনের টানাপােড়েন। পতিতালয়ে থাকতে হয় না মােহিনীকে। ঘুরে যায় জীবনের মােড়। সে জন্মেছিলাে একটি স্বাভাবিক জমিনে। যে স্বাভাবিক জমিন নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্র। জন্মের পর মেয়েটি গিয়ে পড়লাে আর একটি জমিনে। সে অস্বাভাবিক জমিনটিও তৈরি করে রাষ্ট্র। পতিতালয়ের মাধ্যমে পুরষের অনৈতিক যৌনতাকে বৈধতা দেয় রাষ্ট্র। কিন্তু ভুক্তভােগী নারীকে দেয় না সামাজিক স্বীকৃতি। রাষ্ট্র এবং জীবনের পটভূমিতে তৈরি এই টানাপােড়েন সম্পর্কের ভেতর গড়ে উঠেছে কাহিনী। তার পরও এককভাবে মােহিনীর জন্য থেকে যায় খানিকটুকু জায়গা। এ জায়গাটুকু তার জীবনের পক্ষে যায় না। অনুর্বর, পতিত জমি হয়ে ওঠে। সত্যি কি এই জায়গাটুকু মােহিনীর একার? নাকি এর দায়িত্ব কারাে ওপর বর্তায়? এই উপন্যাস সেই প্রশ্নের জিজ্ঞাসা।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/38156/image_1920?unique=0c89e89

160.00 ৳ 160.0 BDT 200.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

এই উপন্যাসে যে মেয়েটির গল্প বলা হয়েছে সেটি শুধু একটি মেয়ের গল্প নয়। এ গল্পের শিকড় সমাজের অনেক গভীরে বিস্তৃত। একটি গল্পের সূত্র ধরে উঠে আসে আরব্যরজনীর হাজার কাহিনী। এই উপন্যাসের রমজান আলি ভালােবাসার নামে প্রতারিত করে নিজ প্রেমিকাকে। তাকে বিক্রি করে দেয়। পতিতালয়ে। সময়ের পরিধিতে দুজনের জীবন গড়ায়। দুজনের আবার দেখা হয় পতিতালয়ে। ততােদিনে। রমজান আলি সংসারী এবং পাঁচ কন্যার জনক। পতিতালয়ে প্রাক্তন প্রেমিকাকে গর্ভবতী দেখে সে। প্রতারণার নতুন জাল ফাঁদে। প্রেমিকাকে বলে, আমার স্ত্রীও গর্ভবতী। তােমাদের দুজনের একই সময়ে সন্তান। হবে। তােমার ছেলে হলে আমাকে দিও। ওকে লুকিয়ে আমার স্ত্রীর কোলে দেবাে। আমার বংশরক্ষা হবে। প্রেমিকা বলে, এবার তােমার মেয়ে হলে আমাকে দিও। পতিতালয়ে মেয়েরা সােনা। এভাবেই বদল হয় মােহিনী। শুরু হয় জীবনের টানাপােড়েন। পতিতালয়ে থাকতে হয় না মােহিনীকে। ঘুরে যায় জীবনের মােড়। সে জন্মেছিলাে একটি স্বাভাবিক জমিনে। যে স্বাভাবিক জমিন নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্র। জন্মের পর মেয়েটি গিয়ে পড়লাে আর একটি জমিনে। সে অস্বাভাবিক জমিনটিও তৈরি করে রাষ্ট্র। পতিতালয়ের মাধ্যমে পুরষের অনৈতিক যৌনতাকে বৈধতা দেয় রাষ্ট্র। কিন্তু ভুক্তভােগী নারীকে দেয় না সামাজিক স্বীকৃতি। রাষ্ট্র এবং জীবনের পটভূমিতে তৈরি এই টানাপােড়েন সম্পর্কের ভেতর গড়ে উঠেছে কাহিনী। তার পরও এককভাবে মােহিনীর জন্য থেকে যায় খানিকটুকু জায়গা। এ জায়গাটুকু তার জীবনের পক্ষে যায় না। অনুর্বর, পতিত জমি হয়ে ওঠে। সত্যি কি এই জায়গাটুকু মােহিনীর একার? নাকি এর দায়িত্ব কারাে ওপর বর্তায়? এই উপন্যাস সেই প্রশ্নের জিজ্ঞাসা।

সেলিনা হোসেন

সেলিনা হোসেন ২১টি উপন্যাস, ৭টি গল্পগ্রন্থ ও ৪টি প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। সমকালীন রাজনৈতিক সংকট ও দ্বন্দ্বের উৎস ও প্রেক্ষাপট উঠে এসেছে সেলিনা হোসেন এর বই সমূহ-তে। সেলিনা হোসেন এর বই সমগ্র অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, রুশসহ একাধিক ভাষায়। প্রবীণ এ লেখিকা ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর কর্মজীবন থেকে অবসর নেন। সেলিনা হোসেন ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। আদি পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীতে হলেও সেখানে বেশি দিন থাকা হয়নি তার। চাকরিসূত্রে তার বাবা রাজশাহী চলে এলে সেটিই হয়ে ওঠে সেলিনার শহর। স্থানীয় এক বালিকা বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে রাজশাহী মহিলা কলেজে ভর্তি হন। ছোটবেলা থেকেই সাহিত্য পড়তে ভালোবাসতেন তিনি। আর ভালোবাসার টানে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। এখান থেকেই স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমির গবেষণা সহকারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন সেলিনা হোসেন। এরপর সরকারি কলেজে শিক্ষকতা এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনেও কাজ করেছেন তিনি। পাশাপাশি পত্রপত্রিকার জন্য চালিয়ে গেছেন তার কলম। টানা ২০ বছর তিনি ‘ধান শালিকের দেশ’ পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমির প্রথম নারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেলিনা হোসেন মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস রচনা করে পাঠকমনে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার রচিত মুক্তযুদ্ধ বিষয়ক কালজয়ী উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ নিয়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্রও। ‘যাপিত জীবন’, ‘ক্ষরণ’, ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’, ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’, ‘যুদ্ধ’, ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ (তিন খণ্ড) ইত্যাদি তার জনপ্রিয় উপন্যাস। ‘স্বদেশে পরবাসী’, ‘একাত্তরের ঢাকা’, ‘ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন’ ইত্যাদি তার জনপ্রিয় প্রবন্ধ। কিশোরদের জন্য তিনি লিখেছেন ‘কাকতাড়ুয়া’, ‘চাঁদের বুড়ি পান্তা ইলিশ’, ‘আকাশ পরী’, ‘এক রূপোলি নদী’ সহ বেশ কিছু সুপাঠ্য গ্রন্থ। সাহিত্যাঙ্গনে এই অনবদ্য অবদানের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে। এছাড়াও তিনি ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’, ‘রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার’, ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ সহ অসংখ্য পদক পুরস্কার পেয়েছেন।

Title

মোহিনীর বিয়ে

Author

সেলিনা হোসেন

Publisher

Mowla Brothers

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Novel
  • Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    এই উপন্যাসে যে মেয়েটির গল্প বলা হয়েছে সেটি শুধু একটি মেয়ের গল্প নয়। এ গল্পের শিকড় সমাজের অনেক গভীরে বিস্তৃত। একটি গল্পের সূত্র ধরে উঠে আসে আরব্যরজনীর হাজার কাহিনী। এই উপন্যাসের রমজান আলি ভালােবাসার নামে প্রতারিত করে নিজ প্রেমিকাকে। তাকে বিক্রি করে দেয়। পতিতালয়ে। সময়ের পরিধিতে দুজনের জীবন গড়ায়। দুজনের আবার দেখা হয় পতিতালয়ে। ততােদিনে। রমজান আলি সংসারী এবং পাঁচ কন্যার জনক। পতিতালয়ে প্রাক্তন প্রেমিকাকে গর্ভবতী দেখে সে। প্রতারণার নতুন জাল ফাঁদে। প্রেমিকাকে বলে, আমার স্ত্রীও গর্ভবতী। তােমাদের দুজনের একই সময়ে সন্তান। হবে। তােমার ছেলে হলে আমাকে দিও। ওকে লুকিয়ে আমার স্ত্রীর কোলে দেবাে। আমার বংশরক্ষা হবে। প্রেমিকা বলে, এবার তােমার মেয়ে হলে আমাকে দিও। পতিতালয়ে মেয়েরা সােনা। এভাবেই বদল হয় মােহিনী। শুরু হয় জীবনের টানাপােড়েন। পতিতালয়ে থাকতে হয় না মােহিনীকে। ঘুরে যায় জীবনের মােড়। সে জন্মেছিলাে একটি স্বাভাবিক জমিনে। যে স্বাভাবিক জমিন নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্র। জন্মের পর মেয়েটি গিয়ে পড়লাে আর একটি জমিনে। সে অস্বাভাবিক জমিনটিও তৈরি করে রাষ্ট্র। পতিতালয়ের মাধ্যমে পুরষের অনৈতিক যৌনতাকে বৈধতা দেয় রাষ্ট্র। কিন্তু ভুক্তভােগী নারীকে দেয় না সামাজিক স্বীকৃতি। রাষ্ট্র এবং জীবনের পটভূমিতে তৈরি এই টানাপােড়েন সম্পর্কের ভেতর গড়ে উঠেছে কাহিনী। তার পরও এককভাবে মােহিনীর জন্য থেকে যায় খানিকটুকু জায়গা। এ জায়গাটুকু তার জীবনের পক্ষে যায় না। অনুর্বর, পতিত জমি হয়ে ওঠে। সত্যি কি এই জায়গাটুকু মােহিনীর একার? নাকি এর দায়িত্ব কারাে ওপর বর্তায়? এই উপন্যাস সেই প্রশ্নের জিজ্ঞাসা।
    No Specifications