Skip to Content
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ৩

Price:

440.00 ৳


আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ২
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ২
640.00 ৳
800.00 ৳ (20% OFF)
আগস্ট আবছায়া
আগস্ট আবছায়া
640.00 ৳
800.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ৩

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক শীর্ষপ্রতিভা। তাঁর মহাকাব্যোপম। উপন্যাস খােয়াবনামা ও চিলেকোঠার সেপাই এবং অসাধারণ গল্পগ্রন্থ অন্যঘরে অন্যস্বর, দুধেভাতে উৎপাত, খােয়াবনামা, দোজখের ওম ইত্যাদির জন্য তিনি জীবকালেই এই স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন। এগুলাের যে-কোনাে একটি বা দুটি রচনার জন্যেই একজন লেখক সাহিত্যের ইতিহাসে অক্ষয় খ্যাতির অধিকারী হতে পারেন। এমনিতে ইলিয়াসের গ্রন্থের সংখ্যা অবশ্য বেশি নয়। তবে তাঁর প্রতিটি রচনার পেছনেই আছে প্রস্তুতির দীর্ঘ ইতিহাস। সে-প্রস্তুতি শারীরিক ও মানসিক। উভয়ত আর সে-প্রস্তুতির পরিচয় যেমন ছড়িয়ে আছে তাঁর গল্প-উপন্যাসে, তেমনি প্রবন্ধ, দিনলিপি, চিঠিপত্র ও সাক্ষাৎকারে ইলিয়াস ছিলেন অত্যন্ত সচেতন ও দায়িত্বশীল একজন লেখক। শিল্পী হিসেবে আপন গন্তব্য ও পথ সম্পর্কে তাঁর স্পষ্ট ধারণা ছিল। একইভাবে যে-জীবন ও সমাজকে তিনি তার রচনায় তুলে এনেছেন, তার সম্পর্কে ছিল। নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচার-বিশ্লেষণ। আমাদের খুবই চেনাশােনা বলে মনে হয় যে-জীবন ও পরিপার্শ্ব, তার ভেতরেও যে আরও অনেককিছু দেখার ও বােঝার আছে—ইলিয়াসের লেখা আমাদেরকে তা নাড়া দিয়ে জানিয়ে দেয়। তীব্র অন্তর্ভেদী দৃষ্টি দিয়ে জীবন ও সমাজের আগাপাশতলা দেখেছিলেন বলেই তার পক্ষে এটা সম্ভব হয়েছে। একজন লেখকের অন্তরলােকের পরিচয় বিধৃত থাকে। প্রধানত তাঁর সৃষ্টিকর্মে একথা যেমন সত্যি তেমনি তাঁর শিল্পীপ্রতিভাকে সম্যক বােঝার জন্যে তাঁর দিনযাপনের বিবরণীটিও অনেকসময় জরুরি হয়ে। দাঁড়ায়। বিশেষ করে সে-লেখকটি যদি হন। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মতাে একজন, নিজের সম্পর্কে যিনি বলতেন যে তিনি চব্বিশ ঘণ্টার ।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/11646/image_1920?unique=ca73188

440.00 ৳ 440.0 BDT 550.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক শীর্ষপ্রতিভা। তাঁর মহাকাব্যোপম। উপন্যাস খােয়াবনামা ও চিলেকোঠার সেপাই এবং অসাধারণ গল্পগ্রন্থ অন্যঘরে অন্যস্বর, দুধেভাতে উৎপাত, খােয়াবনামা, দোজখের ওম ইত্যাদির জন্য তিনি জীবকালেই এই স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন। এগুলাের যে-কোনাে একটি বা দুটি রচনার জন্যেই একজন লেখক সাহিত্যের ইতিহাসে অক্ষয় খ্যাতির অধিকারী হতে পারেন। এমনিতে ইলিয়াসের গ্রন্থের সংখ্যা অবশ্য বেশি নয়। তবে তাঁর প্রতিটি রচনার পেছনেই আছে প্রস্তুতির দীর্ঘ ইতিহাস। সে-প্রস্তুতি শারীরিক ও মানসিক। উভয়ত আর সে-প্রস্তুতির পরিচয় যেমন ছড়িয়ে আছে তাঁর গল্প-উপন্যাসে, তেমনি প্রবন্ধ, দিনলিপি, চিঠিপত্র ও সাক্ষাৎকারে ইলিয়াস ছিলেন অত্যন্ত সচেতন ও দায়িত্বশীল একজন লেখক। শিল্পী হিসেবে আপন গন্তব্য ও পথ সম্পর্কে তাঁর স্পষ্ট ধারণা ছিল। একইভাবে যে-জীবন ও সমাজকে তিনি তার রচনায় তুলে এনেছেন, তার সম্পর্কে ছিল। নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচার-বিশ্লেষণ। আমাদের খুবই চেনাশােনা বলে মনে হয় যে-জীবন ও পরিপার্শ্ব, তার ভেতরেও যে আরও অনেককিছু দেখার ও বােঝার আছে—ইলিয়াসের লেখা আমাদেরকে তা নাড়া দিয়ে জানিয়ে দেয়। তীব্র অন্তর্ভেদী দৃষ্টি দিয়ে জীবন ও সমাজের আগাপাশতলা দেখেছিলেন বলেই তার পক্ষে এটা সম্ভব হয়েছে। একজন লেখকের অন্তরলােকের পরিচয় বিধৃত থাকে। প্রধানত তাঁর সৃষ্টিকর্মে একথা যেমন সত্যি তেমনি তাঁর শিল্পীপ্রতিভাকে সম্যক বােঝার জন্যে তাঁর দিনযাপনের বিবরণীটিও অনেকসময় জরুরি হয়ে। দাঁড়ায়। বিশেষ করে সে-লেখকটি যদি হন। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মতাে একজন, নিজের সম্পর্কে যিনি বলতেন যে তিনি চব্বিশ ঘণ্টার ।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ - ৪ জানুয়ারি ১৯৯৭) বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তিনি একজন স্বল্পপ্রজ লেখক ছিলেন। দুইটি উপন্যাস, গোটা পাঁচেক গল্পগ্রন্থ আর একটি প্রবন্ধ সংকলন এই নিয়ে তার রচনাসম্ভার। বাস্তবতার নিপুণ চিত্রণ, ইতিহাস ও রাজনৈতিক জ্ঞান, গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও সূক্ষ্ম কৌতুকবোধ তার রচনাকে দিয়েছে ব্যতিক্রমী সুষমা। বাংলা সাহিত্যে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পরেই তিনি সর্বাধিক প্রশংসিত বাংলাদেশী লেখক। তাকে সমাজবাস্তবতার অনন্যসাধারণ রূপকার বলা হয়েছে। আখতারুজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াসের কর্মজীবন শুরু হয় জগন্নাথ কলেজে প্রভাষক পদে যোগদানের মাধ্যমে। এরপর তিনি মিউজিক কলেজের উপাধ্যক্ষ, প্রাইমারি শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরিচালক, ঢাকা কলেজের বাংলার প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মফিজউদ্দিন শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বিয়ে করেন। তার স্ত্রীর নাম সুরাইয়া তুতুল। মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিচিত মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেন, গোপনে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তার লেখা প্রতিশোধ, অন্য ঘরে অন্য স্বর, খোঁয়ারি, মিলির হাতে স্টেনগান, অপঘাত, জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল, রেইনকোট প্রভৃতি গল্পে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধপরবর্তী রাজনৈতিক এবং সামাজিক বাস্তবতা। ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠিত হলেও সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে বাকশালে যোগ দেওয়ার চাপ থাকলেও যোগ দেন নি। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী বলেছেন, "কী পশ্চিম বাংলা কী বাংলাদেশ সবটা মেলালে তিনি শ্রেষ্ঠ লেখক।" লিখেছেন, "ইলিয়াস-এর পায়ের নখের তুল্য কিছু লিখতে পারলে আমি ধন্য হতাম।"[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ইমদাদুল হক মিলন বলেন: "গত ১৫-২০ বছরের মধ্যে তাঁর এ দু'টি উপন্যাস বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।"[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ১৯৮৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। ১৯৯৬ সালে আনন্দ পুরস্কারে ভূষিত হন।

Title

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ৩

Author

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

Publisher

Mowla Brothers

Number of Pages

454

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Essays
  • First Published

    MAY 2022

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক শীর্ষপ্রতিভা। তাঁর মহাকাব্যোপম। উপন্যাস খােয়াবনামা ও চিলেকোঠার সেপাই এবং অসাধারণ গল্পগ্রন্থ অন্যঘরে অন্যস্বর, দুধেভাতে উৎপাত, খােয়াবনামা, দোজখের ওম ইত্যাদির জন্য তিনি জীবকালেই এই স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন। এগুলাের যে-কোনাে একটি বা দুটি রচনার জন্যেই একজন লেখক সাহিত্যের ইতিহাসে অক্ষয় খ্যাতির অধিকারী হতে পারেন। এমনিতে ইলিয়াসের গ্রন্থের সংখ্যা অবশ্য বেশি নয়। তবে তাঁর প্রতিটি রচনার পেছনেই আছে প্রস্তুতির দীর্ঘ ইতিহাস। সে-প্রস্তুতি শারীরিক ও মানসিক। উভয়ত আর সে-প্রস্তুতির পরিচয় যেমন ছড়িয়ে আছে তাঁর গল্প-উপন্যাসে, তেমনি প্রবন্ধ, দিনলিপি, চিঠিপত্র ও সাক্ষাৎকারে ইলিয়াস ছিলেন অত্যন্ত সচেতন ও দায়িত্বশীল একজন লেখক। শিল্পী হিসেবে আপন গন্তব্য ও পথ সম্পর্কে তাঁর স্পষ্ট ধারণা ছিল। একইভাবে যে-জীবন ও সমাজকে তিনি তার রচনায় তুলে এনেছেন, তার সম্পর্কে ছিল। নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচার-বিশ্লেষণ। আমাদের খুবই চেনাশােনা বলে মনে হয় যে-জীবন ও পরিপার্শ্ব, তার ভেতরেও যে আরও অনেককিছু দেখার ও বােঝার আছে—ইলিয়াসের লেখা আমাদেরকে তা নাড়া দিয়ে জানিয়ে দেয়। তীব্র অন্তর্ভেদী দৃষ্টি দিয়ে জীবন ও সমাজের আগাপাশতলা দেখেছিলেন বলেই তার পক্ষে এটা সম্ভব হয়েছে। একজন লেখকের অন্তরলােকের পরিচয় বিধৃত থাকে। প্রধানত তাঁর সৃষ্টিকর্মে একথা যেমন সত্যি তেমনি তাঁর শিল্পীপ্রতিভাকে সম্যক বােঝার জন্যে তাঁর দিনযাপনের বিবরণীটিও অনেকসময় জরুরি হয়ে। দাঁড়ায়। বিশেষ করে সে-লেখকটি যদি হন। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মতাে একজন, নিজের সম্পর্কে যিনি বলতেন যে তিনি চব্বিশ ঘণ্টার ।
    No Specifications